দলকানা-মঞ্চকানা নিপাত যাক, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা মুক্তি পাক…

শাহবাগ গণজাগরণ মঞ্চ যখন তৈরি হলো খালেদা জিয়া ও তার দল সতর্ক আর কাঁটা হয়ে রইলেন কিছুদিন। মুক্তিযুদ্ধের চেতনার জাগরণ বিএনপিকে ভাবনায় ফেলে দিল। কারণ তাকে (বিএনপিকে) এন্টি মুক্তিযুদ্ধ চেতনার রাজনীতি করেই এতকাল পেট চালাতে হয়েছে। হঠাৎ বুক হিম করা তারুণ্যের জাগরণ দেখে খালেদা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করতে লাগলেন আর তার দলের বাচাল নেতাদের মঞ্চ সম্পর্কে বুঝে শুনে কথা বলতে নির্দেশ দিলেন।

শেখ হাসিনা মঞ্চ আর তারুণ্যের জাগরণ দেখে আপ্লুত হয়ে বললেন, আমার মন ছুটে যায় শাহবাগে। তিনি গণভবনে মঞ্চ নির্দেশিত কর্মসূচী পালন করলেন প্রদীপ জ্বালিয়ে। (পরবর্তীতে মঞ্চর উদ্দেশ্য ও লক্ষ্য নিয়ে তিনি সন্দিহান হয়ে যান!)

আওয়ামী লীগের সমর্থকরা হয়েছিল সবচেয়ে বেশি খুশি শাহবাগকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠা আন্দোলন দেখে। কারণ এ ধরনের আন্দোলনের ফসল শেষ পর্যন্ত আওয়ামী লীগের ঘরেই উঠে।

আর মঞ্চ দেখে অস্তিত্ব সংকটে ভুগতে শুরু করেছিল মুসলিম জাতীয়তাবাদীরা। ৭১ এর শিক্ষা তাদের আছে। মুক্তিযুদ্ধের চেতনাই ছিল জাতি, ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে একটা অসাম্প্রদায়িক রাষ্ট্র। বাঙালি জাতীয়তাবাদ জেগে উঠলে মুসলিম জাতীয়তাবাদ মার খেয়ে যাবে। বাঙালি তরুণ প্রজন্ম যদি এভাবে শাহবাগে গিয়ে শ্লোগান দিতে থাকে “তোমার আমার ঠিকানা,পদ্মা-মেঘনা-যমুনা” সেটা তাদের স্বস্তি লাগার কথা নয়। এ হচ্ছে আদর্শকে বাঁচানো লড়াই। হেফাজত ইসলাম ইসলামকে নয়, মুসলিম জাতীয়তাবাদকে বাঁচাতে মাঠে নামে। জামাত আড়াল থেকে টাকা ঢালতে লাগলো। সে হেফাজত থেকে ফয়দা লুটবে। মতিঝিলে এক রাতের মধ্যে সরকারকে ১৫ আগষ্ট টাইপের কিছু করতে পারলে বিচারটা বন্ধ করা যায় অনির্দিষ্টকালের জন্য। খালেদা গলা ফাটালেন নষ্ট ছেলের দল বলে। ততদিনে তিনি পায়ের নিচের মাটি খুঁজে পেয়েছেন। মাহমুদুর আর বাঁশের কেল্লার প্রচারণা তাকে বুঝাতে সক্ষম হয় ইন্ডিয়ার টাকা খেয়ে ভাড়া খাটা কিছু পোলা মাইয়া দিয়ে শাহবাগ গরম করে রেখেছে। দেশের কারুর এই আন্দোলনের প্রতি সমর্থন নেই। এটা র’ আর আওয়ামী লীগের যৌথ ষড়যন্ত্র। হেফাজত যখন এই আন্দোলনকে রুখতে রাজপথে নামলো তিনি নড়েচড়ে বসলেন। মওকা দেখতে পেলেন চোখের সামনে। মতিঝিলে লাগাতার অবস্থানের ঘোষণা হেফাজত তাকে অন্য বার্তা দিলো। তিনিও হা করে রইলেন মাংসের টুকরার জন্য। মতিঝিল ও আশেপাশের এলাকার বাসিন্দারদের কাছে আবেদন জানালেন হেফাজতীদের সাহায্য করার জন্য। তার দলের লোকজনকে পাঠালেন সংহতি জানাতে। হেফাজতের ফয়দা লুটতে চান তিনি। সরকারকে রাতের মধ্যে ফেলের দেবার স্বপ্ন নিয়ে সেদিন রাতে তিনি শুতে গিয়েছিলেন। পাঠক খেয়াল করুন, খালেদা ও জামাত হেফাজত থেকে ফয়দা লুটতে চেয়েছিল। মঞ্চর ফয়দা কারা লুটতে চেয়েছে তাহলে?

মঞ্চের ফয়দা লুটতে চেয়েছে তথাকথিত প্রগতিশীল গোষ্ঠির সবাই। বাম, মুদৃ বাম, ঘষা বাম, ডান ছাঁয়া বাম, “মুক্তিযুদ্ধের সপক্ষশক্তি” সবাই। আর “এটা আমাদের মঞ্চ ”, “এটা আমার মঞ্চ” বলে স্বত্ত্ব ঘোষণা করেছিল শুরু থেকেই অনলাইনে যারা “ছাগু ফাইটার” বলে সেলিব্রেটি মর্যাদা পেয়ে আসছে। একদম শুরু থেকেই একটা দ্বন্ড ছিল কারা শাহবাগকে জন্ম দিয়েছিল এই বিতর্কে। আত্ম জাহির আর পরস্পর কাঁদা ছোড়াছুড়ি চললো এভাবে- ও কি আমার চাইতে বড় ব্লগার? ও কয়টা ব্লগ লিখেছে? ছাগু নিধনে ও কি করেছে? ও তো নিজেই ছাগু। ওর বাপ ছাগু। ওর দাদা ছাগু…।

শাহবাগ আন্দোলনকে জন্ম দিয়েছিল কে বা কারা? শাহবাগের কোন নেতা বা নেতৃবৃন্দ ছিল কি? এই গবেষণা করার জন্য এই লেখাটির উদ্দেশ নয়। নামের জন্য যারা কাঙাল তারাই এসব নিয়ে পড়ে থাক। শাহবাগ যে জেগেছিল এই সত্যটি ডামাডোলে চাপা পড়ে যাচ্ছে। মঞ্চ এখন আর জমজমাট হয় না। ছাগুরা হাসে। হেফাজত আসে। কই তোমাগো গণজাগরণ মঞ্চ? এখন আর খানাপিনা দেয় না? ট্যাকা দেয় না? হাসনাত আবদুল হাই গল্প লিখছিল মতিউর রহমানের প্রথম আলোতে। মাহমুদুর আর বাঁশের কেল্লা শাহবাগে নষ্ট ছেলে আর মেয়েদের ফস্টিনস্টির গল্প চাউর করেছিল। এক সময়ের মঞ্চ সমর্থকরাও এখন সেই সুরে কথা বলে। ব্যঙ্গ করে মঞ্চর নাম দিয়েছে ত “দরবার শরীফ”। এই দরবাশ শরীফ কেউ বানাতে চেয়েছে তাতে কোন সন্দেহ নাই। সেই দরবারের পীর সাহেব হতেও ধাক্কাধাক্কি কামড়াকামড়িও হয়েছে জানি। যারা টিকে থাকতে পারেনি তারা এন্টি মঞ্চ পার্টি হয়ে গেছে। কিন্তু শাহবাগে যারা এসে জমায়েত হয়েছিল তারা দরবার শরীফ আর তার পীরের ভক্ত ছিল না। যারা এসে শ্লোগান দিয়েছিল “জয় বাংলা” তারা বিরিয়ানীর প্যাকেট পাওয়ার আশায় শাহবাগে আসেনি। মঞ্চকানা আর দলকানারা শহবাগকে বিতর্কিত করেছে, নষ্ট করেছে, ধ্বংস করেছে। কিন্তু যে সাইলেন্স জনতা শাহবাগ মাতিয়েছিল তাদের পরাজিত করতে পারেনি। হাসনাত আবদুল হাই, মাহমুদুর, বাঁশের কেল্লা যে চরিত্রহনন করেছিল শাহবাগকে সেই অপমান দরবার শরীফ আর তার পীর সাহেবদের গায়ে লাগেনি, লেগেছে তাদের যারা একদিন জাহানারা ইমামের ডাকেও এমনি সাড়া দিয়ে রাজপথে নেমেছিল তাদের।

৯০ দশকের গণআদালতের আন্দোলনে গোলাম আযমের ফাঁসির দাবীতে এই জনতাই ঢল নামিয়েছিল রাজপধে। সেই জনতাই শাহবাগে মাতিয়ে রেখেছিল কাদের মোল্লার রায় শুনে তীব্র প্রতিবাদে। নেতা হতে তারা আসেনি। নেতা হতে না পেরে হতাশা থেকে ক্রুদ্ধ হয়ে এখন উল্টাপাল্টা কিছু বলছেও না তারা। তারা দলকানা নয়। মঞ্চ কানাও নয়। ফয়দা লুটতে তারা জানে না। ফের যখন দরকার পরবে, মুক্তিযুদ্ধের চেতনাধারী যে কোন গণমানুষের দাবী আদায়ের শান্তিপূর্ণ সমাবেশে তারা হাজির হবে। জাগরণ জেগেই থাকে। দলকানা আর মঞ্চকানারাই শুধু দল আর মঞ্চ নিয়ে নিজেদের মধ্যে লড়াই করে শক্তিক্ষয় করে…।

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

২২ thoughts on “দলকানা-মঞ্চকানা নিপাত যাক, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা মুক্তি পাক…

  1. ভালো পর্যবেক্ষণ । মঞ্চ একটা
    ভালো পর্যবেক্ষণ । মঞ্চ একটা স্বতঃস্ফূর্ত আন্দোলনের কেন্দ্রস্থল ছিল এবং এখনো আছে । এখন হয়তো লোক সমাগম তেমন হয়না তাতে কিছু আসে যায় না । সাধারণ মানুষের নৈতিক সমর্থন এর প্রতি আছে । হ্যাঁ, এটা স্বীকার করতেই হবে সাম্প্রদায়িক – ইসলামি মৌলবাদী – জাতীয়তাবাদীদের কুৎসিত ষড়যন্ত্রের কারণে মঞ্চ নিয়ে অনেক মানুষের মধ্যে সন্দেহ, দ্বিধা – দ্বন্দ্ব তৈরি হয়েছে । এ ধরণের আঘাত অনভিপ্রেত হলেও অস্বাভাবিক ছিলোনা এ দেশের এক অংশের মানুষের সাম্প্রদায়িক রাজনীতি চর্চার কারণে ।

    আর একটা বিষয় আমাদের মাথায় রাখতে হবে মঞ্চে যারা নেতৃত্বের দায়িত্ব পালন করছেন তারা কিন্তু দীর্ঘ আন্দোলন সংগ্রামের মাধ্যমে পরীক্ষিত নন । তারা একটা আকস্মিকভাবে সৃষ্ট গণ মানুষের জাগরণ সামলেছেন কোন ধরণের পূর্ব প্রস্তুতি ছাড়াই । তারা ঘটনা প্রবাহের মধ্য দিয়ে শিখছেন, পোক্ত হচ্ছেন । যদি আদর্শ ঠিক রেখে নির্মোহভাবে এগিয়ে যেতে পারেন তবে এদের হাত ধরে বাংলাদেশ আরও বড় ঐতিহাসিক বিনির্মাণের সাক্ষী হবে ।

    বাংলাদেশের মানুষ মুখিয়ে আছে প্রকৃত বিকল্পের জন্য । পেয়ে গেলে সেই বিকল্প মোটেই দেরি করবেনা সমর্থন জানাতে । আর বাম বলেন বা সুবিধাবাদী চক্র সবাই চায় ঝোলটা নিজের দিকে টানতে । আমাদের খুঁজে নিতে হবে অক্রিত্তিম বন্ধু যার কথায় ও কাজে মিল আছে যে আসলে সত্যিকারের সংশপ্তক ।

    1. যারা নেতৃত্বের দায়িত্ব পালন

      যারা নেতৃত্বের দায়িত্ব পালন করছেন তারা কিন্তু দীর্ঘ আন্দোলন সংগ্রামের মাধ্যমে পরীক্ষিত নন

      সহমত

  2. গনজাগরণ মঞ্চের কৌশলগত কিছু
    গনজাগরণ মঞ্চের কৌশলগত কিছু ভুলের কারণে আজ তাদের এই অবস্থা।
    সুযোগ্য নেতৃত্বের অভাব প্রথম থেকেই ছিলো।

  3. আর মঞ্চ দেখে অস্তিত্ব সংকটে
    আর মঞ্চ দেখে অস্তিত্ব সংকটে ভুগতে শুরু করেছিল মুসলিম জাতীয়তাবাদীরা == এই কথাটা কি ঠিক হল? শুরুতে কিন্তু মঞ্চ নিয়ে সবাই যেটা বলছিল সেটা হল – এটা একটা হুজুগ, কয়দিনেই সবার মাথা ঠাণ্ডা হয়ে যাবে। তারপর গণজাগরণ সম্পর্কে ধর্ম সংক্রান্ত ঝামেলা তো রাজীব হত্যার পর থেকেই শুরু হল। তাই না? নাকি ভুল বললাম?

    1. আপনিই বলেন হেফাজত কেন মাঠে
      আপনিই বলেন হেফাজত কেন মাঠে নামলো তাহলে? নাস্তিক নিধনে? রাজিব ঘটনা তো উছিলা ছিল। বেশ এটা বলুন, ইসলামী দলগুলো কোন জাতীয়তাবাদী রাজনীতি করেন? তারপর আলোচনা চলতে পারে।

      1. আমি কোন তথ্য সূত্র বা কোন
        আমি কোন তথ্য সূত্র বা কোন এভিডেন্স দেখাতে পারবো না। কিন্তু আমার কাছে যেটা মনে হয়, সেটাই শেয়ার করলাম।
        আমার মতে, হেফাজত ইসলাম শুরুতে আসলে কোন রাজনৈতিক দল ছিল না এবং রাজনৈতিক ক্ষমতা পাওয়াও তাদের কোন উদ্দেশ ছিল না। যদিও ইদানীং কোথাও কোথাও তারা রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে যোগদান করছে। এই গ্রুপটা তৈরি হয়েছে জামায়াতে ইসলামের ইন্ধনে। কিভাবে?
        শাহবাগের আন্দোলন যখন গন আন্দোলনে পরিণত হয়েছে তখন সেটাকে বন্ধ করার জন্য জামাত শিবির খুব ঠাণ্ডা মাথায় রাজীবকে খুন করে। এবং প্ল্যান অনুসারে রাজীব যে “নাস্তিক” এবং এরাই যে শাহবাগের নেতৃত্ব দিচ্ছে সেটা প্রমান করার জন্য তার লিখিত কিছু ভয়াবহ ধর্ম বিদ্বেষী লেখা পাবলিকের কাছে ছড়িয়ে দিল। ফেসবুকের কল্যাণে এটা করা আজকাল পানি ভাত হয়ে গেছে। আর শাহবাগের নতুন নেতৃত্ব এই আঘাত ঠিক মতো ট্যাকেল করতে পারে নাই।
        জামাতের লোকেরা জানে, ধর্মীয় অণুশাসন মানুক বা না মানুক “ধর্ম” নিয়ে কোন ধরনের ফাইজলামি এই উপমহাদেশের মানুষেরা সহজে মেনে নেয় না। হয়েছেও তাই। হেফাজত চমৎকার ভাবে জামাতের পাতা ফাঁদে পা দিয়েছে।
        আর ইসলামী দলগুলো কেন জাতীয়তাবাদী রাজনীতি করে?— প্রয়োজন পরলে ওরা জাতীয়-বিজাতীয় যে কোন ধরনের রাজনীতি করতে পারে। এটা ওদের জন্য কোন সমস্যা না।

        1. @নাভিদ, ধর্ম নিয়ে ফাজলামীর
          @নাভিদ, ধর্ম নিয়ে ফাজলামীর ব্যাপারটা বলেন। ধর্ম নিয়ে ফাজলামীটা কে করলো? ধর্মর সমালোচনা করা যাবে- আগে বলেন এটা বিশ্বাস করেন কিনা?

  4. যোগ্য নেতৃত্ব অভাবে গণজাগরণ
    যোগ্য নেতৃত্ব অভাবে গণজাগরণ মঞ্চের আজ এই অবস্থা।
    শাহবাগ নিয়ে যে স্বপ্ন দেখেছিলাম, তা আজ ধ্বংসের পথে।

  5. ধর্ম সংক্রান্ত ঝামেলা আসলে
    ধর্ম সংক্রান্ত ঝামেলা আসলে রাজীবের মৃত্যুর পর থেকেই শুরু।
    তার পুরা কৃতিত্ব আমার দেশ (রাজাকারের কথা বলে) পত্রিকা।

  6. হুম… গভীর চিন্তার বিষয়।
    হুম… গভীর চিন্তার বিষয়। যারা মহৎ কোন কাজ করতে গিয়ে সাত পাঁচ নানান কিছু ভাবতে থাকে, তারা সেই ভাবনার মাঝেই আটকে থাকে। আর যারা কাজ করতে চায় প্রকৃত অর্থেই, তারা ভাবাভাবির পেছনে অতো সময় ব্যয় করে না। মঞ্চের চাওয়ার সাথে আমার চাওয়া এক আছে কিনা আমি শুধু এইটুকু ভাবতেই রাজী। এর একচুল বেশীও না। কে কি নিয়া ধান্দাবাজি করে অতো ভেবে লাভ কি? আমার চাওয়াটা পূরণ হচ্ছে কিনা সেটাই বড় কথা। এতো কিছু ভাবতে বসলে মুক্তিযোদ্ধারা মুক্তিযুদ্ধে যেতেই পারতেন না।

    1. হ্যাঁ, ঠিক বলেছেন আতিক
      হ্যাঁ, ঠিক বলেছেন আতিক ভাই,
      কিন্তু একটা জিনিস আমি খেয়াল করলাম মঞ্চ নিয়ে সাধারন মানুষের মনে আমারদেশ যে মতবাদ ডুকিয়েছে তা কিন্তু আজও সবার মনে আছে। সেটাকে প্রত্যাখান করে গণজাগরণ মঞ্চ তার নিজের অবস্থান ক্লিয়ার করতে পারে না।
      আমরা অল্প কিছু মানুষ মঞ্চ সম্পর্কে সঠিক ধারনা রাখলেও তা সবার কাছে যায় না।

      1. আপনার কথা সত্য কিন্তু দায়টা
        আপনার কথা সত্য কিন্তু দায়টা কেন মঞ্চকে দিচ্ছেন ? আমার দেশের অপপ্রচার সবার মধ্যে না ঢুকলেও একটা বিরাট অংশের মানুষের ভেতরে ঢুকে গেছে সে ব্যাপারে আমি নিঃসংশয় । কিন্তু এর পেছনে কি আমাদের এ অঞ্চলের ধর্মভীরু মানুষের অশিক্ষা, কুশিক্ষা , গোঁড়ামি দায়ি নয় কি ?

  7. এই গণজাগরণ মঞ্চের জন্যই কাদের
    এই গণজাগরণ মঞ্চের জন্যই কাদের মোল্লার রায়ের বিরুদ্ধে আপীল হয়েছে, পরবর্তীতে বিজয় পেয়েছি। আমি শুধু এটুকুই জানি এটুকুই বুঝি। কে এর বিরুদ্ধে কি বলে আসছে আমি মাথা ঘামাই না। আমার দেশের কলঙ্কমুক্তর জন্য গণজাগরণের মঞ্চের অবদান আমি কখনই ভুলবো না। আমি ছিলাম এই মঞ্চের সাথে এবং থাকব।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

25 − 15 =