>শেষ ইচ্ছা<

মোবাইলটা হঠাত্‍ অনিরুদ্ধের হাতের মধ্যে কেঁপে উঠল।এই কাঁপুনির সাথে অনিরুদ্ধ পরিচিত,
মেয়েটা মেসেজের রিপ্লাই দিয়েছে!
মোবাইলের কিপ্যাডে তোলপাড় শুরু করে দিল সে।

অনিরুদ্ধ হল ফেসবুকাসক্ত ছেলে।একজন মাদকসেবী যেমন মাদক সেবন করে অপার সুখ লাভ করে,ঠিক তেমনি অনিরুদ্ধও ফেসবুক ইউজ করে তেমন আনন্দ পায়।
দিন-রাত চব্বিশ ঘন্টা সে ফেসবুকে পড়ে থাকে,ফেসবুক ছাড়া তার একমুহুর্তও চলেনা – এদিকে যে তার পড়ালেখা লাটে উঠেছে,সে খেয়াল তার নাই।
রাস্তাঘাটে হাঁটার সময়ও একই কাজ!হাতে মোবাইল ও মোবাইলে ফেসবুকিং।এদিকে তাকে কোন গাড়ি মেরে দিল নাকি,সে খেয়াল নেই।।

ইদানিং অদ্ভুত এক ইচ্ছে জেগেছে অনিরুদ্ধের মনে…

মোবাইলটা হঠাত্‍ অনিরুদ্ধের হাতের মধ্যে কেঁপে উঠল।এই কাঁপুনির সাথে অনিরুদ্ধ পরিচিত,
মেয়েটা মেসেজের রিপ্লাই দিয়েছে!
মোবাইলের কিপ্যাডে তোলপাড় শুরু করে দিল সে।

অনিরুদ্ধ হল ফেসবুকাসক্ত ছেলে।একজন মাদকসেবী যেমন মাদক সেবন করে অপার সুখ লাভ করে,ঠিক তেমনি অনিরুদ্ধও ফেসবুক ইউজ করে তেমন আনন্দ পায়।
দিন-রাত চব্বিশ ঘন্টা সে ফেসবুকে পড়ে থাকে,ফেসবুক ছাড়া তার একমুহুর্তও চলেনা – এদিকে যে তার পড়ালেখা লাটে উঠেছে,সে খেয়াল তার নাই।
রাস্তাঘাটে হাঁটার সময়ও একই কাজ!হাতে মোবাইল ও মোবাইলে ফেসবুকিং।এদিকে তাকে কোন গাড়ি মেরে দিল নাকি,সে খেয়াল নেই।।

ইদানিং অদ্ভুত এক ইচ্ছে জেগেছে অনিরুদ্ধের মনে…
সে চায়,সে যখন মারা যাবে,তখন যেন ফেসবুকে একটা স্ট্যাটাস দিতে পারে যে,সে মারা যাচ্ছে!
এসব কথাই ভাবতে ভাবতে ও মেয়েটার সাথে চ্যাট করতে করতে সে মেইন রোডে উঠল।হাতে মোবাইল,ঝড়ের গতিতে টাইপিং হচ্ছে সেখানে।অনিরুদ্ধের সব মনোযোগ মোবাইল স্ক্রীনে নিবিষ্ঠ,বাইরের কোন কিছুতে বিন্দুমাত্র খেয়াল নাই।
হটাত পিছনে চাকার আর্তনাদ,ব্রেকফেল করেছে একটা মিনিবাস!
সোজা অনিরুদ্ধের দিকে ছুটে এল সেটা।অনিরুদ্ধ খেয়ালও করল না।
কিন্তু যখন খেয়াল করল তখন সে অনেক দুরে ছিটকে পড়েছে সোজা উড়ে এসে!রাস্তার একটা পাশ ওর রক্তে ভেসে যাচ্ছে তখন।

অনিরুদ্ধের হটাত সেই অদ্ভুত খেয়ালটা মাথাতে আসল।একটা স্ট্যাটাস দিবে সে,মোবাইলটা তখনও ওর হাতে ধরা ছিল।
চারিদিক থেকে অসংখ্য মানুষ ছুটে আসছে তার দিকে।সেইদিকে ভ্রুক্ষেপ না করে,সে স্ট্যাটাস লিখতে লাগল,
“may be i’m dying,friends…”
পোস্ট করতে যাবে,এমন সময় ওর সারা শরীর হালকা হয়ে গেল।একটুও শক্তি অবশিষ্ঠ রইলনা ওর শরীরে।সম্পুর্ন অনুভুতিহীন – হাত থেকে মোবাইলটা নিচে পড়ল।হাতটা মোবাইলের উপর আছড়ে পড়তে দেখল সে,সম্ভবত #ওকে বাটনের উপর পড়েছে…তারপরই অজ্ঞাণ হয়ে গেল ও!!!

চারদিক থেকে ছুটে আসা লোকজন অনিরুদ্ধকে “স্পট ডেড” হতে দেখল।আর দেখল মোবাইলে ভাইব্রেট হতে…
কে জানে,হয়তো কোন মেসেজ এসেছে অথবা কোন নিউ নোটিফিকেশন!!!

***সমাপ্ত***

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

১০ thoughts on “>শেষ ইচ্ছা<

  1. অনিরুদ্ধদের আসক্তি আর মাত্র
    অনিরুদ্ধদের আসক্তি আর মাত্র তিন বছর থাকবে।তিন বছর পর থেকেই তারা ফেসবুক থেকে আগ্রহ হারিয়ে ফেলবে।এমনটাই আশা করছেন বিজ্ঞানীরা।তবে ততদিনে কোনো এক্সিডেন্ট না বাধালেই হল।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

88 − 82 =