জামাতী তাণ্ডব, গণজাগরণ ও হিট লিস্টের পাশে কিছু অপ্রাসাংগিকতা-১

-এখনো সুরৎ সুরৎ হৈ চৈ সুরৎ সুরৎ থামে নাই সুরৎ কেন? গুয়াজম রুই মাছের মাথা চুষতে চুষতে পাশে বসা বিবি (কত নাম্বার বিবি তা মালুম নাই) কে জিগেসা করে। বিবি নাকের ময়লা খুঁটতে খুঁটতে কইল,
-থামবে আর কইটা দিন সবুর করেন। আপনার নির্দেশ মত টাকা পানির মত বিলাইতেছি। যারে যারে যা দিতে কইছেন আমি দেতাছি। কিচু যে হইনি তা না নাস্তিক গো আন্দুলনের গোয়া মাইরা দিছি, ইচলামের অপমানের বিষ চিটাইয়া দিচি, এখন দেকেন কেমুন করে আন্দুলন বনধো হয়ে ঝায়।
-সুরৎ সু গুলাপির সাথে সুরৎ সুরৎ বাত করচ?
-উনারে আমার এটটুও পচন্দ নেহি।
-পচন্দ নেহি ক্যান।? সুরৎ সুর সুরৎ সুর

-এখনো সুরৎ সুরৎ হৈ চৈ সুরৎ সুরৎ থামে নাই সুরৎ কেন? গুয়াজম রুই মাছের মাথা চুষতে চুষতে পাশে বসা বিবি (কত নাম্বার বিবি তা মালুম নাই) কে জিগেসা করে। বিবি নাকের ময়লা খুঁটতে খুঁটতে কইল,
-থামবে আর কইটা দিন সবুর করেন। আপনার নির্দেশ মত টাকা পানির মত বিলাইতেছি। যারে যারে যা দিতে কইছেন আমি দেতাছি। কিচু যে হইনি তা না নাস্তিক গো আন্দুলনের গোয়া মাইরা দিছি, ইচলামের অপমানের বিষ চিটাইয়া দিচি, এখন দেকেন কেমুন করে আন্দুলন বনধো হয়ে ঝায়।
-সুরৎ সু গুলাপির সাথে সুরৎ সুরৎ বাত করচ?
-উনারে আমার এটটুও পচন্দ নেহি।
-পচন্দ নেহি ক্যান।? সুরৎ সুর সুরৎ সুর
-আপনি বুজেন না আপনার সাথে অন্য নারীর বাতচিত আমার না পচন্দ। আপনি ওরে বেসুমার দৌলত দিচেন আমার তাও না পচন্দ। আমাগো টাকা খায় আবার দেমাগ দেহাই।
-সুরৎ সুর সুরৎ সুর ওরে আমার পাকিস্তানি বুলবুলি সুরৎ সুর সুরৎ সুর কাম শেষ হইলেই গুলাপি রে আবার কয়াদ। তারপর আর ছাড়ান নাই।
– মাহমুদুর রে কি করবেন।
– ঐ হিজড়ারে নিয়া আমাগো চিন্তা নাই, হেই নিজের কবর নিজেই খুঁড়চে।
– কোটি কোটি টাকা যে চুট চুট দল গুলা রে দিলেন তার কি?
– আরে বে সুরৎ সুরৎ সুর কুব, শুক্রুবার পূর্ব পাকিস্তানে জুম্মার নামাজের পর যে গন্ডগোল বাধচে তা ক্যামনে, ওই টাকার জোরে, যারা আমাগোর নীতি মানেনি তারা আমাগো টাকার কাছে হার স্বীকার গেছে, সুবানাল্লাহ।
-সুবানাল্লাহ। ঠিকই কইছেন বাঙালি গো একতা নাই, নাইলে ৭১ এর গন্ডোগলের পরেও আপনার পেয়ারা নিজামি মন্ত্রী মোবারাক হতি পারে। ৩৭ তা সীট পায় সংসদে। খিক খিক।
-সুরৎ সুর সুরৎ সুর খিক খিক খোক খোক খোক, গলায় কাটা লাগল মনে হয়। পান্নি পিলাও খোক খোক খোক। এসময় দরজার বাইরে থেকে দোড় দিয়ে ঘরে ঢুকে এক গ্লাস পানি গুয়াজমের মুখে তুলে দিয়ে পিঠ মালিশ করতে থাকে এক ছাগুলে দাড়ি ২৮/২৯ বছরের লোক।
-হুজুরেজোম একটু কি আরাম বোধ করছেন?
-হুম খোক খোক খোক হুম। এইটা কে বিবি কে জিগেসা করে গুয়াজম।
-জানেজম এ গত বছর ছিবিরের সাথি হইছে। কিন্তু এর বাতচিত সুবিধার না। আপনার মুখ মোবারক থেকে হেদায়াত না পাইলে এই কামেল পোলারে হারাইতে হই, কানে কানে বলে বিবি। এর মধ্যে নাস্তিক ভাব দেখা দিছে, খুবু কামের মাল কি করবেন চিন্তা নেন। দলের অন্য কেউ নিতে পারত এর দায়িত্ব কিন্তু আপনার রক্তের কারনে কেউ কিছু কইতে পারছে না।
গুয়াজম হাতের ইশারাই বিবি কে ঘরের বাইরে যাইতে কইল। বিবি খুব সন্দেহ নিয়ে তাকাল দুইজনের দিকে এরপর বঙ্গবন্ধু হাসপাতালের প্রিজন সেলের বারান্দায় গিয়ে দাঁড়াল।
-নাম কিয়া হ্যায়?
-হুজুরেজম নাম কায়েস বিন বালাকার।
-হুম এইটা তো ভদ্র সমাজের নাম আসল নাম কি?
-কসাই বিন বালাৎকার।
-সাবাস! বাহুত খুব। তুমহারা খুবিয়া বাতাও।
লজ্জায় লাল হয়ে কাসাই বিন বালাৎকার উত্তর দিল
-এক কোপ দিয়া কল্লা ফেলতে পারি, আধা ঘণ্টায় বটি করি দুটা বডি। চোখ তুলে আনি হাতের আঙ্গুল দিয়ে তিন সেকেন্ডে, ধর্ষনে ডাবল সেঞ্চুরি করছি। চাপাতি চালায় বাতাসের বেগে। ইন্টারনেট এক্সপার্ট ফেক ছবি, ফেক গল্প, আসল রে নকল বানায়। আর হুজুরেআলাম সিনিয়ারদের মনোরঞ্জনও করি।
– মারহাবা মারহাবা। নামাজ কালাম কিছু জান?
– জানি জনাবে হুজুরে জান।
তো তুমহারা তাকাল্লুফ কিয়া বাতাও।
-হুজুরেজম গোস্তাখি মাফ, নামাজ, ইবাদত ও খুন,ধর্ষণ,লুটপাট এক সাথে যায় না। ইসলামের নামে আমরা যা করতাছি তা তো ইসলাম ধর্ম কে চরম অপমান করতাছি। আপনারা এতো বছর যা কইছেন যা শিখাইছেন, তার সাথে তো ইসলাম ধর্মের কোন মিল নাই। এইটা নিয়া বিয়াকুল হইতাছে প্রান। মায়ে ইদানিং মুখ দেখে না আমার, আর বাপের কথা কি কমু উনি তো আপনাদের কথা মত বালাৎকার করেই যাচ্ছে ।
-ক্যামনে জানলা মিল নেহি ইসলাম কে সাথ হামারা।
ইন্টারনেটে সত্যিকার ইসলামী সাইট গুলিতে গিয়া পরছি। আমাগো পাবলিকেশনের বাইরের ইসলামী বই পরে দেখছি আমরা নামে জামাতে ইসলাম কিন্তু কাম করতাছি পুরা ইসলাম বিরোধী। আমাগো দল ছাড়া এই সব কাম কেউ করে না, এই গুলারে পাপ, কাফেরি, মুরতাদি কই ওরা। হুজুরেয়ালা, এই দেশের জন্মের ইতিহাসও পরছি হুজুরেজান সব খানে আমাদিগো কে রাজাকার বলছে, বলছে ৩০ লাখ মানুষ খুন আর ৪ লাখ মা বোনের ইজ্জত নেবার কথা, যে সব নেতাদের জন্য এতো তাণ্ডব ক্রতাছি তারা নাকি প্রকৃত খারাপ লোক। হুজুর সত্যি বড় কষ্ট পায় মনে, ঐ গুলা কি সত্যি নাকি।
কমজোরি পা দিয়ে লাত্থি মাইরা বালাৎকারের পোলার জান কবচ করতে মন চাইতেছে। জারজ পোলা তোরে কোটি কোটি টাকা খরচ করে এই পর্যন্ত আনছি, ভাল ভার্সিটিতে পড়াইয়া, ভাল বেতনের চাকরি দিছি, বাপের ব্যবসা করে দিছি, মা রে না হয় টাইম টু টাইম দিল খুশ করতে কাম করছি, তাই না তুই পইয়দা হইছোস, শালা বেইমান, নিমকহারাম, বিশ্বাসঘাতক আজ বাঙালির মত কথা কস। ভুলে যাস তোর শরীরে পাকিস্তানিদের পবিত্র রক্ত।

মনের কথা বাইরে প্রকাশ না করে, খুক খুক করে কেশে গুয়াজম কাসাই বিন বালাৎকারের মুখটা ভাল করে দেখলেন, মুখটা বেশ সুন্দর, গালে কালো দাড়ি। বেশ কামনীয়। কিন্তু এর ভাবনা, চিন্তাই ফেলে দেবার মত। মাথা গরম হয়ে যাচ্ছে, প্রেসার মনে হয় হাই হয়ে যাচ্ছে, মাথা অনেক কষ্টে ঠাণ্ডা করে হাসি হাসি মুখে কসাইএর দিকে তাকালেন গুয়াজম, পাশে বসায়ে তারপর বললেন,
-দেখ তোমার চেহারা আমার পুলার মত। ইসলিয়ে তুম মেরা বেটা। আমরা নাস্তিকদের সাথে যুদ্ধ করতাছি। হামারা আসলি বাতান ওয়াপাস আনেকে লিয়ে। ইসলিয়ে দুশমন কে সাথ ঝুট চাল দেনে পারতে হ্যায়। একাত্তরে ওরা আমাগো দেশ দুই টুকরা করে ফেলছে, হিন্দুয়ানি দেশ বানায়ছে ইন্ডিয়ার সাথে মিল করে এইদেশের হিন্দুরা। হিন্দু কাফের আর কাফের মারা সুয়াবের। আমরা আমাগো পুরানো বাতান ফিরাইয়া আন্তেই আজ আবার মাথা তুলছি, ৪২ বছর কষ্ট করছি, দেশ হাসিল হইলেই আসল ইসলাম পালন করব। বাপ কসাই, যত রকম ভাবে পারি মানুষের মনে ধর্ম অবমাননার কথা বেশি করে ছড়াইতে হবে, নাইলে ধর্ম প্রান কিন্তু আমাদের দলের বা মনের না এমন মানুষ রে পাশে পাবো না। একবার মসন্দ হাসিল করতে পারলেই কাফের মাইরে শেষ। তখনি আসল ইসলাম কায়েম হইবে।
– কিন্তু হুজুর এই দেশে তো ১৯৭১ সালেও মুসলমান ৯০ ভাগ ছিল, তাইলে কাফের কই মারলেন।
– যারা আমাদের দেশ কে হিন্দুস্থান বানায়ছে তাদের মারা কি কাফেরি কও?
-কিন্তু আমাদের ইসলাম ধর্ম তো কাফের বা অন্য ধর্মের মানুষদের মারতে কইনি, বোঝাইতে কইছে, আর এরা তো মুসলমান, কাফের না। আর তাছাড়া অন্য ধর্মের মানুষ কে তো মারতে কই না, হুজুর মাথাটা আওলায়ে যায় মাঝে মাঝে।

অনেক কষ্টে দাতে দাঁত চেপে গুয়াজম কসাই এর দিকে হাসি হাসি মুখে চাইলেন এবং বললেন,
-বেশি ভাব্বে না, তোমার তো বাপ ভাবার কথা না। তুমার কাম তো অন্ধের মত আমাদের মতানুসরন করা। কি কারনে মগজে জোর দিতাচো নাস্তিকদের কথা ইয়াদ করে। ইয়াদ করবা আমাদের পবিত্র বাতানের কথা। ইসলাম প্রতিষ্ঠার জন্য কাফের মারা পাপের না। নবী জী ( সাঃ) আমল আর এই আমল এক না। তাই নিজেদের প্রয়োজনে ধর্ম কে ব্যবহার করা জায়েজ আছে। আমাদের মসনদে বসতে গেলে ধর্ম কে যে ভাবে ইচ্ছা ব্যবহার করতে হয় করব। আগে বাতান উদ্ধার পরে ধর্ম পালন।

-হুজর রাজীবের তো আমরা মাইরাই ফেলছি মানে ওর পাপের শাস্তি দিছি তাহলে আবার এই নিয়ে আন্দোলন করতাছেন ক্যান? এর পিছনে এতো টাকায় বা ঢালছি ক্যান?
– এইটা বুঝলে তুমি বাপ গুয়াজম হইতে আর আমি কসাই বিন বালাৎকার। কাটা দিয়ে কাটা তোলা বোঝ… এই হইল সেই। ওদের মানুষ কেই ওদের দুশমন বানাতে হবে। আমাদের সুবিধার জন্য আমরা নিজরাই মানুষ মেরে ওদের নামে দি, রাজিব কে মেরে মুরতাদ বানায়, ফেক সাইট করে রাজিব রে নাস্তিক বানায়। নিজের পথ শক্ত না হইলে চলবে ক্যামনে। দুশমনের সাথে দুশমনি করতে হয়, এরা দুশমন আমাদের পোলা গো দলে টানার জন্য ফাঁদ পাতছে। ওরা ফেক পেইজ চালাইতেছে, ওরা ভাল ভাল কথা কইতেছে, হাজার বছর ধরে ওরা আমাদের বিপক্ষে কিন্তু আমরা ওদের দুশমনি চালে পা দেব না, আমাদের এক মকসদ এই দেশ কে উদ্ধার করে আপনা বাতান পয়দা করা। হিট লিস্ট বানায় ছাড়তেই কেমুন ডর মে হ্যাঁয় পাবলিক, গ্যানম্যান নিয়া কি আন্দুলন হইবে? এতে ভাগা ভাগি হয়ে যাবে একতা। গ্যান্ম্যান নিয়া নিজেরাই আন্দুলনের গান মাইরা দিবে।

হুজুর আর একটা কথা না জানলেই না, গুয়াজম রক্তচক্ষু নিয়ে তাকাল এবার, গলায় ঘড়ঘড় আওয়াজ তুলে বলল কি শোনা গেল খি?
– হুজুরে আব্বাজান, আমাদের এতো শক্তি তারপরও আমরা ক্যান ওদের মেদ্যা মারা আন্দোলনে লুঙ্গি নষ্ট করে ফেলতেছিলাম, আর কি কারনেই শহীদ মিনার আর জাতীয় পতাকা ছিঁড়লাম আর মসজিদে আগুন লাগালাম? মসজিদ তো আমাগোর ধর্মের?
বিশাল একতা লম্বা শ্বাস টেনে গুয়াজম মনে মনে এই জারজ পুলারে কোরবানি দেবার চিন্তা করে ফেলল। সিদ্ধান্ত নিতেই হস্ত মারার আমদ পাইল। তাই উদার গলায় বলল,
– ওদের মেদ্যা মারা আন্দোলনে সব ধরণের মানুষের সমাবেশ ছিল, সব মতের, সব জাতের আর এই সব ধরনের মানুষ ৪২ বছর আগে ধরতে গেলে নিরস্ত অবস্থায় আমাদের নেংটা করে ছাড়ছিল। আমার বাতান থেকে ওরা আলাদা হয়ে নতুন স্বাধীন দেশ পাইছিল। যার কারনে আমি অনেক দিন নিষিদ্ধ ছিলাম। আমরা বাতান হারা হইছি । আমার শীর্ষ নেতারা আজ জেলের ভাত খাইতেছে। আমি এই অহিংস না সব ধরণের মানুষের এক হওয়া কে ভয় পায়। লুঙ্গি খারাপ হওয়া তো কমই।
শহীদ মিনার পুরাইয়ে আর জাতীয় পতাকা ছিড়ে আমাদের শক্তি কত তার প্রমাণ দিলাম। ওদের অনেক বড় বড় রাজনীতিবিদ নেতা আমাদের মেহমান খানায় নিয়মিত অতিথি, আমাদের অনেক বদন্যতা আর অনুগ্রহে দাবিত। তাই আমাদের এহেন কর্ম কাণ্ডে কারো কিছু করার নেই। আর জনতার একতায় ভাঙ্গন ধরছে ধর্ম অবমাননা আর অপমানের নামে। অশিক্ষিত এই দেশের অর্ধেকের বেশি মানুষ, যারা ধর্মের নামে কাঁপে, এদের বাগে আনা সহজ। আর টাকা বাপ কেউ ছাড়ে না তো এরা কোন নেতা ফেতা প্রজন্ম, আর মসজিদে আগুন দিয়ে বোঝান হইল। মসজিদের কেউ আমাদের বিপক্ষে গেলে আগুন ধরাই দিমু সব খানে মসজিদও মাপ পাবে না, যারা আমাদের সাথে না তারা এই আগুনে জ্বলবে। ১৯৭১ও আমরা মসজিদ ভাংছি, আগুন দিছি। আমাদের শক্তি দানবীয় আমাদের কাছে মানবতার কোন দাম নেই। মসনদে না বসা পর্যন্ত আমাদের সংগ্রাম চলবেই।
যায় হোক এখন তুমি যাও যাবার আগে ক্যামন বালাতকার কর তার পরীক্ষা দিয়ে যায়, এই সুযোগ সবাই পায় না আমার বিশেষ স্নেহধন্যরা পায়। গুয়াজমের..মেরে কাসাই বের হলে গেল। গুয়াজম বিবি রে ডাকল। বিবি রাগে গোস্বা করে আছে। গুয়াজম উপুর হয়ে শুয়ে তারে কাছে ডাকে বলে,
-একটু সেবা কর। গরম সেক দেও, এই বয়সে আর কি পারি নিতে আগের দিনের মত।
বিবি গাল ফুলিয়ে বলে,
-আপনার এই খাসলত কবে যাবে, আমি কত শরমিন্দা হয়। আপনি আমাকে বঞ্চিত করে রেখেছেন কিন্তু নিজে এখনো এই করেন।
-আরে না বিবি পুলাটার ব্যাপারে একতা ফাইনাল ডিসিশন নিলাম, রোববারের হরতালে না হইলে সামনের যে কোন গণ্ডগোলে ওরে ফেলাই দিতে হইবে, নাই লে আগামী তে বিপদ হবে, সত্যি বড় খারাপ জিনিস এক জন দুইজন করে সবাই জেনে গেলে আমার গলায় ওরাই জুতার মালা দিয়ে মাথায় ঘোল ঢেলে গাধার পিঠে ঘোরাবে। তাই যখনি দেখি কোন কোন পুলাপান মুক্তি বাহিনির উত্তরসূরি মত বা বাঙালির কথা ভাবে, ন্যায় অন্যায়ের কথা বলে তাদের যে কোন অজুহাতে ফেলেদি। দলের বাকি পোলারা জানবে ইসলামের নামে শহীদ হইছে। ওরা আরও প্রতিশোধের আগুনে জ্বলবে। বিবি আর পারছিনা রে জলদি গরম সেঁক লাগা। না লে গেলাম আজ…বাইরে থেকে আওয়াজ ঢুকছে প্রিজন সেলের ঘরে…তুই রাজাকার, গ তে গোলাম আজম তুই রাজাকার তুই রাজাকার… কে আছিস দরজাটা বন্ধ কর।
বন্ধ দরজার ফাঁক দিয়ে আওয়াজ আসে তুই রাজাকার………তুই রাজাকার।

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

২০ thoughts on “জামাতী তাণ্ডব, গণজাগরণ ও হিট লিস্টের পাশে কিছু অপ্রাসাংগিকতা-১

  1. (No subject)
    :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ:

    :তুইরাজাকার:

  2. চমৎকার লিখেছেন। অনেকদিন এমন
    :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ:
    চমৎকার লিখেছেন। অনেকদিন এমন নির্ভেজাল স্যাটায়ার পড়ি না। পরবর্তী পর্বের অপেক্ষায় আছি।

    1. অনেক ধন্যবাদ আপনাকে। আমিও
      অনেক ধন্যবাদ আপনাকে। আমিও অপেক্ষা করতাছি তাড়াতাড়ি লেখার। লেখার আগে সংসারের চিন্তা আগে করতে হয় আমার 😀

  3. দিলেন তো ওদের পাছায় জোর লাথি।
    :বুখেআয়বাবুল: :বুখেআয়বাবুল: :বুখেআয়বাবুল: :হাহাপগে: দিলেন তো ওদের পাছায় জোর লাথি। ওগো :টাইমশ্যাষ: :ফুল: য়ামিও কই :তুইরাজাকার:

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

+ 84 = 90