করিম দাফাদার ও কামার মোল্লা

করিম দফাদার রিক্সা চালিয়ে কোন মতে জীবন চালাই তবে লোকটা গারিব হলেও সাহসী। প্রজন্ম চত্বরে আন্দোলন সুরুর পর থেকে কত যে ফ্রী শাহবাগে রিক্সাই করে লক আনল তার ঠিক নেই কারন তিনি যে প্রতিশোধের আগুনে জ্বলছিলেন। ‘৭১’ এ তার অনেক সহকর্মী কে তো এই রাজাকারদের জন্যই মৃত্যু বরন করতে হয়েসিল।তিনিও ও তো মরতে মরতে বেঁচে গিয়েসিলেন। পদ্মার তীরে তো তিনিও ছিলেন । যেদিন রাজাকার কামার মোল্লার নেতৃ তে একদল পাকিস্তানী হায়েনা তাদের ৩৬ জন সহযোদ্ধা কে নিতে হয়েছিল নির্মম মৃত্যুর স্বাদ। সংখা টা তো ৩৬ না হয়ে ৩৭ হওয়াটাই স্বাভাবিক ছিল। কেনই বা গুলিটা তার হাতে লাগবে। তিনি দেখেসেন কামার মোল্লা মুক্তিযোদ্ধা দের রক্ত নিয়ে হোলি খেলার ভয়ঙ্কর রুপ। কিন্তু স্বাধীনতার পর কি হল হ্যাঁ কামার মোল্লা মন্ত্রী হলেন আর কারিম দফাদার হলেন রিক্সেওয়ালা।৬৩ বছর বয়সে আজ ও যে করিম দফাদার এর রক্তে আজ ও ক্রোধের আগুন জলে। সেজন্যই তো তিনি গত হরতাল এর দিন রিক্সা নিয়ে বেরিয়েছিলেন আর তার পরেই সবল খেলেন কামার মোল্লার শকুনদের। আর আজ ও সুস্থ শরির এ বেঁচে আসে অই কামার। আর কত বার রক্ত নিয়ে খেল্লে ওদের ফাঁসি হবে। ওরা যতদিন এ বাংলার মাটিতে থাকবে ততদিন চলবে ওদের এ দেশকে নিয়ে লিলা খেলা। আসুন আমরা করিম দফাদার এর রক্তের প্রতিশোধ নিই এবং মানুষরূপী হায়েনাদের আজ কের হরতাল কে রুখে দিই। এবং ওদের রুখে দাঁড়ানোর জন্য ‘১৩’ এর নতুন প্রজন্মের মুক্তিযুদ্ধে সামিল হই নাহই আমাদের আবার দেখতে হবে কামারদের মত হায়েনাদের গাড়িতে করিমদের রক্তে কেনা আমদের জাতিয় পতাকা আর শকুন রা আবার পান করবে শত শত কারিম দফাদার এর রক্ত।

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

35 − 28 =