খালেদা জিয়া আপনাকে বলছি।

বেগম খালেদা জিয়া,একজন মুক্তিযোদ্ধার বঊ হিসেবে আপনি আমাদের অন্তত কিছু মানুষের মধ্যে ছিলেন নয়নের মনি।না হলে তারা আপনাকে দুই-দুই বার ক্ষমতায় নিতো নাহ।আপনি যখন ক্ষমতায় আমরা তখন রাজনীতি বুজতে শিখেছি।সত্যি বলতে কি আপনাকে দিয়ে মনে হয় আমাদের জেনারেশনটা রাজনীতিতে হাতে খড়ি নিয়েছে।কেননা আমাদের জেনারশনের উঠতি সময়ে আপনি ক্ষমতায়।বড় হতে হতে আপনি এবং মুজিব কন্যাদের আমরা চিনেছি।বুঝতে শিখেছি আপনাদের।

আপনার দ্বিতীয় বারের ক্ষমতায় থাকাকালীন সময়ে দেশে জঙ্গীবাদের উত্থান।আপনি জানেন কিনা জানি নাহ।আপনার আমলে লালমনিরহাটে আপনি প্রধানমন্ত্রী থাকা অবস্থায় আপনি দেশের মুক্তিযোদ্ধাদের সংবর্ধনা অনুষ্টানে পাঠান জামাতে আমীর নিজামী সাহেবকে।একজন পঙ্গু মুক্তিযোদ্ধা তাকে মেনে নিতে পারেন নি।হুইল চেয়ার থেকে ঊঠে তাকে আঘাত করতে চান।আপনার মন্ত্রী তাকে বাঁ-হাতে ত্থাপ্পর মারেন।আপনি পরে সংবাদ মাধ্যমকে বলেন এটা তার দোষ নাহ,ব্যক্তিটি মুক্তিযোদ্ধাই নাহ………

বেশ কদিন আগে আপনি গেলেন আমেরিকায়।সেখানে আপনি নিঊ-ইউর্ক টাইমসকে বললেন।দেশকে বহির্বিশ্বের কাছে আপনি ডুবালেন।আপনি বললেন,
“Terming that people of Bangladesh “are in grave danger,” the BNP chairperson pleaded that “It is time for the world led by America to act and ensure that democracy is saved in Bangladesh!!!!!!!

এটার কোন মানে ছিল নাহ,ওয়াশিংটন ডিসির প্লাটফরম এ ইস্যু তোলার।তার তোলা আর ইস্যুতে যুদ্ধাপরাধীর বিচার বাঞ্ছালের হাহাকার স্পস্ট এবং ইঊনুস ইস্যুতেও সেটা আরো ভালো এংগেল পায়……

“The United States and its allies, such as Great Britain, have the influence to insist that a caretaker government is instituted so the views of the voters are respected. To ensure this, their words and actions must be much stronger, to keep Bangladesh from slipping away from democracy. Congress and the British Parliament must continue to honor individuals such as Mr. Yunus for what he has achieved to alleviate poverty, while others such as Ms. Hasina have merely coveted recognition.”

এবং আপনি আরো বলেন,“They also must explain to Ms. Hasina that general preferences for trade will be withdrawn if those who support workers’ rights and have political views opposed to those of the prime minister are not now allowed to express their beliefs. The Western powers should consider targeted travel and other sanctions against those in the regime who undermine democracy, freedom of speech and human rights. They should say and do these things publicly, for all our citizens to see and hear. This is how the United States can ensure that its mission to democratize the world continues.

এভাবে নিজের দেশকে রিপ্রেসেন্ট করতে পারেন নাহ একজন মুক্তিযোদ্ধার স্ত্রী হিসেবে।এটা একজন জিয়াঊর রহমানের জন্য ও বড় অপমান।আওয়ামী লীগ দেশ ভাল চালাচ্ছে না এটাতে তাদের জন্যও অপমান কম নাহ।কারন বিরোধী দলীয় নেত্রী হিসেবে আপনার উচিত ছিল দেশ কিংবা সমাজের ব্যবস্থার খুঁত ধরা।

এইবার কি আপনি দেশের ভেতরে আপনার শেষ তুলির আঁচরটি দিলেন??????জনতাকে কি দেখিয়ে দিলেন,আপনার দলের অবস্থান শেষ পর্যায়ে এসে ঠেকেছে????আমেরিকা এবং আজকের বাংলাদেশে আপনার কথা তাই প্রমান করে।

শেখ মুজিবর রহমান সাহেব নিজেও মনে হয় জানতেন নাহ তিনি কত বড় ভূল করেছিলেন।মেজর জিয়াঊর রহমানের মনে হয় সবচেয়ে ভালো গুন ছিলো তিনি আগে ভাগে মানুষ চিনতে পারতেন।বেগম খালেদা জিয়া,মুক্তিযুদ্ধের পর যদি আপনি আজকের বাংলাদেশে বীরঙ্গনা উপাধী নিয়ে বেঁচে থাকতেন,আশা করি আজকের কান্ডটি আপনার দ্বারা হতো নাহ।এতগুলো মিথ্যাচার ও আপনার করা লাগতো নাহ।বাঙ্গালী সন্মান দেখানোর ব্যাপারে কোনদিন আপোস করে নি,করবেও নাহ।দুই-দুই বার ক্ষমতায় থাকার পরেও আপনি বাঙ্গালী ও বাংলাকে চিনতে পারেন নি।মনে হয় আপনি বাংলাকেই কোন দিন ভালবাসতে পারেন নি।

জিয়াঊর রহমান সাহেব এককালে বলেছিলেন,”আই মেইক পলিটিক্স ডিফিকাল্ট ফর পলিটিসিয়ান”।তিনি কি বুঝেছিলেন জানি নাহ,মনে হয় আপনার ভবিষ্যৎ দেখে ফেলেছিলেন।তাই আজ প্রজন্মের দেয়া শেষ সুযোগটিও আপনি নিতে পারলেন নাহ।আপনার বক্তৃতা আজ বিশ্লেষন করার কারন দেখি নাহ।আপনার দল আজ তারা শুষে নিয়েছে।আপনি আর ফখরুল সাহেব আজ যখন একা বিপর্যস্ত হন সাধারন মানুষের কাছে।আপনাদের জীবনের অভিজ্ঞতা আমার কাছে এক প্রকার মূর্খের সারল্য বলে মনে হয়।

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

২ thoughts on “খালেদা জিয়া আপনাকে বলছি।

  1. খালেদা জিয়াকে এসব বলে লাভ
    খালেদা জিয়াকে এসব বলে লাভ নাই। খালেদা জিয়া মনে প্রাণে কখনই এদেশ চায় নাই। সে মনে প্রাণে পাকিস্তানী। খালেদা জিয়া প্রাদেশিক মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার জন্য মুখিয়ে আছে। বাংলাদেশ নয়, পুর্ব পাকিস্তানের মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার শপথ নিয়ে এসেছে সিঙ্গাপুর থেকে। সেখানে পাকিস্তানী গোয়েন্দাবাহিনীর সাথে এক বিশাল লেনদেন হয়েছে। কোকো’র টাকা যা সরকার ফিরিয়ে এনেছে, তার কয়েক’শ গুন টাকা পাকিস্তান থেকে পেয়েছে। বিনিময়ে বাংলাদেশটাকে আবার পুর্ব পাকিস্তানে রূপান্তরিত করে দেবে। এই মহুর্তে দেশে জামায়াত-শিবিরের চেয়ে বিএনপি ও খালেদা জিয়া অনেক বড় শত্রু। দেশকে বিক্রি করার যে চুক্তি খালেদা করে এসেছে, সেই ষড়যন্ত্র রুখতে হবে। আবার একটা একাত্তর আসন্ন। বন্ধুরা সবাই তৈরী থাকুন দেশের জন্য লড়াই করতে।

    জয়বাংলা।

  2. চোরে না শোনে ধর্মের কাহিনী।
    চোরে না শোনে ধর্মের কাহিনী। মানুষের আসল চরিত্র এক সময় জনসমক্ষে আসবেই এটাই প্রকৃতির নিয়ম………. দেশ বিরোধী কে এবার বুঝতে চেষ্টা করুন ………

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

− 6 = 4