সৃস্টিকর্তা বা আল্লাহ কি কখনও ক্ষমাশীল হতে পারে ? আমার মতে অবশ্যই না ।

আইনের মধ্যে অন্যায় করার প্রবনতা ও ধর্মের মধ্যে অন্যায় করার জন্য উতসাহ দেওয়ার বিধান থাকলে কি অন্যায় করা কমবে ? প্রচলিত সব ধর্মেই সৃস্টিকর্তাকে করুনাময়, দয়ালু, জ্ঞানী ,পরাক্রমশালী ন্যায় বিচারক ও ক্ষমাশীল সহ নানা ধরনের গুনীজ্ঞানী হিসাবে বর্ননা করা আছে । আমার সব চেয়ে বড় চিন্তার বিষয় এই ন্যায় বিচারক ও ক্ষমাশীলতা নিয়ে । আজ আমার এই প্রশ্নটিই আপনাদের সামনে রাখব । এই ব্লগে অনেক ধর্মিয় জ্ঞানী ও সাধারন জ্ঞানী গন আমাকে একটু বুঝিয়ে দিবেন সৃস্টিকর্তা ন্যায় বিচারক ও একই সাথে ক্ষমাশীল কি ভাবে হতে পারে ?


আইনের মধ্যে অন্যায় করার প্রবনতা ও ধর্মের মধ্যে অন্যায় করার জন্য উতসাহ দেওয়ার বিধান থাকলে কি অন্যায় করা কমবে ? প্রচলিত সব ধর্মেই সৃস্টিকর্তাকে করুনাময়, দয়ালু, জ্ঞানী ,পরাক্রমশালী ন্যায় বিচারক ও ক্ষমাশীল সহ নানা ধরনের গুনীজ্ঞানী হিসাবে বর্ননা করা আছে । আমার সব চেয়ে বড় চিন্তার বিষয় এই ন্যায় বিচারক ও ক্ষমাশীলতা নিয়ে । আজ আমার এই প্রশ্নটিই আপনাদের সামনে রাখব । এই ব্লগে অনেক ধর্মিয় জ্ঞানী ও সাধারন জ্ঞানী গন আমাকে একটু বুঝিয়ে দিবেন সৃস্টিকর্তা ন্যায় বিচারক ও একই সাথে ক্ষমাশীল কি ভাবে হতে পারে ?

আমাদের দেশে সৃস্টিকর্তার বা আল্লাহর ক্ষমাশীলতার সুযোগ নিয়ে অনেকেই নির্বিচারে যা খুশী করে যাচ্ছেন । তাদের একটাই যুক্তি , হুজুর, ঠাকুর ও পাদ্রিরা বলেছেন -“ আল্লাহ, ভগবান ও ঈশরের কাছে ক্ষমা চাইলেই তিনি ক্ষমা করে দিবেন” । কিন্তু কিভাবে এটা সম্ভব ? অন্যান্ন বিভিন্ন বড় অন্যায় বাদ দিয়ে ধরি “ক” অন্যায় ভাবে আমার ধন সম্পত্তি কেড়ে নিয়ে আমাকে ভিক্ষারী বানালো বা ক্ষতি করল । এর পর সে আল্লাহর কাছে ক্ষমা পাওয়ার জন্য মসজিদ মাদ্রাসা, গীর্জা ও মন্দিরে দান খয়রাত সহ সব কিছুই করলো । আমি সৃস্টিকর্তার কাছে বিচার দিলাম কিন্তু অন্য মত বা কোন কারনে সৃস্টিকর্তা আমার কেসটা খারিজ করে দিয়ে “ক”কে কি ক্ষমা করবেন ? যদি করেন , তাহলে আল্লাহ তার কাছে ক্ষমাশীল । কিন্তু আমার কাছে কি ক্ষমাশীল বা ন্যায় বিচারক হিসাবে প্রতিয়মান হবেন ? কোন ভাবেই কি হওয়া সম্ভব ? সেক্ষেত্রে আমি সেই সৃস্টিকর্তাকে শ্রেষ্ঠ তো বলবই না, অন্তত ন্যায় বিচারক কি বলতে পারব ? শুধু শ্রেষ্ঠ ও ন্যায় বিচারকই বা কেন । আমি কি তাকে সর্বজ্ঞ সহ কোন গুনেরই অধিকারী হিসাবে দেখব ? অনেকেই বলবেন করুনা করে ক্ষমা করতেই পারেন । আমি তাদের উদ্দেশ্যেই বলব – যিনি কিছু খারাপ লোকের পাম পট্টি শুনে ক্ষমা করে দেন তিনি কিভাবে ন্যায় বিচারক হন ? জ্ঞানী গুনী হওয়ার তো প্রশ্নই উঠেনা । যদি এমন হয়ই তাহলে আমাদের দেশের বিভিন্ন নেতা নেতৃদের কি দোষ ? তারাও তো নিজেদের দলের লোকদের পাম্পট্টি শুনেই বিভিন্ন অপরাধ ক্ষমা করে দেন । প্রত্যাহার করে নেন তাদের বিভিন্ন কেস । তাহলে সৃস্টিকর্তাও কি আমাদের নেতা নেতৃদের মত বিভিন্ন দলিয় দৃস্টি ভংগী দোষে দুষ্ট ? তবে আমাদের দেশের বিভিন্ন নেতা নেতৃরা এই গুনাবলি সৃস্টিকর্তার কাছ থেকেই পেয়েছে ? শুধু নেতা নেতৃদের দোষ দিয়েই বা কি করব ? আমাদের সমাজও কি একই দোষে দুষ্ট না ? এভাবে সৃস্টিকর্তা যদি ক্ষমা করতেই থাকেন তাহলে তো দেশ মসজিদ, মন্দির গীর্জা ভরে যাবে ও বেহেস্তও পূর্ণ হয়ে উঠবে এই অত্যাচারীদের দ্বারা । যাদি তাই হয় তাহলে আমি সেই অত্যাচারীদের বেহেস্তে যেতে চাই না আবার অত্যাচারিত হওয়ার জন্য ।

শুধু একটি অপরাধের জন্য আল্লাহ যে কাউকে ক্ষমা করতে পারে । সেটা হল – যদি কেউ সরাসরি আল্লাহর কাছে অপরাধি হয় যার সাথে অন্যকেউ জড়িত নয় । সেটা কি রকম হতে পারে দেখি – কেউ যদি আল্লাহকে সরাসরি শারীরিক , অর্থনৈইতিক, সামাজিক ও মানসিক ভাবে কষ্ট বা ক্ষতি করে থাকে তাহলেই তিনি তাকে ক্ষমা করতে পারেন । কারন সেই ক্ষমা করার অধিকার একমাত্র তাঁর । কিন্তু আল্লাহর শরীর, অর্থ ও সমাজ আছে এটা কেউ স্বীকার করবে না । সমাজতন্ত্রের মত কেউ বলতে পারেন আমাদের সকল ধন সম্পদ ও অর্থই তো সৃস্টিকর্তার, তারা সমাজতন্ত্রের সেই সূত্র মানেন কিন্তু সমাজতন্ত্র বিশ্বাসীদের বলেন “নাস্তিক” । এখন বাকী রইল শুধু মন । যে মন শুধু পামপট্টি শুনে ক্ষমাই করে দেয় ন্যায় বিচার তো করেই না আর এই না করার জন্য আপশোস পর্যন্ত করে না সেই মনের দাম কতটুকু তা আপনারাই নির্ধারন করবেন বলেই আমার বিশ্বাস । অতএব নির্ধিদায় আমরা বলতে পারি সৃস্টিকর্তা পরাক্রমশালী ন্যায় বিচারক ও সর্বজ্ঞ কিন্তু ক্ষমাশীল অবশ্যই নন । যদি ক্ষমাশীল হন তাহলে তিনি শ্রেষ্ঠ অবশ্যই নন ।

এখন আপনারাই বলুন যারা নির্ধারন করেন বা প্রচার করেন যে সৃস্টিকর্তা ক্ষমাশীল তারা কি সঠিক বলেন ? তাদের এই প্রচারের ভিতরে অন্য কোন উদ্দেশ্য আছে তা আপনারাই বিচার বিশ্লেষন করে নির্ধারন করুন । অবশ্য আমাদের দেশে ইসলামের হেফাতজরা শুধু ইসলামের হেফাজত করে আল্লাহর আইন বা গুনাবলি নয় । আজ আমাদের দেশে রাজাকারদের ক্ষমা না ক’রে বিচার করা হচ্ছে । এই বিচার করাটা কি ন্যায় সংগত নয় ? যদি বিচার না করা হয় তাহলে তো দুনিয়ায় অন্যায় -আত্যাচারকারীরর জন্য স্বর্গরাজ্য হয়ে যাবে । নিজেদের মনগড়া (বানানো) ক্ষমাশীলতা দেখিয়া সৃস্টিকর্তার বিরাগভাজন হতে চাই না । আমরাও সৃস্টিকর্তার ন্যায় বিচারকে অনুসরন করেই এদের বিচার করে ফাঁসীর দাবী জানাব ও সবাই বলব রাজাকারের ফাসী চাই । তাতে আল্লাহর আইনই প্রতিষ্ঠিত হবে বলেই আমার বিশ্বাস । অবশ্য ইসলামের হেফাজতরা শুধু ইসলামের হেফাজত করে আল্লাহর আইন বা গুনাবলি নয় । পাশাপাশি এইও বলব আল্লাহ ক্ষমাশীল নয় ন্যায় বিচারক । তা না হলে আমাদের দেশ ও সারা দুনিয়া অন্যায়কারী দ্বারা পরিপূর্ন হয়ে যাবে , যা ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য অশান্তির কারন হবে ।

তাই আসুন ক্ষমাশীলতা পরিহার করে সবাই মিলে দেশে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করার জন্য কাজ করি ও ক্ষমাহীন আদর্শ নিয়ে সকল অন্যায়কারীর বিচারের জন্য সরকারের কাছে দাবী জানাই ।

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

১৪ thoughts on “সৃস্টিকর্তা বা আল্লাহ কি কখনও ক্ষমাশীল হতে পারে ? আমার মতে অবশ্যই না ।

    1. যদি থাকে তাহলে তিনি কি একই
      যদি থাকে তাহলে তিনি কি একই সাথে ন্যায় বিচারক ও ক্ষমাশীল হতে পারেন কি ? পড়ার জন্য :গোলাপ: :গোলাপ: :ধইন্যাপাতা: :ধইন্যাপাতা:

  1. সৃস্টিকর্তা পরাক্রমশালী

    সৃস্টিকর্তা পরাক্রমশালী ন্যায় বিচারক ও সর্বজ্ঞ কিন্তু ক্ষমাশীল অবশ্যই নন । যদি ক্ষমাশীল হন তাহলে তিনি শ্রেষ্ঠ অবশ্যই নন ।

    :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ:

  2. আমি আপনার কোশ্চেনের আনসার
    আমি আপনার কোশ্চেনের আনসার দেবার পূর্বে আমার খুব জানা দরকার আপনি নিজে সৃষ্টিকর্তায় বিশ্বাস করেন কিনা? নট নেসেসারিলি ইট হ্যাজ টু বি আল্লাহ ইট ক্যান বি এনি কাইন্ড অফ গড। আপনি যদি সৃষ্টিকর্তায় বিশ্বাস না করেন তবে এই কোশ্চেনের উত্তর খোঁজা মনে হয় অর্থহীন। আর যদি বিশ্বাস করেন তবে আপনাকে কয়েক স্টেপ ব্যাকে যেতে হবে। নিজেকে কোশ্চেন করেন, হোয়াট পারপাস ডু অ্যাই হ্যাভ? হোয়্যার আই এম গনা ফাইন্ড মাই পারপাস? ওয়েল আপনাকে সেই পারপাস খুঁজে বের করার জন্য আপনার সৃষ্টিকর্তার কাছে ফিরে যেতে হবে। যেহেতু সে আপনাকে ডিজাইন করেছে, আপনি যেখানে আছেন সেটা তার ডিজাইন সো আপনাকে আপনার পারপাস খোঁজার জন্য তার কাছেই যেতে হবে। মনে করুন সে আল্লহ, ভগবান, জিসাস যেই হোক। আমরা তার নাম না দেই। কিন্তু আপনি যখনই বিশ্বাস করবেন দেয়ার ইজ এ গড ওভার ইউ হূ ইজ বিং টেকিং কেয়ার অফ ইউ, দেন ইউ শূড অলসো বিলিভ দ্যাট হি ইজ দ্যা ওনলি ওয়ান হু ক্যান ডিক্টেট ইউর পারপাস। আর এই কনক্লুশন আপনাকে আরেকটা পাওয়ারফুল কনক্লুশনে নিয়ে যায় সেটা হল আপনার জীবনের বর্তমান সময় পর্যন্ত আপনি আপনার পারপাস সার্ভ করেননি। ধরুন আপনার বয়স ৩০। কিন্তু আপনি এই ৩০ বছর সৃষ্টীকর্তা কি পারপাসে আপনাকে সৃষ্টি করেছেন সেই পারপাস সার্ভ করেননি কিংবা পারপাস খোঁজার চেষ্টাও করেননি। দ্যাট মিনস ইউ বিন ইনভাইলেশন অফ ইউর পারপাস। এখন এক স্টেপ পেছনে যান, আপনি যদি একটা কম্পিউটার কিনেন কিংবা ম্যানুফেকচার করেন সেটা নির্দিষ্ট কোন কাজের পারপাসে এবং সেই কম্পিউটার যদি সেটা সার্ভ করতে অক্ষম হয় তাহলে আপনি সেই কম্পিউটার ফেলে দেন, নতুন আরেকটা কিনে আনেন। আরেকটু অন্যভাবে বলি, যখন গ্রামে থাকতাম আমাদের বাসায় কোন মেহমান আসলে দাদীকে বলতে শুনতাম বৌমা ঐ লাল মুরগীটা জবাই করো ঐটা ডিম দেয়া বন্ধ করে দিছে। এখানে আমার দাদী ডিমের পারপাসে যে সব মুরগী পালতো সেই মুরগী যখন ডিম দেয়া বন্ধ করে দিত সেইসব মুরগী জাবাই করতে বলতো। কারন সে তার পারপাস সার্ভ করা বন্ধ করে দিয়েছে। কিন্তু আমাদের সৃষ্টিকর্তা কি আমাদের সাথে সেরকমটা করছেন? তিনি কি তার জন্য আপনাকে শাস্তি দিয়েছেন? নো হি ডিডেন্ট! হি লেট আস গো, হি লেট আস স্লাইড, হি ইজ লেটিং আস স্লাইড। কিন্তু আমরা আমাদের ক্ষুদ্র মস্তিষ্ক দিয়ে প্রমাণ করার চেষ্টা করছি তিনি ক্ষমাশীল নন!!!! তিনি যদি ক্ষমাশীল না হতেন তবে তাকে জাজ করার জন্য, এই লেখা লেখার জন্য আমি আপনি হয়তো এতদিন বেঁচে থাকতাম না। তার পারপাস সার্ভ না করার জন্য আমাদের আরও অনেক আগেই উঠিয়ে নিতেন। আপনি যেই ফ্রেমের মধ্যে আটকে আছেন সেটা অনেক ছোট ফ্রেম ভাই।

    “হু অ্যাই এম?” “হোয়াট এম আই ডূয়িং হিয়ার?”, “হোয়ার এম আই গোয়িং”, “ওয়াট ইজ মাই পারপাস?” এইসব প্রশ্নের উত্তর খোঁজার চেষ্টা করেন। এর উত্তর পেলে বাকি সব কিছুর উত্তরও পেয়ে যাবেন।

  3. আমরা আমাদের ক্ষুদ্র মস্তিষ্ক

    আমরা আমাদের ক্ষুদ্র মস্তিষ্ক দিয়ে প্রমাণ করার চেষ্টা করছি তিনি ক্ষমাশীল নন!!!! তিনি যদি ক্ষমাশীল না হতেন তবে তাকে জাজ করার জন্য, এই লেখা লেখার জন্য আমি আপনি হয়তো এতদিন বেঁচে থাকতাম না। তার পারপাস সার্ভ না করার জন্য আমাদের আরও অনেক আগেই উঠিয়ে নিতেন।

    প্রথমেই আপনাকে :ধইন্যাপাতা: :ধইন্যাপাতা: :ধইন্যাপাতা: ও :গোলাপ: :গোলাপ: :গোলাপ: শুভেচ্ছা ।
    দেখুন মোদ্দা কথায় আমার প্রশ্ন ছিল একজন ন্যায় বিচারক ক্ষমাশীল হতে পারেন কিনা ? আপনার যুক্তি অনুসারে উনার পারপাস শেষ হয়ে গেলেই তো উনি আমাদেরকে মৃত্যুর মাধ্যমে উঠিয়ে নেন তাই না ? তা হলে বিচার যখন করেন তখন ন্যায় বিচারের স্বার্থে ক্ষমাশীল হন কি ? একজন ক্ষমাশীল বিচারক ন্যায় বিচার করতে পারেন কি ?

    1. Firstly I would like to thank
      Firstly I would like to thank you for reading :ধইন্যাপাতা: . Then I would say sorry for writing in English. I had to cause I am surfing from my mobile.

      Now as far as I understand to give charity is not injustice but to wrongfully deprive a person of his possessions is, indeed, an injustice. On the other hand, to restrict charity to a particular creed may also, in certain cases, be termed as injustice. In the same way, if a person forgives another for the wrongs that the latter had inflicted upon him, the act of the former can by no means be termed as injustice, but rather benevolence. On the other hand, if a person inflicts a greater pain on another in retribution of the pain that the latter had inflicted upon him, it would indeed be an act of injustice.

      Similarly, God’s forgiveness of man’s sins can in no way be termed as injustice, unless such forgiveness is administered with disparity among the subjects. While, putting a person into a severer punishment than what he deserves may, indeed, be termed as injustice.

      These should be sufficient as an explanation for the basic objection you raised . However, I would like to mention a couple of other observations regarding the whole issue here:

      The belief that the Christ (pbuh) suffered during his life and was ultimately crucified as an atonement for the sins of mankind does indeed raise a few questions not only regarding God’s justice but also regarding God’s mercy. Who would term the infliction of pain and suffering on an individual for the sins of another “Justice”? How can this infliction of pain and suffering on an innocent person be ascribed to a Merciful God? It would indeed be injustice and unmerciful if I was to punish one person for the wrongs of another [person or persons]. This injustice would not be any less injustice if the person I punished for the sins of another was my own son and in so doing, I was myself greatly grieved and pained! Thus, in my opinion, if someone believes that God shall deal mercifully with all mankind and shall forgive their sins in the hereafter and subsequently no person shall be punished, yet the good and the bad shall in some way be dealt with differently, this belief can be absolutely unfounded and baseless, yet it does not, in any way, involve God in an act of injustice. However, if someone holds that God, in this life or in the hereafter, shall [or has] put an individual [or a group of individuals] to a severer punishment than what that individual or group deserves [or deserved] as an atonement for the sins of the rest of mankind, I cannot understand how any person can hold such an act to be one in consonance with the principles of Justice and Mercy.
      Although forgiveness can purely be an act of benevolence and mercy, and in such a case, the question whether the person deserved to be forgiven or not does not always arise, yet both the Qur’an as well as the Bible, have mentioned that a sinner who accepts and confesses his sins (in front of God) and, wherever possible, tries for reparation of his misdeeds, sincerely repents and mends his ways in future, shall not only be forgiven but shall deserve to be forgiven. Actually, this is the only way a person can wash away his Kaba’ir (i.e. sins that according to the Qur’an shall be punished by everlasting burning). In the Qur’an, this is mentioned in Al-Baqarah 2: 160. While a close look at the Bible shows that one of the common messages of all the prophets was to call their people to salvation through repentance and correction of deeds.

      More importantly All the Qur’an as well as the Bible clearly show that man shall be judged purely on the basis of his deeds alone.

      If you need reference give me a buzz. I didn’t write all these by myself. When the question did arise in my mind I had surf around for the answer. I did and I guess that answer was enough to feed my mind. So not bothering to share with you… Thanks

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

60 − 54 =