নিষ্ফলা

গল্পগুলি হয়তো নির্বাক ছবির মতো বিমূর্ত নয়,
কাব্যেরা বোধহয় কথা বলেনা পিকাসোর ছবির মতো করে।
শব্দগুলি কী অবোধ- শিশুর মতো ছলছল চোখে তাকিয়ে রয়,
যেন অভিমানী কোন বালক- ঘুম ভেঙে খোঁজে মায়ের শাড়ির আঁচল।

কলমটা কেবল গেঁয়ো চাষা –ভুষোর মতো
ব্যাগার খাটুনি খেটে শব্দ বপন করে চলে হাঁটুজল বিলের মাঝে;
বরষা, শরত কোন কিছুর বালাই বোঝেনা সে পাগল ।

যে শ্রাবণ চোখের জল ঝরায় অঝোর ধারায়
তার বর্ষণে কী অধিকার আছে!
যে কাগজের ফুল প্রজাপতির পাখনা মেলতে জানেনা
তার শোভা বর্ধনে কী অভিলাষ জাগে!
যে চাষাড়- হাড়খাটুনি হাঁটু ভেঙ্গে পেটের ভুখ মেটেনা,
তার কর্ষণে কী অধিকার থাকে!

তবে মৃত্যু হোক!

গল্পগুলি হয়তো নির্বাক ছবির মতো বিমূর্ত নয়,
কাব্যেরা বোধহয় কথা বলেনা পিকাসোর ছবির মতো করে।
শব্দগুলি কী অবোধ- শিশুর মতো ছলছল চোখে তাকিয়ে রয়,
যেন অভিমানী কোন বালক- ঘুম ভেঙে খোঁজে মায়ের শাড়ির আঁচল।

কলমটা কেবল গেঁয়ো চাষা –ভুষোর মতো
ব্যাগার খাটুনি খেটে শব্দ বপন করে চলে হাঁটুজল বিলের মাঝে;
বরষা, শরত কোন কিছুর বালাই বোঝেনা সে পাগল ।

যে শ্রাবণ চোখের জল ঝরায় অঝোর ধারায়
তার বর্ষণে কী অধিকার আছে!
যে কাগজের ফুল প্রজাপতির পাখনা মেলতে জানেনা
তার শোভা বর্ধনে কী অভিলাষ জাগে!
যে চাষাড়- হাড়খাটুনি হাঁটু ভেঙ্গে পেটের ভুখ মেটেনা,
তার কর্ষণে কী অধিকার থাকে!

তবে মৃত্যু হোক!
অঝোর রক্ত ঝরিয়ে যাওয়া এই নিষ্ফলা কলমের-
যে শ্রাবণে চোখের জল মুছতে পারেনা
প্রজাপতির পাখনা মেলতে জানেনা
হা ভাতের জ্বালা জুড়োয় না।
তবে মৃত্যু হোক! জীর্ণশীর্ণ এই চাষা ভুষো কলমের
শীতের কনকনে কাঁপুনিতে তার মৃত্যু হোক!

(এই কবিতা দিয়ে আমি ইস্টিশন থেকে যাত্রা শুরু করলাম আপনাদের সবার সাথে। এটি ব্লগে প্রকাশিত আমার প্রথম লেখা )

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

৯ thoughts on “নিষ্ফলা

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

− 2 = 5