কেয়ারফুল ইন্ডিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি) — ডোন্ট মেস উইথ টাইগার্স…

মাঝে মাঝে খুব অবাক হয়ে লক্ষ্য করি বাংলাদেশের জন্য অশুভ কিছু শুনলেই আমার ভেতরে যেন কিছু একটা হয়ে যায়। কেন এমন হয় আজো ঠিকভাবে বুঝে উঠতে পারলাম না। কয়েকদিন আগে যখন রেনডিয়ান ষড়যন্ত্রের কথা শুনেছিলাম, তখন খবরটা শোনামাত্র মাথায় আগুন ধরে গিয়েছিল। ইচ্ছা করছিল আগুন লাগিয়ে দেই সবখানে। তারপর ধীরে ধীরে মাথা ঠাণ্ডা হলেও আগুন নিভল না। গত এক সপ্তাহ ধরে কোন কাজেই মন বসাতে পারিনি। জারজগুলার প্রস্তাবটা যখনই মনে পড়েছে তখনই প্রচণ্ড ক্রোধে সবকিছু জ্বালিয়ে দিতে ইচ্ছা করেছে। একবার দেখেন ওদের প্রস্তাবগুলো…


মাঝে মাঝে খুব অবাক হয়ে লক্ষ্য করি বাংলাদেশের জন্য অশুভ কিছু শুনলেই আমার ভেতরে যেন কিছু একটা হয়ে যায়। কেন এমন হয় আজো ঠিকভাবে বুঝে উঠতে পারলাম না। কয়েকদিন আগে যখন রেনডিয়ান ষড়যন্ত্রের কথা শুনেছিলাম, তখন খবরটা শোনামাত্র মাথায় আগুন ধরে গিয়েছিল। ইচ্ছা করছিল আগুন লাগিয়ে দেই সবখানে। তারপর ধীরে ধীরে মাথা ঠাণ্ডা হলেও আগুন নিভল না। গত এক সপ্তাহ ধরে কোন কাজেই মন বসাতে পারিনি। জারজগুলার প্রস্তাবটা যখনই মনে পড়েছে তখনই প্রচণ্ড ক্রোধে সবকিছু জ্বালিয়ে দিতে ইচ্ছা করেছে। একবার দেখেন ওদের প্রস্তাবগুলো…

জানুয়ারি মাসের ২৮ ও ২৯ তারিখে দুবাইতে আইসিসি বৈঠকে প্রস্তাব উত্থাপন করা হবে। প্রস্তাবে বলা হয়েছে,

#আইসিসির নতুন কার্যনির্বাহী কমিটির স্থায়ী সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হবে ভারতের ক্রিকেট বোর্ড বিসিসিআই, ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া ও ইংল্যান্ড ক্রিকেট বোর্ড। টেস্ট ক্রিকেটে রেগুলেশন প্রথা চালু হবে। এই প্রথায় কেবল ভাল দলগুলো নিজেদের টেস্ট খেলবে। খারাপ খেলা দলগুলোর দ্বিতীয় স্তরে অবনমন ঘটবে। তবে স্থায়ী তিনটি দলের কোন অবনমন হবে না।

#আইসিসির ট্যুর পরিকল্পনা(এফটিপি) অনুসারে ২০২০ সাল পর্যন্ত আইসিসির সিরিজ আয়োজনের পরিকল্পনা বাতিল হয়ে যাবে। কেবল মাত্র ব্যবসা বিবেচনায় দলগুলো টেস্ট খেলবে। দ্বিতীয় স্তরের দলগুলো টেস্ট ক্রিকেট থেকে অর্জিত লাভের কোন অংশই পাবে না

ক্রিকেটবোর্ডের উপর আমি বিশ্বাস হারাইনি। জানতাম তারা কৌশলী হবার চেষ্টা করবে, কেননা রেনডিয়া খুব চিন্তাভাবনা করেই আমাদের এই ফাদে ফেলবার চেষ্টা করছে। যদি বিসিবি এই প্রস্তাবে রাজি না হয়, তবে তারা আবার এশিয়া কাপ আর টি-২০ বিশ্বকাপ সরিয়ে নিয়ে যাবার চেষ্টা করবে ওরা। কিন্তু বিসিবির মিটিংয়ের খবর বিকৃত করে যখন মতি জারজ তার চুদনা আলোর মাধ্যমে ঘুরিয়ে পেঁচিয়ে প্রোপ্যাগান্ডা বানিয়ে প্রচার করল এবং বাকি মিডিয়াগুলোও সেই পথ অনুসরণ করল, তখন প্রচণ্ড অসহায় লাগছিল। কারন ক্রিকেটটা এ জাতির হৃদয়ের খুব গুরুত্বপূর্ণ একটা অংশ, আর এই অংশটা নিয়ে কোনরকমের ষড়যন্ত্র একমুহূর্তের জন্যও তারা মানবে না। কিন্তু একই সাথে প্রথমালুর মত কিছু ইয়েলো বাস্টার্ড মিডিয়া যদি এইটাকে পুঁজি করে মানুষকে তাদের এজেনডা বাস্তবায়নের কাজে ব্যবহার করে, তাহলে সে ক্ষেত্রে না পারা যাবে কিছু বলতে, না পারা যাবে সইতে… শেষ পর্যন্ত এই ব্যাপারটাই খুব ভয়াবহভাবে ঘটল গত কয়েকদিন। মানুষজন প্রান খুলে পাপনকে গালি দিল, গালি দিল বিসিবিকে, গালি দিল নির্বাচকদের। যত আবাল-ভাদা-পাদা-শুসিল আছে, তারাও এই সুযোগে সাধারন মানুষের ক্ষোভটাকে কাজে লাগিয়ে বাংলাদেশ ক্রিকেটের এপিটাফ লিখে ফেলার চেষ্টা করতে লাগলো। এই ব্যাপারটা Intisar Kabir ভাই সবচেয়ে ভালোভাবে ব্যাখ্যা করেছেন…

এইজন্য মতি আর আলু পত্রিকা আইল যে বাংলাদেশে কি প্রেস মিডিয়ার অভাব আছে ?? কোনো মিডিয়ায় কিন্তু আলু স্টাইলে নিউজ টা আসেনাই | মতি খুব ভালো কইরা জানে যে বাংলাদেশের ক্রিকেট পাগল জনতার ইমোশন কাজে লাগায়ে একটা প্রপাগন্ডা চালান যাবে যে বিসিবি ভারতের দালালি করে ক্রিকেট বেইচা দিতাছে | ডেইলি ষ্টার আর আলু গেম টা ভালই খেলছে | মাঝখান দিয়ে সর্বনাশ টা কি হলো ?? বার্গেইন পাওয়ার টা কমলো আমাদের | বি সি সি আই খুব ভালো করে আমাদের মিডিয়ার চোখ রাখছিলো

সবকিছু মিলিয়ে প্রচণ্ড অস্থিরতায় কেটেছে লাস্ট কয়েকটা দিন। কি করবো কিছুই বুঝতে পারছিলাম না। এদিকে আবার গোঁদের উপর বিষফোঁড়া হিসেবে এই প্রোপ্যাগান্ডা। যখন আমাদের সবার আইসিসির বিরুদ্ধে কথা বলা উচিত তখন খুব কৌশলে এই বাস্টার্ড মিডিয়া আমাদের বিসিবির দিকে লেলিয়ে দেবার চেষ্টা করেছে। কিন্ত এটা বন্ধ করবার কোন উপায় মাথায় আসছিল না। তাই কয়েকদিন শুধু দেখে গিয়েছি। তারপর যেই মুহূর্তে কিছু আবাল ছাগু ভারতের দালাল ট্যাগ দিল, তখন আর চুপ থাকতে পারলাম না। বৃত্তদার ইভেন্টটা ফেসবুকে শেয়ার দিয়ে বললাম, যদি সত্যই বাংলাদেশের প্রতি ভালবাসা থাকে, তবে শাহবাগে আস। বিসিবি আমাদের প্রতিপক্ষ না, কিন্তু বিসিবি যেন এই ফাঁদে পা দিয়ে ভুল না করে, তার জন্য বিসিবির পাশে আমাদের দাঁড়াতে হবে। আর সেটা মার্ক জুকারবারগের ফেবুতে বসে গালাগালি করে সম্ভব না…

শনিবার সারাদিন আমরা কয়েকজন ক্রিকেটখোর মিলে সকাল থেকে ছুটে বেড়িয়েছি ব্যানার, ফেস্টুন আর প্ল্যাকার্ড বানাতে। প্রিয় মানুষগুলোর সাথে প্রথমবার দেখা হবার কারনে স্বভাবসুলভ হাস্যরসে মেতে থাকলেও প্রতিটামুহূর্ত কেটেছে প্রচণ্ড দুশ্চিন্তায়। আড্ডার মোড় কোন কারন ছাড়াই ঘুরে গেছে এই বিষয়ে। প্ল্যাকার্ড লিখতে গিয়ে একটু দেরি করে ফেলেছিলাম আমরা, তাই মানববন্ধনের প্রথম দিকে থাকতে পারিনি প্রথমে। কিন্তু একপাশে থাকলেও খুব ভালোভাবেই বুঝতে পারছিলাম আমরা সবার দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। আমাদের এই পাশে কোন মাইকের ব্যবস্থা না থাকায় আমরা স্লোগানগুলো খুব ভালভাবে শুনতে পারছিলাম না। অইদিকে ততক্ষনে আগুন লেগে গেছে । জ্বালাময়ী স্লোগান আসছে তিন মোড়লের বিরুদ্ধে, আইসিসির বিরুদ্ধে। কিন্তু আমরা ভালভাবে কিছু শুনতে পাচ্ছিলাম না, কেউ সাহস করে স্লোগান দিচ্ছিলও না। তাই চুপচাপ দাড়িয়ে ছিলাম। হঠাৎ চ্যানেল আইয়ের রিপোর্টার বলে উঠল, আপনারা কি চুপচাপ দাড়িয়ে থাকবেন? কিছু বলার নাই আপনাদের? কথাটা খুব গায়ে লাগলো। তাকে কি বলব ঠিক করবার আগেই হঠাৎ অবাক হয়ে খেয়াল করলাম, আমার পাশের মানুষগুলো চিৎকার করে বলছে মানি না, মানব না।স্লোগান দিচ্ছে কে সেইটা খুঁজতে গিয়া তো আমার আক্কেলগুড়ুম। স্লোগান বাইর হইতেছে আমার গলা দিয়া… আমি স্লোগান দিতেছি… তিন মোড়লের জমিদারী, সবাই বলতেছে মানি না, মানব না। আমি স্লোগান দিতেছি… তিন মোড়লের খবরদারী, সবাই বলতেছে মানি না মানব না… আমি স্লোগান দিতেছি আমার দেশ, তোমার দেশ, সবাই বলতেছে, বাংলাদেশ…বাংলাদেশ… চোখে পানি চলে আসলো। কি অদ্ভুত… কি অদ্ভুত ব্যাপার… প্রতিটা স্লোগান একেবারে ভেতর থেকে বের হয়ে আসতেছিল। ভেতরের সবটুঁকু রাগ, ক্রোধ আর ভালবাসা বের হয়ে আসতেছিল গলা দিয়ে, বাংলাদেশ খেলছে… বাংলাদেশ খেলবে… কি অবিশ্বাস্য অনুভূতি…নিজের দেশটাকে ভালবাসার এই অকল্পনীয় অনুভূতি আর কোথায় পাব???

কাল যারা এসেছেন, তাদের কৃতজ্ঞতা জানাবার ভাষা জানা নেই। যারা প্রচণ্ড ইচ্ছা থাকার পরেও যেকোনো কাজে আটকে গিয়ে কিংবা দেশের নানা জায়গায় থাকবার কারনে আসতে পারেননি, আপনাদের প্রত্যেককে জানাতে চাই, আপনারা হয়তো শারীরিকভাবে কাল থাকতে পারেননি, কিন্তু টাইগারদের প্রতি আপনাদের বাঁধভাঙ্গা ভালোবাসা ঠিকই পৌঁছে গিয়েছিল শাহবাগে, জানিয়ে দিয়েছে পুরো বিশ্বকে, ক্রিকেট আমাদের কতটা আপন… ক্রিকেট আমাদের প্রানের কতটুকু…

আগামীকাল ৮১ দিন পর আবার মাঠে নামবে টাইগাররা। প্রতিবারের মত এবারও জগতের সবকিছু ভুলে আবার বসব মনিটরের সামনে, টাইগারদের প্রতি বুকভরা ভালোবাসা আর নতুন কিছুর প্রত্যাশায়। টাইগারদের কেউ চার-ছয় মারলে চিল্লায়া তারে শুদ্ধা তার পরিবাররে ভালবাসা জানায়া ফেলব। (তামিমের ক্ষেত্রে তামিমের প্রতি জানানো ভালবাসা ভাবী পর্যন্ত চলে যাবে আর বিপক্ষের উইকেট পড়লে আগে দুইটা লাফ দিয়া চিল্লায়ে বাড়ির মানুজড়ো করে ফেলব। আচমকা যেই চিল্লানি শুনে আব্বু বরাবরের মতই আমার মস্তিস্কের সুস্থতা নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করে ভয়াবহ একটা ঝাড়ি দিয়ে যেয়ে অবাক হয়ে আবিস্কার করবেন, আমি আর তার বকা শোনার অপেক্ষায় নাই। আমি আবারো খেলার মধ্যে ঢুকে গেছি। ভালো খেললে বাঁধভাঙ্গা আনন্দের জোয়ারে ভাসব, আর যদি কোনোভাবে ভালো না খেলে, তাহলে বেদনার নীল কষ্টে পুড়বো । কিন্তু একটা জিনিসে বিন্দুমাত্র পরিবর্তন আসবে না। টাইগাররা ভালো খেলুক কিংবা খারাপ, তাদের হৃদয়ের গভীরে যে বিশেষ জায়গায় স্থান দিয়েছি, তার বিন্দুমাত্র পরিবর্তন কোনদিন হবে না। আর খুব খারাপ যদি খেলে, তবে কিছুক্ষন আশেপাশের মানুষজনের উপর কিছুক্ষন সুনামি বইয়ে দিয়ে আবার আশায় বুক বাঁধবো। তবে এবারের আশা হবে আরও মজবুত, আরও শক্ত…

হৃদয়ের গভীর থেকে শুভকামনা রইল প্রিয় টাইগারেরা।
হুতায়া দিয়ো শ্রীলঙ্কান সিংহগুলারে…

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

১৬ thoughts on “কেয়ারফুল ইন্ডিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি) — ডোন্ট মেস উইথ টাইগার্স…

  1. হৃদয়ের গভীর থেকে শুভকামনা
    হৃদয়ের গভীর থেকে শুভকামনা রইল প্রিয় টাইগারেরা। হুতায়া দিয়ো শ্রীলঙ্কান সিংহগুলারে…
    :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ:

  2. বাংলাদেশ খেলছে… বাংলাদেশ

    বাংলাদেশ খেলছে… বাংলাদেশ খেলবে… কি অবিশ্বাস্য অনুভূতি…নিজের দেশটাকে ভালবাসার এই অকল্পনীয় অনুভূতি আর কোথায় পাব??? –

    আসলেই বড় অদ্ভুত এক অনুভূতি এটা… যেটা অনুভব করতে গেলে নিজের অজান্তেই চোখ থেকে টুপ করে কি যেন একটা গড়িতে পরে… লেখাটা খুব ভালো হয়েছে ডন ভাই… :রকঅন: :রকঅন: :রকঅন:
    টাইগারদের জন্য হৃদ্যয়ের গভীর থেকে শুভকামনা আর ভালোবাসা… :গোলাপ: :গোলাপ: :গোলাপ:

  3. ভেতরের সবটুঁকু রাগ, ক্রোধ আর

    ভেতরের সবটুঁকু রাগ, ক্রোধ আর ভালবাসা বের হয়ে আসতেছিল গলা দিয়ে, বাংলাদেশ খেলছে… বাংলাদেশ খেলবে… কি অবিশ্বাস্য অনুভূতি

    :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ:

  4. স্লোগান বাইর হইতেছে আমার গলা

    স্লোগান বাইর হইতেছে আমার গলা দিয়া… আমি স্লোগান দিতেছি… তিন মোড়লের জমিদারী, সবাই বলতেছে মানি না, মানব না। আমি স্লোগান দিতেছি… তিন মোড়লের খবরদারী, সবাই বলতেছে মানি না মানব না… আমি স্লোগান দিতেছি আমার দেশ, তোমার দেশ, সবাই বলতেছে, বাংলাদেশ…বাংলাদেশ… চোখে পানি চলে আসলো। কি অদ্ভুত… কি অদ্ভুত ব্যাপার… প্রতিটা স্লোগান একেবারে ভেতর থেকে বের হয়ে আসতেছিল। ভেতরের সবটুঁকু রাগ, ক্রোধ আর ভালবাসা বের হয়ে আসতেছিল গলা দিয়ে, বাংলাদেশ খেলছে… বাংলাদেশ খেলবে… কি অবিশ্বাস্য অনুভূতি…নিজের দেশটাকে ভালবাসার এই অকল্পনীয় অনুভূতি আর কোথায় পাব???

    :রকঅন: :রকঅন:
    :salute: :salute: :salute: :salute: :salute:

    ডন তোমার লিখনি নিয়ে আর কিছুই বলব না। শুধুই :bow: :bow: :bow: :bow: :bow: :bow:

    ভেতরের সবটুঁকু রাগ, ক্রোধ আর ভালবাসা বের হয়ে আসতেছিল গলা দিয়ে, বাংলাদেশ খেলছে… বাংলাদেশ খেলবে… কি অবিশ্বাস্য অনুভূতি …

  5. হৃদয়ের গভীর থেকে শুভকামনা

    হৃদয়ের গভীর থেকে শুভকামনা রইল প্রিয় টাইগারেরা। হুতায়া দিয়ো শ্রীলঙ্কান সিংহগুলারে… – See more at: http://www.istishon.com/node/6636#sthash.glSrIZ4z.dpuf

    ধন্যবাদ আপনাকে চমকপ্রদ লেখাটির জন্য। :salute:

  6. স্লোগান দিচ্ছে কে সেইটা

    স্লোগান দিচ্ছে কে সেইটা খুঁজতে গিয়া তো আমার আক্কেলগুড়ুম। স্লোগান বাইর হইতেছে আমার গলা দিয়া… আমি স্লোগান দিতেছি… তিন মোড়লের জমিদারী, সবাই বলতেছে মানি না, মানব না। আমি স্লোগান দিতেছি… তিন মোড়লের খবরদারী, সবাই বলতেছে মানি না মানব না… আমি স্লোগান দিতেছি আমার দেশ, তোমার দেশ, সবাই বলতেছে, বাংলাদেশ…বাংলাদেশ… চোখে পানি চলে আসলো। কি অদ্ভুত… কি অদ্ভুত ব্যাপার… প্রতিটা স্লোগান একেবারে ভেতর থেকে বের হয়ে আসতেছিল। ভেতরের সবটুঁকু রাগ, ক্রোধ আর ভালবাসা বের হয়ে আসতেছিল গলা দিয়ে, বাংলাদেশ খেলছে… বাংলাদেশ খেলবে… কি অবিশ্বাস্য অনুভূতি…নিজের দেশটাকে ভালবাসার এই অকল্পনীয় অনুভূতি আর কোথায় পাব???

    :ফুল: :ফুল: :ফুল: :বুখেআয়বাবুল: :বুখেআয়বাবুল: :বুখেআয়বাবুল:

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

44 − = 40