সমাজ, ভালবাসা, অতঃপর…[[বর্ষপূর্তি গল্প প্রতিযোগিতার জন্য]]

মেয়েটির বয়স ছিল ১৭ বছর ৮ মাস। নাম ছিল সুপ্তি। এমন কোন শব্দ এখনও সৃষ্টি হয় নি যা দিয়ে সুপ্তির সম্পূর্ণ রূপের বর্ণনা দেয়া যায়। রূপ-লাবণ্যে স্বর্গের অপ্সরীও যেন হার মানে। বিধাতা তার অবসরে যেন সুনিপুণ ভাবে সাজিয়েছে অপরূপ এই মেয়েটিকে। জীবনানন্দ দাশ যদি সুপ্তিকে দেখতো তবে বনলতা সেন এর মত সুপ্তির রূপেরও বন্দনা করতো তা নিশ্চিত ভাবে বলা যায়।


মেয়েটির বয়স ছিল ১৭ বছর ৮ মাস। নাম ছিল সুপ্তি। এমন কোন শব্দ এখনও সৃষ্টি হয় নি যা দিয়ে সুপ্তির সম্পূর্ণ রূপের বর্ণনা দেয়া যায়। রূপ-লাবণ্যে স্বর্গের অপ্সরীও যেন হার মানে। বিধাতা তার অবসরে যেন সুনিপুণ ভাবে সাজিয়েছে অপরূপ এই মেয়েটিকে। জীবনানন্দ দাশ যদি সুপ্তিকে দেখতো তবে বনলতা সেন এর মত সুপ্তির রূপেরও বন্দনা করতো তা নিশ্চিত ভাবে বলা যায়।

মেয়েটির সাথে প্রথম কবে যে আমার দেখা হয়েছিল তা বলতে পারবো না, কারণ প্রতিবারেই আমি যেন নতুন এক সুপ্তিকে খুঁজে পাই। কিভাবে যেন বন্ধুত্ব হল। বন্ধুত্বের চেয়ে আগে বেড়ে কবে যে আমরা একে অপরের অতি আপনজন হয়ে উঠলাম, তাও অনুমান করতে পারি নি। কিন্তু বুঝতে পেরেছিলাম এ শুধু বন্ধুত্ব নয় এর চেয়েও বেশি কিছু। তখন ডায়েরি লেখার অভ্যাস হয়নি, তা না হলে প্রতিটি মুহূর্ত কলমের-খাতার মিলনে স্মৃতির এক সুন্দর ভাণ্ডারের রূপ পেত। জড় ডাইরির পাতায় চোখ বুলিয়ে সময়ের সাথে হালকা হয়ে যাওয়া স্মৃতি গুলোকে জীবন্ত করতে পারতাম।

দিনটি ছিল ১২ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৩। সুপ্তি আমাকে জিজ্ঞাসা করেছিল-তুমি কি আমাকে সবসময় ভালবাসবে?সেদিন আমি উত্তর দেই নি। দু দিন পর ভ্যালেন্টাইন ডে তে একটি কার্ড দিয়েছিলাম ওকে। সেখানে লিখেছিলাম “Please forgive me, I can’t love you all the time. I will hate you everyday from 11:59:59pm to 12:00:00am.” লিখাটি পড়ে সুপ্তি হেসেছিল। পরক্ষনেই ওর চোখে একটু অশ্রু দেখতে পেয়েছিলাম।
সুপ্তির সাথে প্রথম যে দিন রিক্সায় ঘুরতে বেরিয়েছিলাম সেই দিনটি আজও চোখের সামনে ভেসে ওঠে, মাঝে মাঝে ঘুমন্ত নগরীর বাসিন্দা হয়েও সেই দিনটিতে ফিরে যাই। খুব ভয় পেয়েছিলাম প্রথমে, কিন্তু যখন সুপ্তি আমার হাতটি ধরলো ভয় গুলো কোথায় যেন পালিয়ে গেল। ও হেঁসে বলেছিল “মেয়েরা ভয় পায়। আমি মেয়ে হয়ে নির্ভয়ে বসে আছি আর তুমি ছেলে হয়ে ভয় পাচ্ছো”। সেই হাসি যেন আজও আমি শুনতে পাই। এর পর ওর সাথে ঘুরে বেড়িয়েছি অনেকবার ভয় হয়নি কখনও।

প্রতি মুহূর্তের কথা গুলো একে অপরকে বলতাম, কোন দিন একে অপরের সাথে কথা না হলে মনে হত কয়েক শতাব্দী বুঝি পেরিয়ে গিয়েছে। আলেকজান্ডার সাহেব যদি দূরালাপনি যন্ত্রটা না বানাতেন তবে যে কি হত! কিভাবে যেন আমার সব সমস্যা গুলো বুঝতে পারতো সুপ্তি, কখনও কিছু বলার প্রয়োজন হয় নি। আমাদের ঝগড়া হত, তুচ্ছ তুচ্ছ বিষয়ে। আমি ঝগড়া করতে খুব পছন্দ করি যে। একে অপরের থেকে দূরে গেলে আরও বেশি কাছে আসা যায়। খুব মিষ্টি মধুর সময় কাটিয়েছি, গল্প করেছি ঘণ্টার পর ঘণ্টা। কখনও চুমু একে দিয়েছি গালে-ঠোঁটে-কপালে। কখনও ভুলবার নয় দিন গুলো।

দিনটি ছিল ৫ই সেপ্টেম্বর, আমার সাথে ফোনে কথা বলার সময় বাবার হাতে ধরা পরে। এর পর যা হবার তাই, মোবাইল নিয়ে নেয়। যোগাযোগ হয়নি প্রায় তিনমাস। একদিন ওর বান্ধবীর মোবাইল দিয়ে ফোন দিয়েছিল। আমি হাজারটা অভিযোগের ঝড় তুলে ছিলাম, একটুও প্রতিবাদ করে নি। শুধু একটি কথাই বলেছিল- “তোমায় খুব ভালবাসি’। শান্ত হোলাম, পরে জানতে পারলাম ওকে বাসা থেকে বের হতে দেয় নি ঘর থেকে, এমনকি কোন বান্ধবীর সাথেও দেখা করতে দেয় নি।
আস্তে আস্তে সব আবার আগে মত ঠিক হয়ে গেল। কিন্তু বিধাতার যেন আমাদের এ সুখ সহ্য হয়নি। একদিন সুপ্তির সাথে গল্প করছিলাম ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এক মাঠে, আমার মামা আমাদের দেখে ফেললেন। আমার বাবাকে ডেকে আনা হল, এর পর ওর বাবাকেও। শত অপমান মুখ বুজে সহ্য করতে হয় সুপ্তির বাবাকে। এ জন্যেই হয়তো মামাদের শকুনি মামা বলে সম্বোধন করা হয়। সেদিন বিচার করেছিল সমাজের মানুষ, সকল দোষ সুপ্তির ওপর চাপিয়ে দেয়া হয়। কিন্তু আমার ওপর একটুও আঙ্গুল উঠেনি কারণ আমি লিঙ্গে পুরুষ। পাঁজর ভাঙ্গা পিছিয়ে পড়া এ সমাজের বিচারের অপরাধী হয় সুপ্তি। কারণ আমার বয়স তখন ১৬ বছর ২ মাস। নিজ থেকে দেড় বছরের ছোট ছেলেকে ভালবাসা সমাজের চোখে এক অমার্জনীয় অপরাধ। পরিনামে অবর্ননাতীত লাঞ্ছনার স্বীকার হতে হুয় তাকে, পরে প্রতিটি দিন যেন তাকে উপহাসের স্বীকার হতে হয়েছে। পাড়ার দশ বছর বয়সী ছেলেও সুযোগ ছাড়ে নি। অসহ্য এ মানসিক যন্ত্রণার স্বীকার হয়ে নিজ বাড়ি ছেড়ে তাকে চলে যেতে হয়েছিল অন্য শহরে তার চাচার বাড়িতে। সে দিন জয় হয়েছিল সমাজের, জয় হয়েছিল সমাজ ব্যবস্থার। হেরে গিয়েছিলাম আমরা, আমাদের ভালবাসা।

ডায়েরিতে আর কিছু লেখা ছিল না।

মৃত বাবার ডায়েরিটি পড়ে সারা রাত ঘুমতে পারে নি নিলাদ্রী। পরদিন সকালে ১৪ই ফেব্রুয়ারি, ২০৪০ তারিখ। তার মাকে একটি কার্ড দেয়। কার্ডটিতে লিখা ছিল “Dear mom , please forgive me, I can’t love you all the time. I will hate you everyday from 11:59:59pm to 12:00:00am.” আগের সেই দিনটি ভেসে উঠলো সুপ্তির সামনে।

মায়ের কাছ থেকে তার বাবা মায়ের বিয়ের গল্প, জীবন যুদ্ধে পতিপক্ষ সমাজকে হারিয়ে কি করে তার বাবা-মায়ের ভালবাসার জয় হয়েছিল সেই গল্প শোনে নিলাদ্রী। অতপরে সে ডাইরিটিতে লিখে – “সেদিন সমাজের জয় হলেও চুড়ান্ত জয় হয়েছিল আমার বাবা-মায়ের এবং আমার বাবা-মায়ের ভালবাসার”।

[[[[বর্ষপূর্তি গল্প প্রতিযোগিতা]]]]

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

৭৯ thoughts on “সমাজ, ভালবাসা, অতঃপর…[[বর্ষপূর্তি গল্প প্রতিযোগিতার জন্য]]

  1. আরে বেটা, পড়ে না কে বলল…
    আরে বেটা, পড়ে না কে বলল… সবাই পড়ছে… কিন্তু সমস্যা হইল, গল্পটা এতো চমৎকার হইছে যে, কি মন্তব্য করা যায়, কেউ ভেবে পাচ্ছে না… :থাম্বসআপ: :বুখেআয়বাবুল: :বুখেআয়বাবুল:

    অসাধারন হয়েছে রে… সত্যিই অসাধারন… :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :ধইন্যাপাতা: :বুখেআয়বাবুল:

      1. আমরাও তোর যোগ্যতা জানি । তাই
        আমরাও তোর যোগ্যতা জানি । তাই গল্পের বিষয়ে মন্তব্য করে নতুন করে কিছুই জানানোর নাই ।

        এক কথায় অসাধারণ লিখেছিস ।

  2. অসাধারন অসাধারন অসাধারন,
    অসাধারন অসাধারন অসাধারন, সুপ্তিকে চোখের সামনে দেখতে পাচ্ছিলাম!অসাধারন আবেশ মাখিয়ে গেলো ভালোবাসার এই গল্পটা।নিজের জীবনের অনেক কিছু খুঁজে পেলাম।ধন্যবাদ জয়,নষ্টালজিক করে দেয়ার জন্য। ♪♥♥♥♥♥♥♥♥♥♥

  3. দারুন। কিন্তু শেয়ার দিতে
    দারুন। কিন্তু শেয়ার দিতে পারতেছিনা কেন কেউ বলবেন? শেয়ার দিলে ” 414 Request-URI Too Large” এই লিখাটা দেখাচ্ছে। আর, বর্ষপূর্তি গল্প পোস্ট করলে কেউ, আমাকে ফেসবুকে জানানোর অনুরোধ রইলো।

      1. আমারটা হচ্ছেনা আতিক ভাই।আমিকি
        আমারটা হচ্ছেনা আতিক ভাই।আমিকি আমার ব্রাউজার নতুন করে ইন্সট্রল করে দেখবো? অন্যটা কিন্তু ঠিকই শেয়ার হচ্ছে।

  4. চমৎকার লিখেছিস।যা শেয়ার
    চমৎকার লিখেছিস।যা শেয়ার দিলাম।২৫ নম্বর কিন্তু আমার হাতে।বিনিময়ে নির্লজ্জ ঘুষ খোরের মত একটা সিগারেটের দাবী করতেই পারি।কি বলিস? :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি:

  5. চমৎকার, অসাধারন, দুর্দান্ত
    চমৎকার, অসাধারন, দুর্দান্ত লিখেছিস ভাই। আর কিছু বলার ভাষা খুঁজে পাচ্ছি না… :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ:

  6. আমিতো লেখাটা শেয়ার করতে
    আমিতো লেখাটা শেয়ার করতে পারতেছিনা।কি করি? শেয়ার করতে গেলেই Bad Request
    Your browser sent a request that this server could not understand.

    Reference #7.3cb91a3a.1392364334.0
    এই মেসেজটা দেয়।অথচ কিছুক্ষণ আগে অঙ্কুরের একটা পোস্ট শেয়ার করলাম।

  7. দুর্দান্ত হয়েছে জয়। প্রথমে
    দুর্দান্ত হয়েছে জয়। প্রথমে ভেবে ছিলাম পুতু প্রেমের গল্প কিন্তু শেসে ফাটিয়ে দিয়েছন। স্যালুট ইউ। :তালিয়া: :তালিয়া: :তালিয়া:

    1. ইদানিং সমাজের প্রতি কেন যেন
      ইদানিং সমাজের প্রতি কেন যেন একটা ক্ষোভের জন্ম নিয়ে আমার মধ্যে। এই সমাজের বিরুদ্ধে লিখতে করে শুধু।

      ধন্যবাদ কিস দা

  8. অসাধারন… চমৎকার… শেষের
    অসাধারন… চমৎকার… শেষের টুইস্টটা বেশি ভাল লাগল… :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :তালিয়া: :তালিয়া: :ফুল: :থাম্বসআপ:

    “সেদিন সমাজের জয় হলেও চুড়ান্ত জয় হয়েছিল আমার বাবা-মায়ের এবং আমার বাবা-মায়ের ভালবাসার”।

  9. বাহ , চমৎকার লিখছেন জয় সাব ।
    বাহ , চমৎকার লিখছেন জয় সাব । লিখায় পরিপক্কতা ছিল । শব্দের গাঁথুনি ভালো লেগেছে । সুপ্তিকে দেখতে ইচ্ছা হচ্ছে 😀

    প্রতিযোগিতায় আপনাকে শুভেচ্ছা জানাই , আমার শুভ কামনা :ফুল: :ফুল: :ফুল:

  10. গল্প চমৎকার হয়েছে। জয় এর
    গল্প চমৎকার হয়েছে। জয় এর লেখায় উন্নতির ছাপ স্পষ্ট। চালিয়ে য জয়, অনেক সময় আছে। সামনে আরও ফাটাফাটি লিখতে পারবে সেই বিশ্বাস আমি রাখি।

  11. জয় বেশি কিছু বলব না শুধু বলব
    জয় বেশি কিছু বলব না শুধু বলব ভালো লিখেছিস কিন্তু পরীক্ষা টা আগে শেষ কর ভালো করে …… পরীক্ষার জন্য শুভ কামনা ……

  12. জয় তোমার দারুণ উন্নতি হচ্ছে।
    :তালিয়া: :তালিয়া: :তালিয়া: :তালিয়া: :তালিয়া: :তালিয়া: :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :গোলাপ: :গোলাপ: :গোলাপ: :গোলাপ:
    জয় তোমার দারুণ উন্নতি হচ্ছে। থিম ভাল হয়েছে।

  13. চরম লেখনী রে ভাই! সাধারণ একটা
    চরম লেখনী রে ভাই! সাধারণ একটা বিষয়কে অসাধারণভাবে ফুটিয়ে তুলেছ। আবেগের প্রকাশ ঘটেছে প্রতিটি লাইনে। :বুখেআয়বাবুল:

    শেয়ার দিলাম :গোলাপ:

  14. খুব ভালো লাগলো। আমি তো মনে হয়
    খুব ভালো লাগলো। আমি তো মনে হয় তিনবার পড়লাম

    প্রথম দেখা …
    ভ্যালেন্টাইন ডে তে কার্ড …
    প্রথম রিক্সায় ঘুরতে বের হওয়া…

    অসাধারণ সব অনুভূতি। দারুন!

  15. এই ছেলেটা কবে বড় হবে? এই
    এই ছেলেটা কবে বড় হবে? এই ছেলেটা বড় হয় না কেন?

    গল্পটা শুধুই গল্প হিসেবে দেখলে… ভাল। বেশ ভাল বলেছিস। বিশেষ করে ঐ লাইনটা- “সে দিন জয় হয়েছিল সমাজের, জয় হয়েছিল সমাজ ব্যবস্থার। হেরে গিয়েছিলাম আমরা, আমাদের ভালবাসা।”

    কিন্তু গল্পটা যখন জীবন থেকে নেয়া… তখন স্বভাবতঃই বুক কেঁপে ওঠে! জানি না এর ভবিষ্যৎ কী? শেষটুকু কি গল্পের মত করেই শেষ হবে?
    শুভ কামনা রইলো জয়… তোর ভালোবাসার জয় হোক!
    :ফুল:

    1. আজ একজনের কমেন্ট দেখে আপনার
      আজ একজনের কমেন্ট দেখে আপনার কথা মনে পড়ছিল। যাক বহুত দিন বাঁচবেন। প্রতিবারের মত ইমোতে!!! অনেক দিন পর ইস্টিশনে…

  16. জয়, তোর লেখায় উন্নতি হচ্ছে !
    জয়, তোর লেখায় উন্নতি হচ্ছে ! ফিনিশিংটা অসাধারণ হয়েছে !!!
    শেষটুকুর কারণে তোর এটি চমৎকার গল্প হিসেবে দাঁড়িয়েছে ।
    পুরস্কার পাওয়া বড় কথা নয়, সাহিত্যের চর্চা করছিস, এটা অনেক
    বিরাট ব্যাপার । ভালো গল্পকার হিসেবে নাম করবি একদিন – এই
    আমার আশা । ভালবাসা নিস । :গোলাপ: :গোলাপ: :গোলাপ:

      1. সাহিত্য বেশি করে পড়তে হবে …
        সাহিত্য বেশি করে পড়তে হবে … নানান বিষয়ে পড়তে হবে, জানতে হবে, বুঝতে হবে অন্যথায় অশ্বডিম্ব ! :ভেংচি:

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

− 4 = 2