সংখ্যালঘু নির্যাতন ও জামাত শিবির

গ্রামের হিন্দু সম্প্রদায়ের লোকেরা আতংকিত। যে কোন সময়েই তাদের উপর হামলা হতে পারে। তাদের ধারণা ভুল হল না, খবর এসেছে ছুটে আসছে তাদের দিকে। ভীত সকলেই, বাঁচতে হলে গ্রাম ছাড়তে হবে। গ্রাম ছেড়ে পালাবার একটিই পথ তা হল নদী। নদী পাড় হয়ে ওপাড়ে যেতে পাড়লে প্রাণ বাঁচানো যাবে। এ সিদ্ধান্তই নিল সকলেই। নদী সাঁতরে পাড় হচ্ছে, লক্ষ্য অপর পাড়ে পৌঁছে জীবন রক্ষা করা। কি ভাবছেন? একাত্তর নিয়ে কোন গল্প লিখছি? না এ কোন গল্প নয় অথবা একাত্তরের কোন ঘটনাও নয়। এটি গত রবিবারে ঘটে যাওয়া একটি ঘটনা

যশোরের অভয়নগর উপজেলার চাঁপাতলা গ্রামে রবিবার, ৫ই জানুয়ারি সন্ধ্যায় হিন্দু সম্প্রদায়ের উপর হামলা চালানো হয়। তাদের দোষ কি ছিল জানেন? তাদের দোষ ছিল তারা ভোট দিয়েছে। হ্যাঁ দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটে তারা ভোট দিয়েছিল। এই ছিল তাদের অপরাধ। এর আগে নির্বাচনে ভোট না দেয়ার হুমকি দিয়েছিল বিএনপি-জামাত। ১৫৪ টি আসনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় যখন ১৪ দলীয় প্রার্থীরা জয় লাভ করে তখন এরাই বলেছিল এতে নাগরিকের ভোটাধিকার খর্ব হয়েছে, তারা ভোট দিতে পারবে না। তাহলে ভোট দিতে বাধা দিলে ভোটাধিকার খর্ব হয় না?


নির্বাচনের ভোট শেষ হবার পর সন্ধ্যা ৭টায় লাঠি সহ অন্যান্য দেশীয় অস্ত্র নিয়ে প্রায় দেড় শতাধিক লোক গ্রামটিতে হামলা চালায়। এসময় গ্রামের অন্তত দেড়শত বাড়ি ঘড় ভাংচুর করা হয়, বিভিন্ন মূল্যবান সামগ্রী লুট করা হয়। এসময় আগুন দেয়া হয় অনেক গুলো বাড়িতে। একই দিনে দিনাজপুরে হিন্দু সম্প্রদায়ের বাড়ি-ঘড় ও ব্যবসায় প্রতিষ্ঠানে হামলা চালানো হয়, পুড়িয়ে ফেলা হয় এবং লুটপাট করা হয়। এছাড়া মাগুরা সদরের হিন্দু সম্প্রদায়ের এক কৃষকের পানের বরজ পুড়ে দেয়া হয়। এ যেন ঠিক একাত্তরের স্বরূপ। শুধু এখন নয় ইতিপূর্বে বিভিন্ন যুদ্ধাপরাধীর বিচারের রায় দেয়ার পর, কাদের মোল্লার ফাঁসির রায় কার্যকরের পর দেশের বিভিন্ন স্থানে হামলা চালানো হয় এই হিন্দু সহ সংখ্যা লঘু সম্প্রদায়র উপর। তাদের উপাসনালয় ভাংচুর করা হয়। যারা করেছে তারা অন্য কেউ নয়, একাত্তরের সেই স্বাধীনতা বিরোধী শক্তি, রাজাকার-আলবদরের সৃষ্ট দল জামাত-শিবির।

২৮ তারিখ জামাত নেতা দেলোয়ার হোসেন সাঈদিকে ৭১ এর মানবতা বিরোধী মামলায় ফাঁসি দেয়ার পর নোয়াখালীর রাজগাঞ্জবাজার গ্রামে হিন্দু সম্প্রদায়ের উপর হামলা চালানো হয়। একজন আক্রান্ত ব্যক্তি Amnesty Internation কে জানায় যে জামাত-শিবিরের হরতাল সমর্থনকারীরা তাদের বাড়িঘরে হামলা চালায়, এসময় তাড়া প্রায় ৩০টি বাড়িতে আগুন দেয় যেগুলোতে প্রায় ৬৬টি পরিবার বাস করতো। তারা সেখানে মন্দির গুলোতেও আগুন দিয়েছে। একই দিনে বাগেরহাট জেলার মোরেলগঞ্জ উপজেলায় একটি গ্রামে ও নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলায় আরও মন্দিরে ভাংচুর করে।

পুরো মার্চ মাস জুড়েই লক্ষ্মীপুর, বরিশাল, বাগেরহাট, মুন্সীগঞ্জ, নবাবগঞ্জ, গোপালগঞ্জ, চট্টগ্রাম, নাটোর, কুমিল্লা, নেত্রকোনা, বগুড়া, ভোলা, রংপুর, সিলেট, নেত্রকোনা সহ প্রায় সারা দেশেই হিন্দুসম্প্রদায়ের মানুষের উপর হামলা চালায় জামাত-শিবির। লুটপাট করে, ঘড় বাড়ি ও উপাসনালয় পুড়িয় দেয়।

এপ্রিলের ৫ তারিখ টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে তিনটি মন্দিরে আগুন দেয় এবং এ মাসে আরও জায়গায় আগুন দেয় তারা। ২০১৩ প্রায় সারা বছরটি জুড়েই জামাত শিবিরের এ তাণ্ডব চলতে থাকে। ২৫শে নভেম্বর দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষনা করবার পর থেকে ১৮ দলীয় জোটের তীব্র ক্ষোভের স্বীকার হয় এই অমুসলিম সম্প্রদায় গুলো। ডিসেম্বরের ১২ তারিখ কাদের মোল্লার ফাঁসির রায় কার্যকর করার পর হামলা চালায় হিন্দু সম্প্রদায়ের উপর। কিছুদিন হ্রাস হামলা বন্ধ থাকলেও ৫ জানুয়ারি নির্বাচনের পর তা আবারও শুরু হয়।

.png” width=”400″ />
লাল চিহ্নিত জেলা গুলোতে ২০১৩সালে হিন্দু সম্প্রদায়ের উপর আক্রমণ করে জামাত শিবির

১৯৪৭ এ দেশ বিভাগের পর থেকেই এ দেশে অমুসলিম সম্প্রদায়ের উপর অত্যাচার চলেই আসছে। যার ফলে পূর্ব পাকিস্তানে ১৯৪৭ হতে ১৯৭০ পর্যন্ত অর্থাৎ ২৩ বছরে অমুসলিম সম্প্রদায়ের লোক হ্রাস পেতে থাকে। ১৯৭০ মোট জন্যসংখ্যার ১৫ শতাংশ লোক অমুসলিম সম্প্রদায়ের ছিল, যা পূর্বে ছিল ৩০ শতাংশ। যার পেছনে অন্যতম কারণ অত্যাচারের কারণে দেশত্যাগ। স্বাধীনতার পর দেশান্তরের পরিমাণ কমলেও ১৯৭৫ এ জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর এর নৃশংসভাবে হত্যার পর দেশান্তর আবার বৃদ্ধি পায়। ২০১১ সালের পরিসংখ্যান অনুযায়ী বাংলাদেশে ধর্মীয় সংখ্যালগু মোট জনসংখ্যার ৯.৬ শতাংশ। যদি অত্যাচারের ধারা এরূপ চলতে থাকে তবে বাংলাদেশে সংখ্যালঘু অথবা অমুসলিম কোন সম্প্রদায়ের কেউ ছিল তা রূপকথার মত গল্প হয়ে যাবে কারণ সংখ্যা লঘুরা বিলুপ্ত হয়ে হয়ে যাবে। অন্য ধর্মের ব্যক্তিরা বিলুপ্ত হয়ে যবে।


এটা শুধু হিন্দু সম্প্রদায়ের জন্যে নয় সমস্ত বাঙালি জাতির জন্য চিন্তা বিষয়। একাত্তরেও এই পশুরা আমাদের স্বাধীনতার বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছিল এবং অমুসলিম সম্প্রদায়ের উপর হামলা করেছিল ঠিক এভাবেই। এখনও তারা তাদের এ ধারা অব্যাহত রেখেছে। তারা আরও বড় কোন সমস্যা সৃষ্টি করবার আগেই তাদের বিরুদ্ধে আমাদের পদক্ষেপ নেয়া জরুরি। আমারা সকলেই একটি অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখি, যেখানে থাকবে না কোণ জাতি ভেদ, থাকবে না সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা। যদি অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ গড়ে তুলতে হয় তবে সবার আগে প্রয়োজন ধর্মব্যবসায়ী এ জামাত-শিবির কে সমূলে নিঃশেষ করা। সাথে তাদের ও বর্জন করা যারা কিনা তাদের সহায়তা করছে।

হিন্দু সম্প্রদায়ের একজন হিসেবে আমি একটা কথা বলতে চাই, ধর্মের দোহায় দিয়ে যারা আমাকে, আমার মত হাজার হাজার মানুষের ক্ষতি করছে, হুমকি দিচ্ছে তাদের এবং তাদের সহায়তা কারীকে আমি কোন যুক্তিতে সমর্থন দেব।

বলা হয় মানুষের জন্ম-মৃত্যু হয় একবার। আমি বলি মানুষের জন্ম-মৃত্যু বহুবার হয়, যখন এক জন মানুষ নিজের স্বার্থের কথা না ভেবে অন্যের জন্য কিছু করে তখন তার মাঝে এক নতুন মানুষের জন্ম হয় আবার যখন কেউ নিজের স্বার্থ হাসিলের জন্য অন্যের ক্ষতি করতে দ্বিধা বোধ করে না তখন তার ভেতরের মানুষটির মৃত্যু হয়। তাই আসুন আমরা এই হামলার প্রতিবাদ করি। জামাত শিবির কে পতিত করি। জামাত শিবিরের মত বড় সংগঠনের বিরুদ্ধে লড়বার ক্ষমতা বর্তমানে শুধু আওয়ামীলীগেরই আছে। তাই বর্তমানে সরকারকে সহায়তা করা আমাদের দায়িত্ব। গণতন্ত্র সুষ্ঠ নির্বাচন নিয়ে কথা বলার সময় ভবিষ্যতে পাওয়া যাবে। কিন্তু জামাত-শিবির এর এই অপ-তৎপরতা চলতে থাকলে আমাদের বাংলাদেশই থাকবে না তখন কি করে গণতন্ত্রের কথা বলবেন?

তথ্য সূত্রঃ

(১)

(২)

(৩)

(৪) Amensty internation

(৫) Wikipedia

(৬)প্রথম আলো

(৭) টাঙ্গাইলের তিনটি হিন্দু মন্দির পোড়ানো

(8)

এ নিয়ে তেমন কোন দল বা সংগঠনের কোন কার্যক্রম চোখে পড়ে নি তবে সিপি গ্যাং এর আয়োজিত একটি ইভেন্ট চোখে পড়বার মত। তাই যোগ করে দিলাম ইভেন্ট লিংক- https://facebook.com/events/564539466966846

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

২৬ thoughts on “সংখ্যালঘু নির্যাতন ও জামাত শিবির

  1. সমস্যার মূলে যেতে হবে।
    সমস্যার মূলে যেতে হবে। সাম্প্রদায়িক সহিংসতার বিন্যাস ব্যবচ্ছেদ করলে দুটি পক্ষ পাওয়া যাবে। এক অংশ সাম্প্রদায়িক পরিবেশ তৈরি করে আর আরেকাংশ ঐ পরিবেশের সুযোগে সাম্প্রদায়িক হামলা করে। র্দুভাগ্যজনক হলো ২য় কাজটি জামাতিরা করলেও ১ম কাজটি সুচারুরুপে করে বামাতিরা। যেন তেন বিষয়ে ভারত বিরোধীতার ধোঁয়া তুলে এই পক্ষটি প্রকারন্তরে হিন্দু সম্প্রদায়কে সমূহ ঝুকি বা হুমকীর মুখে ঠেলে দেয়। ভারত বিরোধীতার যে তত্ত্ব ফেলানী রোড বা রামপালে ঝড় তোলে, সে তত্ত্বের জামাতি প্রকাশ হলো দিনাজপুর, গাইবান্ধা ও যশোর। ভারত বিরোধীতার নামে সকল সাম্প্রদায়িক রাজনীতির মূল উত্‍পাটন করতে হবে। জামাত বামের অশুভ ঐক্য ভাংতে হবে।
    জয় বাংলা

    1. ভারত বিরোধীতার যে তত্ত্ব

      ভারত বিরোধীতার যে তত্ত্ব ফেলানী রোড বা রামপালে ঝড় তোলে, সে তত্ত্বের জামাতি প্রকাশ হলো দিনাজপুর, গাইবান্ধা ও যশোর। ভারত বিরোধীতার নামে সকল সাম্প্রদায়িক রাজনীতির মূল উত্‍পাটন করতে হবে। জামাত বামের অশুভ ঐক্য ভাংতে হবে। জয় বাংলা….

      –ভাববার অবকাশ আছে বৈকি!! আপনার দেয়া সেরা কমেন্ট… এই প্রথম আপনার এতবড় মন্তব্য দেখলাম। অনেকাংশেই সহমত…

    2. @ব্রহ্মপুত্র
      যেন তেন বিষয়ে

      @ব্রহ্মপুত্র
      যেন তেন বিষয়ে ভারত বিরোধিতা করে বামরা,? রামপাল, ট্রানজিট, টিপাই মুখে বাঁধ এসব কি যেন তেন বিষয়? ফেলানি হত্যার বিচার চাওয়া যেন তেন বিষয়?

      জামাত বামের অশুভ ঐক্য ভাংতে হবে।

      বামরা নির্বাচনে যায় না বলে, জামাতের সাথে ঐক্য হয়ে গেলো….? .

  2. একটু উগ্র হতে ইচ্ছে করছে। কোন
    একটু উগ্র হতে ইচ্ছে করছে। কোন আজাইরা সুশীলতা শুনতে মন চাচ্ছে না। যেসব বেজন্মা মুসলমানরা ঘর পুড়িয়েছে তাদেরও ঘর পুড়ানো উচিত। অন্তত একটা মুসলমানের ঘর পুড়াতে পারতাম , খুব শান্তি লাগতো।
    ধরে থাপ্রাইতে ইচ্ছে করে যখন কেউ বলে, এভাবে একে অপরের ঘর বাড়ি জ্বালালে তো সমাধান আসবে না। জাহানাম্মে যাক সমাধান। আমার ঘর পুড়িয়েছে আমিও পোড়াবো। যে আক্রান্ত হয় একমাত্র সেই বুঝে নিজে দেশে এমন আচরণের কি যন্ত্রণা!

  3. তোকেও আর নতুন কিছু বলব
    তোকেও আর নতুন কিছু বলব না…
    সাম্প্রদায়িকতা মানুষের আদি স্বভাব।
    আজ থেকে লক্ষ বছর আগে যখন কোন ধর্ম ছিল না তখনও গুহাবাসী মানুষের এক গোত্রের সাথে আরেক গোত্রের ঝগড়া হতো। সেটাও ছিল সাম্প্রদায়িক কারণ…!

    সেই যুগ পেছনে পরেছে বহু আগে! মানুষ সভ্য হয়েছে অনেক…
    শুধু এই একটা জায়গায় সভ্যতা হেঁটেছে উলটো পথ। মানুষ হয়েছে আরো অসহিংস… আরো বেশি হিংস্র… আরো বেশি সাম্প্রদায়িক!

    হে মহান সৃষ্টিকর্তা, তুমি যদি সত্যি “এক” হও তবে তোমার একার সৃষ্টি এই সব মানুষগুলো কেন এক হতে পারে না? কেন মেনে নিতে পারে না- মুখে যা-ই বলুক সবাই তো ঐ একজনেরই সৃষ্টি!

    :হয়রান: :কথাইবলমুনা:

    1. ইতিহাস কথা বলে সফিক দা ঠিক
      ইতিহাস কথা বলে সফিক দা ঠিক বলছে সেই আদিকাল থেকে শুরু কলিকালে ও চলছে ।। যেই কাল ই আসুক না কেনো এই বিভেদ দূর হবেনা সরকার পরিবর্তন হবে কিন্তু অমানুষ অমানুষ থেকে যাবে ……

    2. হে মহান সৃষ্টিকর্তা, তুমি যদি

      হে মহান সৃষ্টিকর্তা, তুমি যদি সত্যি “এক”
      হও তবে তোমার একার সৃষ্টি এই সব
      মানুষগুলো কেন এক হতে পারে না? কেন
      মেনে নিতে পারে না- মুখে যা-ই বলুক সবাই
      তো ঐ একজনেরই সৃষ্টি!

      :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ:

  4. আচ্ছা, আমরা ধর্মের ভিত্তিতে
    আচ্ছা, আমরা ধর্মের ভিত্তিতে সংখ্যালঘু কেন বলি? চেতনার ভিত্তিতে কি সংখ্যালঘু বলতে পারি না? পারি না কি চিৎকার করে বলতে, “এ দেশে, এই বাংলাদেশে যদি কোন সংখ্যালঘু থেকে থাকে, তারা হচ্ছে জামাত-শিবির। বাকি সবাই আমরা বাঙালি। আমরা সবাই মানুষ।”

    1. এ দেশে, এই বাংলাদেশে যদি কোন

      এ দেশে, এই বাংলাদেশে যদি কোন সংখ্যালঘু থেকে থাকে, তারা হচ্ছে জামাত-শিবির। বাকি সবাই আমরা বাঙালি। আমরা সবাই মানুষ।”

      :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ:

      1. এ দেশে, এই বাংলাদেশে যদি কোন

        এ দেশে, এই বাংলাদেশে যদি কোন সংখ্যালঘু থেকে থাকে, তারা হচ্ছে জামাত-শিবির। বাকি সবাই আমরা বাঙালি। আমরা সবাই মানুষ।

        :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ:
        বয়ানে অর্ন্তভুক্ত করার দাবী জানাচ্ছি।

    2. আমি সংখ্যালঘু নই। আমি সংখ্যা
      আমি সংখ্যালঘু নই। আমি সংখ্যা গরিষ্ঠদের
      এক জন । কারণ এ দেশ হিন্দুর
      কিংবা মুসলিমের নয় এ দেশ বাঙ্গালির, যুদ্ধ
      করে, রক্ত দিয়ে এ দেশ অর্জিত হয়েছে। আর
      আমি সেই বাঙ্গালির একজন।– ফেসবুকে স্টাটাসে লিখেছিলাম। 🙂 আমরা এক অভিন্ন আমরা বাঙ্গালি। জয় বাংলা।

  5. শুধু জামাত শিবির সাম্প্রদায়িক
    শুধু জামাত শিবির সাম্প্রদায়িক হামলা করে তা না, আওয়ামলিগ বিএনপি, জামাত তিন দলই করে,
    রামুর হামলায় তিন দলের উপর অভিযোগ আছে।

    /বরিশালে মন্দির ও বাড়িতে আগুন দেয় ছাত্রলীগকর্মীরা!/
    http://www.kalerkantho.com/print-edition/last-page/2013/11/21/23299

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

36 + = 39