ধর্মান্ধদের সাথে নিয়ে

আসলে নাস্তিকতা তো মুল বিষয় নয় , এটা শুধুমাত্র উপলক্ষ। জান বাচানোর সর্বশেষ অস্ত্র ব্যবহার করছে কতিপয় ধর্মান্ধদের সাথে নিয়ে। কোন ধর্মপ্রান মুসলমান ওদের সাথে নেই। ধর্মপ্রান মুসলমান দেশের জন্য শহীদ হয় কখনোই মা আর মাতৃভূমির সাথে বেঈমানী করেনা। একজন ধর্মপ্রাণ মুসলিম. মা বোনের সম্ভ্রম রক্ষার্থে নিজের জীবন দিতে একটি বারও চিন্তা করেনা , আর ধর্ষণ করা বা করতে সাহায্য করাতো অনেক দুরের ব্যপার। আজ যদি এই বিশ্বাস ঘাতক, রাজাকার, হত্যাকারী, ধর্ষক বা তাদের অনুসারী এসে দাবী করে যে তারাই ইসলামের রক্ষক, ইসলাম রক্ষার্থে তারা শহীদ মিনার ভাংছে, জাতীয় পতাকা পুড়াচ্ছে, দেশের সম্পদ নষ্ট করছে, জান মালের ক্ষতি করছে। যারা চিরকাল ধর্মকে পুজি বানিয়ে নিজেদের স্বার্থসিদ্ধি করে গেছে, নিজেদের অপকর্ম ঢাকতে ধর্মকে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করে গেছে তারা হবে আমার প্রানের ধর্ম ইসলামের রক্ষক! ! আর যেই করুক আমি বিশ্বাস করিনা। তুই কি করস? একটু ভেবে বল, প্লিজ। ত্রিশ লক্ষ শহীদ তাকিয়ে আছে তোর মুখপানে। তাদের আত্মদান কে এত সহজে কলুষিত হতে দিতে পারিনা। আমার ধর্মই আমাকে এই শিক্ষা দিয়েছে। ভুল হলে ক্ষমা করবি।

মসজিদে আগুন দিয়ে কিভাবে ইসলামকে রক্ষা করছে জামাত-শিবির!! আল্লাহর উপসনার জন্য নির্মিত ঘর যাদের হাতে নিরাপদ নয় তারা কিভাবে মানুষকে ধোকা দেয় ইসলামের রক্ষক সাজে!!! যদি স্রেফ ধর্মীয় অনুভূতিজনিত স্পর্শকাতরতায় এই আন্দোলন নিয়ে দ্বিধায় তুই কি পড়েছইশ এই সংবাদটা?
… জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমে নামাজের জন্য পাতা গালিচায় আগুন ধরিয়ে দিয়েছে ইসলামী দলের সমর্থক, নেতাকর্মীরা। বায়তুল মোকাররমের উত্তর দিকে পাতানো গালিচায় তারা আগুন দিয়ে প্রতিবাদ জানাতে থাকে। ফায়ার সার্ভিস আর মসজিদের খাদেমরা এসে আগুন নেভানোর ফলে, ফলে বড় ধরনের আগ্নিকাণ্ডের কবল থেকে রক্ষা পেয়েছে বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজীদ।’…

এটাই বাস্তবতা। মুনাফিকরা কিন্তু চাইলেও নিজের স্বরূপ লুকিয়ে রাখতে পারে না। আল্লাহ ঠিকই তা প্রকাশ করে দেন। আল্লাহ মুনাফিকদের মিথ্যার প্রাসাদ এভাবেই চূর্ণ করে দেন। সত্যিকার মুমিনদের জানিয়ে দেন তারা ধর্মের নামে দুনিয়া শিকার করতে নামা মুখে মধু কিন্তু হায়েনার অন্তর নিয়ে ঘোরা একদল প্রতারক মাত্র।তাদের বিচারের জন্য আল্লাহ হাশরের ময়দান পর্যন্ত অপেক্ষা করেন না। মুনাফিকরা কৌশলে তাদের খারাপ দিকগুলো মানুষের কাছ থেকে গোপন করে, যাতে তারা তাদের খারাপ না বলে, অথচ, আল্লাহ তা‘আলা তাদের চরিত্রগুলো প্রকাশ করে দেন। কারণ, আল্লাহ তা‘আলা তাদের গোপন বিষয় ও তাদের অন্তরের অন্তঃস্থলে কি আছে, সে সম্পর্কে জানেন। এ কারণেই তিনি বলেন, وَهُوَ َ مَعَهُمۡ إِذۡ يُبَيِّتُونَ مَا لَا يَرۡضَىٰ مِنَ ٱلۡقَوۡلِۚ وَكَانَ ٱللَّهُ بِمَا يَعۡمَلُونَ مُحِيطًا﴾ অথচ তিনি তাদের সাথেই থাকেন যখন তারা রাতে এমন কথার পরিকল্পনা করে যা তিনি পছন্দ করেন না। আর আল্লাহ তারা যা করে তা পরিবেষ্টন করে আছেন।﴾سَوَآءٌ عَلَيۡهِمۡ أَسۡتَغۡفَرۡتَ لَهُمۡ أَمۡ لَمۡ تَسۡتَغۡفِرۡ لَهُمۡ لَن يَغۡفِرَ ٱللَّهُ لَهُمۡۚ إِنَّ ٱللَّهَ لَا يَهۡدِي ٱلۡقَوۡمَ ٱلۡفَٰسِقِينَ ٦﴿ [المنافقون: ٦] অর্থ, তুমি তাদের জন্য ক্ষমা করো অথবা না করো, উভয়ই তাদের জন্য সমান। আল্লাহ তাদেরকে কখনো ক্ষমা করবেন না।

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

80 − 71 =