শিক্ষিত সমাজ চাই কিন্তু কিভাবে ? এই ভাবে জাতি কোন দিন শিক্ষিত হবে !!!!??

আমাদের দেশের সকল বোদ্ধা বা সাধারন জনগন সবারই দাবী একটি শিক্ষিত সমাজ চাই ।চাই একটি শিক্ষিত জাতি । কেউ কেউ বিভিন্ন ধর্মের বানি দিয়ে তার গভীরতা প্রমানের চেষ্টাও করেন । কিন্তু কিভাবে শিক্ষিত জাতি পাব তা কেউ বাতলে দেন না ।এরই মধ্যে সরকার সকল প্রাথমিক বিদ্যালয় গুলো সরকারী করার ঘোষনা দিয়েছে । এখন অবশ্য কেউ কেউ আশা প্রকাশ করছেন যে আর কিছুদিনের মধ্যেই আমরা একটি শিক্ষিত জাতি হিসাব গন্য হব। আমি কিন্তু মোটেই তাদের সাথে সুর মিলাতে পারছি না ।না না আমি এই সরকারী করনের বিরোধীতা করছি না । আমিও তাদের সাথে একমত যারা বলেন শিক্ষকের পেটে ভাত না থাকলে শিক্ষক কিভাবে শিক্ষিত জাতি উপহার দিবেন ?

আমার জানা মতে আমাদের দেশে কোন শিক্ষানীতি নাই আছে কেবল শিক্ষা ব্যবস্থা। তাও প্রায় কোমায় চলে গেছে । এভাবে যে জাতি হিসাবে আমরা শিক্ষিত হতে পারব না তা প্রায় সু নিশ্চিত ।যাইহোক আজ আমি শুধু শিক্ষক পেশা নিয়েই আলোচনা করব । যে হেতু ব্লগ একটি শিক্ষিত শ্রেনীর যায়গা তাই এর মাধ্যমেই আমি আমার যুক্তি তুলে ধরব ।

আমার জানা মতে দুনিয়ায় ৪টি পেশা আছে যার জন্য শুধু সার্টিফিকেট থাকলেই হয় না পাশপাশি মাথায় আরও কিছু থাকতে হয় সেই পেশাগূলো – শিক্ষক , ডাক্তার , ইঞ্জিনিয়ার ও উকিল । আর এই পেশার শুরুই হয় শিক্ষাজীবন থেকে। তাই ছাত্রের যদি গ্রেডিং করা হয় তাহলে আমরা ৩টি গ্রেডে ভাগ করতে পারি ।

এ গ্রেড – যে নিজে বুঝে এবং অন্যকে বুঝাতে পারে ।
বি গ্রেড – যে নিজে বুঝে কিন্তু কাউকে বুঝাতে পারে না ।
সি গ্রেড – নিজেও বুঝে না কাউকে বুঝাতেও পারে না ।( ব্যাক বেঞ্চার )

গত ৪২ বছর আমাদের দেশে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্কুল গূলোতে যারা শিক্ষক তারা প্রায় সকলেই সি গ্রেডের কিছু কিছু বি গ্রেডের । এই সি ও বি গ্রেডের শিক্ষক দিয়ে জাতি কিভাবে শিক্ষিত হবে তা আমার মাথায় ঢুকে না । হয়তো আমাদের বিশেষজ্ঞ গন ভাল জানবেন । আপনারা যদি কেউ জেনে থাকেন প্লীজ আমাকে জানাবেন ।এর উপর আছে মহিলা কোটা । শিক্ষক নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি দেখলেই আমার ভীমরি খাওয়ার অবস্থা হয় । ছেলেদের জন্য ডিগ্রি পাশ ও মেয়েদের জন্য ইন্টার বা উচ্চ মাধ্যমিক পাশ । তার অর্থ ছেলেরা ডিগ্রী পাশ করলে যে পরিমান জ্ঞানী হয় মেয়েরা উচ্চ মাধ্যমিক পাশ করেই সেই পরিমান জ্ঞানী হয় । আমাকে আপনারা আবার নারী বিদ্ব্যেষী হিসাবে ট্যাগ কইরেন না ।

এই শিক্ষকের একটি নমুনা দেই । আমার ছেলে ক্লাস টু তে যখন পড়তো তখন একদিন পল্লী কবি জসীম উদ্দিনের “মামার বাড়ী” কবিতাটি পড়ছিল । শেষের লাইনটাতে ছেলে পড়ছিল “পাকা জামের শাখায় উঠি রঙ্গিন করি মুখ “।আমি তারে একটা ধমক দিয়ে বললাম ক্লাস টুতে পড়িস আর দেখে দেখে বাংলা ঠিক মত পড়তে পারিস না ? ছেলে থতমত খেয়ে আবার পড়ল “পাকা জামের শাখায় উঠি রঙ্গিন করি মুখ “।আমি বললাম কিরে কি পড়িস “পাকা জামের শাখায় উঠি রঙ্গিন করি মুখ “ লেখা আছে নাকি ? “পাকা জামের মধুর রসে রঙ্গিন করি মুখ “ লেখা আছে ? ছেলে আমাকে অবাক করে বলল তারটাই ঠিক । আমি তখন বইটা নিয়ে শাখায় উঠি শব্দ দুটি কেটে দিয়ে লিখে দিলাম মধুর রসে । অর্থাৎ লিখে দিলাম – “পাকা জামের মধুর রসে রঙ্গিন করি মুখ “।

পরের দিন ছেলে এসে আমার উপর ভিষন খ্যাপা । বলে তোমার জন্য স্কুলে আমাকে বকা খেতে হয়েছে। আমি কারন জিজ্ঞাসা করতেই সে তার বই খুলে যা দেখালো তাতে তো আমার আক্কেল গুড়ুম অবস্থা । দেখি শিক্ষক আমার মধুর রসে কেটে দিয়ে শাখায় উঠি শব্দ দুটিকেই সঠিক হিসাবে রায় দিয়েছেন ।আমি ছেলেকে বললাম বাবা আমি যেটা বলেছি সেটাই ঠিক। কিন্তু ছেলের এক কথা টিচার বলেছে তারটাই ঠিক। এর কয়েকদিন পর আমার এক বন্ধুর সাথে দেখা এক আড্ডায় । সে প্রাইমারির প্রধান শিক্ষক ও প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির থানা সভাপতি । তাকে বললাম সেই কবিতার কথা সে আমাকে অবাক করে দিয়ে বলল শাখায় উঠি – এই শব্দ টাই সঠিক । আমার তো তখন মেজাজ খারাপ তাকে বললাম মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষার সময় না হয় উচ্চ শিক্ষার্থে গ্রামে গিয়ে পরীক্ষা দিয়েছিলে কিন্তু প্রাইমারীতেও কি এই কবিতাটা পড় নি ?তখন শাখায় উঠি রংগীন করি মুখ ছিল ? আর পাকা জাকের শাখা কি ? শাখায় উঠলেই কি করে মুখ রংগীন হবে ? “পাকা জামের শাখায় উঠি রঙ্গিন করি মুখ – এর মানে কি ? জসীম উদ্দিনের মত একজন কবি এরকম ফালতু মিনিংলেস বাক্য লিখছেন ? “পাকা জামের মধুর রসে রঙ্গিন করি মুখ – এই বাক্যের অর্থ আছে ।পাকা জামের রস খেতে ভাল তা মধুর সাথে তুলনা করেছেন এবং এই রসের কশের কারনে মুখের ভিতর জামের রং হয়ে যায় অর্থাৎ মুখ রঙ্গীন হয় । ঐ আসরে আমার আরো কিছু ফ্রেন্ড ছিল তারাও আমারটা কেই সমর্থন দিল । এর মধ্যে একজন বলল ছাপার ভুল হতে পারে । আরেকজন বলল তাহলে তো তোরাই তোদের সমিতির মাধ্যমে এই ভুল গুলো প্রতিবছর ঠিক করতে পারিস । করিস না কেন ? আরেকজন বলল ধুর ব্যাটা হেরা নিজেরা জানলে না ঠিক করবে । অগো একটাই চিন্তা বেতন বাড়ে না কেন তাই না রে ? বাদ দে ওসব আয় খেলা শুরু করি ।

কিন্তু কেউ ঠিক করে না । এই হল আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থা । হয়তো আপনারা কেউ কেউ বলবেন এটা তো ছোট খাট ব্যাপার ।কিন্তু ভুল শিক্ষা যে কত ভয়ংকর তা একমাত্র ভুক্তভুগিই জানে ।ঊচ্চ মাধ্যমিকের এক বিজ্ঞানের শিক্ষককে প্রশ্ন করেছিলাম ভিজা জামা কাপড় অনেক সময় আমাদের শরীরেই শুকিয়ে যায় এটা বিজ্ঞানের কি পদ্ধতিতে শুকায় ? উনার উত্তর ছিল ১০০ ডিগ্রি সেঃ তাপে পানি বাস্প হয়ে যায় তাই জামা কাপড় শুকিয়ে যায় । আমি তখন হাসব নাকি কাদব ঠিক করতে না পেরে ওখান থেকে পালাইছিলাম । আমার এই ঘটনা গুলোকে কেউ কাকতালিয় বা গালগল্প বলে ভুল কইরেন না প্লীজ ।

এটা তো গেল সাধারন শিক্ষা। মাদ্রাসা ও কওমি মাদ্রাসার বিষয়ে কিছু না বলাই উত্তম ।
আর এই শিক্ষার আরেক উদাহরন ঢাকা বিশ্বঃ –এ গত বারের জিপিএ ৫ পাওয়া অধিকাংশ ছাত্র ১০০ এর মধ্যে পাশ নম্বর ৩০ পায়নি ।

এখন আপনারাই স্বপ্ন দেখতে থাকুন শিক্ষিত সমাজ ও জাতির ।

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

৮ thoughts on “শিক্ষিত সমাজ চাই কিন্তু কিভাবে ? এই ভাবে জাতি কোন দিন শিক্ষিত হবে !!!!??

  1. এ গ্রেড – যে নিজে বুঝে এবং

    এ গ্রেড – যে নিজে বুঝে এবং অন্যকে বুঝাতে পারে ।
    বি গ্রেড – যে নিজে বুঝে কিন্তু কাউকে বুঝাতে পারে না ।
    সি গ্রেড – নিজেও বুঝে না কাউকে বুঝাতেও পারে না ।( ব্যাক বেঞ্চার )

    আপনার এই বিভাজন টা ভেরি নাইস এন্ড ক্রিয়েটিভ ! শিক্ষার প্রাণভোমরা হলো প্রাইমারি এডুকেশন । সেখানেই আমাদের যতো গণ্ডগোল । সরকারের উচিৎ প্রাথমিক শিক্ষার মান উন্নয়ন করা । উপযুক্ত বেতন, সুযোগ – সুবিধা বৃদ্ধি করে প্রাইমারি শিক্ষক হওয়ার জন্য উৎসাহিত করতে হবে । একজন প্রাইমারি শিক্ষকের বেতন যদি হয় ৫/৬ হাজার টাকা ( একজ্যাক্টলি এখন কতো পায় আমার জানা নেই ) তাহলে তার কাছ থেকে কী আশা করা যায় । শিক্ষায় সবথেকে পিছিয়ে পড়া মানুষটি অন্যকোন উপায় না পেয়ে প্রাইমারির শিক্ষক হয় । তাহলে এই মানের টিচারের কাছ থেকে শিশুরা কি পেতে পারে ? যার নিজের জীবনে সুখ নাই সে কীভাবে শিক্ষা দেবে ?

    তাছাড়া আপনি দেখাতে পারবেন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মাস্টার্স করা কোন ছেলে বা মেয়েকে প্রাইমারি স্কুলের শিক্ষক হতে ? শিক্ষিত হাউজ ওয়াইফ ভুরি ভুরি খুঁজে পাবেন কিন্তু উচ্চ শিক্ষিত প্রাইমারি টিচার খুঁজে পাবেন না । গলদ টা এইখানে । আমরা মুখে যতোই বিপ্লবী বুলি ঝাড়ি না কেন বিপ্লবটা শুরু করতে হবে আপন গৃহ থেকে । নিজের ঘর অন্ধকার রেখে অন্যের ঘর আলোকিত করতে চাওয়াটা এক ধরণের ভণ্ডামি । তাই বলি কি আসুন আমরা আমাদের প্রাইমারি এডুকেশন সিস্টেম ঢেলে সাজানোর জন্য চিন্তা করি , দাবী জানাই ।

  2. নির্বাচিতা নীরা,
    শিক্ষায়

    নির্বাচিতা নীরা,

    শিক্ষায় সবথেকে পিছিয়ে পড়া মানুষটি অন্যকোন উপায় না পেয়ে প্রাইমারির শিক্ষক হয় । তাহলে এই মানের টিচারের কাছ থেকে শিশুরা কি পেতে পারে ? যার নিজের জীবনে সুখ নাই সে কীভাবে শিক্ষা দেবে ? –

    আমি আপনার এই যুক্তির সাথে একমত হতে পারলাম না । শিক্ষা দান একটা মহৎ পেশা । এর সাথে অর্থ যোগ করলেই তা অন্ররথ ঘটায় বলেই আমার বিশ্বাস । রাজনীতি সমাজ সেবা মূলক কাজ এখানে অর্থের কোন সম্পর্ক নাই , ঠিক তেমনি শিক্ষকতাও সমাজ সেবা মূলক কাজ , এখানেও অর্থ খুব একটা বিষয় না । আপনি যদি অর্থই চান তাহলে শিক্ষকতা করবেন কেন ? ব্যবসা করুন, আর্মি পুলিশে চাকুরি নিন । সন্মান ও অর্থ একসাথে পাওয়া যায় কি ? বিষয়টি ভেবে দেখার অনুরোধ রইল । ধন্যবাদ ।

    1. ওকে ফাইন । তাহলে শিক্ষকদের যে
      ওকে ফাইন । তাহলে শিক্ষকদের যে কয় টাকা দেওয়া হচ্ছে , তাও দেওয়া বন্ধ করা হোক, কী বলেন ? যেহেতু আপনি বলছেন সেবা মূলক কাজ । আপনার কথায় মনে হচ্ছে সেবা মূলক কাজ অর্থ বাদ দিয়ে করা উচিৎ !!! পুলিস, ডাক পিওন ওনারাও সেবা দিয়ে থাকেন । এদের ও বেতন বন্ধ করা হোক , তাই নয় কি ? এভাবে একে একে সব নাগরিক সেবা মূলক খাত বিনা অর্থে চালানোর সরকারি ঘোষণা আসুক, তাইলে দেখা যাবে দেশ একেবারে উন্নতির এপিকে পৌঁছে যাবে !!!

      আপনি বাস্তবতাকে অস্বীকার করতে চান । মানুষ খেয়ে পরে সুখে শান্তিতে বেঁচে থাকতে পারলেই না অপরের সেবা করার প্রশ্ন আসে । এখন অর্থাভাবে যার নুন আনতে পান্তা ফুরোয় তার কাছে আপনি বিনা পয়সায় সেবা চাচ্ছেন – কী হাস্যকর প্রস্তাব !!!

      আমি বলছিনা জ্ঞান কেজি দরে বিক্রি করতে হবে । জ্ঞান প্রদীপের আলোয় যে শিক্ষক আলোকিত করবেন কোমলমতি শিশুদের অন্তরলোক তাকে তো সলতে ক্রয় করার ব্যবস্থা করে দিতে হবে । নাহলে যে অকালে প্রদীপ নিভে যাবে । সেই সাথে লক্ষ লক্ষ শিশুর অন্তরের আলো আঁধারের কালো চাঁদরে ঢেকে যাবে ।

      আই হোপ, কী বলতে চেয়েছি রিয়ালাইজ করতে পেরেছেন !

      1. দিদিভাই, সরি আমি মনে হয়
        দিদিভাই, সরি আমি মনে হয় আপনাকে ঠিক বুঝাতে পারিনি । সেটা আমারই দুর্ভাগ্য । আগে চিন্তা করুন মানুষ কেন চাকুরি বা ব্যবসা করে ?

        আপনি বাস্তবতাকে অস্বীকার করতে চান

        যাই হোক দেখুন আমি বেতন বন্ধ করে দিতে বলিনি । কিন্তু আমাদের চাহিদার কি শেষ আছে ? সেই চাহিদা কি কেউ পারবে পূরন করতে ? পুলিশের ওসি এর পদ টাকে সরকার ১ম শ্রেনীতে উন্নিত করেছে , তাতে কি সেই পুলিশের ঘূষ খাওয়া বন্ধ করেছে ? আপনি কি আগের চেয়ে বেটের সেবা পাচ্ছেন ? পল্লী বিদ্যুৎ সমিতিতে চাকুরির বেতন কাঠামো ছিল অন্যদের তুলনায় দ্বীগুনেরও বেশী । এটা এই কারনে করা হয়েছিল যাতে তারা ঘুষ না খায় । আপনি প্ললী বিদ্যুৎ থেকে বিনামূল্যে সেবা পান ? দিদিভাই আমি সারা দিন বিভিন্ন অফিস ও পাবলিকের মধ্যেই থাকি । ফলে বাস্তবতা বুঝি । আমার মতে সব চেয়ে কম বেতনে সব থেকে ভাল সেবা দেওয়ার প্রতিষ্ঠান একটাই আছে বাংলাদেশে । তারা কিন্তু কোন দিনই আন্দোলন করে না তাদের বেতন বাড়ানোর জন্য । আশা করি বুঝাতে পেরেছি ।

        তাছাড়া আপনি দেখাতে পারবেন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মাস্টার্স করা কোন ছেলে বা মেয়েকে প্রাইমারি স্কুলের শিক্ষক হতে ?

        প্রাইমারির শিক্ষক হতে হলে যদি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পাশ করা ছাত্র লাগে তাহলে হাইস্কুল, কলেজে ও বিশ্ববিদ্যালয়ে কারা পড়াবে ?

  3. চমৎকার ভাবে গুছিয়ে বলেছেন…
    চমৎকার ভাবে গুছিয়ে বলেছেন… :তালিয়া: নির্মম সত্য কিছু কথা… :মাথাঠুকি: নিদারুণ যন্ত্রণার কিছু কথা… :মাথাঠুকি:

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

− 2 = 2