নুনদু’র ওহীঃ সতীত্ব বিষয়ক জটিলতা

ইদানিং আমার মধ্যে একটা ঋষি ঋষি ভাব প্রবাহমান। ঋষি হওয়ার পূর্ব শর্ত হচ্ছে ধ্যান সাধনা। তাই সময় পেলেই ধ্যানে বসে যাই। এই ধ্যানে বসার অভ্যাসটা অবশ্য ঢাকা শহরে যানজটের সুবাদে প্রাপ্তি। ধরুন, মিরপুর থেকে মতিঝিল যাব। যানজটের তীব্রতার কারণে এই পথটুকু আপনি চার চাকার যে বাহনেই যান না কেন, নির্ঘাত দুই থেকে আড়াই ঘন্টার মামলা। পাবলিক বা ব্যক্তিগত বাহন যেটাতেই আপনি চড়েন, চোখ খোলা রাখলেই মেজাজ বিগড়ে যেতে বাধ্য। কেন মেজাজ বিগড়ে যায় সেই ব্যাখ্যায় এখন নাইবা গেলাম। যারা ঢাকা শহরে নিয়মিত যাতায়াত করেন তাদের এই মেজাজ বিগড়ে যাওয়া সম্পর্কে ভালই ধারণা আছে বলে আমার বিশ্বাস।

চলাচলে মেজাজ বিগড়ে যাওয়ার হাত থেকে রক্ষা পাওয়ার সবচেয়ে বড় উপায়টি হচ্ছে চোখ বন্ধ করে বসে থাকা। আমি নিয়মিত চোখ বন্ধ করে বসে থাকতে থাকতে একসময় কান বন্ধ করে বসে থাকার উপায়টিও আবিস্কার করে ফেললাম। কোন এক অদ্ভুদ কারণে আমার চোখের সাথে কানেরও একটা অবিচ্ছেদ্য সম্পর্ক হয়ে গেল। গাড়িতে উঠে চক্ষুদ্ধয় বন্ধ করার সাথে সাথে আমার কর্ণদ্ধয়ও সম্পূর্ণ অকার্যকর হয়ে যায়। আর ধ্যান সাধনার জন্য এই দুই ইন্দ্রিয়’র অকার্যকারিতা অপরিহার্য। প্রথম প্রথম ধ্যানে পরিপূর্ণ মনোনিবেশ করতে সময় লাগলেও, বহুদিনের অভ্যস্থতায় এখন নিমিষেই আমি ধ্যাণের উর্ধ্ব গগনে ভ্রমন করতে পারি। তাই, ধ্যান সাধনা আমার কাছে এখন পানিভাত। এই ধ্যান করতে গিয়ে আমি এক নতুন বিশ্বের সন্ধান লাভ করি। সে বিশ্বে এক ঈশ্বরের সাথে আমার নিয়মিত যোগাযোগ হয়।

ইদানিং যখন কোন সমস্যায় পতিত হই তখন আমি ধ্যানে বসে পড়ি। কিছুক্ষনের মধ্যেই আমি ঈশ্বরের সাক্ষাত লাভ করি। সমস্যার কথা জানাতেই ঈশ্বর আমাকে সমাধান জানিয়ে দেন। সেদিন ঈশ্বরকে জিজ্ঞাসা করলাম, বিভিন্ন সমস্যার সমাধান সম্বিলিত আপনার বাণীগুলোকে আমি কি নামে প্রকাশ করব? ঈশ্বর বললেন, এগুলো আমা কর্তৃক তোমার উপর নাযিলকৃত ওহী। তাই তুমি নুনদু’র ওহী হিসাবে প্রচার কর। আমি বললাম- ‘হে ঈশ্বর, এগুলো হচ্ছে আপনার বাণী। আপনার ওহী। আমি কেন নুনদু’র ওহী হিসাবে প্রচার করব’।

ইশ্বর বললেন, আমি মহান এবং অবশ্যই তোমার চেয়েও জ্ঞানী। আমি যা আদেশ করি, তুমি তা পালন কর। অবশ্যই আমি উদ্দেশ্যবিহীন কোন কাজ করি না। আমার কোন কর্মের প্রতি তুমি সন্দেহ প্রকাশ করলে আমা হতে তোমাকে বিচ্যুত করা হবে এবং তোমার ধ্যান শক্তির বিলোপ ঘটানো হবে। আমার মাধ্যমে তুমি যা জানবে, তা তুমি নুনদু’র ওহী হিসাবে প্রচার কর। নিঃশ্চয় আমার এই মহানুভবতা তোমার প্রতি ভালবাসার নিদর্শণ।

ধ্যান শক্তি বিলোপের ভয়ে আমি ঈশ্বরের সাথে আর তর্কে অবতীর্ণ না হয়ে ধ্যানের মাধ্যমে প্রাপ্ত ঈশ্বরের সকল বাণীকে নুনদু’র ওহী হিসাবে প্রচার ও প্রকাশ করার অঙ্গীকারবদ্ধ হলাম। তাই আমার ধ্যান হতে প্রাপ্ত বানীগুলোকে আপনাদের সম্মুখে একান্ত বাধ্য হয়েই নুনদু’র বাণী হিসাবে আমি সময়ে অসময়ে পেশ করব।

সতীত্ব নিয়ে ব্লগে একটা পোষ্ট পোষ্টদাতা ব্লগারসহ মন্তব্যকারীদের উদ্বেগ দেখে আমি আজ চোখ বন্ধ করে ধ্যানে মগ্ন হলাম। সহসাই ঈশ্বরের সাথে আমার সংযোগ ঘটল। সতীত্ব বিষয়ে নাগরিক ব্লগে ক্যাচালের কথা উত্থাপান মাত্রই আমি একটি ওহী পেলাম। আমার প্রাপ্ত ওহী মোতাবেক সতীত্ব হচ্ছেঃ
———————————————-

সতীত্ব! ইহা একটি পবিত্র শব্দ। এর আসমানী, জাহেরী, বাতেনী আভিধানিক অর্থ হচ্ছে পর্দা। এই পর্দা বা সতীত্ব নারী-পুরুষ উভয়ের ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য। সতীত্বের তিনটি স্তর আছে।

১. হালকা সতীত্ব
২. মধ্যম সতীত্ব
৩. ভারী সতীত্ব।

পুরুষদের জন্য হালকা ও ভারী সতীত্ব বরাদ্ধ করা হয়েছে। আর মহিলাদের জন্য মধ্যম ও ভারী শ্রেণীর সতীত্ব। এবার আসুন আমরা তিন শ্রেণীর সতীত্ব সম্পর্কে ওহীতে কি বলা হয়েছে তা সম্পর্কে বিস্তারিত জানি।

১. হালকা সতীত্বঃ ইহা একমাত্র পুরুষদের জন্য বরাদ্ধকৃত। এটি কাপড় দ্ধারা গোপন অঙ্গ আবৃত করার মাধ্যমে পালন করা হবে। কাপড়টি অবশ্যই নাভির উপরি স্থান হতে হাঁটুর নিম্নে পায়ের গোড়ালীর উপরের স্থান পর্যন্ত আবৃত করতে হবে। জনসম্মুখে বা প্রকাশ্যে বা আলোকময় স্থান সমূহে কোনভাবেই কাপড় আবৃত ছাড়া কোন পুরুষকে দেখা গেলে সতীত্ব বিনষ্ট হয়েছে বলে পরিগণিত হবে। এছাড়াও যার যার সামর্থ্য অনুযায়ী পুরুষগণ যুগোপযোগী ডিজাইনের কাপড় দ্ধারা পুরো শরীর আবৃত করিতে পারিবেন। না করিলেও সতীত্বের উপর কোন আঘাত হয়েছে বলে পরিগণিত হবে না। তবে যৌণকর্ম করিবার সময় যৌণ সাথীর সম্মুখে কাপড় অনাবৃত করিলে সতীত্ব খেলাপ হয়েছে বলে বিবেচ্য নয়। এতে ঈশ্বর খুশী হইয়া তাহার ফেরেস্তাগণকে ডাকিয়া লাইভ বিনোদনে নিমজ্জিত হন।

২. মধ্যম সতীত্বঃ এটি শুধু মাত্র মহিলাদরে ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। এই সতীত্ব রক্ষার্থে সকল মহিলাগণ কাপড় দ্ধারা সমগ্র শরীর আবৃত করতে হবে। কাপড় পরিধান ছাড়াও বোরকা, হিজাব, নেকাব পরিধানের মাধ্যমে সমগ্র অঙ্গ-প্রত্যাঙ্গ ঢেকে রাখতে হবে। শুধুমাত্র চোখ দু’টি অনাবৃত থাকবে। তবে রক্তের সম্পর্কের মোট চৌদ্দজনের সম্মুখে বোরখা, হিজাব ও নেকাব পরিধান না করলেও চলবে। কিন্তু মুখ মন্ডল, হাতের কব্জির নীচ অংশ ও পায়ের গোড়ালী থেকে পাতা ব্যতিত সর্বাঅঙ্গ কাপড় দ্ধারা আবৃত রাখতে হবে। অন্যথায় মধ্যম সতীত্ব বিনষ্ট হয়েছে বলে পরিগনিত হবে। এর জন্য দুনিয়া ও আখেরাতে শাস্তির বিধান করা হবে। দুনিয়ায় ফতোয়ার মাধ্যমে আলেমগণ দ্ধারা আর আখেরাতে ঈশ্বর কর্তৃক। তবে দুই শ্রেণীর পুরুষের সম্মুখে মহিলাগণ সম্পূর্ণ অনাবৃত থাকলেও মধ্যম শ্রেণীর সতীত্ব বিনষ্ট হয়েছে বলে গণ্য হবে না। তারা হলেনঃ ১. হুজুর কর্তৃক কোন পুরুষের কবুল বলে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ পুরুষের সম্মুখে। ২. দাসত্বের আওতাভুক্ত মুনিব পুরুষের সম্মুখে। এতেও ঈশ্বর খুশী হইয়া তাহার ফেরেস্তাগণকে ডাকিয়া লাইভ বিনোদনে নিমজ্জিত হন।

৩. ভারী সতীত্বঃ এই সতীত্বও কাপড়ের ন্যায় পর্দা সংশ্লিষ্ট। এটি সবচেয়ে কঠিন শ্রেনীর সতীত্ব। পুরুষ ও মহিলা উভয়ের জন্য এটি প্রযোজ্য। এটি গোপন অঙ্গ বা যৌন অঙ্গ সংশ্লিষ্ট বিধায় খুবই স্পর্ষকাতর সতীত্ব হিসাবে এটিকে গণ্য করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তবে এখানে পুরুষদের জন্য কিছু সুবিধা বিদ্যমান। নিম্নে নারী ও পুরুষ দুই শ্রেণীর সতীত্ব বিণ্যাস করা হলঃ

পুরুষের ভারী সতীত্বঃ পুরুষের যৌনাঙ্গের অগ্রভাগ চামড়ার পর্দা দিয়ে আবৃত করা থাকে। একে সতী পর্দা বলা হয়। যে কোন পুরুষের দশ বছর বয়স পূর্ণ হওয়ার পূর্বেই যৌন অঙ্গের সতী পর্দাটি খতনার মাধ্যমে কর্তন করতে হবে। কর্তনের পূর্বে কোন যৌণ কর্মে লিপ্ত হইলে তার ভারী সতীত্ব বিনষ্ট হয়েছে বলে গণ্য হবে। কর্তনের পরে সে তার ইচ্ছে মত যে কোন নারীর সাথে যৌন কর্মে লিপ্ত হলেও তার সতীত্ব বিনষ্ট হবে না। কারণ ইশ্বর পুরুষদের জন্য দিয়েছেন অপরিসীম আনন্দ উপভোগের সুযোগ।

মহিলাদের ভারী সতীত্বঃ মহিলাদেরও যৌনাঙ্গে সতী পর্দা নামক এক সতীচ্ছদ পর্দা বিদ্যমান। এই পর্দাটি দ্ধারা নারীর সতীত্বকে আবৃত করে রাখা হয়েছে। এই সতী পর্দাটি একমাত্র যৌণকর্মে লিপ্ত হওয়ার মাধ্যমে অনাবৃত (ফাটানো) করা হয়। কিন্তু নারীদের ক্ষেত্রে এই সতী পর্দা অনাবৃত বা ফাটানোর ক্ষেত্রে অনেক বিধি নিষেধ আছে। নারীদের এই সতী পর্দা অনাবৃত করার একমাত্র অধিকার তার স্বামীর। সেটা অবশ্যই হুজুরের মাধ্যমে কবুল বলে কোন পুরুষ বিবাহ করার প্রক্রিয়ায়। অথবা দাসত্ব করা মনিবের মাধ্যমে নারীর এই সতী পর্দা অনাবৃত বা ফাটানো যাবে। অন্যথায় তার সতীত্ব বিনষ্ট হয়েছে বলে গণ্য হবে।

এবার নারীর সতীত্ব বিষয়ক ওহীটির সংক্ষিপ্ত তাফসীর ও ব্যাখ্যা নিম্নে প্রদত্ত হলঃ

সতী শব্দটা বাংলায় আসলো কোথা থেকে? হিন্দু ধর্মের মহাভারত থেকে আমরা জানতে পারি যে, সীতাকে তার বাবা পেয়েছিলেন মাঠে লাঙল দিতে গিয়ে। লাঙলের ফলার যে দাগ, সেই দাগকে সীতা বলা হয়। সেই দাগের মাঝ থেকে প্রাপ্ত মেয়েকে নাম দেয়া হয় “সীতা”। তাঁকে যখন রাবন চুরি করে নিয়ে যায়, তখন রামের মনে সন্দেহ না থাকলেও উদ্ধারের পর প্রজাদের দাবিতে সীতা যে পবিত্র, তার পরীক্ষা দেয়া লাগে। অগ্নিপরীক্ষা নামেই সেটা খ্যাত। সীতার সেই পরীক্ষাই প্রমাণ করেছিলো সে পবিত্র। সেই সীতা থেকেই বিবর্তিত হয়ে সতী শব্দটা বাংলায় যুক্ত হয়। এখনো নারীরা সতীর উদাহরণ হিসেবে সীতাকেই মানে। যে দীর্ঘ কয়েক বছর রাবনের সাহচর্যে থেকেও নিজেকে পবিত্র রাখতে সামর্থ্য হয়েছে।

শয়তানী বুদ্ধিঃ যেসব নারীদের ইতি মধ্যে সতীপর্দা অনাবৃত হয়ে সতীত্ব বিনষ্ট হয়ে গেছে তাদের জন্য সুখবরঃ

কুত্রিম হাইমেন বা সতীপর্দা এসে গেছে বাজারে। যাদের ইতিমধ্যে যে কোন কারণেই সতীপর্দাচ্ছেদ এর মাধ্যমে সতীত্ব নষ্ট হয়ে গেছে তারা গোপনে এই কৃত্রিম পর্দা লাগিয়ে নিতে পারেন। নিঃশ্চয় ঈশ্বর ক্ষমাশীল। চীনে মাত্র ২৩ ইউরো দিয়ে কুমারিত্ব ফেরানোর কথা বলে বিজ্ঞাপন দিচ্ছে ওয়েবসাইটে। তবে তারা এক্ষেত্রে যে ইলাস্টিক ব্যবহার করে এবং তাতে যে রক্ত দেয়া থাকে তা কৃত্রিম। বৈধ পন্থায় পর্দা ফাটানোর সময় কোনভাবেই বুঝতে দেওয়া যাবে না এটি কৃত্রিম। না হয় আপনাকে আবার মিশরের সাম্প্রতিক বিপ্লবের সময় যেসব নারী অংশগ্রহন করেছিল তাদের মত সতীত্ব পরীক্ষায় অবতীর্ণ হতে হবে। বিশ্বাস না হলে দেখতে পারেন নীচের ভিডিওটি। ভিডিওটিতে আছে সতীত্ব পরীক্ষায় অবতীর্ণ হওয়া এক নারীর লজ্জ্বার কথা।

[লেখাটি অন্য একটি ব্লগে ২৯ আগস্ট, ২০১১ -তে প্রকাশিত]

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

২৮ thoughts on “নুনদু’র ওহীঃ সতীত্ব বিষয়ক জটিলতা

  1. পড়ার পর নিজকে এখন বেশ জ্ঞানী
    পড়ার পর নিজকে এখন বেশ জ্ঞানী জ্ঞানী লাগতেছেন কেন ? তাহলে পুরুষের সতীত্ব পুরুষরা কেন নিজেরাই নষ্ট করে ফেলে ?

    1. এক সময় মুর্খ চাষা’রা জ্ঞানী
      এক সময় মুর্খ চাষা’রা জ্ঞানী হয়ে যাবে, এটাইতো আমাদের আকাঙ্খা। আপনার মত আমারও একই প্রশ্ন- ‘পুরুষরা কেন নিজের সতীত্ব নষ্ট করে ফেলে’?

  2. আপনার পুরানো লেখা গুলা
    আপনার পুরানো লেখা গুলা ইষ্টিশনে প্রকাশ করার সিন্ধান্ত গ্রহনের জন্য প্রথমত ধন্যবাদ।
    আর লেখা পড়ে কিছু বলার নেই। স্যাটায়ার পড়ার পর স্বভাবসুলভ হাসি পাই। এটাতেও পেয়েছে। তবে এই স্যাটায়ারটিতে ব্যাঙ্গ এর মাত্রা বেশি। হাস্যরসের মধ্যে , কিছু রসিকতা মিশিয়ে সমাজের প্রচলিত বাস্তবতাকে ছুয়ে স্যাটায়ারটির জন্য , দ্বিতীয়ত ধন্যবাদ চমৎকার লেখাটার জন্য। :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ:

  3. দুলাল ভাই,
    কোন জবাব নাই ।

    দুলাল ভাই,
    কোন জবাব নাই । এক্কেবারে মূলে দিয়েছেন ঘা । অপূর্ব স্যাটায়ার !
    আপনার সংরক্ষণশালা থেকে ইস্টিশনের জন্য লেখা পোস্ট করার এই অভিযান বিপুল গতিতে চলতে থাকুক । :ফুল:

  4. ইয়ে মানে নুনদু ভাই আপনার
    ইয়ে মানে নুনদু ভাই আপনার প্রবর্তিত ধর্মের নাম কী?

    আর দারুণ লিখেছেন… :তালিয়া: :তালিয়া: :তালিয়া: :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ:

  5. কোন ধর্মকেই এভাবে ব্যঙ্গ করা
    কোন ধর্মকেই এভাবে ব্যঙ্গ করা কাম্য নয়। ইসলামে কোথায় লিখা আছে পুরুষেরা যে কারো সাথেই সঙ্গমে লিপ্ত হতে পারবে? আ

    1. আমার ফাঁসি দাবী করতে পারো।
      আমার ফাঁসি দাবী করতে পারো। কোথায় লেখা আছে গুগুলে খুঁজলেই পাবে। আর আমি দাসীদের সাথে সঙ্গমে লিপ্ত হওয়ার কথা বলেছি। সেটা ইসলামে স্পষ্টভাবেই উল্লেখ আছে।

  6. পুরাই মাথা নষ্ট পোস্ট!! দুলাল
    পুরাই মাথা নষ্ট পোস্ট!! দুলাল ভাই এইটা কি করলেন?
    যা একটা ভাল জাতীয় পতাকা ছিল ধর্ম ব্যবসায়ীদের, তারও বিকল্প বাইর কইরা ফালাইছে? আর চীনের কথা কি কমু, একবার এক সমসাময়িক মুরুব্বীরে কইছিলাম দাদা পৃথিবীর পাছার মধ্যেও কিন্তু মেইড ইন চাইনা লিখা আছে…

    ভাল লাগল!! :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :নৃত্য: :নৃত্য: :নৃত্য: :নৃত্য: :শয়তান: :শয়তান: :শয়তান: :শয়তান:

  7. ঈগলা কি লিখা!!!!!!!! মারবেন
    ঈগলা কি লিখা!!!!!!!! মারবেন নাকি হাসাইতে হাসাইতে? নাকি লেখায় ক্লিক করার সাথে কম্পিউটার দিয়া লাফিং গ্যাস বের হওয়ার প্রোগ্রাম করে রাখছেন!!

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

55 − 45 =