একজন মৃত মানুষের গল্প

সত্যি বলতে কি, এতটা রক্ত আমি আশা করিনি। আমি ভেবেছিলাম আমার মানসিকতার মত রক্তের পরিমাণটাও হবে নিরতিশয় ক্ষুদ্র। যখন ভাঙ্গা কাচের টুকরোটা দিয়ে ধমনীটা কেটে ফেললাম, তখন এত কিছু খেয়াল করিনি। তখন আমার সমগ্র সত্ত্বা জুড়ে ছিল এক তীব্র প্রশান্তি। কোন মানবিক অনুভূতি এতটা তীব্র হতে পারে বলে আমার জানা ছিল না। সকল সুখ থেকে মুক্ত পাবার সুখ; সকল বেদনা থেকে মুক্তি পাবার বেদনা; সকল প্রশান্তি থেকে মুক্তি পাবার প্রশান্তি; সকল যন্ত্রণা থেকে মুক্তি পাবার যন্ত্রণা।

সত্যি বলতে কি, এতটা রক্ত আমি আশা করিনি। আমি ভেবেছিলাম আমার মানসিকতার মত রক্তের পরিমাণটাও হবে নিরতিশয় ক্ষুদ্র। যখন ভাঙ্গা কাচের টুকরোটা দিয়ে ধমনীটা কেটে ফেললাম, তখন এত কিছু খেয়াল করিনি। তখন আমার সমগ্র সত্ত্বা জুড়ে ছিল এক তীব্র প্রশান্তি। কোন মানবিক অনুভূতি এতটা তীব্র হতে পারে বলে আমার জানা ছিল না। সকল সুখ থেকে মুক্ত পাবার সুখ; সকল বেদনা থেকে মুক্তি পাবার বেদনা; সকল প্রশান্তি থেকে মুক্তি পাবার প্রশান্তি; সকল যন্ত্রণা থেকে মুক্তি পাবার যন্ত্রণা।

এখন পর্যন্ত ঘরের কেউ বুঝতে পারেনি। সম্ভবত, কাচ ভাঙ্গার শব্দটা শুনতে পায়নি। যেহেতু, শুনতে পায়নি সুতরাং, উদ্বিগ্ন হবার কোন কারণ নেই। আব্বুর সাথে রাগ করে এভাবে আমি আগেও বহুবার দরজা বন্ধ করে দিয়েছি। এটা দুশ্চিন্তা করার মত কোন বিষয় না। হয়তো, দু’এক ঘণ্টা পরে আম্মু আসবে আমার রাগ ভাঙ্গাতে। ভাতের প্লেট হাতে নিয়ে সাধাসাধি করবে খাবার জন্য। শেষ পর্যন্ত যখন আমি কিছুতেই খেতে রাজি হব না, তখন আম্মুও খাওয়া-দাওয়া বন্ধ করে দেবে। অগত্যা, খেতে হবে।

ঘটনাগুলো ঘটার কথা ছিল এভাবেই। কিন্তু, সামান্য একটু স্খলন। ঘটনাগুলো আর কখনও এভাবে ঘটবে না। হয়তো, আজকেও আম্মু ভাতের প্লেট হাতে নিয়ে দরজায় ধাক্কাধাক্কি করবে। যখন কিছুতেই দরজা খোলা হবে না, তখন দরজা ভাঙ্গা হবে। তারপর? তারপর আম্মু যখন আমার রক্তাক্ত মৃতদেহ দেখবে তখন তার অনুভূতি কেমন হবে? আমি যখন না খেয়ে থেকেছি, তখন আম্মুও খায়নি। এখন যখন আমি আমার ধমনীর রক্তকে স্ব-পথচ্যুত করেছি, আম্মুও কি তাই করবে? নাহ! আম্মু তা করবে না। করতে পারবে না। তাকে তার আরও দু’টি সন্তানের জন্য বেঁচে থাকতে হবে।

মানুষের জীবনের সবথেকে শ্বাপদসংকুল অংশ হচ্ছে তার কৈশোর। সেটাকে যে সফলভাবে অতিক্রম করতে পেরেছে, সে সফল। জীবন তারই জন্য। যে পারেনি, সে ব্যর্থ। তার বেঁচে থাকার কোন অধিকার নেই। আমি একজন ব্যর্থ মানুষ। আমি অনধিকার চর্চা করতে চাইনি। আমি করিনি। নীরবে জীবনের পাট চুকিয়ে দিয়েছি। এক টুকরো ভাঙ্গা কাঁচে ছোঁয়ায় এত বড় মুক্তি লুকিয়ে আছে কে জানত?

আত্মহত্যাটা যে প্রথম চেষ্টাতেই করে ফেলেছি, তাও না। কখনও দ্বিধাদ্বন্দ্বে ছিলাম, কখনও বা সাহস হয় নি। কখনও দশ তলা বিল্ডিংয়ের কিনারায় গিয়ে দাঁড়িয়েছি। ভেবেছিলাম খানিকটা পা হড়কে গেলেই… হয়নি। কখনও একগাদা ঘুমের ওষুধ ধরে বসে থেকেছি। খাবার মত সাহস হয় নি।
কখনও ফ্যানের সাথে ঝুলে পড়ার কথা মাথায় এসেছে। পরে মনে হয়েছে ওটা মেয়েলী ব্যাপার। আমার মৃত্যুর মাঝেও পুরুষত্ব থাকবে। আমি একটু একটু করে রক্তের ধারাটাকে বয়ে যেতে দেখব। আমার মাঝে কোন অস্থিরতা থাকবে না। বাঁচার কোন আকুতি থাকবে না। অবশেষে আমি তা করতে পেরেছি।

দরজার ওপাশে ধাক্কাধাক্কি শুরু হয়ে গেছে। আমি আর পরিষ্কারভাবে চিন্তা করতে পারছি না। আমি চাইছি মহাবিশ্বের নিকষ নীরবতা। আমাতে এসে ভর করছে কোয়ান্টাম মেকানিক্সের জট। অসহ্য! মাথা থেকে দুর করতে চাইছি কিন্তু, পারছি না।

আমার অবস্থাটা এখন শ্রোডিঞ্জারের বিড়ালের মত। দরজার ওপাশে অবজারভার হিসেবে আম্মু দাঁড়ানো আছে। এখন আমি একই সাথে জীবিত এবং মৃত। যখন আম্মু দরজা খুলবে তখন আমার তরঙ্গ দু’ভাগে ভাগ হয়ে যাবে। একটা বহন করবে আমার জীবিত অংশ অন্যটা আমার মৃত অংশ। আমি দ্বিতীয় অংশে পড়েছি। এখন আমার অপেক্ষা অবজার্ভেশনের জন্য।

মজার ব্যাপার হচ্ছে, অবজারভার আমাকে না দেখলেও আমি কিন্তু, আমার অবজারভারকে ঠিকই দেখছি। বুঝতে পারছি না বিষয়টা। আমার মৃতদেহ দরজার এপাশে। কিন্তু, দরজার ওপাশে কি হচ্ছে না হচ্ছে সব আমি স্পষ্ট দেখতে পাচ্ছি। এতক্ষণ খেয়াল করিনি, আমি আমার মৃতদেহটাকেও দেখতে পাচ্ছি। যে দু’টো রংকে আমি সবথেকে ঘৃণা করি তা হচ্ছে, বেগুনী আর লাল- বর্ণালির একেবারে দু’পাশের অংশ। তাই বাম হাতটা দেখতে ইচ্ছে হচ্ছে না। রক্তে মাখামাখি হয়ে আছে।

অন্য দিকে চোখ ফেরাতে চাইছি কিন্তু, পারছি না। কারণ, আমি আমার চোখ দিয়ে দেখছি না। বিষয়টা এখনও আমার কাছে অস্বাভাবিক। হয়তো মৃতের জগতে এটাই স্বাভাবিক। মৃতরা সবাই আমার মত পেছনে কি হচ্ছে না হচ্ছে সবকিছু দেখতে পায়। ভুল বললাম। আমার এখন সামনে পেছনে বলতে কিছু নেই। দরজার এপাশ বা ওপাশ বলতে কিছু নেই। দরজার ওপাশে থাকা আম্মুর আতঙ্কিত মুখকেও আমি দরজার এপাশে বলতে পারি।

আমি এক স্থানে আবদ্ধ থেকেও বলতে পারি, দরজার নিচ দিয়ে গড়িয়ে যাওয়া আমার রক্তপ্রবাহ দেখে আম্মু পাগলের মত দৌড়ে গিয়ে আব্বুকে বলল, ‘রবিনের দরজাটা যেভাবে পার খোল।’ আম্মু হিস্টিরিয়াগ্রস্থ রোগীর মত কাঁপতে লাগল। আব্বু দৌড়ে এসে দরজায় ধাক্কা দিতে লাগল শরীরের সর্বশক্তি দিয়ে। ছোট ভাই ঘরের এক কোণায় দাড়িয়ে রইল। তার চোখে কোন এক অজানা আশঙ্কা। সে জানে ভয়ঙ্কর কিছু ঘটেছে। কিন্তু, জানে না কি ঘটেছে। আব্বু-আম্মুর বিছানা থেকে ছোট বোনটা সমানে কেঁদে চলেছে। পরিস্থিতির গুরুত্ব বুঝতে পারছে না। এমন সময় কাঁদতে হয় না। একটু পরেই দরজা ভেঙ্গে গেল।

আব্বু ভেতরে ঢুকে খানিকক্ষণ হতভম্ব চোখে তাকিয়ে রইল। তারপর, সাথে সাথে বাইরে গিয়ে আম্মুকে জাপটে ধরল যেন আম্মু ভেতরে ঢুকতে না পারে। আমি নিজেই আমার মৃতদেহটাকে সহ্য করতে পারছি না। এতগুলো রক্ত দেখে বীভৎস একটা অনুভূতি হচ্ছে। আম্মু কি করে সহ্য করবে? কিন্তু, আব্বু শেষ পর্যন্ত আর আম্মুকে ধরে রাখতে পারল না। আম্মু পাগলের মত আমার ওপর আছড়ে পড়ল। কেউ খেয়াল করল না কিন্তু, আমি বুঝতে পারলাম আম্মু জ্ঞান হারিয়েছে। অপরাধীর সুরে বললাম, ‘আমি দুঃখিত আম্মু। কিন্তু, বিশ্বাস কর আমার আর করার মত কিছুই ছিল না। আমি একজন পরাজিত মানুষ। একজন পরাজিত মানুষের বেঁচে থাকার কোন অধিকার নেই। আমারও ছিল না। আমি সত্যিই দুঃখিত।’ সে কথা কেউ শুনতে পেল না।

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

৫১ thoughts on “একজন মৃত মানুষের গল্প

  1. পরাজয়ের কারণটা সম্পর্কে হালকা
    পরাজয়ের কারণটা সম্পর্কে হালকা একটু টাচ দিলে হয়তো মৃত মানুষটাকে দু’ একটা জ্ঞানের কথা শুনিয়ে দিতে পারতাম… কিন্তু সেই অবকাশ যখন রাখেননি তখন মুখ কালো করে বলতে হচ্ছে-
    সুন্দর হইছে দাদা! কিপিটাপ!!!
    :হাসি: :ফুল:

    1. একটা সময় ছিল যখন ডেইলি একবার

      একটা সময় ছিল যখন ডেইলি একবার করে আত্মহত্যা না করলে মনে হতো কি যেন নাই। একসময় ক্লাস করলে মনে হতো আত্মহত্যা করি, ক্লাস পালাতে না পারলে মনে হতো আত্মহত্যা করি, পাশের বাড়ির মেয়েটাকে এক নজর দেখতে না পারলেও মনে হতো আত্মহত্যা করি, আবার যদি তার সাথে দেখা হয়ে যেত, তাহলে মনে হতো খুশীতে আত্মহত্যা করি!
      -নাভিদ কায়সার রায়ান

      আসলে যে বয়সের প্রেক্ষাপটে লেখাটা লেখা, তাতে আত্মহত্যা জিনিসটা অনেকটা একটা ফ্যান্টাসির মত কাজ করে। কোন একজ্যাক্ট কারণ লাগে না। তিন চার বছর পর যে কথাটা মনে পড়লে হাসি পাবে, সেটাই এই বয়সে আত্মহত্যার কারণ হয়ে দাঁড়ায়।

      1. দুঃখিত , আমার বাংলা লিখতে
        দুঃখিত , আমার বাংলা লিখতে গেলেই লেখাগুলি উলটা পালটা দেখা যায় তাই এই সমস্যা । :গোলাপ: :গোলাপ: :ধইন্যাপাতা: :ধইন্যাপাতা:

  2. মৃত মানুষের সকথিত গল্প ভাল
    মৃত মানুষের সকথিত গল্প ভাল লাগল। আমাদের চারদিকে এ জাতিয় মৃত্যু ঘটছে প্রায়ই এ যেন তারই এক চমকপ্রদ উদাহরণ। বর্ণনা রসময়! ধন্যবাদ

  3. শুধু বর্ননার জোরেই একটা
    শুধু বর্ননার জোরেই একটা সাদামাটা গল্প কিভাবে অসাধারণ হয়ে ওঠে এটা আপনার লেখা পড়লেই বুঝা যায়। অসাধারণ বর্ননা। পাঠক একবার শুরু করলে শেষ না করে পারবে না। গল্পের কন্টেন্ট নিয়ে কিছু বলার নেই। আত্মহত্যা সবসময়ই আমার কাছে ভীরু কাপুরুষের কাজ মনে হয়। আপনার অনেক গল্পেই এই ব্যাপারটা থাকে। বিষয়টা কি? :বিষয়ডাকী:

    1. আত্মহত্যা নিয়ে আমার মধ্যে সব
      আত্মহত্যা নিয়ে আমার মধ্যে সব সময়েই একটা ফ্যান্টাসি কাজ করত বলতে পারেন। বিশেষত, এই গল্পটা যখন লেখা যখন আত্মহত্যা করার একটা প্রবল ইচ্ছে কাজ করছিল। যদিও এখন কারণটা ভুলে গেছি। 😛 তো সেই কারণেই, নিজের মানসিকতাটাই গল্প ফুটে ওঠে। তবে, আত্মহত্যা বা সাইকোলজিক্যাল লেখা আমার এটাই প্রথম ছিল।

  4. আত্বহত্যার কারণ সম্পর্কে
    আত্বহত্যার কারণ সম্পর্কে সামান্য হলেও ইঙ্গিত দেয়া যেত।তবে যাই হোক অসাধারণ বর্ণনা,ছন্দময় লেখনী এবং আবেগের যথাযথ ব্যাবহার লেখাটিকে সমৃদ্ধ করে তুলেছে।আত্বহত্যা একটি মানষিক ব্যাধি।কথায় কথায় না খেয়ে থাকা,দরজা বন্ধ করে ঘরে ঘাপটি মেরে বসে থাকা,ফুল সাউন্ডে অন্ধকার ঘরে মান্নাদের গান শুনতে শুনতে চোখের জল ফেলা আরো অনেক আছে যা আত্বহত্যার লক্ষণ হিসেবে চিহ্নিত করা যায়।পরিবারের উচিৎ এই ধরনের সিমটম দেখা দিলে সাথে সাথেই কোলে করে হতাস ছেলেমেয়েদের ভালো কোনো Psychiatrist এর কাছে ফেলে আসা।

    1. বর্তমানের প্রেক্ষাপটে ফুল
      বর্তমানের প্রেক্ষাপটে ফুল সাউন্ডে ডেথ মেটাল (কিংবা আমার জন্য মেলোডিক রক) শোনাকে লক্ষণ বলা যায়। :p মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ… 🙂

    2. ।কথায় কথায়
      না খেয়ে থাকা,দরজা

      ।কথায় কথায়
      না খেয়ে থাকা,দরজা বন্ধ
      করে ঘরে ঘাপটি মেরে বসে থাকা,ফুল
      সাউন্ডে অন্ধকার ঘরে মান্নাদের গান
      শুনতে শুনতে চোখের জল
      ফেলা আরো অনেক আছে যা আত্বহত্যার
      লক্ষণ হিসেবে চিহ্নিত করা যায়।

      ভুয়া কথা!!

      1. আত্মহত্যার বহিঃপ্রকাশ কোন পরম
        আত্মহত্যার বহিঃপ্রকাশ কোন পরম বিষয় নয়, ভালবাসার মতই আপেক্ষিক… কি বুঝলি জয়? আবার পাগলামি করিস না! কিছুদিন আগে জানলাম কোলেস্ট্রলের পরিমাণ কম হলে নাকি আত্মহত্যার প্রবণতা বেড়ে যায়! বেশী করে ভাজা-পোড়া খাইয়া পেট খারাপ করলেই মরার সাধ মিটে যাবে আশাকরি…

  5. ইয়ে মানে, আত্মহত্যার কারন
    ইয়ে মানে, আত্মহত্যার কারন খোলাখুলি বলতে না চাইলে আমারে কানে কানে বলতে পারেন। :ভাবতেছি: আমি কাওরে কইতাম না… :বুখেআয়বাবুল:

    এই কারন ছাড়া আত্মহত্যার গল্পটা কোন কারন ছাড়াই আমার ভালো লেগে গেল… :মাথানষ্ট: :মাথানষ্ট: :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :ফুল: :গোলাপ:

    1. ডন ভাই আমারেও কইয়েন… এই কথা
      ডন ভাই আমারেও কইয়েন… এই কথা ইষ্টিশনের বাইরে যাইব না… কথা দিলাম… :ভেংচি: :ভেংচি: :ভেংচি: :আমারকুনোদোষনাই: :আমারকুনোদোষনাই: :আমারকুনোদোষনাই:

  6. আমি আগেই কইয়া রাখি আমি যদি
    আমি আগেই কইয়া রাখি আমি যদি সুইসাইড খাই দুষ আপনের্। কইয়া দিলাম মিয়া। এমনেই সুইসাইড এর ভুত মাথার উপরে লিংকন ভাই ও রাহাত ভাই এর বয়ানে সব ভুলে গিয়েছিলাম। কিন্তু!!! আপনার গল্প!! খালি অনুপ্রেরনা দেয়।

    এত ভাল লিখেন কি আর কমু।

    1. তোরে তো বলছিই, যতবার
      তোরে তো বলছিই, যতবার সুইসাইডের ভূত মাথায় চাপবে, ওই পোস্টের কমেন্টগুলো একবার রিভাইজ দিবি। তারপরেও যদি ভূত না যায়, তাহলে কিছু বলার নাই…

  7. কি সরল একটি চিত্রকল্পের কি
    কি সরল একটি চিত্রকল্পের কি দুর্দান্ত বর্ণনা। আসলেই ক্লান্ত-দা গল্পে আপনে + + + + +
    বিশেষ করে এই লাইনটা আমার চমৎকার ভাল লাগছে!

    ‘আমি নিজেই আমার মৃতদেহটাকে সহ্য করতে পারছি না।”

    :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :bow: :bow: :bow:

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

12 − 11 =