শিবির সুসমাচার! ও তাদের অর্থনৈতিক ভিত গুলো ।

শিবির সুসমাচার। একটু পেছনে ফিরে তাকাই তাহলে। আগে একটু স্মরণ করিয়ে রাখা ভাল তাহল; বাঙলা ভাই ও তার সাঙ্গপাঙ্গ কিন্তু জামাত-শিবিরের সাবেক সদস্য ছিল। ২০০৬ সালের ৬ মার্চ রক্তাক্ত অবস্থায় গ্রেফতার করা হয় বাঙলা ভাইকে। যিনি নিজেও অতীতে জামাতী ইসলাম করতেন।

জেএমবির সামরিক শাখার প্রধান আবু বক্কর সিদ্দিক ওরফে নজরুল ওরফে শিবলু দলটির হাতে গ্রেফতার হয়। যিনি আগে জামাতের কেন্দ্রীয় নেতা ছিলেন।


শিবির সুসমাচার। একটু পেছনে ফিরে তাকাই তাহলে। আগে একটু স্মরণ করিয়ে রাখা ভাল তাহল; বাঙলা ভাই ও তার সাঙ্গপাঙ্গ কিন্তু জামাত-শিবিরের সাবেক সদস্য ছিল। ২০০৬ সালের ৬ মার্চ রক্তাক্ত অবস্থায় গ্রেফতার করা হয় বাঙলা ভাইকে। যিনি নিজেও অতীতে জামাতী ইসলাম করতেন।

জেএমবির সামরিক শাখার প্রধান আবু বক্কর সিদ্দিক ওরফে নজরুল ওরফে শিবলু দলটির হাতে গ্রেফতার হয়। যিনি আগে জামাতের কেন্দ্রীয় নেতা ছিলেন।

তাহলে হিসেব খুব পরিষ্কার যে শিবির হল জঙ্গি হওয়ার প্রথম ধাপ।
http://img19.imageshack.us/img19/9028/97719693.jpg

প্রথমে শিবিরের পয়দা হবার ইতিহাস দেখি-

১৯৪৭ সালে মাওলানা মওদুদীর নেতৃত্বে যে জামাত-ই-তালেবার জন্ম হয় পরবর্তীতে ১৯৫৫ সালে তা ইসলামী ছাত্র সংঘে রূপ নেয়। জামায়াতে ইসলামী এবং ইসলামী ছাত্র সংঘ প্রত্যক্ষভাবে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের বিরোধিতা করেছে। মুক্তিযুদ্ধের সময় ইসলামী ছাত্র সংঘের সদস্যদের নিয়ে গঠিত হয় আলবদর বাহিনী। মুক্তিযুদ্ধে দেশের বুদ্ধিজীবী হত্যায় সবচেয়ে বেশি ভূমিকা রাখে আলবদর বাহিনী। দেশ স্বাধীন হবার পরে বঙ্গবন্ধু সব ধরনের ধর্মীয় রাজনীতি বন্ধ ঘোষণা করলে এ ধরনের সংগঠনের কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যায়। কিন্তু জেনারেল জিয়াউর রহমান ক্ষমতায় এলে ইসলামী ছাত্র সংঘ ১৯৭৭ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি ইসলামী ছাত্রশিবির নামে আবির্ভূত হয়। ধর্মভিত্তিক রাজনীতির দ্বার উন্মুক্ত হয়।

এবার দেখি এই সহি বাহিনীর কর্মকাণ্ড-

http://img191.imageshack.us/img191/772/bristybalok127203458532.jpg

১. ১৯৮১ সালের মার্চ মাসে প্রতিষ্ঠার মাত্র তিন বছরের মাথায় শিবির ক্যাডাররা চট্টগ্রাম সিটি কলেজের নির্বাচিত এজিএস ছাত্রলীগ নেতা তবারক হোসেনকে কলেজ ক্যাম্পাসেই কিরিচ দিয়ে কুপিয়ে নৃশংসভাবে হত্যা করে। কিরিচের এলোপাতাড়ি কোপে মুমূর্ষু তবারক যখন পানি পানি করে কাতরাচ্ছিল তখন এক শিবিরকর্মী তার মুখে প্রস্রাব করে দেয়।

২. ১৯৮২ সালের ১১ মার্চ চাঁপাইনবাবগঞ্জ থেকে ৩ বাস বহিরাগত সন্ত্রাসী নিয়ে এসে শিবির ক্যাডাররা রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ ছাত্রদের উপর হামলা চালায়। এই সহিংস ঘটনায় রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন বিশ্ববিদ্যালয়ে শিবিরের রাজনীতি নিষিদ্ধ ঘোষণা করে।

৩. ১৯৮৪ চট্টগ্রাম কলেজের সোহরাওয়ার্দী হলের ১৫ নম্বর কক্ষে শিবিরেরকর্মীরা ছাত্র ইউনিয়ন নেতা ও মেধাবী ছাত্র শাহাদাত হোসেনকে জবাই করে হত্যা করে।

৪. ১৯৮৬ সালে শিবির ডান হাতের কবজি কেটে নেয় জাতীয় ছাত্রসমাজের নেতা আবদুল হামিদের। পরবর্তীতে ঐ কর্তিত হাত বর্ষার ফলায় গেঁথে তারা উল্লাস প্রকাশ করে।

৫. ১৯৮৮ সালের ৩১ মে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ মেইন হোস্টেলের সামনে,কলেজের প্রিন্সিপাল ও একাডেমিক কাউন্সিলের সদস্যবৃন্দ, ও শত শত শিক্ষাথীদের সামনে ছাত্রমৈত্রী নেতা ডাক্তার জামিল আক্তার রতনকে কুপিয়ে ও হাত পায়ের রগ কেটে হত্যা করে শিবিরের ক্যাডাররা।

৬. ১৯৮৮ চাঁপাইনবাবগঞ্জের বীর মুক্তিযোদ্ধা ও জাসদ নেতা জালালকে তার নিজ বাড়ীর সামনে কুপিয়ে হত্যা করে শিবির ক্যাডাররা।

৭. ১৯৮৮ সালের ১৭ জুলাই ভোর সাড়ে চারটার দিকে এস এম হলে বহিরাগত শিবির ক্যাডাররা হামলা চালায় এবং জাসদ ছাত্রলীগের রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সহ-সভাপতি ও সিনেট সদস্য আইয়ূব আলী খান, বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সাধারণ সম্পাদক ও সিনেট সদস্য আহসানুল কবির বাদল এবং হল সংসদের ভিপি নওশাদের হাত-পায়ের রগ কেটে দেয়।

৮. ১৯৮৮ সালে সিলেটে শিবির ক্যাডাররা মুনীর, জুয়েল ও তপনকে বর্বরভাবে হত্যা করে।
আগষ্ট, ১৯৮৮ / রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের শিক্ষক অধ্যাপক মোঃ ইউনুসের বাসভবনে ছাত্র শিবির বোমা হামলা করে।

৯. ২৮/৪/১৯৮৮ সালে পরিসংখ্যানের ২য় বর্ষের ছাত্র আমিনুল হককে খুন করে তারা।

১০. রমজান মাস, ১৯৮৯ সালে ছাত্র ইউনিয়নের রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভাপতি গাজী গোলাম মোস্তফাকে বিশ্ববিদ্যালয় পাশ্ববতী চকপাড়ায় ইফতারের দাওয়াত দিয়ে নিয়ে গিয়ে হাতের রগ কেটে দেয় শিবির ক্যাডাররা।

১১. ১৯৮৯ সালের নভেম্বর মাসে নজরুল ইসলাম মিলনায়তনের সামনে সন্ধ্যায় জাসদ ছাত্রলীগের নেতা-কমীদের ওপর শিবিরের বোমা হামলায় বাবু, রফিক সহ ১০ জন আহত হয়।
২২ ডিসেম্বর, ১৯৯০ / ছাত্রমৈত্রীর চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সহ সভাপতি ফারুকুজ্জামান ফারম্নককে শিবিরের ক্যাডাররা জবেহ করে হত্যা করে।

১২. ২২/১২/১৯৯০ তারিখে তাদের আঘাতে গুরুতর আহত হয়ে ছাত্রমৈত্রী কর্মী ফারুকুজ্জামান মর্মান্তিকভাবে মৃত্যুবরণ করে।

১৩. ১৯৯২ সালের ১৭ মার্চ পবিত্র রমজান মাসে চট্টগ্রামের কুখ্যাত সিরাজুস সালেহীন বাহিনীসহ কয়েক হাজার সশস্ত্র বহিরাগত শিবীর সন্ত্রাসী রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে বেলা ১১ টার সময় অতর্কিত হামলা চালালে জাসদ ছাত্রলীগ নেতা ইয়াসীর আরাফাত পিটু নিহত হয় এবং জাসদ ছাত্রলীগের আইভি, নির্মল, লেমন, রুশো, জাফু, ফারুক এবং সমাজতান্ত্রিক ছাত্রফ্রন্টের রাজেশ সহ প্রায় দেড়শাতাধিক ছাত্র-ছাত্রী আহত হয়। এদের অধিকাংশেরই হাত-পায়ের রগ কেটে দেয়া হয় এবং রাজেশের কব্জি কেটে ফেলা হয়। এই হামলার সময় শিবির ক্যাডাররা এস এম হল, আনোয়ার হল এবং লতিফ হল আগুন দিয়ে জ্বালিয়ে দেয়। ব্যাপক আকারে গান পাউডারের ব্যবহার করায় হলের জানালার কাঁচগুলো গলে গিয়েছিলো। লতিফ হলের অনেকগুলো কক্ষ এখনো অব্যবহূত অবস্থায় পড়ে আছে। এই হামলার তীব্রতা এতই ছিল যে, বেলা ১১টায় শুরু হওয়া হামলা রাত ৩টায় বিডিআর নামানোর আগ পর্যন্ত বন্ধ হয়নি।

১৪. ১৯৯২ সালের মে মাসে ইসলামী ছাত্রী সংস্থা রাজশাহী কলেজ শাখার নেত্রী মুনীরা বোমা বহন করার সময় বিষ্ফোরণে মারা যায় এবং তার সহযাত্রী-সহকমী আপন খালা এবং ঐ রিকসাওয়ালা আহত হয়।

১৫. ১৯৯২ সালের ১৯ জুন শহীদ জননী জাহানারা ইমামের নেতৃত্বে যুদ্ধাপরাধী গোলাম আযমের বিচারের দাবিতে গড়ে ওঠা আন্দোলনে হরতাল কর্মসূচি সফল করার লক্ষ্যে জাসদের মিছিল চলাকালে শিবিরের সশস্ত্র হামলায় সাহেব বাজার জিরো পয়েন্টে জাসদ নেতা মুকিম মারাত্মক আহত হন এবং ২৪ জুন তিনি মারা যান।

১৬. ১৯৯২ সালের অগাস্ট মাসে বিশ্ববিদ্যালয় পাশ্ববর্তি নতুন বুথপাড়ায় শিবির ক্যাডার মোজাম্মেলের বাড়ীতে বোমা বানানোর সময় শিবির ক্যাডার আজিবর সহ অজ্ঞাতনামা অন্তত আরো তিন জন নিহত হয়। বিষ্ফোরণে পুরো ঘর মাটির সাথে মিশে যায় এবং টিনের চাল কয়েকশ গজ দুরে গাছের ডালে ঝুলতে দেখা যায়। পরবর্তীতে পুলিশ মহল্লার একটি ডোবা থেকে অনেকগুলো খন্ডিত হাত পা উদ্ধার করে। যদিও শিবির আজিবর ছাড়া আর কারো মৃতু্র কথা স্বীকার করেনি। পুলিশ বাদি হয়ে মতিহার থানায় শিবির ক্যাডার মোজাম্মেলকে প্রধান আসামী করে বিষ্ফোরক ও হত্যা মামলা দায়ের করে। প্রায় ৫ বছর পলাতক থাকার পর মামলা ম্যানেজ করে মোজাম্মেল এলাকায় ফিরে আসে এবং জামাতের রাজনীতিতে পুনরায় সক্রিয় হয়।

১৭. ১৯৯৩ সালের ৬ ফেব্রুয়অরি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে শিবির সাধারণ ছাত্র-ছাত্রীদের ওপর সশস্ত্র হামলা চালালে ছাত্রদল ও সাবেক ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ মিলে গঠিত সর্বদলীয় ছাত্র ঐক্যের ওপর শিবিরের হামলায় ছাত্রদল নেতা বিশ্বজিৎ, সাধারণ ছাত্র নতুন এবং ছাত্র ইউনিয়নের তপন সহ ৫ জন ছাত্র নিহত হয়।

১৮. ১৯৯৯ সালে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ড. এনামুল হকের ছেলে ও ছাত্রদল নেতা মোহাম্মদ মুছাকে শিবিরকমীরা নৃশংসভাবে হত্যা করে।

১৯. ১৯৯৩ সালের ১৯ সেপ্টেম্বর বহিরাগত সশস্ত্র শিবির কমীরা রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় শেরেবাংলা হলে হামলা চালিয়ে ছাত্রমৈত্রী নেতা বিশ্ববিদ্যালয় টিমের মেধাবী ক্রিকেটার জুবায়েদ চৌধুরী রিমুকে হাত-পায়ের রগ কেটে নৃশংসভাবে কুপিয়ে হত্যা করে। এছাড়াও ১৯৯৩ সালে তারা বিএনপি ও আওয়ামী লীগের ৫ জন নেতাকর্মীকে খুন করে।

২০. ১৯৯৪ সালে পরীক্ষা দিতে আসার পথে তৃতীয় বিজ্ঞান ভবনের সামনের রাস্তায় ছাত্রমৈত্রী নেতা প্রদুৎ রুদ্র চৈতীর হাতের কব্জি কেটে নেয় শিবির কমীরা।

২১. ১৯৯৪ সালের ২৯ অক্টোবরে ছাত্রদল নেতা মুছাকে হত্যা করে ছাত্র শিবির।

২২. ১৯৯৫ সালের ১৩ ফেব্রুয়ারী শিবির কমীরা বিশ্ববিদ্যালয় পাশ্ববতী চৌদ্দপাই নামক স্থানে রাজশাহী থেকে ঢাকাগামী সকাল-সন্ধ্যা বাসে হামলা চালিয়ে বাংলাদেশ ছাত্রমৈত্রী নেতা দেবাশীষ ভট্টাচায রূপমকে বাসের মধ্যে যাত্রীদের সামনে কুপিয়ে হত্যা করে। হত্যার আগে বর্বর শিবির ক্যাডাররা তার হাত ও পায়ের রগ কেটে নেয়।

২৩. ১৯৯৫ সালে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের নেতা-কমীদের ওপর সশস্ত্র শিবির কমীরা হামলা করে ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ছাত্রনেতা ফরহাদের হাতের কব্জি কেটে নেয়। এ হামলায় প্রায় ২৫ জন ছাত্রদল নেতা-কমীর হাত পায়ের রগ কেটে নেয় শিবির ক্যাডাররা।

২৪. ১৯৯৬ সালে জাসাস রাবি শাখার সাধারণ সম্পাদক আমান উল্লাহ আমানকে কেন্দ্রীয় লাইব্রেরীর সামনে প্রকাশ্য দিবালোকে কুপিয়ে হত্যা করে এবং ছাত্রদল নেতা ডুপ্লের হাত-পায়ের রগ কেটে দেয়। এদের বাঁচাতে এসে দুইজন সহপাঠি ছাত্রী এবং একজন শিক্ষকও আহত হয়।

২৫. ১৯৯৭ সালে চট্টগ্রাম পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট দখল করার জন্য শিবির ক্যাডাররা ছাত্র সংসদের ভিপি মোহাম্মদ জমির ও কলেজ ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক ফরিদউদ্দিন আহমদকে গুলি করার পর পায়ের রগ কেটে হত্যা করে।

২৬. ১৯৯৭ সালে বঙ্গবন্ধু পরিষদের রাবি শাখার সভাপতি অধ্যাপক আব্দুল খালেক, জিয়া পরিষদ নেতা হাবিবুর রহমান আকন্দ সহ প্রায় বিশ জন শিক্ষকের বাসায় বোমা হামলা ও অগ্নি সংযোগ করে ছাত্র শিবির।

২৭. ১৯৯৯ সালে রাবিতে অবস্থিত ’৭১ এর গণকবরে স্মৃতিসৌধ নির্মানের জন্য স্থাপিত ভিত্তি প্রস্তর রাতের আঁধারে ছাত্র শিবির ভাঙ্গতে গেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন কর্মচারী বাধা দেন। ফলে শিবির ক্যাডাররা তাকে কুপিয়ে আহত করে এবং ভিত্তিপ্রস্তর ভেঙ্গে ফেলে।

২৮. ১৯৯৮ সালে ২২ আগস্ট, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র ইউনিয়নের কর্মী সঞ্জয় তলাপত্রকে হত্যা করে শিবির ক্যাডাররা।

২৯. ভর্তিচ্ছু আইয়ুব আলীকে হত্যা করে ১৯৯৮ সালের ৬ মে। একই সালের ১৮ মে ১ম বর্ষের ছাত্র মুশফিককে হত্যা করে।

৩০. ২০০০ সালে চট্রগ্রামে সবচেয়ে ন্যক্কারজনক হত্যাকাণ্ডের জন্ম দেয় জামায়াতের আদর্শে তৈরি এ সংগঠনটি। সেখানে তারা আওয়ামী লীগ তথা ছাত্রলীগের ৮ নেতাকর্মীকে মাইক্রোবাসের মধ্যে ব্রাশফায়ারে খুন করে।

৩১. ২০০১ সালে রাবি ছাত্রী হলে বহিরাগত অনুপ্রবেশকে কেন্দ্র করে অনুষ্ঠিত ছাত্রী বিক্ষোভে সশস্ত্র ছাত্র শিবির কমীরা কমাণ্ডো হামলা চালায় এবং ছাত্রীদেরকে লাঞ্ছিত ও রক্তাক্ত করে।

৩২. ২০০১ সালে ২৯ ডিসেম্বর ছাত্রলীগ নেতা মর্তুজা চৌধুরীকে পরিকল্পিতভাবে খুন করে ছাত্র শিবির। (দৈনিক সংবাদ, ৯/১/২০০২)

৩৩. অক্টোবরের শেষ সপ্তাহ, ২০০১ / রাবি অধ্যাপক সনৎ কুমার সাহাকে ছাত্র শিবির কমীরা হাত পা বেধে জবাই করার চেষ্টা করে। কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মচারীরা টের পাবার ফলে, তাদের হস্তক্ষেপে তিনি প্রাণে বেঁচে যান।

৩৪. ২০০১ সালের ১৬ নভেম্বর, শুক্রবার। সকাল সোয়া ৭টার দিকে চার অজ্ঞাত পরিচয় অস্ত্রধারী যুবক ডিবি পুলিশের পরিচয় দিয়ে চট্টগ্রাম মহানগরীর ব্যসত্মতম জামাল খান রোডের বাসায় হাটহাজারী কলেজের অধ্যৰ গোপাল কৃষ্ণ মুহুরীকে (৬০) মাথায় স্বয়ক্রিয় অস্ত্র ঠেকিয়ে গুলি করে হত্যা করে। সন্ত্রাসীরা সকলেই জামায়াত শিবিরের ক্যাডার।

৩৫. ২০০২ সালে রাবি সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট নেতা সুশান্ত সিনহাকে প্রকাশ্য দিবালোকে পিটিয়ে হাত-পা ভেঙ্গে দেয় শিবির কর্মীরা।

৩৬. ২০০৪ সালের ২৫ জুলাই শিবির ক্যাডার রবি, রোকনের নেতৃত্বে প্রায় ১৫/২০ জনের একটি দল রাবি ছাত্রফ্রন্টের সাধারণ সম্পাদক সুশান্ত সিনহার ওপর হামলা চালায়। ইট দিয়ে জখম করার পামাপাশি তার মেরুদণ্ড ভেঙ্গে দেয়ার চেষ্টা চালায় শিবির ক্যাডাররা।

৩৭. ২০০৪ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি রাতে একুশে বইমেলা থেকে ফেরার পথে বাংলা একাডেমীর উল্টো দিকের রাস্তায় হুমায়ুন আজাদকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে জখম করা হয়।

৩৮. ২০০৪ সালে অধ্যাপক মোঃ ইউনুসকে ফজরের নামাজ পড়তে যাবার সময় কুপিয়ে হত্যা করা হয়। যদিও এই হত্যা মামলায় জেএমবির দুইজন সদস্যকে ফাঁসি দেয়া হয়েছে। তারপরও এলাকাবাসী অনেকেরই মতামত হচ্ছে ছাত্র শিবিরের ক্যাডাররাই তাকে হত্যা করেছে। উল্লেখ্য, ১৯৮৮ ও ১৯৯৮ সালে দুই দফায় ছাত্র শিবির তাকে হত্যার চেষ্টা করেছিল।

৩৯.২০০৪ সালে ২৬ সেপ্টেম্বর বরিশালের বাবুগঞ্জের আগরপুর ইউনিয়নের ছাত্রমৈত্রীর সভাপতি শামীম আহমেদকে শিবির ক্যাডাররা হত্যা করে।

৪০. ২০০৪ সালে ৩০ অক্টোবর জামাতের বর্তমান রাজশাহী মহানগরের আমীর আতাউর রহমান এবং প্রক্টর নূরুল আফসারের উপস্থিতিতে ছাত্রীদের মিছিলে হামলা চালিয়ে শিবির ক্যাডাররা প্রায় অর্ধ শতাধিক ছাত্রীকে রক্তাক্ত করে।

৪১. ২০০৫ সালে ১০ ডিসেম্বর সন্ধ্যায় জুবেরী ভবনের সামনে রাবি ছাত্র ইউনিয়নের সভাপতি এস এম চন্দনের ওপর হামরা চালিয়ে তার রগ কেটে নেয়ার চেষ্টা চালায় শিবির ক্যাডাররা।

৪২. ২০০৬ সালে ২রা ফেব্রুয়ারি বিশ্ববিদ্যালয়ের জামাতপন্থী শিক্ষক মহিউদ্দিন এবং রাবি ছাত্র শিবির সভাপতি মাহবুব আলম সালেহীন সহ আরো দুইজন শিবির ক্যাডার মিলে একযোগে অতকিতে হামলা চালিয়ে রাবি’র ভূতত্ত্ব ও খনিবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক আবু তাহেরকে হত্যা করে।

৪৩. ২০০৬ সালে ২১ আগস্ট রাবিতে অনুষ্ঠিত ‘সেকুলারিজম ও শিক্ষা’ শীষক সেমিনারে বক্তব্য দেয়ার অপরাধে অধ্যাপক হাসান আজিজুল হককে ক্যাম্পাসে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করে শিবির। প্রকাশ্য সমাবেশে তারা অধ্যাপক হাসান আজিজুল হকের গলা কেটে বঙ্গোপসাগরে ভাসিয়ে দেয়ার ঘোষণা দেয়।

৪৪. ২০১৩ সালের ১৩ ফেব্রুয়ারি : মতিঝিলের ব্যাংক কর্মচারী জাফর মুন্সীকে রড দিয়ে পিটিয়ে গুরুতর আহত করে শিবির ক্যাডারেরা। মাথা থেতলে দেওয়া হয় জাফর মুন্সীকে। পরে হাসপাতালে বসে মারা যান জফার মুন্সী।

৪৫.২০১৩ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারিতে যুবলীগকর্মীর কবজি কেটে ছুড়ে মারল শিবিরকর্মীরা। তারা যুবলীগ কর্মীকে ধরে রামদা দিয়ে তাঁর বাঁ হাতের কবজি কেটে রাস্তায় ছুড়ে ফেলে দেয়।

এছাড়াও ২০০৪ সালে তারা চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রদলের সঙ্গে কোন্দলে জড়িয়ে পড়ে। তখন এক ছাত্রনেতা মারা যান শিবিরের হামলায়। এভাবেই জামাত-শিবির প্রতিমুহূর্তে বাঙলার মাটিকে ধর্ষণ করে যাচ্ছে। জামাত শিবিরের এসব তাণ্ডবের পেছনে আছে অর্থনৈতিক একটি শক্তিশালী খুটি। তাই জামাত শিবিরের সাথে সাথে এদের প্রতিষ্ঠান গুলোকেও চিনে রাখুন। জামাত-শিবিরকে সব দিক থেকে পঙ্গু করে দিতে হবে। তাই জামাত শিবির বর্জনের সাথে সাথে এদের প্রতিষ্ঠান গুলোকেও বর্জন করতে হবে। সরকারের উচিত এসব লাভ জনক প্রতিষ্ঠানকে রাষ্ট্রের অধিনে নিয়ে যাওয়া। তাহলেই জামাত-শিবিরের অর্থনৈতিক মেরুদণ্ডটা ভঙ্গুর হবে।

জামায়াত শিবিরের প্রতিষ্ঠানগুলো দেখে নিন, বয়কট করুন…

১.সংস্কৃতি সংগঠনঃ
সিএনসি, বাংলা সাহিত্য পরিষদ, স্বদেশ সাংস্কৃতিক পরিষদ, উত্সঙ্গ, সৃজন চিন্তন, মৃত্তিকা একাডেমী, প্রতিভা ফাউন্ডেশন, শহীদ মালেক ফাউন্ডেশন, কিশোর কণ্ঠ ফাউন্ডেশন, সাইমুম শিল্পীগোষ্ঠী, বিপরিত উচ্চারণ, পল্টন সাহিত্য পরিষদ, ফররুখ পরিষদ, চত্বর সাহিত্য পরিষদ, কিশোর কলম সাহিত্য পরিষদ, ফুলকুঁড়ি সাহিত্য পরিষদ, নতুন কলম সাহিত্য পরিষদ, আল হেরা সাহিত্য পরিষদ, মাস্তুল সাহিত্য সংসদ, সম্মিলিত সাহিত্য-সাংস্কৃতিক সংসদ, স্পন্দন সাহিত্য পরিষদ, রেলগাছ সাহিত্য পরিষদ, কবি সংসদ বাংলাদেশ, কবি আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ সাহিত্য সংসদ, কানামাছি সাহিত্য পরিষদ, অনুশীলন সাহিত্য পরিষদ, শীলন সাহিত্য একাডেমী, পারফর্মিং আর্ট সেন্টার, সংগ্রাম সাহিত্য পরিষদ, উচ্ছ্বাস সাহিত্য সংসদ, ইসলামী সাহিত্য পরিষদ, হিলফুল ফুজুল, দাবানল একাডেমী, মওদুদী রিসার্চ সংসদ,বাংলাদেশ সাহিত্য কেন্দ্র নামে ভ্রাম্যমান লাইব্রেরী [বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্রের কপি]

২.প্রিন্টিং আই মিন প্রকাশনী বাণিজ্যঃ
সিদ্দিকীয়া পাবলিকেশন্স, আধুনিক প্রকাশনী, প্রীতি প্রকাশন, কিশোর কণ্ঠ প্রকাশনী, ফুলকুঁড়ি প্রকাশনী, মিজান পাবলিকেশন্স, ইষ্টিকুটুম, আল্পনা প্রকাশনী, গণিত ফাউন্ডেশন, মদিনা পাবলিকেশন্স, প্রফেসর’স, কারেন্ট নিউজ, সাজ প্রকাশন, সৌরভ, সাহিত্যকাল, নবাঙ্কুর, সাহিত্যশিল্প, শিল্প কোণ, আযান, অনুশীলন, ফুলকলি, দিগন্ত, পাঞ্জেরী, আল কোরআন প্রকাশনী, প্রফেসরস গাইড, Youth wave, পৃথিবী।

৩.কোচিং বাণিজ্যঃ
রেটিনা, প্রবাহ, ফোকাস, কনক্রিট, ইনডেক্স, রেডিয়াম, অপ্টিমাম, শুভেচ্ছা, সাকসেস কোচিং সেন্টার।

৪.ব্যাঙ্ক প্রতিষ্ঠানঃ
ইসলামী ব্যাঙ্ক লিমিটেড, ইসলামিক ফাইন্যান্স এন্ড ইনভেস্টম্যান্ট লিমিটেড

৫.ইন্স্যুরেন্সঃ
ফারইস্ট ইসলামী লাইফ ইন্সুরেন্স কো. লি., ইসলামী ইন্সুরেন্স কো. লি.,তাকাফুল ইসলামী লাইফ ইন্সুরেন্স

৬.ডেভেলাপারঃ
কোরাল রীফ, মিশন ডেভেলাপারস, এস.এ.এফ,এম.ডি.সি গ্রুপ, কেয়ারী, ইনটিমেট হাউজিং, সোনারগাঁ হাউজিং, লালমাটিয়া হাউজিং, সিলভার ভিলেজ হাউজিং, ওয়ান সিটি, পিংক সিটি, আবাসন সিটি।

৭.বাস সার্ভিসঃ
পাঞ্জেরী, আবাবিল

৮.শিক্ষা প্রতিষ্ঠানঃ
ইন্টারন্যাশনাল ইসলামিক ইউনিভার্সিটি (আইআইইউসি), এশিয়ান ইউনিভার্সিটি, সাউথ ইস্ট ইউনিভার্সিটি, ইসলামী ব্যাঙ্ক বাংলাদেশ টেকনিক্যাল কলেজ, মানারত (স্কুল আর বিশ্ববিদ্যালয়), গ্রীন ইউনিভার্সিটি, লাইসিয়াম কিন্ডারগার্টেন, ইসলামী ব্যাঙ্কের ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলগুলো। মাদ্রাসার সংখ্যা অসংখ্য (আলিয়া আর কওমি মিলিয়ে),১ ইবনে সীনা মেডিকেল কলেজ; আদ-দীন উইমেনস মেডিকেল কলেজ।

৯.সংবাদপত্রঃ
দৈনিক সংগ্রাম, দৈনিক নয়া দিগন্ত, দৈনিক ইনকিলাব, সাপ্তাহিক সোনার বাংলা।

১০.টিভি চ্যানেলঃ
দিগন্ত টিভি, ইসলামিক টিভি

১১.হাসপাতালঃ
ইসলামী ব্যাঙ্ক হাসপাতাল,ইউনাইটেড হাসপাতাল,ইবনে সিনা, আল-রাজি হাসপাতাল, আদ দ্বীন হাসপাতাল,ফুয়াদ আল খতিব মেডিকেল ট্রাষ্ট।

১২.ফার্মাসিউটিক্যালঃ
ক. ইবনে সিনা ফার্মাসিউটিক্যাল লিমিটেড
খ. বায়োফার্মা ল্যাবোরেটরীজ লিমিটেড এছাড়া কেয়ারী সিন্দাবাদ

১৩. ইন্টারনেট ব্লগঃ
সোনার বাংলা ব্লগ।
ভাবুন ৪১ বছরে কিছু দালাল কে সাথে নিয়ে আর আপনার আমার আজ্ঞতার সুযোগে দেশটাকে তারা গিলে ফেলতে চাচ্ছে। আমাদের এখনো বুঝা উচিৎ-অর্থনীতি আর মেধাই বড় শক্তি।
তথ্যসূত্র- রুদ্র সাইফুল

কৃতজ্ঞতায়-

বিশেষভাবে কৃতজ্ঞতায়- তালপাতার সেপাই ( আমার ব্লগ) ভাইয়ের কাছে তার ‘সহীহ শিবির নামা” লেখা থেকে অনেক তথ্যই হুবহু তুলে দিয়েছি। দুঃখ প্রকাশ করছি এজন্য তার অনুমতি নিতে পারি নি। উদ্দেশ একটাই জামাত-শিবিরের চরিত্র মানুষের কাছে উন্মোচন করা। এছাড়াও জনকণ্ঠ, সংবাদ পত্রিকা সহ বিভিন্ন পত্রিকা থেকে কিছু সংবাদ সংগ্রহ করেছি।

এই পোস্টে প্রতিনিয়ত আপডেট চলবে। জামাত-শিবিরের কুকর্মের আপডেট হতে থাকবে।

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

১২ thoughts on “শিবির সুসমাচার! ও তাদের অর্থনৈতিক ভিত গুলো ।

  1. জামায়াত-শিবির বিষয়ক চমৎকার
    জামায়াত-শিবির বিষয়ক চমৎকার একটা আর্কাইভ। এই আর্কাইভকে আরো সমৃদ্ধ করে ইস্টিশনের কোন কম্পার্টমেন্টে ঝুলানো যায় কিনা ভেবে দেখতে পারেন কর্তৃপক্ষ। মন্তব্যের ঘরে আমাদের কাছে জামায়াত-শিবির সম্পর্কে কোন তথ্য থাকলে শেয়ার করতে পারি আমরা। পরে আপনি আপনার পোস্টে আপডেট করে দিতে পারেন। এদের আর্থিক প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন তথ্য ও এদের অপকর্মের সকল তথ্য আমি সকল যাত্রী ও অতিথিদের এই পোস্টে শেয়ার করার জন্য অনুরোধ জানাচ্ছি। পাশাপাশি পোস্টটি সবাইকে শেয়ার দেওয়ার জন্য অনুরোধ করছি।

  2. ধন্যবাদ দুলাল ভাই। নাগরিকেও
    ধন্যবাদ দুলাল ভাই। 🙂 নাগরিকেও আপনার উৎসাহ পেতাম এখানেও পাচ্ছি। 🙂

    আমরা সবাই মিলে আরো যদি তখ্য থাকে তা যোগ করতে পারি। অনেক কিছুই হয়তো আমার এই পোস্টে নেই সেখানে সবার তথ্য যোগ করা অনেক বড় পদক্ষেপ হবে বলে মনে করি। এই হায়নাদের এখনই থামাতে হবে। ধর্ম নিয়ে আর কতোদিন ব্যবসা করবে এরা? আর কতো দিন আমাদের সহজ সরল মানুষের আবেগ নিয়ে ব্যবসা ও রাজনীতি করবে তাই এই হায়নাদের চরিত্র উন্মোচন করার জন্য সবার সহযোগীতা প্রত্যাশা করছি।

  3. ভাল পোষ্ট।বাদ গেছেঃ
    ১. ইবনে

    ভাল পোষ্ট।বাদ গেছেঃ
    ১. ইবনে সীনা মেডিকেল কলেজ
    ২. আদ-দীন উইমেনস মেডিকেল কলেজ

    খোজ নেয়া প্রয়োজনঃ
    ১. নর্দার্ন ইউনিভার্সিটি
    ২. নর্দার্ন মেডিকেল কলেজ
    ৩. পুর্বাচল আমেরিকান সিটি

  4. সবাই এই পোস্টে
    সবাই এই পোস্টে জামায়াত-শিবিরের অতীতের কর্মকান্ড ও এদের আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর তথ্য দিয়ে সহযোগীতা করুন। পোস্টটি হয়ে উঠুক এদের কর্মকান্ড নিয়ে বিশাল একটা আর্কাইভ। আর পোস্টদাতাকে অনুরোধ করব পোস্টের সুন্দর একটি শিরোনাম দেওয়ার জন্য, যেই শিরোনামে আর্কাইভ হিসাবে সব জায়গায় শেয়ার করা যাবে। ব্লগ কর্তৃপক্ষও এই পোস্টটি নিয়ে কিছু করা যায় কিনা ভেবে দেখতে পারেন।

  5. ভাই এখনও ভুলি নাই সেদিনের
    ভাই এখনও ভুলি নাই সেদিনের কথা, যেদিন ছাত্রলীগের ৮ নেতাকর্মীকে মাইক্রোবাসের মধ্যে ব্রাশফায়ারে খুন করে। ওদের আমি জানতাম

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

− 1 = 1