আপনি নারী না, আপনি মানুষ

১.
আমাদের সমাজে নারীদের অবস্থান একটা চিন্তিত করার মত বিষয়। বিভিন্ন প্রতিবেদন অনুসন্ধান করলে দেখা যাবে বাংলাদেশের নারীরা অনেক অগ্রসরমান। তাদের অবস্থান এখন অনেক উপরে। অনেক ক্ষেত্রেই তাদেরকে অধিকার দেওয়া হছে। বিশেষ করে শিক্ষা ও চাকরি ক্ষেত্রে। কিন্তু এই জিনিসটা অনেকটা “বাইরে ঠিক ঠাক , ভিতরে সদরঘাট ” টাইপ অবস্থা। আমার মতে আদিযুগে মেয়েদের অবস্থান আর বর্তমানে মেয়েদের অবস্থানের বিন্দুমাত্র পরিবর্তন হয়নি। যা ছিল তাই আছে। আসলে কোন জাতির উন্নতি মানেটা কি? সমাজের মানুষদের অন্তরে তাদের জন্য সম্মান কতটুকু সেটা। নিজেদের মনেও নিজেদের অবস্থান কোথায়?

২.

১.
আমাদের সমাজে নারীদের অবস্থান একটা চিন্তিত করার মত বিষয়। বিভিন্ন প্রতিবেদন অনুসন্ধান করলে দেখা যাবে বাংলাদেশের নারীরা অনেক অগ্রসরমান। তাদের অবস্থান এখন অনেক উপরে। অনেক ক্ষেত্রেই তাদেরকে অধিকার দেওয়া হছে। বিশেষ করে শিক্ষা ও চাকরি ক্ষেত্রে। কিন্তু এই জিনিসটা অনেকটা “বাইরে ঠিক ঠাক , ভিতরে সদরঘাট ” টাইপ অবস্থা। আমার মতে আদিযুগে মেয়েদের অবস্থান আর বর্তমানে মেয়েদের অবস্থানের বিন্দুমাত্র পরিবর্তন হয়নি। যা ছিল তাই আছে। আসলে কোন জাতির উন্নতি মানেটা কি? সমাজের মানুষদের অন্তরে তাদের জন্য সম্মান কতটুকু সেটা। নিজেদের মনেও নিজেদের অবস্থান কোথায়?

২.
সবক্ষেত্রেই নারীদেরকে পুরুষের সমান অধিকার “দেওয়া হচ্ছে”। এই “দেওয়া হচ্ছে” শব্দটাই আমার সমস্যার মূল কেন্দ্রবিন্দু। এই “দেওয়া হচ্ছে” শব্দটা দিয়ে কি নারীদেরকে অপমান করা হচ্ছেনা? “দেওয়া হচ্ছে” কথাটা দিয়ে কি মানবজাতি থেকে নারীজাতিকে পৃথক করে দেখা হচ্ছে না?

৩.
আমার জীবনের একটা বাস্তব অভিজ্ঞতার কথা বলি। ফাইভে বৃত্তি পরীক্ষা দিয়েছি। সেইদিন রেজাল্ট ছিল। রেজাল্ট দিয়েছে। আমি ট্যালেন্টপুলে বৃত্তি পেয়েছি। সবাই মিলে হৈহুল্লোর করছি। হঠাত দেখালাম আমার এক বন্ধু উদাস হয়ে বসে আছে। তার সাথে কথা বলে জানতে পারলাম যে তার ট্যালেন্টপুল হয় নি। অথচ তার চেয়ে বিশ (২০) নম্বর কম পাওয়া অনেকগুলো মেয়ের ট্যালেন্টপুল হয়েছে। কারণ অনুসন্ধান করে জানলাম যে, ট্যালেন্টপুল দেয়া হয় ত্রিশ (৩০) জনকে। যার মধ্যে ছেলে থাকবে ১২ জন মেয়ে ১৮ জন। এটা নির্ধারিত।

যারা ঢাকায় থাকেন তারা হয়ত লক্ষ্য করেছেন,বাসে মহিলাদের জন্য নয়টি আসন সংরক্ষিত থাকে।
প্রাইমারি স্কুলে শিক্ষক নিয়োগ করার ক্ষেত্রেও নারী-পুরুষের শিক্ষাগত যোগত্যার বৈষম্য চোখে পড়ার মত।
এইসব কিছু বাদ দিলাম। সবচেয়ে বড় উদাহরণ হল আমাদের “জাতীয় সংসদ”। এখানে আসন সংখ্যার ক্ষেত্রে বলা হয় ,৩০০ জন নির্বাচিত সাংসদ আর ৪৫ টি আসন নারীদের জন্য সংরক্ষিত। সম্প্রতি এই আসন ১০০ তে উন্নীত করার কথা বলা হচ্ছে।

৪.
যারা এগুলোকে নারীর অধিকার হিসেবে দেখছেন তারা একটু চিন্তা করুন, নারীরা যখন সংরক্ষিত আসনে গিয়ে বসেন সমাজ তাদের কি চোখে দেখে?
বাসে মহিলাদের জন্য আলাদা সিট অথবা অন্যান্য ক্ষেত্রে নারীদের কোটাব্যাবস্থা তাদের উচ্চাবস্থা দেখায় না। এটা তাদের অপমান। এসব করার মাধ্যমে তাদেরকে দুর্বল বলে চিহ্নিত করা হচ্ছে । দেখানো হচ্ছে তারা কিছু পারেনা। তাই তাদের আলাদা করে অধিকার দিতে হবে।

৫.
আমি নারীদের অনেক সম্মান করি। নারীদেরকে বলতে চাই, নারীরা সমাজের অংশ। পুরুষদের যেই যোগ্যতা আছে নারীদেরও সেই যোগ্যতা আছে। নারীরা আলাদা কিছুনা। নারী বলে আপনাদের যে পৃথক করা হচ্ছে তার বিরুদ্ধে রুখে দাড়ান। যে অপমান করা হচ্ছে তার প্রতিবাদ করুন। যোগ্যতা আছে,যোগ্যতা দিয়ে সমাজে নিজের অবস্থানটা ছিনিয়ে নিন না। কোটা দিয়ে অপমান হবেন না। অধিকার আদায় করার জন্য আন্দোলন না করে অধিকার ছিনিয়ে আনুন।

মনে রাখবেন, “আপনি নারী না, আপনি মানুষ ”

জাগো গো ভগিনী, জাগো……

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

১৯ thoughts on “আপনি নারী না, আপনি মানুষ

  1. মনে রাখবেন, “আপনি নারী না,

    মনে রাখবেন, “আপনি নারী না, আপনি মানুষ “

    হ্যাঁ, আমরা সেটা মনে রাখতে চাই, বিশ্বাস করতে চাই। কিন্তু আমাদের সমাজ আমাদের কি তা চায়??? কোনোদিনই চায় না। আমাদের এই সমজে একটা নারীকে শুধুমাত্র সংসার করা আর ছেলে মেয়ে জন্ম দিয়ে তাদের লালন পালন করার জন্য একটি উপযুক্ত যন্ত্র হিসেবে দেখে। আর “নারী অধিকার” সেটা তো শুভংকরের ফাঁকি!!!

  2. ধন্যবাদ ভাই চমৎকার এই লেখাটির
    ধন্যবাদ ভাই চমৎকার এই লেখাটির জন্য। আমি স্বপ্ন দেখি নারী নয় মানুষ হিসেবে সবাই পাশাপাশি থাকতে। যেখানে থাবেনা কারো জন্য কোন করুনা বা দয়া। থাকবে ভালবাসা ও মমতা।

  3. নারী বলে আপনাদের যে পৃথক করা

    নারী বলে আপনাদের যে পৃথক করা হচ্ছে তার বিরুদ্ধে রুখে দাড়ান। যে অপমান করা হচ্ছে তার প্রতিবাদ করুন। যোগ্যতা আছে,যোগ্যতা দিয়ে সমাজে নিজের অবস্থানটা ছিনিয়ে নিন না। কোটা দিয়ে অপমান হবেন না। অধিকার আদায় করার জন্য আন্দোলন না করে অধিকার ছিনিয়ে আনুন।

    কিভাবে করবে ? সমান অধিকার চাই, সমান অধিকার চাই – বলে মিছিল করে , বাসে উঠেই বলে মহিলা সিট দেন । তাইলে কি হবে ?

  4. আপনার চিন্তাভাবনাটা চমৎকার
    আপনার চিন্তাভাবনাটা চমৎকার লাগলো :থাম্বসআপ: , কিন্তু রাষ্ট্র কিংবা সমাজের একেবারে ভেতর থেকে পরিবর্তন না এলে পরিবর্তন হবে কিভাবে?? :মাথাঠুকি: :চিন্তায়আছি:

    1. পরিবর্তনটা শুরু হতে হবে
      পরিবর্তনটা শুরু হতে হবে পরিবার ও সমাজ থেকে , রাস্ট্র শুধু তাতে সহায়তা করবে আইনের মাধ্যমে । নতুবা সম্ভব নয় ।
      তবে আমার মনে পরুষের চেয়ে নারীর শত্রু খোদ নারীরাই ।

  5. পুরোন টপিক। এটা নিয়ে আগেও কথা
    পুরোন টপিক। এটা নিয়ে আগেও কথা বলেছি…

    আমরা একটা নিগুঢ় সত্য ভুলে যেতে চাই যে- মুখে যাই বলি না কেন, নারী আর পুরুষ এক জিনিষ নয়! প্রকৃতি এমন ভাবেই আমাদের তৈরী করেছে… আপনি আমি চাইলেই পুরুষের গর্ভে সন্তান জন্মাবে না কোনদিন!

    আমি বুঝি না বাসের মহিলা সীট কিভাবে নারী অধিকার লংঘনের একটা সিম্বল হতে পারে! সম-অধিকার মানে কি সব জায়গায় সমান পরিমান কাজ/দায়িত্ব/সুবিধার নিশ্চয়তা?
    এটা একটা ফালতু প্রস্তাব! নারীদের সমান অধিকার দিলেই কোনদিন কোন নারী অলিম্পিকে পুরুষদের ইভেন্টে খেলতে পারবে না! কোন পুরুষকেও দেয়া হবে না সেই সুযোগ!
    কাল যদি কোন নারী দৌড়ে ওসাইন বোল্টের রেকর্ড ভেঙ্গেও দেয় তাতেও কোন দিন এটা প্রমান হয় না যে নারীরাও পুরুষদের সাথে দৌড়ানোটা সম-অধিকার!

    কারণ, ব্যতিক্রম কোন উদাহরন নয়। আমাদেরকে প্রাধান্য দিতে হবে গড়পরতা হিসাবটাকেই…!
    আমি কখনও মনে করি না নারী আর পুরুষকে একই কাজ করতে দেয়াটাই সম-অধিকার! কোয়ান্টিটিতে নয় বরং সমান হিসাব করা উচিৎ কোয়ালিটিতে। নারীকে সম্মানিত করতে হবে তার ইচ্ছা বা মতামতের মূল্যায়নে। তাকে সমান করতে হবে যোগ্যতায়, সিদ্ধান্ত দেবার ক্ষমতায়…।
    সম-অধিকার বলতে আমি বুঝি যে পদে একজন পুরুষ বস্তে পারবে সেই পদে সম যোগ্যতা সম্পন্ন একজন নারীও বসতে পারবে। এটা নয় যে একই চেয়ারে একজন নারী ও একজন পুরুষকে বসাতে হবে!

    আর একথা বলার অপেক্ষা রাখে না- এটাই সবচেয়ে কঠিন কাজ। মানুষের মধ্যে এই বোধটা জাগ্রত হওয়া জরুরী যে একটা কাজে নারীত্ব কোন অযোগ্যতা নয়, অযোগ্যতা হতে পারে তার মেধাহীনতা। প্রত্যেককে লিঙ্গ বিভাজনে না ফেলে শুধু তার মেধা ও যোগ্যতার বিচারে মূল্যায়নটাই সম-অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য যথেষ্ট… এজন্য বাসের কিংবা সংসদের সংরক্ষিত আসন তুলে দেবার দরকার হবে না। ঐটুকু এক্সট্রা সম্মান নারীকে করা যেতেই পারে। এটাকে সম্মান হিসেবে না দেখে যদি “করুণা” হিসেবে বিবেচনা করা হয় তাহলে তো “মুক্তিযোদ্ধা কোঠা”ও মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতি সম্মান না বলে “করুণা” বলতে হবে…

  6. কিন্তু নারীদের শুধু পুরুষ,
    কিন্তু নারীদের শুধু পুরুষ, ধর্ম, সমাজই ঠকায়নি, তাকে ঠকিয়েছে খোদ বিধাতা বা প্রকৃতির সৃষ্টিশীলতায়, নারী ঘরে বাইরে সর্বত্র বঞ্চিত! ভাল লেখা

    1. আপনার লজিক অনুসারে হরিণকেও
      আপনার লজিক অনুসারে হরিণকেও ঠকানো হয়েছে কারণ বাঘ তাকে খায়!
      এটা কোন লজিক হতে পারে না যে প্রকৃতি কাউকে ঠকিয়েছে… প্রকৃতি প্রত্যেককে তার মত করেই সৃষ্টি করেছে। মানুষ হিসেবে আমাদের দায়িত্ব ন্যায় ইনসাফ প্রতিষ্ঠা করা।

      1. ঐ লজিকে ঠকায়নি কিন্তু ঠকিয়েছে
        ঐ লজিকে ঠকায়নি কিন্তু ঠকিয়েছে হরিণকে সাইজে বড়, শক্তশালী ও মাথায় আত্মরক্ষার হর্ন দিয়েছে, যা হরিণিকে দেয়া হয়নি। শিশু জঠরে ধারণ ও তা পালনের দায়িত্ব দিয়েছে। পুরুষকে অব্যাহতি দিয়েছে

  7. কথা ঠিকই বলেছেন। কিন্তু
    কথা ঠিকই বলেছেন। কিন্তু সমস্যা হল আমাদের মানসিকতার পরিবর্তন আগে হওয়া জরুরি। ” নারীদের আলাদা অধিকার” দিতে হবে কারণ তারা আলাদা । এ জাতীয় মানসিকতার পরিবর্তন না হলে বাসে বলেন অন্য জায়গায় বলেন সবখানেই সংরক্ষিত আসনের ব্যবস্থা থাকবে।
    পুরুষদের জন্য তো কোন আলাদা সংরক্ষিত কিছু থাকে না! থাকে না কারণ তাদের আলাদা বলে ভাবা হয় না। তাদের মানুষই ভাবা হয়। নারীদের যেদিন আলাদা না ভেবে মানুষ ভাবা হবে সেদিনই এর পরিবর্তন আসবে।

  8. মানসিকতা বদলান। সবকিছুতে আমি
    মানসিকতা বদলান। সবকিছুতে আমি যাওয়ার কথা বলিনি। আপনি যেটা না পারেন আমি সেটা পারতে পারি, আমি যেটা পারিনা আপনি পারতে পারেন। কিন্তু নারি বলে পারিনা এইটা কোন যুক্তি না।

  9. ১)

    আমার মতে আদিযুগে মেয়েদের
    ১)

    আমার মতে আদিযুগে মেয়েদের অবস্থান আর বর্তমানে মেয়েদের অবস্থানের বিন্দুমাত্র পরিবর্তন হয়নি। যা ছিল তাই আছে।

    — হয় আপনি আদিযুগের নারীর অবস্থান জানেন না অথবা বর্তমান সময়ের নারীর অবস্থান এবং অর্জন সম্পর্কে অবগত নন…

    ২)
    এইটা ভাল বলেছেন। :রকঅন: :রকঅন: :রকঅন: পুরুষতান্ত্রিক সমাজের ঝাণ্ডাধারীরা কোত্থেকে এই অধিকার পেল যে সে নারীদের অধিকার নিশ্চিত করবে?

    ৩)
    আমাদের সংবিধানের সম্ভবত ২৮ নং অণুচ্ছেদের একটা অংশ দেখুনঃ

    তৃতীয় ভাগ
    মৌলিক অধিকার

    ধর্ম, প্রভৃতি কারণে বৈষম্য

    ২৮।
    (১) কেবল ধর্ম, গোষ্ঠী, বর্ণ, নারীপুরুষভেদ বা জন্মস্থানের কারণে কোন নাগরিকের প্রতি রাষ্ট্র বৈষম্য প্রদর্শন করিবেন না।

    (২) রাষ্ট্র ও গণজীবনের সর্বস্তরে নারীপুরুষের সমান অধিকার লাভ করিবেন।

    (৩) কেবল ধর্ম, গোষ্ঠী, বর্ণ, নারী পুরুষভেদ বা জন্মস্থানের কারণে জনসাধারণের কোন বিনোদন বা বিশ্রামের স্থানে প্রবেশের কিংবা কোন শিক্ষা-প্রতিষ্ঠানে ভর্তির বিষয়ে কোন নাগরিককে কোনরূপ অক্ষমতা, বাধ্যবাধকতা, বাধা বা শর্তের অধীন করা যাইবে না।

    (৪) নারী বা শিশুদের অনুকূলে কিংবা নাগরিকদের যে কোন অনগ্রসর অংশের অগ্রগতির জন্য বিশেষ বিধান-প্রণয়ন হইতে এই অনুচ্ছেদের কোন কিছুই রাষ্ট্রকে নিবৃত্ত করিবে না।

    আপনার বৈষম্যহীন চেতনার প্রতি সম্মান রেখেই বলছি। অনগ্রসর জনগোষ্ঠীকে একই ছন্দে তাল মেলানোর যায়গায় আনতে আপাতত এর কোন বিকল্প নেই…

    ৪)
    আগেও কয়েকটি তর্কে বলেছিলাম আবারও বলছি। কৃষিসভ্যতার পর নারীকে পুরুষতান্ত্রিক সমাজ যেভাবে গৃহবন্ধী কর রাখল তাকে আপনি এক্সট্রা কেয়ার ছাড়া মুক্ত করবেন কীভাবে? কোন সুনির্দিষ্ট প্ল্যান থাকলে বলেন। গোটা দুনিয়া এইভাবেই নারী অধিকার প্রতিষ্ঠা করছে, করেছে, করবে। নতুন কিছু থাকলে জানাবেন… একটা উদাহরণ দেই, অন্ধকার থেকে আলো বা বিপরীতক্রমে যখন কোন চোখ খাপ খাওয়ায় নিতে চাই তখন সাধারণত ২০-৩০ মিনিট স্পেশাল টাইম দিতে হয়। আর বার ঘণ্টার আলো-অন্ধকারের খেলা নয় কয়েক হাজার বছর ধরে নারীকে অন্ধকারে রেখে আপনি যখন তাকে সমান (পুরুষের) আলোতে আনতে চান তবে তাকে কতটা এডাপ্টেশন সময় এবং এক্সট্রা কেয়ার দিতে হবে বলে মনে করেন?
    ও হ্যাঁ! আরেকটা কথা, আজও যে মায়েরা ছেলের পাতে মাছের মাথাটা তুলে দেয় তার কি ব্যাখ্যা দিবেন?
    ৫)
    ঠিক আছে। এইবার তাবৎ প্রেক্ষাপট বিবেচনায় নিয়ে আশাকরি আপনিও নারী উত্তরণের একটা ভাল কোন সমাধান দিবেন। ভাল লাগল… লিখতে থাকুন…

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

+ 54 = 62