দেশী কালচার বাচাও আন্দোলনের অন্তরালে

“ কালচার” এই শব্দটার সাথে আমরা সবাই পরিচিত তাই এর উতপত্তি , ব্যবহার, উপকারিতা ও অপকারিতা ইত্যাদি নিয়ে আমার কিছুই বলার নাই । কারন চেনা বামুনের পৈতা লাগে না । ইদানিং কালে আমাদের দেশের চুচিল থেকে শুরু করে ধর্মিয় অভিভাবকদের ও বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতারা বেশ গাল ভরা মুখরোচক বক্তব্য দিয়ে থাকেন । আজ তাদের এই বক্তব্য নিয়েই আমার লেখা ।


“ কালচার” এই শব্দটার সাথে আমরা সবাই পরিচিত তাই এর উতপত্তি , ব্যবহার, উপকারিতা ও অপকারিতা ইত্যাদি নিয়ে আমার কিছুই বলার নাই । কারন চেনা বামুনের পৈতা লাগে না । ইদানিং কালে আমাদের দেশের চুচিল থেকে শুরু করে ধর্মিয় অভিভাবকদের ও বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতারা বেশ গাল ভরা মুখরোচক বক্তব্য দিয়ে থাকেন । আজ তাদের এই বক্তব্য নিয়েই আমার লেখা ।

সবাই জানে আমি মূর্খ চাষা শিক্ষতদের মত হ্যাচ প্যাচ বুঝি না । সোজা খাই , সোজা চলি সোজা কথাই বলি মাগার বুদ্ধি কোথাও বন্ধক রাখিনি । আমাদের দেশে বিভিন্ন ধর্মের / জাতির মানুষের বসবাস । তেমনি ভাবে আমাদের খাওয়া পোশাক আসাকও কিছুটা ভিন্নতা ছিল কিন্তু বাংগালীদের নিজস্ব একটা কালচার ছিল আশা করি সবাই তা জানেন । বিভিন্ন ধর্মিয় অভিভাবক ও রাজনৈতিক নেতারা বলেন ভিন দেশী কালচার আমাদের দেশের জনগনকে নস্ট করে ফেলছে ঐ ভিনদেশী কালচার দিয়ে । আর এগুলোর মূলে ডিশ লাইন অতএব এই ডিশ দেখা যাবে না বা ঐ সকল দেশের ডিশ লাইন বন্ধ করতে হবে ইত্যাদি ইত্যাদি ।কিছু চুচিল ও ভাড় পাবলিকও হাততালি দেয় ।আমি হালায় এদের কথা শুইনা মাননীয় স্পিকার হইয়া যাই । শুধু চিন্তা করি এদেরকি লাজ লজ্জাও নাই নাকি ? সেই কালচার বকৃতার সময় ধর্মিয় অভিভাবকদের পোশাক দেখে বোঝাই যায় না উনি কি আরব নাকি ঐ জাতিয় কোন দেশের নাগরিক । নাম ধাম শুনে দেখি আরে এতো আমাদের দেশের । সে পোশাক পড়েছে আরব দেশের তাতে আমাদের কালচারের কোন ক্ষতি হয় না ক্ষতি হয় শুধু ভারতের পোষাক পড়লেই আমাদের কালচারের মহা ক্ষতি বা মহা বিপদ । চুচিলদের দেখি গরমের মধ্যে স্যুট, প্যান্ট, কোর্ট টাই পইরা বেশ এক সাহেবী সাজে সেজে কালচার নিয়ে জ্ঞান গর্ভ আলোচনায় দেশকে ও দেশের ভবিষ্যত প্রজন্মকে কিভাবে এই ক্ষতির হাত থেকে বাচানো যায় তার জন্য প্রান পন লড়াই করার জন্য সমগ্র দেশ বাসীকে আহবান জানাচ্ছেন । অথচ তিনি যা পোশাক পরে আছে তাও ভিনদেশের ।তাইলে ক্যামনে কি ?ইদানিং আমাদের দেশের এক নতুন স্টাইল চালু হইছে । আগে কাউকে বিদায়ের সময় সবাই কইতো খোদা হাফেজ এখন কয় আল্লাহ হাফেজ ।আমি শালার মূর্খ এই বাক্য দুইটার মধ্যে পার্থক্য খুইজা পাইলাম না । আপনাদের মধ্যে শিক্ষিত ব্লগার গন যদি আমকে একটু পার্থক্যটা জানাইতে পারেন তাহলে এই মূর্খও একটু জ্ঞানের আলো পাইব ।

যাইহোক আসলে উনাদের বক্তব্যের আসল কথা ভারত বিরোধী, উনাদের আসল মিশনই ভারত বিরোধী মনোভাব তৈরি করা । আমার কথা হইল আরে বাবা যদি ভারত বিদ্দেসী হও তাহলে তা সোজাসুজি কইলেই হয় এত ঘুরায়ে প্যাচায়ে কওনের কি দরকার ? এই টাইপের জ্ঞানীরা ভারত বিদ্দেসী হবে এতে অবাক হওয়ার কোন কারন নাই । ভারতীয়দের বেশ প্রেমের কোন ঘাটতি নাই, অথচ তারা পোশাকে, কথাবার্তায় ঠিকই ইউরোপীয় স্টাইল ফলো করতাছে তাতে তাদের দেশ প্রেম বিন্দু মাত্র নষ্ট হচ্ছে না কিন্তু আমাদের দেশ প্রেম জাগাতে হলে নাকি শুধু মাত্র ভারতীয় কালচার ত্যাগ করতে হবে । কেন রে বাবা ?

জেনেটিক্যালি এদের চিন্তা চেতনা ভূত ভবিষ্যত সব সাধের ফাকিস্তান কেন্দ্রিক । ৭১-এ ভারতের সাহায্যেই আমরা আমাদের স্বাধীনতা ত্বরান্বিত করতে পেরেছিলাম । যার ফলে এরা ভারতকে কোন দিনই দুচোখে দেখতে পারে না । তাদের একটই টার্গেট কিভাবে আমাদের এই দেশতাকে ফাকিস্তান আদলে রূপান্তর করা যায় । তার জন্যই এরা কালচার প্রেমী । অথচ বছরে কোন দিনই তারা নিজেরা ও তাদের দোষররা এক বেলার জন্যও বাংগালী কালচারের পোশাক, খেলা ধুলা, সাহিত্য সহ কোন কিছুরই চর্চাও করেন না ।শুধু খাবারটা বাংগালী ধরনের খান জিহবা দোষে ও অর্থনৈতিক কারনে ।এদের পাসপোর্ট ও বর্ডারে খোজ নিলেই জানা যায় তাদের তলে তলে ভারত প্রেমের নমুনা । তার মানে হলো ভুমিহীন সমিতির সভাপতি ১০০ একর সম্পত্তির মালিক । আজ আমি সন্মানিত শিক্ষিত ব্লগার গনের কাছে তাদের সুচিন্তিত মতামতের মাধ্যমে জানতে চাই কালচার বাচাও কালচার বাচাও বলে যারা চিতকার করছে তারা সঠিক নাকি আমার বক্তব্য সঠিক ? ভিন দেশী কালচার আমরা গ্রহন করবো নাকি সরাসরি বর্জন করবো ? যদি গ্রহন করি তাহলে কোনটা ?

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

২৪ thoughts on “দেশী কালচার বাচাও আন্দোলনের অন্তরালে

  1. আজ আমি সন্মানিত শিক্ষিত

    আজ আমি সন্মানিত শিক্ষিত ব্লগার গনের কাছে তাদের সুচিন্তিত মতামতের মাধ্যমে জানতে চাই কালচার বাচাও কালচার বাচাও বলে যারা চিতকার করছে তারা সঠিক নাকি আমার বক্তব্য সঠিক ? ভিন দেশী কালচার আমরা গ্রহন করবো নাকি সরাসরি বর্জন করবো ? যদি গ্রহন করি তাহলে কোনটা ? – See more at: http://www.istishon.com/node/6630#sthash.9m33MrAz.dpuf

    আপনার প্রশ্ন আমারও। এ বিষয়ে লিখব।

  2. ভারত আমাদের প্রতিবেশি দেশ।
    ভারত আমাদের প্রতিবেশি দেশ। তাদের সাথে সুসম্পর্ক রেখে চলাটাই বুদ্ধিমানের কাজ। তাছাড়া মুক্তিযুদ্ধে ভারতের অবদান অনস্বীকার্য।
    তাই বলে নিজের দেশেরটা দেখবো না সেটা তো ঠিক না। এটা ঠিক যে আমরা ভারতীয় আকাশ সংস্কৃতিদ্বারা প্রভাবিত হয়ে আমাদের নিজেদের একান্ত “বাঙ্গালী” সংস্কৃতিতে অনেক বেহুদা জিনিষের অনুপ্রবেশ ঘটিয়েছি। তাই বলে সারেন্ডার করে দিতে হবে? চেষ্টা করতে তো দোষ নাই।
    ভাই, নিজের ভেতর একটু কনফিডেন্স রাখেন। একটা কথা মনে রাখবেন আমরা বাংলাদেশী, যাকে বলে দেশী পেঁয়াজ। আমরা আমেরিকারেই বেল দেই না আর কোই ইন্ডিয়া আর কোই পাকিস্তান।

    1. নাভিদ ভাই, প্রথমেই
      নাভিদ ভাই, প্রথমেই :ধইন্যাপাতা: :ধইন্যাপাতা: :ধইন্যাপাতা: :গোলাপ: :গোলাপ: :গোলাপ:

      এটা ঠিক যে আমরা ভারতীয় আকাশ সংস্কৃতিদ্বারা প্রভাবিত হয়ে আমাদের নিজেদের একান্ত “বাঙ্গালী” সংস্কৃতিতে অনেক বেহুদা জিনিষের অনুপ্রবেশ ঘটিয়েছি। তাই বলে সারেন্ডার করে দিতে হবে? চেষ্টা করতে তো দোষ নাই।

      দেখুন আমরা ৭৫ এর পর থেকে ভারত বিদ্দেশীর কারনে নিজেদের কালচারও ঠিক মত চর্চা করেছি কি ? করি নাই , ফলে যে শুন্যতার সৃস্টি হয়েছে সেখানে সুদুর আরব সংস্কৃতি আমাদের সমাজে ঢুকিয়ে দেওয়া হয়েছে , পাকিস্তান তো বহুত দূর কি বাদ । সেক্ষেত্রে কেউ সেটাকে অপসংস্কৃতি বলেনা । এটা কি অপসংস্কৃতি নয় ?

      1. হা হা হা। আপনি তো ভাই খুব
        হা হা হা। আপনি তো ভাই খুব সিরিয়াস লোক দেখা যায়। আরে ভাই, আপনি ওই ৭৫-এ যাচ্ছেন কেন, আরও পেছনে যান। সেই ব্রিটিশ ইন্ডিয়া প্রিয়ডের আগে থেকেই আমরা বাঙ্গালী নামে পরিচিত। আর আমরা তখন থেকেই “জাতে” একটু “ডিফ্রেন্ট”।
        (তথ্যসুত্র দিতে পারব না। নানারকম বই পড়ে আমার কাছে যেটা মনে হয়েছে সেটাই বল্লাম।)
        কিভাবে? আচ্ছা সহজ একটা ডেমো দেই তাহলে। সারা বছর আমরা যে যা-ই করি না কেন পহেলা বৈশাখ আসলে আমাদের মাথা নষ্ট হয়ে যায়। পহেলা বৈশাখে পান্তা-ইলিশ খেয়ে ব্যাপক বিনোদিত হয়ে রিকশাওয়ালা মামা কে হুদাই পঞ্চাশ টাকা – একশ টাকা বকসিস দিয়ে দেই। এটা কিন্তু আমাদের কালচারের পার্ট হয়ে গেছে। ইন্ডিয়ানরা এইটা ভুলেও ভাবতে পারে না।
        আর ওইটাই আমাদের কালচার। এরপর ব্রিটিশ গেল, পাকিস্তান যাওয়ার পরও আমরা কিন্তু নিরীহ নেপালি কিংবা ম্যান্দামারা ভুটানি হয়ে যাই নাই। আমরা কিন্তু বাংলাদেশীই রয়ে গেছি।
        আর আরব সংস্কৃতির কোন জিনিষটার কথা বলছেন সেটা ঠিক বুঝতে পারলাম না। ধর্মীয় ব্যাপারে আমি কোন কথা বলতে চাই না। সেটা যার যার বিশ্বাসের ব্যাপার।

  3. নাভিদ ভাই , রাগ করেন কেন ?
    নাভিদ ভাই , রাগ করেন কেন ? জানার বিষয়ে আমি একটু সিরিয়াসই । কি করুম অভ্যাস হয়েগেছে । আমার লেখার থিমটাই মনে হয় আমি বুঝাতে পারিনি ।

    সারা বছর আমরা যে যা-ই করি না কেন পহেলা বৈশাখ আসলে আমাদের মাথা নষ্ট হয়ে যায়। পহেলা বৈশাখে পান্তা-ইলিশ খেয়ে ব্যাপক বিনোদিত হয়ে রিকশাওয়ালা মামা কে হুদাই পঞ্চাশ টাকা – একশ টাকা বকসিস দিয়ে দেই। এটা কিন্তু আমাদের কালচারের পার্ট হয়ে গেছে।

    এইটা পহেলা বৈশাখের অতি পুরাতন রূপের বিবর্তন রূপ । যখন আমাদের পূর্ব পুরুষরা মনে করত বছরের প্রথম দিন একটু ভাল খেলে সারা বছরই ভাল খেতে পারব । বিভিন্ন আনন্দ অনুষ্ঠান করত একই কারনে ।

    এরপর ব্রিটিশ গেল, পাকিস্তান যাওয়ার পরও আমরা কিন্তু নিরীহ নেপালি কিংবা ম্যান্দামারা ভুটানি হয়ে যাই নাই। আমরা কিন্তু বাংলাদেশীই রয়ে গেছি।

    এইখানেই আপনার সাথে আমার সমস্যা । আমি এখনও বাঙ্গালীই রয়ে গেছি বাংলাদেশী হতেই পারছি না । এত কিছুর পরেই যদি আপনারা বাংলাদেশীই থাকেন তাহলে এখানে ভিন দেশী সংস্কৃতি আসলেই বা ক্ষতি কি ?

    1. “আমি এখনও বাঙ্গালীই রয়ে গেছি
      “আমি এখনও বাঙ্গালীই রয়ে গেছি বাংলাদেশী হতেই পারছি না” – মানে কি? আপনি কি অন্যদেশের লোক নাকি?
      “এত কিছুর পরেই যদি আপনারা বাংলাদেশীই থাকেন তাহলে এখানে ভিন দেশী সংস্কৃতি আসলেই বা ক্ষতি কি ?” – দেখেন , খুব সহজ ভাষায় বলতে গেলে বলতে হয় , প্রথমতঃ ইন্ডিয়ানরা আমাদের দেশের চ্যানেল গুলো ওদের দেশে ব্রডকাস্ট করতে দেয় না। আমরা যদি একটু ঢেলা ঠেলি করে ওদের দেশে আমাদের চ্যানেল গুলো পাচার করে দিতে পারি তাহলে আল্টিমেটলি আমার দেশেরই উপকার হল। আমাদের দেশে ওদের চ্যানেলগুলোর প্রচার বন্ধ করে একটা চাপ দেয়ার বুদ্ধিটা আমার কাছে খারাপ লাগে নাই। আপনার কেন খারাপ লাগছে সেটা বুঝলাম না।

      “বিভিন্ন ধর্মিয় অভিভাবক ও রাজনৈতিক নেতারা বলেন ভিন দেশী কালচার আমাদের দেশের জনগনকে নস্ট করে ফেলছে ঐ ভিনদেশী কালচার দিয়ে । আর এগুলোর মূলে ডিশ লাইন অতএব এই ডিশ দেখা যাবে না বা ঐ সকল দেশের ডিশ লাইন বন্ধ করতে হবে ইত্যাদি ইত্যাদি “

      আর দ্বিতীয়তঃ একবার ইন্ডিয়ান চ্যানেল বন্ধ হয়ে গেলে আমরা কি আর না খেয়ে মরে যাবো? একসময় তো শুধু বিটিভি দেখে আমাদের সময় পার হয়েছে। ইন্ডিয়ান চ্যানেল গুলো যদি বন্ধ হয় তাতে আমাদের দেশীয় চ্যানেল গুলো অনেক খানি সুযোগ পাবে। আর এই সুযোগে আমরাও হয়তো ইন্ডিয়ান টিভি সিরিয়ালের কাছে আমাদের সংস্কৃতির যতটুকু ক্ষতি হয়েছে সেটা পুশিয়ে নিয়ে পারব,

      আর তৃতীয়ত, আপনি হুজুরদের আলখাল্লা বা ড্রেস নিয়ে আপনি যা বলতে চাইছেন —

      “সেই কালচার বকৃতার সময় ধর্মিয় অভিভাবকদের পোশাক দেখে বোঝাই যায় না উনি কি আরব নাকি ঐ জাতিয় কোন দেশের নাগরিক । ”

      হুজুররা ধর্ম বিশ্বাসের কারনে দাঁড়ি রেখেছে, নিজেদের ড্রেস আপ সেভাবে বদলেছে। তাতে কি সমস্যা? তার সাথে আরব কালচারের কি মিল পেলেন?

  4. নাভিদ ভাই, আমার জাতীয়তা
    নাভিদ ভাই, আমার জাতীয়তা -বাংগালী ও নাগরিকত্ব -বাংলাদেশী হিসাবেই বিশ্বাস করতে চাই ।

    ডিস ব্যবসার জন্য যদি এমনটা হইত তাহলে আমার কোন অভিযোগ থাকত না । আমিও চাই আমাদের দেশের চ্যানেল গুলি তাদের দেশে স্থান পাক । এদের আসল উদ্দেশ্য – রাজনৈতিক । যারা এই অপসংস্স্কৃতি আন্দোলন করে তারা পহেলা বৈশাখ পালন করে না । বিষয়টা গভীর ভাবে ভেবে দেখার অনুরোধ রইল ।

    1. যারা এই অপসংস্স্কৃতি আন্দোলন
      যারা এই অপসংস্স্কৃতি আন্দোলন করে তারা পহেলা বৈশাখ পালন করে না । – ভাই, দুই চারটা ফাউল সব জায়গায় থাকে, ওদের নিয়ে নাচার সময় আমার নাই।

      1. এই জামাত শিবিরকে ও ধর্ম
        এই জামাত শিবিরকে ও ধর্ম রাজনীতিদেরকে একসময় আমরা তুচ্ছ্য তাচ্ছ্যিল্য করতাম । তার পরিনামে এখন কি হয়েছে দেখেছেন ? শাহবাগের আন্দোলন শুধু নাস্তিকের অজুহাতে বিতর্কিত ও ম্রিয়মান হয়েছে । অতএব …….. :গোলাপ: :গোলাপ: :গোলাপ: :গোলাপ:

        1. শাহবাগের আন্দোলন শুধু
          শাহবাগের আন্দোলন শুধু নাস্তিকের অজুহাতে বিতর্কিত ও ম্রিয়মান হয়েছে – ভুল ধারণা। শাহবাগের আন্দোলন ম্রিয়মান হয়েছে নেতৃত্বের অভাবে। বিতর্ক সব খানেই থাকবে, কিন্তু সেটাকে কৌশলে পাশ কাটিয়ে জনপ্রিয়তা ধরে রাখার জন্য মাথায় রাজনৈতিক বুদ্ধি থাকতে হয়। শাহবাগে কোন বুদ্ধিমান প্রাণী ছিল না,এখনো নাই।

        2. আমার জাতীয়তা -বাংগালী ও

          আমার জাতীয়তা -বাংগালী ও নাগরিকত্ব -বাংলাদেশী হিসাবেই বিশ্বাস করতে চাই ।

          বাংলাদেশকে জানুন

          জাতিয়তা: বাংলাদেশী
          জাতিগোষ্ঠী: বাঙালি

    1. আরে দিন কানা ভাইয়ের মাথায় কতো
      আরে দিন কানা ভাইয়ের মাথায় কতো উকুন হইলো!!?? :মানেকি: :মানেকি: এখনো যায় নাই… :ভাবতেছি: :কনফিউজড: দাদাভাই, তারে এক ডিব্বা ইংলিশ উকুননাশক শ্যাম্পু কিনা দিয়েন… :জলদিকর: :জলদিকর: :ভেংচি: :ভেংচি: :মাথানষ্ট: :মাথানষ্ট:

  5. দাদাভাই, তারে এক ডিব্বা ইংলিশ

    দাদাভাই, তারে এক ডিব্বা ইংলিশ উকুননাশক শ্যাম্পু কিনা দিয়েন.

    দিদিভাই, এই শ্যাম্পু কোন দেশের ? ভারতের হইলে কিন্তু তা অপসংস্কৃতি হইতে পারে । 😀 😀 😀 :গোলাপ: :গোলাপ: :ধইন্যাপাতা: :ধইন্যাপাতা:

    1. না না আমদের দেশেই পাওয়া
      না না আমদের দেশেই পাওয়া যায়… অনেক আগে… :ভাবতেছি: :ভাবতেছি: উমম প্রায় ৫-৬ বছর আগে টিভি তে বিজ্ঞাপন দিতো… 😀 😀 । তখন দেখছিলাম; একবার খালি চান্দিতে প্রয়োগ করলেই নাকি উকুনের বংশ ধ্বংস হইয়া যায়… :ভেংচি: :চশমুদ্দিন:
      আর আমি কি আপনারে কুনো অপসংস্কৃতির পানে ঠেইল্যা দিতে পারি… :মানেকি: :মানেকি:

      1. দিদিভাই, এই বিষয়ে আমার কুনু
        দিদিভাই, এই বিষয়ে আমার কুনু অভিজ্ঞতা নাই,যেহেতু এর মধ্যে কোন অপসংস্কৃতি নাই তাই কালই “অন্ধকারের যাত্রী ভাইয়ের উকুন নিধন প্রকল্প কমিটি” নামে একটা কমিটি গঠন কইরা দিমুনে । ফান্ডের বিষয়টা আপনি দেইখেন । :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :গোলাপ: :গোলাপ: :গোলাপ: :গোলাপ: :গোলাপ: 😀 😀 😀

        1. উকে, আমি এক্কেরে ইকমত…
          উকে, আমি এক্কেরে ইকমত… 😀 :ভেংচি: 😀 😀 😀 😀 :ভেংচি: :ভেংচি: :ভেংচি: :হাসি: :হাসি: :হাসি: :হাসি: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :ফেরেশতা: :ফেরেশতা: :ফেরেশতা: :ফেরেশতা:

  6. আমাদের সমাজের ছোট ছোট
    আমাদের সমাজের ছোট ছোট ছেলেমেয়েরা হিন্দিতে কথা বলে।মহিলারা ইন্ডিয়ান সিরিয়াল না দেখলে রাতে ঘুম হয়না। কেন আমাদের দেশের বিনোদনের কি অভাব পরছে? দিন রাত ওদের সিরিয়াল . . . . ওদের মেয়েরা কি কাপড় পররেছে কিভাবে সেজেছে তা আমাদের ও কিনতে হবে. পড়তে হবে।ঐ ভাষায় কথা বলতে হবে?

    1. হিমু ভাই, বাচ্চারা কার্টুন
      হিমু ভাই, বাচ্চারা কার্টুন দেখতে ভালবাসে , আমাদের দেশে বাংলায় কয়টা কার্টুন দেখানো হয় ? আমাদের দেশে ভাল সিরিয়াল যেমন “এই সব দিনরাত্রী ” – এই সিরিয়াল গুলি দল বেশে দেখতো । এই রকম সিরিয়াল কি তৈরি হচ্ছে ? :গোলাপ: :গোলাপ: :ধইন্যাপাতা: :ধইন্যাপাতা: 😀 😀

  7. প্রথমত আমার দেশ বাংলাদেশ আর
    প্রথমত আমার দেশ বাংলাদেশ আর জাতী হিসেবে আমি বাঙ্গালি। অর্থাৎ একজন বাংলাদেশী হিসেবে আমার জাতিসত্তা আমি একজন বাঙ্গালী।সো আমি এতে গর্বভোদ করি।আর বিদেশী সংস্কৃতিকে আমি কখনওই মন্দ বলিনা তবে তা যেনো আসক্তির কারণ না হয়ে দাড়ায়।অপসংস্কৃতি বিদেশীদেরো আছে আমাদেরো আছে।আমি উন্মুক্ত বিশ্ব সংস্কৃতির পক্ষে।এতে প্রতিযোগিতা বাড়ে।আর এই প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে হলে আমাদের সংস্কৃতির উত্তরোত্তর সমৃদ্ধি, উন্নয়ন, আধুনিক,প্রচার সর্বোপরি দেশের প্রতি ভালোবাসা থাকতে হবে।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

13 + = 14