আমার সর্বনাশ

ঘুমে চোখখান ভাইঙ্গা আইবার লাগতাছে , মাগার ইন্টারনেটের নেশা এমন নেশা ল্যাপটপ থেইক্কা মনখানা উঠবারি চায়না । মন কয় আর একটু বহি, ঘুমাইয়া বা কি কাম করুম ? কালকা দেরি কইরা উঠলে কোন হালায় আবার কি কইবো । কালকে না বন্ধ ,তার চেয়ে বইয়া বইয়া বেবাক রকম সাইটে একটু যাই । দেহি দুই একখান মাইয়াগো লগে কথা কউন যায় নাকি। মাগার যে মাইয়াগুলারে পছন্দ কইরা ফেইসবুকে অ্যাড মারছি , মনে হয় বেবাক মাইয়া ফেক আইডি । আবার দুই একখান যদি আসল পাই , একবারে বাইংমাছের মতন খালি পিছলায় যাইবার চায় । খালি কয় ভাইয়া চলেন না একদিন নান্দস অথবা অন্যকোনো ফাস্ট ফুড এ বসি ভালো করে আপনার সাথে আলাপ হবে ।

ঘুমে চোখখান ভাইঙ্গা আইবার লাগতাছে , মাগার ইন্টারনেটের নেশা এমন নেশা ল্যাপটপ থেইক্কা মনখানা উঠবারি চায়না । মন কয় আর একটু বহি, ঘুমাইয়া বা কি কাম করুম ? কালকা দেরি কইরা উঠলে কোন হালায় আবার কি কইবো । কালকে না বন্ধ ,তার চেয়ে বইয়া বইয়া বেবাক রকম সাইটে একটু যাই । দেহি দুই একখান মাইয়াগো লগে কথা কউন যায় নাকি। মাগার যে মাইয়াগুলারে পছন্দ কইরা ফেইসবুকে অ্যাড মারছি , মনে হয় বেবাক মাইয়া ফেক আইডি । আবার দুই একখান যদি আসল পাই , একবারে বাইংমাছের মতন খালি পিছলায় যাইবার চায় । খালি কয় ভাইয়া চলেন না একদিন নান্দস অথবা অন্যকোনো ফাস্ট ফুড এ বসি ভালো করে আপনার সাথে আলাপ হবে ।
আমিও মনে মনে কই আমিও কি এত সহজে ধরা দেই , ঢাকাইয়া মাল আমি, বাপে আছিলো লজিং মাস্টার , ছাত্রি পরাইবার গিয়া আমার মায়ের লগে প্রেম করছে ,পরে পলাইয়া বিয়া করছে । মায়ে আছিলো নানার একমাত্র আদরের মাইয়া বিয়ার পর বাপরে মাফ কইরা দিয়া ব্যাবসাতে লাগাই দিছিলো । আমার নানার ভাঙ্গারির ব্যবসা আর টিন এর ব্যাবসা আছিলো ,হগল ব্যবসা লইয়া লইছে আমার বাপ হের নামে , আমার মামুরা এহন আমার নানার দোকানের থুক্কু আমার বাপের দোকানের কর্মচারী । বাপখান আমার একবারে চাল্লু । ব্যাবসা না থাকলে দুই টাকাও দিবার চায়না । কয় টেকা কি বলদের পিছন দিয়া আয় নাক্কি , কত্ত কষ্ট কইরা ব্যবসাখান দাড়া করাইছি আর তুমি মউজ মারবা , আমি মনে মনে কই হ তুমি হইলা ঘর জামাই যতই মালিক সাজবার চাও , পুরাণ কি ভুলব্বার পারবা , তোমারে যে মহল্লার বেবাক লোক আড়ালে ঘর জামাই কয় এইডা আমি যেমন জানি তুমিও ভালো কইরা বুজবার পারো ।
বাপেতো আমার আবার ম্যাট্রিক পাস দিছিলো, পাশ কইরা তো ঢাকায় আইসা কলেজ এ ভর্তি হয় পরে লজিং থাকবার গিয়া আমার মারে বিয়া কইরা ফালাইছে , মাগার আমারে কেলাস ফাইভ পর্যন্ত পরাইবার পর আর পরায় নাই , নানার ইচ্ছা আছিলো নাতি কলেজ পাশ দিবো । কিন্তু আমার বাপ্পে এক্কেবারে খান্দানি চাল্লু , আমি যদি কলেজ পাশ দেই হের থেইক্কা বড় হইয়া যামু , হেই লইজ্ঞা হে আমারে ফাইভ পর্যন্ত পরাইছে , কইছে বাজান আমার আর পরিস না তুই , এহন তো হিসাব তো করবার পারস আমি কই হ বাপজান পারি , লগে লগে বাপজান আমারে তার পান খাওয়া ঠোট দিয়া একখান চুম্মা দিয়া কইলো তাইলে তোর আজ থেইক্কা ইস্কুল যাওয়া বন্দো ।

আমিও ভালো ছাত্র আছিলাম না প্রতি কেলাসে আছিলাম দুই বৎসর কইরা হিসাব করলে আমার মতো দামড়ার এহনকার কলেজ পাশ দিবার কথা । কি আর করা বাপে স্কুল অফ কইরা আমারে একখান বিয়া দিয়া দিলো আর ব্যবসায় বসাই দিলো , তহন আমার বয়সখান মাত্র ১৮ হইবার লাগছে ।
ওইদিকে বিয়া দিয়া বাপে নানা দুই জনেই চিল্লাচিল্লি কইরা আমার কান পাকাই দিছে একজনে কয় নাতি দেখবো আর একজন কয় পুতি । কি আর করা বিয়ার এক বৎসরের মাথায় একটা মাইয়া হইলো , বাপে আর নানায় এত্ত খুসি হইলো কইবার পারুম না । তারপর হেগো আরো অত্যাচারে আমি এখন ৫ খান পোলা মাইয়্যার পিতা । বর মাইয়ডার বয়স ১৬ ।

তাদিনকাল ভালই যাইবার লাগছিলো । ব্যাবসাডা আস্তে আস্তে অনেক বড় হইয়া গেছিলো, বাপেও ধীরে ধীরে বিশ্বাস করবার লাগছে আমারে । কিন্তু সব কিছু নষ্ট কইরা দিছে আমার জানি দোস্ত রতইন্না । হালার পুতে বেশ কিছুদিন বিদেশ করছে , দেশে আইসা একখান ডাঙ্গর মাইয়া বিয়া করছে । আমারে ডেইলি আইসা ভড়কায় মাম্মা এক ঢোল আর কত্তবার বাজাবা । দেখোনা কতো ডাঙ্গর মাল বিয়া করছি আর তুমি পুরাণ ভাঙ্গারি মাল লইয়া বইয়্যা রইছো । আমি কই কি করুম মামু ? তহন হালায় আমারে জীবনের সবচেয়ে বড় সর্বনাশটা কইরা দিলো । একখান ফেইসবুক কইরা দিছে , কইছে বইয়া থাকো দেখবা মজা কারে কয় । আমি প্রথম প্রথম এমনি ঢুকতাম পরে এমন মজা পাইলাম একখান ল্যাপটপ কিন্না ফালাইলাম , তা বাপে কয় বাজান এইডা কিনছো কি লাইজ্ঞা , আমি কই বাপজান ব্যবসাখান বড় হয়বার লাগছে আজকাল নাকি সব হিসাবপাতি সব কম্পুটারের মধ্যে করে তাই কিনবার ফালাইছি ,বাপে কইল তাইলে হক কাম করছো বাপজান।
এদিকে আমি নয়া নয়া এতো মাইয়া অ্যাড করছি আমার ফেইসবুক দেহি আর খুলে না । তহন রতইন্না আবার নতুন ফেইসবুক কইরা দিয়া কইলো মামু আস্তে আস্তে অ্যাড দিবার লাগো নাইলে ফেইসবুক তোমারে ব্লক মারবো । আমিও আস্তে আস্তে কাম শুরু করলাম , রতইন্না আরো কইয়া দিছে বড়লোকি দেখাবা হগল সময় নাইলে বেল পাইবানা , আমি তাই রেগুলার গাড়ির ছবি দেই , মাইয়াগো লগে কথা কওয়ার আগে এতো ফুটানি দেখাই বেবাক মাইয়া এমনিতে আমার দিওয়ানা হইয়া যায় । আর আমিও পইরা গেলাম হেগো ফান্দে , একদিন এক বান্ধবী আর এক দিন আর একজন এমন কইরা ঢাকা শহরের কোনো রেস্তোরা , ফাস্ট ফুড আমি গেলেই হইলো , মামু আইছে ।

ওই দিকে এতো খরচ দেইক্ষা বাপের সন্দেহ হইলো বুড়া হইলে কি হইবো ঘাগু জিনিষ ,ঘাপটি মাইরা বইয়া এতোদিন আমার কাম কারবার দেকবার লাগছিলো আমিতো বুঝবার ও পারি নাই । একদিন হাতে নাতে এক পার্টি থেইক্কা আমারে বেসামাল ধইরা ফালাইলো ,ধইররা কিযে ধোলাইখান দিলো আমারে আমি এইডা আমার হগল জিবনেও ভুলবার পারুম না এহন ও মাঝেমধ্যে আমার গিটে গিটে ব্যাথা করে ।
তারপর আর কি কমু তিন মাস আছিলাম হাঁসপাতালের বিছানায় , আইয়া দেখি আমার দোস্ত রতইন্নারেও বিদেশ পাঠাইয়া দিছে ওর বাপে ,হালায় ও নাকি কি আকাম করছে ।
আর আমার ল্যাপটপ নাকি আমার ২ বৎসরের পোলা মুইত্তা নষ্ট কইরা ফালাইছে , কি করুম কন ।
আবার সেই ভাঙ্গারি আর টিনের ব্যাবসা , সকালে বাপের লগে আহি বিকালে বউ আইসা লইয়া যায় ।
বিদ্রঃ এই কাহিনী সম্পূর্ণ আমার মনগড়া , কারো জীবনের সাথে মিলে গেলে আমি দায়ী থাকবো না ।

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

৪ thoughts on “আমার সর্বনাশ

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

66 − = 57