খোলস বদলিয়ে নতুন নামে আসছে ‘জামায়াত-শিবির’…!!!

গেল বছর ফেব্রুয়ারিতে যুদ্ধাপরাধের দায়ে অভিযুক্ত জামায়াত নেতা আব্দুল কাদের মোল্লার রায়ের প্রতিবাদে যে গণজাগরন সৃষ্টি হয়েছিল তা ঐ মুহুর্তে রায়ের প্রতিবাদে মনে হলেও বাস্তবে তার প্রভাবে দেশের রাজনীতিতে ঘনিয়ে এসেছিলো গভীর সংকট। দীর্ঘ একটা সময় যাবৎ বাঙালির যুদ্ধাপরাধের বিচারের জন্য মুখিয়ে থাকা তরুণ প্রজন্মের বিশাল একটি অংশের মনে জামায়াত-শিবিরের বিরুদ্ধে জমানো ক্ষোভ বিষ্ফোরণ হয় শাহবাগ চত্বরে।

একাত্তর পূর্ববর্তী সময় থেকে মুক্তিযুদ্ধকালীন সময়েও বাঙালির সংগ্রামের প্রেরণাদায়ী শ্লোগানগুলোই হয়ে ওঠে এ আন্দোলনের প্রধান ভাষা। কাদের মোল্লার রায়কে কেন্দ্র করে বহুদিনের জমানো ক্ষোভ নিয়ে বাঙালি জাতির রাজপথে নেমে আসা মূলত জামায়াত-শিবির নামক বিষাক্ত দলটিকে নিশ্চিহ্ন করে দেয়ারই মানসে। শুরুর দিকে এ ব্যাপারটি জামায়াত উপলব্ধি না করতে পারলেও পরবর্তীতে তারা অনুধাবন করতে থাকে কত বড় চ্যালেঞ্জের গুহায় তারা পতিত হতে যাচ্ছে। সেই লক্ষ্যে তখন থেকেই এই “ওয়েল অর্গানাইজড” সংগঠনটি তাদের ভবিষ্যত কর্মপন্থা বা পরিকল্পনা নিয়ে ব্যস্ত হয়ে পড়ে।

জামায়াতের সুচতুর কৌশল অবলম্বনের ইতিহাস আমাদের সকলেরই জানা এবং এটি স্বীকার্য যে তারা বেশ দক্ষ পরিকল্পনা নিয়েই কাজ করে। যার ফলে পাকিস্তান এবং বাংলাদেশ এই দুই সময়ে তিনবার নিষিদ্ধ হওয়া স্বত্বেও তারা বারবার দেশীয় রাজনীতির আলোচ্য বিষয় হিসেবে নানা সময়ে উঠে এসেছে। ১৯৭৫ সালে বঙ্গবন্ধুকে স্ব-পরিবারে হত্যার পরে আঘাত হানা হয় ১৯৭৬ সালে। যে আঘাতের রেশ গিয়ে পড়ে বাংলাদেশের সংবিধানের উপর। সেই সময়ে যদিও জামায়াত এই দেশে রাজনীতি করার অধিকার পায়নি তবে সংবিধানের উপর তৎকালীন ক্ষমতাসীন সেনা সরকারের বারবার আঘাতের ফলে ১৯৭৯ সালের ২৫-২৭ মে প্রকাশ্য সম্মেলনের মাধ্যমে জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশে দল হিসেবে পুনরায় আবির্ভূত হয়। সেই থেকেই বেশ সু-চতুর এবং নিরাপদভাবে ক্ষমতাসীন দলকে সঙ্গে নিয়েই দীর্ঘ রাজনৈতিক পথ অতিক্রম করে তারা। কখনো আওয়ামী লীগ আবার কখনো বিএনপিকে সাথে নিয়েই তারা এগিয়েছে।

গণজাগরন পরবর্তী সময় থেকে বিশেষ করে নির্বাচন পরবর্তী সময়ে দেশী-বিদেশী বিভিন্ন মহল থেকে বেশ কড়া একটি চাপের মধ্যে পড়ে গেছে জামায়াত। নির্বাচন পরবর্তীতে বিএনপি নেত্রীর জামায়াতকে সতর্ক করে দেয়া এবং পরবর্তীতে দলীয় সমাবেশে জামায়াতকে স্থান না দেয়া দলটির উপর বিশাল দেশীয় চাপ তৈরী করে, সেই সাথে ইউরোপীয় ইউনিয়নে জামায়াতকে নিন্দা জানানোও আন্তর্জাতিক মহলে তাদের পূর্ব অবস্থান নড়বড়ে করে দেয়।

একথা সুস্পষ্ট ভাবে আমরা অনেকেই বলে থাকি যে, জামায়াত আগামী দশ বছর পরে কি করবে তা তারা এখনই ভেবে রাখে। সেখানে গণজাগরন হবার আগে আওয়ামী লীগ সরকার যখন ক্ষমতায় এসেছিল তখন থেকেই তারা বুঝে গিয়েছিলো যুদ্ধাপরাধের দায়ে তাদের দলীয় নেতাদের যেমন বিচার করা হবে একইসাথে সাংগঠনিকভাবে অক্ষম করে দিয়ে এটিকে জঙ্গীবাদী সংগঠন উল্লেখ করে নিষিদ্ধ করে দেয়ার চেষ্টা চালানো হবে। সেই লক্ষ্যেই তারা অনেক আগে থেকেই কাজ চালিয়ে যাচ্ছিলো। এ লক্ষ্যে তারা নিজেদের ব্যানারের বদলে কখনো বিএনপির নাম কখনো ১৮ দলীয় জোটের ব্যানার ব্যবহার করে বিগত ২-৩ বছর সারা দেশে মানুষ মেরেছে অগণিত, কখনো আক্রমণ চালিয়েছে আইনশৃংখলা নিয়ন্ত্রণকারী বাহিনীর উপর।

দলটির একাধিক বিশ্বস্ত সূত্র থেকে জানা যায়, জামায়াতের নীতি-কৌশলে পরিবর্তন আনার বিষয়টি প্রথম প্রকাশ পায় ২০১০ সালের মাঝামাঝিতে। সে সময় দলের কয়েকজন শীর্ষস্থানীয় ও তরুণ নেতার উপস্থিতিতে রাজধানীর পুরানা পল্টনের আল-রাজী কমপ্লেক্সে একটি বৈঠক হয়। সেই বৈঠকের সিদ্ধান্ত মেনে নেয়নি পুরোনো পন্থীরা। এক্ষেত্রে দলীয় সুত্রের দাবী, পদ না হারাতেই তারা নতুন সিদ্ধান্ত মেনে নেয় নি। সংস্কারের পক্ষে ছিলেন মীর কাসেম আলী, ব্যরিস্টার আব্দুর রাজ্জাক এবং কামারুজ্জামান তবে এসবের বিরোধিতা করেছিলেন মতিউর রহমান নিজামী, আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদ, আবদুল কাদের মোল্লা, দেলাওয়ার হোসেন সাঈদীসহ অন্যান্যরা।

২০১১ সালে মার্চের প্রথমভাগে বেশ আলোড়ন ফেলেছিল জামায়াত নেতা কামারুজ্জামানের “পরিবর্তিত প্রেক্ষাপটে নতুন কর্মকৌশল গ্রহণ সময়ের দাবী” শীর্ষক ফাঁস হয়ে যাওয়া একটি চিঠি। যে চিঠির সারমর্ম দাঁড়ায়, এই মুহুর্তেই জামায়াতকে আগামীর কথা ভেবে আরেকটি দল বা সংগঠন দাঁড় করাতে হবে। কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব জামায়াতের মূল নেতৃবৃন্দের হাতে থাকবে। যুদ্ধাপরাধের দায়ে যারা অভিযুক্ত আছেন তাদের দলীয় পদ থেকে সরে দাঁড়াতে হবে। সেই সময়ে এই চিঠির ব্যাপারে জামায়াত-শিবির উভয়ই ব্যাপক চিন্তাগ্রস্থ হয়ে পড়েছিল সেই সাথে তাদের কেউই এই ব্যাপারে মিডিয়ার সামনে মুখ খোলেনি।

এরপর থেকে নানা সময়ে মিডিয়াকে ব্যবহার করে একপক্ষ আরেক পক্ষকে নিজেদের মতের যৌক্তিকতা বোঝাতে চেয়েছেন। ২০১২ সালের ৭ ফেব্রুয়ারি নয়া দিগন্ত পত্রিকায় “আরব বসন্ত এবং দেশে ইসলামি আন্দোলন” শিরোনামে যে নিবন্ধটি লিখেছেন জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল আব্দুর রাজ্জাক, সেখানে তিনি বিভিন্নদেশে ইসলামপন্থী দলগুলো কিভাবে কৌশল বদল করে সংস্কার করে সাফল্য পেয়েছে তা পর্যালোচনা করেন। আবার সেই নিবন্ধের জবাব “আবু নকীব” ছদ্মনামে “দৈনিক সংগ্রাম” পত্রিকা মারফত দেয়া হয়েছে। সংস্কারপন্থী একাধিক সুত্রের দাবী সংস্কারবিরোধী বয়োজ্যেষ্ঠ নেতাদের একজন এই চিঠি লিখেছেন। এখানে উল্লেখ্য যে আবু নকীবের বাংলা অর্থ হলো নকীবের বাবা।
এখানেও বসে নেই জামায়াতের মহিলা বিভাগ। স্বামীর পদ টিকিয়ে রাখতে মহিলা বিভাগের সেক্রেটারি শামসুন্নাহার নিজামী সাপ্তাহিক সোনার বাংলাতে ‘বিবেচনা আনতে হবে সবকিছু’ শিরোনামে দুই কিস্তিতে কামারুজ্জামানের সেই চিঠির পাল্টা জবাব দেন। এছাড়াও গেল বছর শীর্ষস্থানীয় একটি দৈনিকে সাক্ষাতকার দিতে গিয়ে জামায়াতের অন্যতম নেতা সাবেক সচিব শাহ আবদুল হান্নান বলেছিলেন, জামায়াতের নিবন্ধন বাতিল হলে নতুন নামে দল গঠন করার বিষয়টি দলের চিন্তাশীল গোষ্ঠী গভীরভাবে বিবেচনা করছে।

গত বছর ১ আগস্ট বিচারপতি এম মোয়াজ্জাম হোসেন, বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি কাজী রেজাউল হক সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের বৃহত্তর বেঞ্চ সংখ্যাগরিষ্ঠ মতের ভিত্তিতে জামায়াতের নিবন্ধন অবৈধ ও বাতিল ঘোষণা করে রায় দেন। এদিকে এই রায়ের উপর ভিত্তি করে দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে পারেনি জামায়াত এবং একটি রাজনৈতিক দল হিসেবে এটি তাদের উপর তৈরী করেছে বিশাল চাপ।

ইতিমধ্যেই আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের মাধ্যমেই জামায়াতকে নিষিদ্ধ করে দেওয়ার ঘোষণা আসলে তাতে আরো গভীর চিন্তাগ্রস্থ হয়ে পড়েন দলীয় নেতা কর্মীরা। একাধিক সুত্রের বরাত থেকে জানা যায়, ইতোমধ্যেই সংস্কারপন্থীরা তাদের বেশকিছু আভ্যন্তরীণ কাজ সেরে ফেলেছেন। দেশের সংবিধানের বিরুদ্ধে যায় না; এমন সকল কিছুর উপর ভিত্তি করেই নতুন দলের গঠনতন্ত্র তৈরী হয়ে গিয়েছে। নতুন দলে বিধর্মীদের অবস্থান সম্পর্কে এখনো বেশ কিছুটা দ্বন্দ্ব থাকলেও আশা করা যাচ্ছে এ বিষয়ক জটিলতা অচিরেই কেটে যাবে। পূর্বের ভুলগুলো চিহ্নিত করে সেসব শুধরে নিয়ে নতুন দলটিকে এগিয়ে নিয়ে যাবেন এমন ব্যক্তিদের মধ্যে ব্যরিস্টার আব্দুর রাজ্জাকের নাম বেশ ভালোই শোনা যাচ্ছে। তবে নেতৃত্বে অতীতে দেশের মুক্তিযুদ্ধ এবং স্বাধীনতা বিরোধীদের কেউ যেন প্রকাশ্যে না আসে সেইদিকে বেশ ভালো নজরদারী করছে তারা। ধর্মভিত্তিক রাজনীতির আধুনিক সংস্করণের উপরেই তাদের আগামীর কর্মপন্থা হবে বলেও জানা গেছে। এছাড়া অতীতে বা বর্তমানে জামায়াত-শিবিরের পদে রয়েছেন এমন কাউকে শুরুতে নেতৃত্বে আনতে আপত্তি জানিয়েছেন কেউ কেউ। তাদের মতে এতে করে সহজেই প্রতিপক্ষ প্রমাণ করে দিতে সক্ষম হবে যে, তারাই সাবেক জামায়াত-শিবির। পুরোনোদের পর্দার পেছনে থেকে দিক-নির্দেশনা এবং নীতি-নির্ধারনের কাজে মনোনিবেশ করার অনুরোধ জানায় সেই মহলটি।

তারপরও একটা কথা নিঃসন্দেহে বলাই যায়, খোলস বদলালেও সাপ কখনো তার বিষের ব্যবহার ভোলে না। সাপ জানে না তার বিষ কতটা ভয়ংকর, কিন্তু আমাদের চিনে রাখা উচিত সেই বিষধর সাপটিকে, না হয় বিষে নীল হব আমরাই, আর আমরা নীলকণ্ঠ নই। দেবতা শিব নিজের কণ্ঠে সমস্ত বিষ ধারণ করতে বাধ্য হয়েছিলেন ঘটনার আকস্মিকতায়। শিবের মত চোখ বুঁজে থাকলে তাই আমাদের চলবে না। সরকারের এবং আমাদের, বলতে গেলে বাঙালি জাতিরই এখন আগলে রাখতে হবে এ দেশের মাটিকে। হায়েনার আঁচড়ে ক্ষত-বিক্ষত হয়ে যেন এ মাটি তার উর্বরতা না হারায়।

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

১৬ thoughts on “খোলস বদলিয়ে নতুন নামে আসছে ‘জামায়াত-শিবির’…!!!

  1. একদম সঠিক পর্যবেক্ষণ ।ধন্যবাদ
    একদম সঠিক পর্যবেক্ষণ ।ধন্যবাদ আপনাকে ।

    এদেশের রাজনীতিতে নতুন করে আর যেন কোন মৌলবাদী গোষ্টির সংক্রমন না ঘটে সে জন্য আমাদের সকলেরই সজাগ থাকা প্রয়োজন ।

  2. জামাত একটি বিষাক্ত রাজনৈতিক
    জামাত একটি বিষাক্ত রাজনৈতিক দল ।এই দলটি যে কোন ছলে-কৌশলে পুনরায় এদেশের রাজনীতিতে হর্তা-কর্তা রূপে আবির্ভূত হবার চেষ্টা করবে ইহা একরকম নিশ্চিত ।

    তাই এই সরকারের আমলেই আইন ও সাংবিধানিকভাবে এই দলটিকে একেবারে নিশ্চিহ্ন করার পদ্ধতি গ্রহণ করা উচিৎ ।

  3. খোলস বদলালেও সাপ সাপই থাকে।
    খোলস বদলালেও সাপ সাপই থাকে। তাই নো মার্সি। এদের রাজনৈতিকভাবে নির্মুল করার সাথে সাথে সামাজিক এবং অর্থনৈতিক ভাবেও পঙ্গু না করলে লাভ হবে না। আপনার পর্যবেক্ষনের সাথে পূর্ণ সহমত জ্ঞ্যাপন করছি।

  4. এরপরেও কিছু কিছু উগ্র
    এরপরেও কিছু কিছু উগ্র গন্ড-মূর্খ বাংলার আকাশ বাতাস কাঁপিয়ে আওয়াজ তুলবে, আল্টিমেটাম দিবে আগামী একঘন্টার মধ্যেই জামাতকে নিষিদ্ধ করতে হবে। যদিও তারা ভালো করেই জানে জামায়াতকে যত দ্রুত আইনিভাবে নিষিদ্ধ করবে সরকার ঠিক ততদ্রুত তারা নতুন খোলসে নামবে বাজারে। তাই জামায়াতকে এখনই নিষিদ্ধ নয় বরং আমাদের সকলের সম্মিলিত প্রয়াসে তাদের সকল কিছু তুলে ধরে আনতে হবে সরকার বা আইন প্রয়োগকারী মহলের নিকট। গোপনভাবে হোক কিনবা অনলাইনে প্রকাশ করে হোক তাদের সকল কিছুর তথ্য তুলে ধরে আনতে হবে।

    জামায়াত নিষিদ্ধ করলেই তো সকল জামায়াত-শিবির কর্মীরা মরে যাবে না কিনবা পাকিস্তান চলে যাবে না, বরং তারা নতুন মোড়কে নতুন স্টাইলে আমাদের উপর বিষ প্রয়োগে নামবে। সেইজন্যেই আমাদের উচিত হবে যার যার অবস্থান থেকে এদের মুখোশ খুলে দেয়া। এলাকায় কে বা কারা তাদের সমর্থক তাদের একটা তালিকা তৈরী করতে হবে। তাদের কর্মকান্ডের তালিকাও তৈরী করতে হবে। প্রয়োজনে সেইসকল তথ্য সিটিজেন জার্নালিজম হিসেবে ব্লগে প্রকাশ করে দেয়া যেতে পারে।

    পোস্টদাতাকে ধন্যবাদ এমন তথ্যবহুল পোস্ট তুলে ধরার জন্য। কর্তৃপক্ষ যদি বিশেষ বিবেচনায় পোস্টটিকে এক্সপ্রেসে ঝুলানোর ব্যবস্থা করেন তাহলে অনেকের কাছে গুরুত্ব পেতে পারে বিষয়টি।

    জয় বাংলা জয় বঙ্গবন্ধু

      1. যত সময় আপনার লাগবে আপনার
        যত সময় আপনার লাগবে আপনার এলাকার ছাগুদের মুখোশ লিপিবদ্ধ করতে, যত সময় লাগবে আমার ক্ষেত্রে, যত সময় লাগবে সবার ক্ষেত্রে। ঠিক তত সময় অপেক্ষা করতে হবে জনাব।

  5. খোলস বদলালেও সাপ কখনো তার

    খোলস বদলালেও সাপ কখনো তার বিষের ব্যবহার ভোলে না। সাপ জানে না তার বিষ কতটা ভয়ংকর, কিন্তু আমাদের চিনে রাখা উচিত সেই বিষধর সাপটিকে, না হয় বিষে নীল হব আমরাই

    – চমৎকার বিশ্লেষণ ! সহমত !
    :ধইন্যাপাতা: :গোলাপ: :ধইন্যাপাতা:

  6. সরকারের সতর্ক হওয়া উচিত। সব
    সরকারের সতর্ক হওয়া উচিত। সব ধরনের প্রস্তুতি সর্বমহলের থাকা উচিত বলে মনে করছি। আমি সোজা একটা কথাই বুঝি- “সব সমস্যার সমাধান, বায়াত্তরের সংবিধান”।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

93 − 89 =