প্রজন্ম আন্দোলন – মানুষ মানবতা, বিশ্বাস অবিশ্বাস, নাস্তিকতা আস্তিকতা

মানুষ আর মানবতার অনেক ইউটোপিয়ান কথার ফুলঝুড়িই আমরা ছড়াতে পারি। কিন্তু বাস্তবতা হচ্ছে মানুষ এই প্রানিকুলের সবচেয়ে হিংস্র স্বার্থপর আর শঠ প্রানি।

বিশ্বাস,শুধু ধর্মবিশ্বাসই মানুষের একমাত্র বিশ্বাস নয়, নাস্তিকতা,গনতন্ত্র,পুজিবাদ, কম্যুনিজম, বাক স্বাধিনতা,নাগরিক অধিকার, ইত্যাদি ইত্যাদি সবই বিশ্বাসের ব্যাপার। জটিল মানব জাতি সাধারনত একাধিক বিশ্বাসের নানা পারমুটেশন কম্বিনেশন নিয়েই চলে। তবে তার শঠতায় মানুষ মুখে তার বিশ্বাসের ফুলঝুড়ি ছোটালেও,তার বিশ্বাস শুদ্ধ নয়, আর সে তার অশুদ্ধ বিশ্বাস প্রয়োগ করে নিজের স্বার্থ অনুযায়ি, বিভিন্ন মাত্রার কপটতায়।


মানুষ আর মানবতার অনেক ইউটোপিয়ান কথার ফুলঝুড়িই আমরা ছড়াতে পারি। কিন্তু বাস্তবতা হচ্ছে মানুষ এই প্রানিকুলের সবচেয়ে হিংস্র স্বার্থপর আর শঠ প্রানি।

বিশ্বাস,শুধু ধর্মবিশ্বাসই মানুষের একমাত্র বিশ্বাস নয়, নাস্তিকতা,গনতন্ত্র,পুজিবাদ, কম্যুনিজম, বাক স্বাধিনতা,নাগরিক অধিকার, ইত্যাদি ইত্যাদি সবই বিশ্বাসের ব্যাপার। জটিল মানব জাতি সাধারনত একাধিক বিশ্বাসের নানা পারমুটেশন কম্বিনেশন নিয়েই চলে। তবে তার শঠতায় মানুষ মুখে তার বিশ্বাসের ফুলঝুড়ি ছোটালেও,তার বিশ্বাস শুদ্ধ নয়, আর সে তার অশুদ্ধ বিশ্বাস প্রয়োগ করে নিজের স্বার্থ অনুযায়ি, বিভিন্ন মাত্রার কপটতায়।

মানব সমাজে দেশ ও কাল নির্বিশেষে সব চলতি বিশ্বাসেরই বিভিন্ন মাত্রার প্রভাব তার সামাজিক ও রাজনিতিক পরিমন্ডলে অনিবার্য্য। গনতান্ত্রিক সমাজে বা রাষ্ট্রে সামগ্রিক জনসঙ্খ্যার কোন কোন বিশ্বাসের প্রভাব প্রবল হবে তা সেই সমাজের সংখ্যা গরিষ্ঠের বিশ্বাসগুলির উপর নির্ভরশিল। এই বাস্তবতা মুক্ত একটি দেশও এই বিশ্বে নেই – নেই কোনো ইউটোপিয়ান তথাকথিত খাটি মানবতাবাদি দেশ।

জামাত আর মাহমুদুর রহমান সুযোগ নিয়েছে নিছক নাস্তিকতাকে পুজি করে নয়,কিছু প্রদর্শনবাদি প্রচারপিয়াসি নাস্তিকের চরম ধর্ম বিদ্বেষি ব্লগ পোষ্টকে পুজি করে। এই প্রচারপিয়াসি নাস্তিকেরা, ধর্মান্ধদের মতই নিজেদের অধিকারের সিমা জানে না,তারা জানে না যে তাদের অধিকার আর স্বাধিনতার সিমা আরেকজনের নাকের ডগা পর্যন্ত। তাই ধর্মান্ধদের মতোই এই আন্দোলনের স্বার্থে তারা অবশ্যই পরিত্যজ্য।

আমি মনে করি প্রজন্ম আন্দোলনের সঙ্ঘঠকরা অন্তর্মুখি Sales strategy বাদ দিয়ে জনমুখি Marketing Strategy অবলম্বন করে আমাদের সামাজিক বাস্তবতার নিরিক্ষে বৃহত্তর আন্দোলনের স্বার্থে সঠিক সিদ্ধান্তই নিয়েছেন।

মানুষ মানুষই। মানুষের মাঝে ফেরেশ্তা বা দেবত্ব আশা করাই আমাদের বোকামি। মানুষের নেচার এক্সেপ্ট করে সমাজ চালালেই বরং ভাল ফল পাওয়া যায়। কারন সমাজ তখন মানুষের শঠতা সচেতন থাকে আর তার কন্ট্রোলের চেক আর ব্যলেন্সের ব্যাবস্থা রাখে।

দেখেন না আমরা আবেগ তাড়িত হয়ে নেতাদের ফেরেস্তা, দেবতা বা ডেমি গডের আসনে বসিয়ে দিয়ে তাদের অসুর আর একনায়ক বানিয়ে ফেলি – আমরাও ভুলে যাই, তারাও ভুলে যায় তারা নিতান্তই মানুষ মাত্র।

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

5 + 5 =