ধর্মীয় ও রাস্ট্রীয় ভাবে মাফ পাওয়াই অন্যায় প্রবনতা বাড়ার অন্যতম কারন !!?????

( যারা দলকানা ও ধর্মকানা তাদের এই লেখা না পড়াই ভাল , পড়ে তাদের দলানুভুতি / নেতানুভুতি ও ধর্মানুভুতিতে আঘাত প্রাপ্ত হলে তার চিকিতসার দায়ভার নিজেকেই নিতে হবে । কোন ভাবেই লেখককে দায়ী করা যাবে না । )

দশম জাতীয় নির্বাচনের পরে হিন্দুদের বাড়ী ঘরে, চলেছে অবাধে লুটপাট ও অগ্নি সংযোগ । এই নিয়ে সারাদেশে চলছে সুশীল মার্কা আলোচনা, সমালোচন্‌ নিন্দা, ধিক্কার সহ নানান কায়দায় জটিল জটিল সব অনুষ্ঠান । অনেকে এটাকে একতরফা নির্বাচনের কারন হিসাবেই বর্ননা করছেন । যার মাথায় যত টুকু মাল আছে তারা তাদের মাল বের করছেন চায়ের দোকানে, আড্ডায়, আলোচনা অনুষ্ঠানে, ফেসবুকে ও টিভি টকশোতে । তাদের ভাবখানা এমন যেন তারা একেকজন মুক্ত চিন্তা ও বিবেকবান পন্ডিত ।

সকল আলোচনায় সারংশ একটাই সব দোষ সরকারের । অনেকে সরকারের ব্যার্থতা হিসাবেও গন্য করেছেন । যারা সরকার কানা তারা নির্বাচন কমিশনারের উপরে দোষ চাপাচ্ছেন বিভিন্ন আইন ও যুক্তির আলোকে । যারা দল কানা তারা বিনপি জামাত শিবিরের উপর দোষ দিয়েই নিজেকে খালাস করছেন । আমি তো শালা মূর্খ চাষা কার যুক্তি যে সঠিক তা বুঝতে গিয়ে কোমায় যাওয়ার মত অবস্থা । মনে মনে ভাবলাম ব্লগে তো অনেক জ্ঞানী গুনী আছে । দেখি তারা কি বলেন । সেই উদ্দেশ্যেই এই লেখা ।

বিভিন্ন বিষেষজ্ঞদের মতে বর্তমানে দেশে হিন্দুর সংখ্যা নাকি ৮-৯% । দশম নির্বাচনে অর্ধের কম সীটে ভোট হয়েছে তাতে ভোট পড়েছে গড়ে ৪০% (প্রায়) । ভোটের কারনেই যদি হিন্দুদের বাড়ীঘরে হামলা হয়ে থাকে তাহলে দেশে হিন্দুর সংখ্যা অবশ্যই ৪০% এর উপরে । তাহলে সবাই কেন বলে ৯০% মুসলমানের দেশ এই বাংলাদেশ ? বিনপি দাবী করেছে দেশে ভোট পড়েছে ৫-১০% তাহলেও দেশে হিন্দুর সংখ্যা ১০-২০% । তাইলে কোনটা সত্য ? যদি তা না হয় তাহলে কেন শুধু হিন্দুদের বাড়ীঘরে হামলা হলো ? অবশ্যই তা ভোটের কারনে নয় , উদ্দেশ্য ভিন্ন তাই না ? উদ্দেশ্যটা খুজে বের করার দায় আপনাদের উপরেই ছেড়ে দিলাম ।

অনেকেই ক্ষোভে দুঃখে এর দায়ভার ধর্ম বা মুসলমানদের উপর দেওয়ার জন্য নানান যুক্তি তুলে ধরছেন । ধর্ম কানার অনেকেই হাদিস ও কোরান থেকে সুন্দর সুন্দর বিভিন্ন উদৃতি দিয়ে তা খন্ডন করে হামলাকারী সেই মুসলমানদেরকে মুসলমান থেকে খারিজ করে দিচ্ছেন । কিন্তু তাদেরকে শাস্তির জন্য চাপাতি নিয়ে হন্যে হয়ে খুজে না বা তসলিমা নাসরিনের মত মুরতাদ ঘোষনাও করে না । অবশ্য এই ধর্মকানাদের কাছে আমি কৃতজ্ঞ এই কারনে যে – তারা অন্তত স্বীকার করেছেন এই কৃতকর্মগুলি মুসলমানরাই করেছে । তাদের কথা শুনে মনে হচ্ছে যারা হিন্দুদের বাড়ীঘরে হামলা করেছে তারা নাস্তিক । সত্যই কি তারা নাস্তিক বা অমুসলিম ? দেশের কতভাগ বিশ্বাস করবে এরা নাস্তিক বা অমুসলিম ? যারা একথা বলছেন তারা নিজেরাই কি তা প্রমান করতে পারবেন ?

প্রশাসন বেশ কিছু হস্তক্ষেপ, পদক্ষেপ সহ নানান বড় বড় ভাব গম্ভীরর্য পূর্ন নানান শব্দের মাধ্যমে তাদের কর্মক্ষমতা প্রদর্শন করছেন । যা একসময়ে অজুহাতে পরিনত হবে বলেই আমার বিশ্বাস । আমি মূর্খ চাষা তার কিছু কিছু শব্দের অর্থ বুঝতে অভিধানের সাহায্যও নিতে হয়েছে তবুও তার মর্মার্থ উদ্ধার করতে পারছি না । দলকানারা এই সব শব্দের অর্থ কিছু বুঝুক বা না বুঝুক এই সব কথা শুনে তাদের শিনা ৪ইঞ্চি বড় বীর দর্পে চলাফেরা করছেন । ভাবখানা এমন যেন বিশ্বজয় করে ফেলেছে ।

আসুন আমরা এই হিন্দু বিদ্দেশীর কারন অনুসন্ধান করি ।

১ ) হিন্দুরা কি বেহেস্তে যাবে নাকি দোজখে যাবে ? সকলেই একযোগে বলতে বাধ্য হবেন- একমাত্র মুসলমানরাই বেহেস্তে যাবে । নিচে দেখুন http://hadis.sinhatalk.com/%e0%a7%a8%e0%a7%ae%e0%a7%aa%e0%a7%ac/

এমতা অবস্থায় কেন একজন মুসলিম হিন্দু বিদ্দেশী হবে না ? একজন মুসলমানের কাছে দোজখের বাসিন্দারা কেন নিকৃস্ট হিসাবে বিবেচিত হবে না ? আজকাল অনেক স্কুল কলেজে টুপি বাধ্যতা মুলক করা হয়েছে নৈতিকতা তৈরির নামে । এই টুপি পড়া আইডিয়াল স্কুলেরই ছাত্র ছিল “নাফিস “, যে নৈতিকতার পতিমূর্তি । আপনারাই বলুন এতে করে কি শুধু ধর্মের কারনে ডিভাইডেশান তৈরি হলো না ? এই ছোট বয়স থেকেই যদি শুধু ধর্মের কারনে ডিভাইডেশান করা হয় তারা সাম্যের গান গাইবে নাকি হিন্দুদের ক্ষতিকরার চিন্তা করবে ? নিজেদের বুদ্ধি বিবেক দিয়ে জবাব খুজুন ।

এর আগেও আমাদের দেশে এরূপ ভাবে হিন্দুদের উপর অত্যাচার হয়েছে । কিন্তু রাস্ট্র কোন যথাযথ ব্যবস্থা নিয়ে সেই হামলা কারীদের শাস্তি হয়েছে কি না তা কেউ বলতে পারবে না । তার সহজ অর্থ হিন্দুরা রাস্টের নিকটও শাস্তি হীন হামলার বস্তু যা আইন যোগ্য । এভাবে তো সবাই অন্যায়ের দিকেই ছুটবে তাই না ?

এরপরও অনেক ধর্মিয় পন্ডিত হয়তো বলবেন – না না , মানুষ তার কর্মের কারনেই বেহেস্ত দোজখ প্রাপ্ত হবে । এর বিপরীতে অনেকেই বিভিন্ন হাদিস ও আয়াতের উদাহরনও দিবেন । তাতে কি হবে ? ধরুন যারা এই বাড়ী ঘর জ্বালাও পোরাও করেছে তাদের গুনাহ হলো । তাতে কি ? এই গুনাহ কি মাফ হবে না ? দেখুন কিভাবে গুনাহ মাফ হয় তার কয়েকটা হাদিস –

আবদুল্লাহ ইবন মাসলামা (রহঃ) আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেনঃ যে ব্যাক্তি প্রত্যহ একশত বার সুবাহানআল্লাহি ওয়া বিহামদিহি বলবে তার গুনাহগুলি মাফ করে দেওয়া হবে তা সমুদ্রের ফেনা পরিমান হলেও।
গ্রন্থঃ সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ দু’আ হাদিস নাম্বারঃ ৫৯৬৩

আলী ইবন আব্দুল্লাহ (রহঃ) আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। নাবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেনঃ যখন কারী আমীন বলবে তখন তোমরাও আমীন বলবে। কারন এ সময় ফিরিশতাগণ আমীন বলে থাকেন। সুতরাং যার আমীন বলা ফিরিশতাদের আমীন বলার সাথে মিলে যাবে! অগ্র পূর্বের সবগুনাহ মাফ করে দেওয়া হবে।
গ্রন্থঃ সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ দু’আ হাদিস নাম্বারঃ ৫৯৬০

ইসমাঈল (রহঃ) আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, নাবী (সাঃ) বলেছেন, (সালাত (নামায)) ইমাম যখন সামিয়াল্লাহু লেমান হামিদা বলেন, তখন তোমরা বলবে আল্লাহুম্মা রাব্বানা লাকালহামদ (হে আল্লাহ! আমাদের প্রতিপালক। আপনার জন্য সকল প্রশংসা) কেননা যার এ উক্তি ফিরিশ্তাগণের উক্তির অনুরূপ হবে, তার পূর্ববর্তী গুনাহ মাফ করে দেয়া হবে।
সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ সৃষ্টির সূচনা হাদিস নাম্বারঃ ৩০০১ ।

এত কিছুর পরেও যাদের গুনাহ মাফ হয় তাহলে কেন মানুষ গুনাহ করা বন্ধ করবে ? অবশ্য যদি হিন্দুদের ক্ষতি করাকে গুনাহ হিসাবে গন্য করা হয় , যদি তা না করা হয় তাহলে তো কথাই নাই, শুধু নেকি আর নেকি । যারা এই জ্বালাও পোড়াওয়ে অংশ নিতে না পারার কারনে আপসুস কতাছেন তারা এখনই পূর্নুদ্দোমে নেমে পড়ুন । অথচ কেউ ধর্মের কোন কিছু নিয়ে প্রশ্ন তুললে বা আলোচনা করলে তাদেরকে নাস্তিক, কাফের মুরতাদ গালাগাল দিয়ে কল্লা কাটতে বের হয় কি এই মাফ পাওয়ার পদ্ধতি কল্যানেই ?

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

২১ thoughts on “ধর্মীয় ও রাস্ট্রীয় ভাবে মাফ পাওয়াই অন্যায় প্রবনতা বাড়ার অন্যতম কারন !!?????

  1. দাদাভাই,
    কিছু কিছু নিয়মও আছে

    দাদাভাই,
    কিছু কিছু নিয়মও আছে যেগুলো তারা নিজেরাই রচনা করে; যেমনঃ হিন্দু মেয়েদের নির্যাতন করা তাদের ঈমানি দায়িত্ব এরকম আরও হাজার হাজার নোংরামিকে এরা তাদের ঈমানি দায়িত্ব বলে মনে করে এবং সেই সাথে তারা এটাও মনে করে যে যিনি উপরে বসে আছেন তিনি তাদের সব নোংরামিকে মাফ করবেন।অথচ তিনি কি করবেন সেটা শুধু তিনিই জানেন।
    আর আমাদের সমাজের উপরওয়ালাদের কথা আর কি বলবো!!! শুধু মাত্র তাদের গোঁড়ামি ,নিচু মানসিকতা এবং স্বার্থপরতার কারনে আজ আমাদের এই পরিণতি। :মাথাঠুকি: :ভাঙামন: :মাথাঠুকি:

    1. দিদিভাই, ঠিক বলেছেন ।
      দিদিভাই, ঠিক বলেছেন । অন্যায়ের শাস্তি হতেই হবে নতুবা অন্যায়কারী আরও বড় অন্যায় করবে । সেই শাস্তি ধর্মিয় ভাবে হোক বা রাস্ট্রিয় ভাবে হোক হতেই হবে । ধন্যবাদ মন্তব্যের জন্য ।

  2. আপনার লেখার শিরোনাম পড়েই তো
    আপনার লেখার শিরোনাম পড়েই তো মাথা নষ্ট- “ধর্মীয় ও রাস্ট্রীয় ভাবে মাফ পাওয়াই অন্যায় প্রবনতা বাড়ার অন্যতম কারন” :তালিয়া:

  3. আমি আপনাদের ধর্মের না তাই
    আমি আপনাদের ধর্মের না তাই হাদিসের কোনরূপ ব্যাখা কিংবা তর্কে যেতে নারাজ ।। আমি আজ আমার ফেসবুকে এই স্ট্যাটাস টি দিয়েছিলাম এখানে তার সম্পূর্ণ তুলে দেওয়া হল । আশা করি আমার সাথে একমত হবেন আর আপনার কথায় যথেষ্ট যুক্তি আছে ……

    কোন বৌদ্ধ কিংবা খ্রিষ্টান ধর্মালম্বীদের বাড়িতে কিংবা তাদের ধর্মীয় স্থানে কেউ আগুন দিলে অথবা নাশকতা করলে পেপার এবং টিভিতে ফলাও করে ছাপা হয় ” বৌদ্ধ ধর্মালম্বীদের বাড়িতে আগুন দিয়েছে দুর্বৃত্তরা আর যদি হিন্দু ধর্মালম্বীদের বাড়িতে কেউ নাশক্তা করে তাহলে বলা হয় ” সংখ্যালঘুদের বাড়িতে হামলা ” !! তার মানে বাংলাদেশে শুধুমাত্র সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মানুষ হিন্দুরাই আছে বাকিরা সবাই সংখ্যাগরিষ্ট ??

    যদি বিশ্বমিডিয়ার কাজ এই রকম অমানবিক হয় আর উস্কানি মুলক হয় তাহলে হিন্দুদের জন্য বলতে বাধ্য হয় নিজের দেশে নিজেরাই আশ্রিত !! হিন্দুস্থান বলে খ্যাত ভারতের সাথে বিরোধ লেগে আছে যার কারণে বাংলাদেশে হিন্দুরা শত অত্যাচারিত হলেও তাদের পাশে দাঁড়ানোয় কেউ নাই অথচ বৌদ্ধ কিংবা অন্য যেকোন ধর্মের উপর আঘাত আসলে চীন, যুক্তরাষ্ট্র সহ অনেক দেশে এক সাথে বাংলাদেশের বিপক্ষে অবস্থান নেই ।।

    কষ্ট লাগে যখন রাস্তা দিয়ে হেঁটে যাওয়ার সময় আমাকে শুনতে হয় আমি ড্যাঁডা কিন্তু এর চেয়ে বেশি কষ্ট লাগে যখন টিভিতে দেশি অসহায় দ্বিপা রাণী দাশ কান্না করছে আর বুকে চাপড়ে বলছে ” আমারে দেশে থাকতে দাও, এখানে আমার বাপ দাদা চৌদ্ধ পুরুষ শুয়ে আছে এই মাটির নিচে , আমিও তাদের সাথে থাকতে চায় ” ।। কিন্তু অসহায় সংখ্যালঘুর কান্না যে শুনতে পায়না মানবতা কারণ মানবতা যে আজ বোবা হয়ে আছে পুরোনো শকুনের ধর্ষণে ।

    1. কষ্ট লাগে যখন রাস্তা দিয়ে

      কষ্ট লাগে যখন রাস্তা দিয়ে হেঁটে যাওয়ার সময় আমাকে শুনতে হয় আমি ড্যাঁডা কিন্তু এর চেয়ে বেশি কষ্ট লাগে যখন টিভিতে দেশি অসহায় দ্বিপা রাণী দাশ কান্না করছে আর বুকে চাপড়ে বলছে ” আমারে দেশে থাকতে দাও, এখানে আমার বাপ দাদা চৌদ্ধ পুরুষ শুয়ে আছে এই মাটির নিচে , আমিও তাদের সাথে থাকতে চায় ” ।। কিন্তু অসহায় সংখ্যালঘুর কান্না যে শুনতে পায়না মানবতা কারণ মানবতা যে আজ বোবা হয়ে আছে পুরোনো শকুনের ধর্ষণে । –

      হ্যাঁ, কষ্ট আমারও হয় যখন দেখি আমার প্রতিবেশি বা বান্ধবীটিকে ” সংখ্যালঘু” বলে ছোট করা হয় আর শুধু কষ্টই না কি যে এক অপমানবোধ আর লজ্জায় তখন ভুগি সেটা বলে বোঝাতে পারবো না। :দীর্ঘশ্বাস: :দীর্ঘশ্বাস: আর কিছুই বলার নেই, শুধু এতোটুকুই বলবো- হতাশ হবেন না পথিক ভাই; দেখবেন একদিন আমরা সবাই “মানুষ” হয়ে যাবো, যেদিন মুসলিম, হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিষ্টান, এই পরিচয়গুলো হারিয়ে যাবে আমাদের মধ্যে থেকে…

    2. একেলা পথের পথিক ভআই,
      কোন

      একেলা পথের পথিক ভআই,

      কোন বৌদ্ধ কিংবা খ্রিষ্টান ধর্মালম্বীদের বাড়িতে কিংবা তাদের ধর্মীয় স্থানে কেউ আগুন দিলে অথবা নাশকতা করলে পেপার এবং টিভিতে ফলাও করে ছাপা হয় ” বৌদ্ধ ধর্মালম্বীদের বাড়িতে আগুন দিয়েছে দুর্বৃত্তরা আর যদি হিন্দু ধর্মালম্বীদের বাড়িতে কেউ নাশক্তা করে তাহলে বলা হয় ” সংখ্যালঘুদের বাড়িতে হামলা ” !! তার মানে বাংলাদেশে শুধুমাত্র সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মানুষ হিন্দুরাই আছে বাকিরা সবাই সংখ্যাগরিষ্ট ??

      যারা এসব বলে তারা জ্ঞানপাপী । ১৪ই ডিসেম্বর ৭১-এর কুফল আজ জাতির মাথায় চেপে বসেছে ।

  4. শিরোনামের সাথে ১০০%
    শিরোনামের সাথে ১০০% সহমত।রাষ্ট্র সাম্প্রদায়িকতা কে কঠোর হস্ত্রে কখনই দমন করেনি।বর্তমানেও একই শিথিলতা দেখা যাচ্ছে….. চাষা দা।

    1. ধন্যবাদ খাজা বাবা ভাই , শুধু
      ধন্যবাদ খাজা বাবা ভাই , শুধু শিরোনামের সাথেই সহমত ? ভিতরের লেখায় কোন আপত্তি আছে কি ? জানালে নিজেকে শুধরাতে পারতাম ।

  5. নষ্ট রাজনীতি আর ধর্ম ব্যবসায়ী
    নষ্ট রাজনীতি আর ধর্ম ব্যবসায়ী মিলে মিশেই এই সিস্টেম টিকিয়ে রাখে তাদের নিজেদের স্বার্থে। ভালো লাগলো আপনার লেখা।

  6. ডাঃ আতিক ভাই,
    নষ্ট রাজনীতি

    ডাঃ আতিক ভাই,

    নষ্ট রাজনীতি আর ধর্ম ব্যবসায়ী মিলে মিশেই এই সিস্টেম টিকিয়ে রাখে তাদের নিজেদের স্বার্থে।

    খুব ভাল মন্তব্য করেছেন । ট্রিলিয়ন ট্রিলিয়ন ধন্যবাদ রইল ।

  7. আপনি যে আয়াত ও হাদিসগুলো
    আপনি যে আয়াত ও হাদিসগুলো দিয়েছেন সেইগুলোর প্রত্যেকটির ভিন্ন ভিন্ন অর্থ আছে। কিন্তু এইগুলো দিয়ে কোনভাবেই এই নৃশংসতা ও বর্বরতাকে আড়াল করা কিংবা এর থেকে মাফ পাবার কোন উপায় নেই। ইসলাম ধর্মের অনুসারি মুসলমান পরিচয় দেয়া কিছু নিকৃষ্ট জারজ কীট ধর্ম রক্ষার দোহাই দিয়ে কিংবা কল্পিত সওয়াবের আশায় মালাউন ধ্বংসের যে নীলনকশা বাস্তবায়ন করছে আদিম উল্লাসে, বিশ্বাস করুন এই জারজ শুয়োরগুলো একটাও মুসলমান নয়। এদের ধর্ম ইসলাম না, হতে পারে না। তবে এদের বেশিরভাগই জামাতে ইসলাম নামের ফাকিস্তান থেকে উৎপত্তি হওয়া একটা ধর্মের অনুসারি… :ক্ষেপছি:

    সত্যিকারের ইসলাম আমার রাসুল পাক(সঃ) এর প্রবর্তিত ইসলাম। যে ইসলাম সকল ধর্ম-জাত নির্বিশেষে সবার শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের কথা বলে, যে ইসলামে সকল ধর্মপ্রবর্তকদের ও তাদের প্রবর্তিত ধর্মের প্রতি পূর্ণ শ্রদ্ধা ও সম্মান জানানো হয়েছে। কিন্তু আমাদের দুর্ভাগ্য, প্রত্যেক ধর্মের ভেতরে থাকা কিছু নিকৃষ্ট ডাস্টবিনের কীটের জন্য যুগে যুগে সকল ধর্মের মানুষকে অকল্পনীয় বর্বরতার শিকার হতে হয়েছে। এই কীটগুলো সব ধর্মের মাঝেই আছে। সময় এবগ সুযোগে সেই ধর্মের লেবাস গায়ে চাপিয়ে তারা শুদ্ধি অভিযানে নামে। আর এই জারজ কীটগুলোর জন্য অকল্পনীয় নৃশংসতার শিকার হয় অন্যান্য ধর্মের মানুষেরা, কলঙ্কিত হয় কীটগুলোর গায়ের লেবাস হিসেবে থাকা ধর্মটা। যদিও এখানে সেই ধর্ম কিংবা সেই ধর্মের সত্যিকারের অনুসারীদের কোন দোষ নেই। এ অবিচার, এ নির্মমতা চলে আসছে শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে। এই জারজগুলো এবং এদের মাথার উপরে ছায়া হিসেবে থাকা তথাকথিত ধর্মীয় নেতাদের জানাই ধিক্কার… জগতের নৃশংসতম মৃত্যু হোক এই নরকের কীটদের… :ক্ষেপছি: :অপেক্ষায়আছি:

  8. আপনি যে আয়াত ও হাদিসগুলো
    আপনি যে আয়াত ও হাদিসগুলো দিয়েছেন সেইগুলোর প্রত্যেকটির ভিন্ন ভিন্ন অর্থ আছে। কিন্তু এইগুলো দিয়ে কোনভাবেই এই নৃশংসতা ও বর্বরতাকে আড়াল করা কিংবা এর থেকে মাফ পাবার কোন উপায় নেই। ইসলাম ধর্মের অনুসারি মুসলমান পরিচয় দেয়া কিছু নিকৃষ্ট জারজ কীট ধর্ম রক্ষার দোহাই দিয়ে কিংবা কল্পিত সওয়াবের আশায় মালাউন ধ্বংসের যে নীলনকশা বাস্তবায়ন করছে আদিম উল্লাসে, বিশ্বাস করুন এই জারজ শুয়োরগুলো একটাও মুসলমান নয়। এদের ধর্ম ইসলাম না, হতে পারে না। তবে এদের বেশিরভাগই জামাতে ইসলাম নামের ফাকিস্তান থেকে উৎপত্তি হওয়া একটা ধর্মের অনুসারি। :মানেকি:
    :মানেকি:
    সত্যিকারের ইসলাম আমার রাসুল পাক(সঃ) এর প্রবর্তিত ইসলাম। যে ইসলাম সকল ধর্ম-জাত নির্বিশেষে সবার শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের কথা বলে, যে ইসলামে সকল ধর্মপ্রবর্তকদের ও তাদের প্রবর্তিত ধর্মের প্রতি পূর্ণ শ্রদ্ধা ও সম্মান জানানো হয়েছে। কিন্তু আমাদের দুর্ভাগ্য, প্রত্যেক ধর্মের ভেতরে থাকা কিছু নিকৃষ্ট ডাস্টবিনের কীটের জন্য যুগে যুগে সকল ধর্মের মানুষকে অকল্পনীয় বর্বরতার শিকার হতে হয়েছে। এই কীটগুলো সব ধর্মের মাঝেই আছে। সময় এবগ সুযোগে সেই ধর্মের লেবাস গায়ে চাপিয়ে তারা শুদ্ধি অভিযানে নামে। আর এই জারজ কীটগুলোর জন্য অকল্পনীয় নৃশংসতার শিকার হয় অন্যান্য ধর্মের মানুষেরা, কলঙ্কিত হয় কীটগুলোর গায়ের লেবাস হিসেবে থাকা ধর্মটা। যদিও এখানে সেই ধর্ম কিংবা সেই ধর্মের সত্যিকারের অনুসারীদের কোন দোষ নেই। এ অবিচার, এ নির্মমতা চলে আসছে শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে। এই জারজগুলো এবং এদের মাথার উপরে ছায়া হিসেবে থাকা তথাকথিত ধর্মীয় নেতাদের জানাই ধিক্কার… জগতের নৃশংসতম মৃত্যু হোক এই নরকের কীটদের…

  9. ডন মাইকেল কর্লিওনি ভাই,
    ইসলাম

    ডন মাইকেল কর্লিওনি ভাই,

    ইসলাম ধর্মের অনুসারি মুসলমান পরিচয় দেয়া কিছু নিকৃষ্ট জারজ কীট ধর্ম রক্ষার দোহাই দিয়ে কিংবা কল্পিত সওয়াবের আশায় মালাউন ধ্বংসের যে নীলনকশা বাস্তবায়ন করছে আদিম উল্লাসে, বিশ্বাস করুন এই জারজ শুয়োরগুলো একটাও মুসলমান নয়। এদের ধর্ম ইসলাম না, হতে পারে না। –

    আপনার কথাগুলি শুনতে ভাল লাগে । দেখুন এমন কোন জালসা শুনেছেন যেখানে হুজুররা হিন্দু ও অন্যধর্মের লোকদের গালি না দিয়ে তার বক্তব্য শেষ করে ? শুনেন নাই , যদি তাই হয় তাহলে সেটা কি ঔ হুজুরের দোষ নাকি ধর্মের ভিতরেই দোষ ? একটু ভাবুন প্লীজ । যাদেরকে আপনি অমুসলিম বলছেন তারা কি কোরান সুন্নাহ অনুসারেই অমুসলিম নাকি আপনার কথাতেই অমুসলিম ? ভাল করে ভেবে দেখার অনুরোধ জানালাম ।

    দিও এখানে সেই ধর্ম কিংবা সেই ধর্মের সত্যিকারের অনুসারীদের কোন দোষ নেই। এ অবিচার, এ নির্মমতা চলে আসছে শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে।

    সারা জীবন বা অতিতেও যা চলে আসছে তা কি চলতেই থাকবে ? অতীত আমাদের কাছে অসভ্য, ও বর্বর , তাহলে কি আমরা এখনও অসভ্য বর্বরই থাকব ? আমেরিকাতে অনেক সহিংস কাজ হয় কিন্তু নাফিস এর বেলায় কেন তার ধর্ম কে সামনে এনেছে আমিরিকা ? তার কারন নাফিস শুধু মাত্র আমেরিকারতে বোমা মারতে চেয়েছিল ধর্মের কারনে অন্যকোন কারনে নয় । আপনার সদয় জ্ঞাতার্থে নিচে কোয়েকটা আয়াত দিয়ে দিলাম দেখুন

    তোমরা বের হয়ে পড় প্রচুর সরঞ্জামের সাথে , জেহাদ কর আল্লাহর পথে জান- মাল দিয়ে, এটি তোমাদের জন্য অতি উত্তম যদি তোমরা তা বুঝতে পার। ০৯: ৪১
    তারা চায় যে তারা যেমন কাফের তোমরা তেমনি কাফের হয়ে যাও যাতে তোমরা ও তারা সমান হয়ে যাও। অতএব তাদের মধ্য থেকে কাউকে বন্ধুরূপে গ্রহন করো না, যে পর্যন্ত না তারা আল্লাহর পথে হিজরত করে চলে না আসে। অত:পর তারা যদি বিমুখ হয় তাদেরকে পাকড়াও কর. এবং যেখানে পাও সেখানে হত্যা কর। তাদের মধ্যে কাউকে বন্ধুরুপে গ্রহন করো না, এবং সাহায্যকারীও বানিও না। ৪:৮৯
    হে নবী, আপনি মুসলমানদেরকে জেহাদের প্রতি উৎসাহিত করুন। ০৮:৬৫
    তোমরা যুদ্ধ কর আহলে-কিতাবের ওই লোকদের সাথে যারা আল্লাহ ও শেষ বিচার দিনের ওপর বিশ্বাস রাখে না। আল্লাহ ও তার রসুল যা হারাম করে দিয়েছেন তা হারাম করে না এবং গ্রহন করে না সত্য ধর্ম, যতক্ষন তারা করজোড়ে জিজিয়া কর প্রদান না করে। ০৯:২৯

    সত্যকে অস্বীকার করলেই কি সত্য মুছে যাবে ? কোন ধর্মকে কটাক্ষ করা আমার উদ্দেশ্য না । আমরা সবাই নিজ নিজ ধর্ম যত টুকু পারি পালন করব কিন্তু অন্যকে কোন রূপ ডিস্টার্ব না করে – এটাই আমার মত ।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

50 − 46 =