সেনা উভ্যুত্থানের চেষ্টায় উস্কানি ছড়াচ্ছে জামাত।

সেনা অভ্যুত্থানের নীল নকশা নিয়ে মাঠে নেমেছে জামাত। জানা যায় দেশের বিভিন্ন সেনা ক্যাম্পে জামাত উস্কানিমূলক লিফলেট বিতরণ করেছে, যেখানে ধর্মভীরু সেনা সদস্যদের ধর্মীয় অনুভূতিকে পুঁজি করে ফেসবুক এবং ব্লগের নাস্তিকতা নিয়ে লেখালেখিকে ইস্যু করে এই ধরনের কাজ করে যাচ্ছে জামাত-শিবির।


সেনা অভ্যুত্থানের নীল নকশা নিয়ে মাঠে নেমেছে জামাত। জানা যায় দেশের বিভিন্ন সেনা ক্যাম্পে জামাত উস্কানিমূলক লিফলেট বিতরণ করেছে, যেখানে ধর্মভীরু সেনা সদস্যদের ধর্মীয় অনুভূতিকে পুঁজি করে ফেসবুক এবং ব্লগের নাস্তিকতা নিয়ে লেখালেখিকে ইস্যু করে এই ধরনের কাজ করে যাচ্ছে জামাত-শিবির।

আজ সারা দেশে জামাত-শিবিরের তাণ্ডব এবং সেনা সদস্যদের মাঝে এই ধরনের উস্কানি ছড়ানো তাদের নীল নকশা বাস্তবায়নেরই ইঙ্গিত দেয়। দেশকে অস্থিতিশীল করে একটা জঙ্গি রাষ্ট্রে পরিনত করাই এদের টার্গেট। তাদের কাছে ধর্ম যে কখনই মূল বিষয় না, সেটা তাদের কর্মকান্ড লক্ষ্য করলেই বুঝা যায়। ব্লগে, ফেসবুকে ধর্ম নিয়ে লেখালেখি আজকের নয়। তাহলে এতদিন কেন চুপ ছিল জামাত-শিবির? এতদিন কি এদের ধর্ম রক্ষার কোন তাগিদ ছিলোনা? আজ যখন সারাদেশে যুদ্ধাপরাধীদের ফাঁসির দাবীতে জনতা এক হয়ে আন্দোলন শুরু করেছে তখনই এদের ধর্মীয় অনুভুতি মাথা চাঁড়া দিয়ে উঠেছে। কেন? কারন স্পষ্ট। ধর্মকে পুঁজি করে গোলাম আজম, সাইদী, নিজামিদের বিচার বানচাল করাই এদের মূল লক্ষ্য।

আমরা সবাই দেখেছি শাহবাগ সহ সারাদেশে আন্দোলনে দেশের আবাল-বৃদ্ধ-বনিতা সহ বিভিন্ন উলামায়ে কেরামের দলও সংহতি জানিয়ে গেছেন। অথচ জামাত-শিবির প্রোপাগান্ডা ছড়াচ্ছে এটা নাস্তিকদের আন্দোলন। তাহলে কি জামাত-শিবির তাদের নিজেদের ছাড়া দেশের অন্যসব সাধারণ মানুষ, এমনকি কিশোরগঞ্জের শোলাকিয়ার ইমাম সাহেবকেও নাস্তিক প্রমাণ করতে চায়? পাঠক একটু লক্ষ্য করলেই এদের আসল উদ্দেশ্য বুঝতে পারবেন। ধর্ম জামাতের কাছে কখন্মই মূল বিষয় না। ধর্মকে পুঁজি করে ফায়দা হাসিল করাই এদের লক্ষ্য। একাত্তরেও ঠিক এভাবেই ধর্মকে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করে এরা গনহত্যা-ধর্ষন সবকিছুকেই জায়েজ করে নিয়েছিল। আজও ঠিক একই কাজ করে যাচ্ছে জামাত শিবির।

এদিকে আমার দেশের সম্পাদকের একটি ইমেইল বার্তা ফাঁস হয়েছে, সেটা দেখে বুঝা যায় জামাতের এই নীল নকশার সাথে মাহমুদুর রহমাহ, মাহফুজ উল্লাহ, মাহবুব উল্লাহ, প্রোফেসর নুরুল আনোয়ার, কবি আল মাহমুদ, কবি আল মুজাহিদী, শফিক রেহমান সহ জামাত-বিএনপি মনোভাবাপন্ন একশ্রেণীর কুলাঙ্গার সুশীল জড়িত। অবিলম্বে এইসকল কুলাঙ্গার সুশীলদের গ্রেফতার করে তদন্ত করলে দেশ বিরোধী নানা চক্রান্তের অনেক তথ্য পাওয়া যাবে বলে নিশ্চিত করে বলা যায়।

এই মুহুর্তে দেশপ্রেমিক সকল জনগনকে একতাবদ্ধ হয়ে জামাতের এই নীল নকশা নস্যাৎ করে দেশকে একটি জঙ্গি রাষ্ট্রে পরিনত করা থেকে রক্ষা করুন। গণজাগরণ মঞ্চের সকল সদস্যকে এই মুহুর্তেই অবস্থান নিয়ে সরকারের বিরুদ্ধে জোর দাবী তোলার আহবান জানাচ্ছি, যেন এই মুহুর্তে সরকার জামাতের মতন জঙ্গি সংগঠনকে নিষিদ্ধ করার জন্য স্পষ্ট ঘোষণা দেয়। দেশের সকল সেনা সদস্যদের প্রতিও আহবান জানাই, দেশ রক্ষার যেই মহান শপথ নিয়ে আপনারা সেনা বাহিনীতে যোগ দিয়েছেন, ধর্মকে পুঁজি করে জামাতের ছড়ানো এই ফাঁদে পা দেবেন না। আপনারা দেশের সাধারণ জনগনের ভাষা বুঝুন। দেশ যখন এই স্বাধীনতা বিরোধী শক্তির বিরুদ্ধে একতাবদ্ধ, ঠিক সেই সময়ে জামাত তাদের পুরাতন স্বভাব অনুযায়ী মানুষের ধর্মীয় অনুভূতিকে পুঁজি করে ফায়দা হাসিলের চেষ্টা চালাচ্ছে। আমরা আশা করব দেশের সকল সেনা সদস্য দেশের স্বার্থে জামাতের পাতা এই ফাঁদে পা দেওয়া থেকে সতর্ক থাকবেন।

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

৭ thoughts on “সেনা উভ্যুত্থানের চেষ্টায় উস্কানি ছড়াচ্ছে জামাত।

  1. দেশ প্রেমিক সেনাবাহিনীর প্রতি
    দেশ প্রেমিক সেনাবাহিনীর প্রতি এদেশের জনগণের পূর্ণ আস্থা আছে। দেশের এই ক্রান্তিলগ্নে জনগণের পাশেই দাঁড়াবে আমাদের সেনাবাহিনী। যে সেনাবাহিনীর আছে গৌরবাজ্জ্বল ইতিহাস, যে সেনাবাহিনী গঠিত হয়েছে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায়, তারা কোন দিনও মুক্তিযুদ্ধের বিপক্ষে যাবেনা। আমাদের সেনাবাহিনী আমাদের গর্ব।

    এদিকে আমার দেশের সম্পাদকের একটি ইমেইল বার্তা ফাঁস হয়েছে, সেটা দেখে বুঝা যায় জামাতের এই নীল নকশার সাথে মাহমুদুর রহমাহ, মাহফুজ উল্লাহ, মাহবুব উল্লাহ, প্রোফেসর নুরুল আনোয়ার, কবি আল মাহমুদ, কবি আল মুজাহিদী, শফিক রেহমান সহ জামাত-বিএনপি মনোভাবাপন্ন একশ্রেণীর কুলাঙ্গার সুশীল জড়িত।

    এই নব্য রাজাকারদের গ্রেফতার করে রিমান্ডে আনা হোক। ঢলা দিলে অনেক কিছু বের হবে। এদের জাতি কোনদিনও ক্ষমা করবেনা।

  2. আস্থা আছে আজকের ঘটনার পর সবাই
    আস্থা আছে আজকের ঘটনার পর সবাই জামাতের ফাঁদ সম্পর্কে ধারনা পাবে। অনেকেই চিলে কান নিছে শুনলেই খিঁচে দৌড় মারে। এদের চোখে আঙুল দিয়ে না দেখায়া দিলে দেখে না।

  3. আজকে বার বার মনে হইছে সংবাদ
    আজকে বার বার মনে হইছে সংবাদ কর্মীর খ্যাতা পুড়ি, আগে ভাইঙা লই। জামাত শিবির কুত্তার বাচ্চাদের দেখলে ব্রাশ ফায়ার করতে মন চাই

  4. এইসব তথাকথিত সংবাদ কর্মীরাই
    এইসব তথাকথিত সংবাদ কর্মীরাই মুক্তিযুদ্ধের সময় পাকিস্তানী হানাদার বাহিনীর পক্ষে কাজ করেছে। এরা ২০১৩ সালের তরুন প্রজন্মের শত্রু। এদের সম্পর্কে সজাগ থাকতে হবে। দুষ্টু লোকেরা সব সময়ই মিষ্টভাষী বা কুট কৌশলী হয়ে থাকে। সকল রাজাকার নিপাত যাক বাংলাদেশ মুক্তি পাক !

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

38 − = 28