ব্লগার থাবা বাবার হত্যা রহস্য উদঘাটন

শিবিরের পরিকল্পনাতেই ব্লগার রাজীব হায়দারকে (থাবা বাবা) কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে।
এই হত্যাকান্ডে জড়িতদের ৭ জনের মধ্যে ৫ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। জড়িতরা হলো ফয়সাল বিন নাঈম ওরফে দীপ (২২), মাকসুদুল হাসান অনিক (২৩),এহসান রেজা রুম্মান (২৩), নাঈম সিকদার ইরাদ (১৯) ও নাফিস ইমতিয়াজ (২২)। গ্রেফতারকৃতদের কাছ থেকে হত্যাকান্ডে ব্যবহৃত ২টি চাপাতি, ৪ টি ছোরা, ১টি বাই সাইকেল, ১ জোড়া রিবুক কেডস, ৭টি বিভিন্ন মডেলের মোবাইল সেট ও ১ টি স্কুল ব্যাগ উদ্ধার করা হয়। গ্রেফতারকৃতরা বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয় নর্থ সাউথ এর বিভিন্ন বিভাগের ছাত্র।

গ্রেফতারকৃত আসামীদের মধ্যে ফয়সাল বিন নাঈমের বাড়ী মাতুয়াইল, ঢাকা এবং অনিকের বাড়ী- কেরানীগঞ্জ এবং তারা দু’জনই নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ইলেট্টিক্যাল এন্ড ইলেক্ট্রনিক্স ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অনার্স ফাইনাল ইয়ারের ছাত্র। নাঈম কোডা কলেজ, ঢাকা থেকে এইচ এস সি পাশ করে নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হয়, অপর দিকে অনিক ম্যাপল লিফ থেকে ও লেভেল এবং এ লেভেল পাশ করে নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হয়। রুম্মান এর বাড়ী ঝিনাইদহ জেলায় ও ইরাদ এর বাড়ী ব্রাহ্মনবাড়িয়ায় এবং তারা দু’জনই নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ইলেক্ট্রনিক্স এন্ড টেলিকমিউনিকেশন ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ছাত্র।

গ্রেফতারকৃত অন্য আসামি নাফিস ইমতিয়াজ সান সাইন গ্রামার স্কুল থেকে ও লেভেল এবং এ লেভেল পাশ করে একই বিশ্ববিদ্যালয়ের বিবিএতে ভর্তি হয় এবং বর্তমানে সে তৃতীয় বর্ষের ছাত্র। তার বাড়ী সন্দ্বীপে।

গ্রেফতারকৃত আসামীরা প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানায়, তারা নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের নামাজ কক্ষে নামাজ পড়তে গিয়ে একে অপরের সাথে পরিচিত ও ঘনিষ্ঠ হয়। সেই সূত্রে তারা ইসলামিক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করত এবং ইন্টারনেট হতে বিভিন্ন তথ্য শেয়ার করত। তারা জানায়, তাদের গ্রুপের এক বন্ধু একসময় বাংলাদেশ ছাত্র শিবিরের রাজনীতির সাথে জড়িত ছিল।

সেই বন্ধুটি তাদেরকে ইন্টারনেটের বিভিন্ন ব্লগের ঠিকানা দেয় এবং সেইসব ব্লগ হতে ডাউনলোডকৃত তথ্য তাদের মধ্যে সরবরাহ করে। এই বন্ধু গ্রুপের সদস্যরা এইভাবে থাবা বাবাসহ বিভিন্ন ব্লগারের লেখার সাথে পরিচিত হয় এবং একপর্যায়ে থাবা বাবা সম্পর্কে রটানো বিভিন্ন গুজবে বিশ্বাস করে থাবা বাবা নামধারী ব্লগারকে সনাক্তপূর্বক তাকে উচিত শিক্ষা দেয়ার জন্য পরিকল্পনা করে। এরই ধারাবাহিকতায় গত ১৫ই ফেব্রুয়ারি তারিখ রাতে পল্লবীর পলাশ নগর এলাকার নিজ বাসার সামনের রাস্তায় এই উগ্রপন্থি ও ধর্মান্ধ আসামীদের হাতে থাবা বাবা নিহত হন।
গ্রেফতারকৃত আসামীরা জানায়, তারা সবাই আলোচনা সাপেক্ষে ব্লগার রাজিবকে হত্যা করার পরিকল্পনা করে। তারা রাজিব এর ব্লগে এবং ফেসবুকে ঢুকে রাজিব সংক্রান্তে তথ্য সংগ্রহ করে এবং রাজিবের বন্ধুদের পরিচয় ও ছবি দেখে রাজিবকে ফেসবুকে সনাক্ত করে।

তারা নিয়মিতভাবে রাজিবের ফেসবুক একাউন্ট সার্চ করে এবং শাহবাগ গণজাগরন আন্দোলন শুরু হবার পর তারা রাজিবের ফেসবুক স্ট্যাটাস থেকে জানতে পারে রাজিব শাহবাগে আসবে। তখন তারা তাকে সনাক্ত করার জন্য একটি গ্রুপ যার নাম “ইনটেল গ্রুপ” এবং সনাক্ত পূর্বক সরাসরি হত্যাকান্ডে অংশগ্রহণের জন্য অপর গ্রুপ যার নাম “এক্সিকিউশন গ্রুপ” গঠন করে। ইনটেল গ্রুপের সদস্য হচ্ছে এহসান রেজা রুম্মান, মাকসুদুল হাসান অনিক, নাঈম সিকদার ইরাদ সহ আরও দু’জন এবং এক্সিকিউশন গ্রুপের সদস্য ফয়সাল বিন নাঈম, মাকসুদুল হাসান অনিক সহ আরও একজন এবং ইনটেল গ্রুপের সদস্যরা হত্যাকান্ডের সময় ঘটনাস্থলে উপস্থিত থেকে তথ্য সংগ্রহ ও রেকি করবে।

ইনটেল গ্রুপের সদস্যরা ৯ ফেব্রয়ারি শাহবাগ যায় এবং থাবা বাবাকে খোঁজা শুরু করে এবং এর ২/১ দিনের মধ্যেই থাবা বাবার বন্ধুদেরকে চিহ্নিত করার মাধ্যমে ব্লগার রাজিবকে চিনতে পারে। রাজিবকে চেনার পর ইনটেল গ্রুপের সদস্য এহসান রেজা রুম্মান শাহবাগ থেকে সাইকেলযোগে বাসে উঠা রাজিবকে অনুসরন করে মিরপুর-১০ নম্বর গোলচত্ত্বর পর্যন্ত যায় এবং প্রথম দিন রাজিবের বাসা চিহ্নিত করতে পারে নাই। এর পরে পুনরায় তাকে একইভাবে অনুসরন করে রাজিবের পল্লবী পলাশনগরের বাসা চিহ্নিত করতে সক্ষম হয়।

রাজিবের বাসা চিহ্নিত করার পরে কয়েকদিন ধরে ইনটেল গ্রুপের সদস্যরা তাকে রেকি করা শুরু করে এবং বিভিন্ন তথ্য সংগ্রহ করে। তারা রাজিব কখন বাসায় আসে,কখন বের হয়,কার সাথে ঘোরাফেরা করে এবং কি ধরনের কাজ করে সমস্ত বিষয় সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ করে। ইনটেল গ্রুপের সদস্য মাকসুদুল হাসান অনিক হত্যাকান্ড সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন অস্ত্র কেনা ও অন্যান্য খরচ বাবদ টাকা দিয়ে সাহায্যে করে থাকে। অনিক নিজেই বাড্ডা নতুন বাজারের একটি দোকান থেকে ৩০০০ টাকা দিয়ে চাপাতি ও ছোরা কিনে।

তথ্য সংগ্রহ ও যাবতীয় প্রস্তুতি শেষে ঘটনার দিন সবাই মিলে সাইকেলে ও বাসে চড়ে বিকাল ৪টার দিকে পল্লবীর পলাশ নগর¯’ রাজিবদের বাসার গলিতে অবস্থান নেয় এবং স্কুল ব্যাগ, ক্রিকেটের ব্যাট ও বল ইত্যাদি সাথে থাকে। আসামীরা সবাই মিলে গলিতে ক্রিকেটও খেলে এবং রাজিবের বাসায় ফেরার অপেক্ষায় থাকে।

সন্ধ্যার দিকে রাজিব যখন তার বান্ধবী তানজিলাকে বাসায় পৌঁছে দিয়ে পল্লবী বাইশটেকি হয়ে তার বাসার দিকে যাচ্ছিল তখন ইনটেল গ্রুপের সদস্যরা তাকে অনুসরন করে এবং বাসার গেইটের কাছাকাছি পৌঁছার পর এক্সিকিউশন গ্রুপের সদস্যদের একজন ফয়সাল বিন নাঈম তাকে চাপাতি দিয়ে রাজিবের ঘাড় থেকে মাথা আলাদা করার উদ্দেশ্যে ঘাড়ে কোপ দেয় এবং কোপে আহত হয়ে রাজিব অনুচ শব্দে চিৎকার করে দেয়ালে পড়ে যায় । তারপর ফয়সাল রাজিবকে চাপাতি দিয়ে এলোপাথাড়ি কোপাতে থাকে এবং আসামী অনিকও তার হাতে থাকা ছোরা দিয়ে এ হত্যাকান্ডে অংশ নেয়।

আসামীরা হত্যাকান্ড সংঘটিত করে দৌড়ে ঘটনাস্থলে ত্যাগ করে এবং হত্যাকান্ডে ব্যবহৃত একটি চাপাতি রাস্তার মোড়ের পানের দোকানের সামনে ফেলে যায়। থাবা বাবাকে হত্যা করার সময় আসামী নাঈম এর এলোপাথাড়ি কোপের একটি কোপ অনিকের পায়ের জুতায় লেগে পায়ের বুড়ো আঙ্গুলের কিছু অংশ কেটে যায় এবং অনিক রুম্মানের সাথে কাকরাইল এসে জুতাজোড়া খুলে জাতীয় চলচ্চিত্র প্রকাশনা অধিদপ্তরের পুকুর পাড়ে ফেলে যায়।
অনিক গ্রেফতার হবার পর তার সহায়তায় উক্ত জুতাজোড়া উদ্ধার করা হয়। গ্রেফতারকৃত আসামীরা ঘটনাস্থল হতে পালিয়ে যাবার সময় হত্যাকান্ডে ব্যবহৃত আরও একটি চাপাতি ও চারটি ছোরা শেরে বাংলা বালিকা উচ বিদ্যালয়ের রাস্তার পার্শ্বের ড্রেনের মধ্যে ফেলে যায়। তাদের সহায়তায় সেগুলো উদ্ধার করে মামলার আলামত হিসেবে জব্দ করা হয়। এ হত্যাকান্ডে আসামীরা একটি সাইকেল ও দুটি স্কুল ব্যাগ ব্যবহার করেছে, যা তাদের দেখানোমতে উদ্ধারপূর্বক জব্দ করা হয়।

প্রাথমিক তদন্তে আলোচিত এ হত্যাকান্ডের সাথে মোট ৭ জনের জড়িত থাকার প্রমান পাওয়া গেছে এবং গ্রেফতারকৃত ৫ জন ছাড়া পলাতক অপর ২ জন আসামীকে গ্রেফতার তৎপরতা অব্যাহত আছে।
এই জানোয়ারদের ফাসি চাই। প্রকাশ্যে ফাসি দেওয়া হোক এদের। ল্যামপোষ্টের সাথে ঝুলিয়ে ফাসি দিতে হবে।

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

২৯ thoughts on “ব্লগার থাবা বাবার হত্যা রহস্য উদঘাটন

  1. এই জানোয়ারদের ফাসি চাই।
    এই জানোয়ারদের ফাসি চাই। প্রকাশ্যে ফাসি দিতে হবে। ল্যামপোষ্টের সাথে ঝুলিয়ে ফাসি দিতে হবে।

  2. শুওরের বাচ্চাদের গ্যাঙে আর
    শুওরের বাচ্চাদের গ্যাঙে আর কারা আছে, এটা আগে বের হওয়া দরকার। ফায়ারিং স্কোয়াডে মারা উচিত সবগুলারে

  3. এই হত্যাকান্ড নিয়া অনেকেই
    এই হত্যাকান্ড নিয়া অনেকেই অনেক কথা বলছে এখন তারা কি বলবেন?
    যেদিন হত্যাকান্ডটি ঘটে অর্থাৎ ১৫ তারিখের পর বিভিন্ন মিডিয়াতে ঐ এলাকার প্রতক্ষ্যদর্শীরা জানান মাইক্রোবাস থেকে তার লাশটি ফেলে দেওয়া হয়,কিন্তু এখানে দেখছি অন্যরকম প্রমান।
    তবে যাই হোক খুনীদের শাহবাগে ছেড়ে দেওয়া হউক,তারাই এর বিচার করবে।

  4. আমরা আগে থেকেই অনুমাণ
    আমরা আগে থেকেই অনুমাণ করেছিলাম থাবা বাবাকে কারা নির্মমভাবে হত্যা করেছে। শুধু অপেক্ষায় ছিলাম তদন্ত রির্পোটের জন্য। এখন খালেদা জিয়া কি বলবেন? থাবার মৃত্যু আমাদেরকে আন্দোলনের জন্য অনুপ্রাণিত করেছে। অথচ জামায়াত-শিবিরের কুলাঙ্গাররা এই আন্দোলনকে স্তিমিত করার জন্য থাবাকে নৃসংশ্যভাবে হত্যা করেছে। জড়িতদের দৃষ্টান্তুমুলক শান্তি দাবী করছি এবং এর অন্তরালে যারা কলকাঠি নেড়েছে তাদেরও শাস্তি দাবী করছি।

  5. যাক অবশেষে সত্য উন্মোচন
    যাক অবশেষে সত্য উন্মোচন হল…… ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের গোয়েন্দা ও অপরাধ তথ্য (পশ্চিম) বিভাগ কে অনেক অনেক ধন্নবাদ

  6. হত্যা জায়েজ করা সুশীল শুয়োররা
    হত্যা জায়েজ করা সুশীল শুয়োররা এখন কি বলবে ? একটা নিস্রংস খুন কে জায়েজ করে খবর প্রকাশ করা আমার দেশ নামক পাকিস্তানী পত্রিকা এখনও বন্ধ হয় না কেন ?

  7. মূল হত্যাকারীদের একজন ছোটবেলা
    মূল হত্যাকারীদের একজন ছোটবেলা থেকেই আমার বন্ধু (ফয়সাল বিন নাঈম দীপ )বলতে গেলে একসাথেই বড় হওয়া – স্কুলে ক্লাসের প্রথম সারির ছাত্র ছিল সবসময়, খুব ভালো খেলোয়াড়, গেমস আর নেট নিয়েও পড়ে থাকত,.. এখনো বিশ্বাস করতে কষ্ট হচ্ছে কিভাবে ওর মত ছেলের পক্ষে এমন নৃশংস কাজ করা সম্ভব হলো ..
    ধর্মান্ধদের মগজধোলাই এর নমুনা দেখে এই প্রথম এতটা স্তব্ধ হলাম !

  8. এদের দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তি
    এদের দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তি দিতে হবে, যেন দেশের আর কোন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের স্টুডেন্ট এরকম জঙ্গি দলের সাথে জড়িয়ে না পড়ে। তানাহলে দেশ ফাকিস্থান/আফগানিস্থান হইতে বেশী সময় লাগবে না। এদের পালের গোদা কে সেটাও খুঁজে বের করতে হবে।

  9. সেই সাথে জামাত শিবিরের এই
    সেই সাথে জামাত শিবিরের এই নৃসংস হত্যাকে যারা ভিন্নখাতে প্রবাহিত করে ফায়দা লুটতে চেয়েছে সেইসব চুদির ভাইকে পোন্দানি

  10. পুলিশ আরো একবার প্রমান করল
    পুলিশ আরো একবার প্রমান করল আন্তরিকতা এবং কাজ করার স্বাধীনতা থাকলে যে কোন ধরনের লোমহর্ষক ঘটনার তদন্ত আর আসামীদের ধরার ব্যাপারে তাদের সফলতা নজর কাড়ার মত।অনেকেই প্রথমে ভেবেছিল আরেকটা জজমিয়া নাটক এর অবতারনা,আশা করি তাদের এই ধারনা কেটে গিয়েছে।দ্রুত ফাসীর দাবী জানাইলাম।

  11. জামায়াত-শিবিরের ভয়ংকর রূপ
    জামায়াত-শিবিরের ভয়ংকর রূপ প্রকাশিত হল আরেকবার এই হত্যাকাণ্ডের মাধ্যমে। ভয়াবহ এবং নির্মম।
    আশার কথা কিছু খুনি ধরা পড়েছে। বাকি যারা আছে তাদেরকেও ধরতে হবে এবং সেই সাথে শাস্তি দিতে হবে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি!

  12. রাজিবের হত্যাকারীদের ধরা হবে
    রাজিবের হত্যাকারীদের ধরা হবে এই আশা করি নাই। কিন্তু আজকে খবরটা পড়ে কিছুটা হলেও সাহস পেলাম। ল এন্ড অর্ডার,ব্যাক্তিগত নিরাপত্তা এগুলো এখন শুধুই শব্দ যার কোনো বাস্তব অস্তিত্ব নেই। তারপরও এমন একটি ঘটনার সত্যতা উদ্ধার করতে স্বমর্থ হওয়ায় পুলিশ ফোর্সকে ধন্যবাদ জানাই। এখন একটাই দাবি,এরা যেনো কোনো অবস্থাতেই জামিন না পায়। কারন একবার বেরোতে পারলে এরা পালিয়ে যাবে এইটা নিশ্চিত।আর যত শীঘ্র সম্ভব বিচার প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা। এইরকম আসামী ধরা পরে অনেক। সরকারও বাহাবা পায় কিন্তু পরে সেই আসামীদের কি হয় সেই আপডেট কিন্তু আমরা রাখিনা। ডেটের পর ডেট পরে আর টেবিলের নিচ দিয়ে টাকার খেলা চলে এবং অবশেষে তারা ছাড়া পেয়ে যায়,দুই চারজন হয়তবা কয়েকবছর জেল খাটে। তাই এদের আপডেটগুলোও যেনো নিয়মিত ব্লগে আসে সেই ব্যাপারে সংবাদমাধ্যমের সাথে জড়িত ব্লগার (যেমন এই পোস্টদাত্রী এবং উনার সংগী) রা নিয়মিত আপডেট দিবেন সেই দাবিও জানিয়ে গেলাম।

    থাবা কি লিখেছিলো সেটি এখন কোনো বিবেচ্য বিষয় নয়। লেখার জবাব লেখা দিয়েই দিতে হবে। থাবা কাউকে শারীরিক আক্রমন করেনি। অনুভুতিতে আঘাত লাগালে সেটি তার নিজস্ব ব্যাপার। এইজন্যে কাউকে শারীরিক আক্রমন করার কোনো প্রশ্নই উঠেনা,আর এরা ত খুনই করে ফেলল।

  13. থাবা কি লিখেছিলো সেটি এখন

    থাবা কি লিখেছিলো সেটি এখন কোনো বিবেচ্য বিষয় নয়। লেখার জবাব লেখা দিয়েই দিতে হবে। থাবা কাউকে শারীরিক আক্রমন করেনি। অনুভুতিতে আঘাত লাগালে সেটি তার নিজস্ব ব্যাপার।

    যারা করেছে তাদের কি আপনার মানুষ মনে হয় যে এই বোধ ওদের থাকবে

  14. ভালো লাগছে, কোন হত্যাকান্ডের
    ভালো লাগছে, কোন হত্যাকান্ডের পর এরকম পুঙ্খানুপুঙ্খ এরকম পাওয়া যায় না। ধন্যবাদ শামীমা মিতু। ফাঁসি চাই, সবাইকে ফাঁসিতে ঝুলাতে হবে।
    গোলাপী ম্যডামের মুখনিঃসৃত “বাণী” এবং তার একান্ত বাধ্যগত ভাঁড় মির্জা ফখরুর জোক্স শুনতে চাই।

  15. ডিবি কাজটা করে দেখিয়ে আরেকবার
    ডিবি কাজটা করে দেখিয়ে আরেকবার প্রমান করলো, তারা সদিচ্ছা থাকলে যেকোনও অসম্ভব কেসও সমাধান করে ফেলতে পারে।
    সাথে এটাও প্রমান করলো যে, সাগর-রুনী হত্যাকান্ডে আসলেই আরও অনেক বড় ও বেশি কিছু আছে।

    1. ফখরুল সাহেবরা মগবাজার থেকে যে
      ফখরুল সাহেবরা মগবাজার থেকে যে এডভাইস পায়, সেটাই করেন। এদের থেকে আপনি এখনো পজিটিভ কিছু আশা করেন? :মাথানষ্ট:

  16. I just wonder…is it a sin
    I just wonder…is it a sin to be an atheist? Is it a problem? If a person can be a believer…Muslim…hindu or Christian…why a person cannot be an atheist? Why? Why?

    ……………………..
    সম্মানিত অতিথি,
    আপনাকে ইস্টিশনে বাংলায় মন্তব্য করার জন্য অনুরোধ জানানো হচ্ছে। আমরা চাই এখানে সবাই বাংলা ভাষায় লিখুক এবং মন্তব্য করুক। আপনাকে ধন্যবাদ মন্তব্যে অংশ নেবার জন্য।

    -ইস্টিশন কর্তৃপক্ষ
    …………………………………………

  17. ‎…অভিশাপ দিচ্ছি নেকড়ের
    ‎…অভিশাপ দিচ্ছি নেকড়ের চেয়েও অধিক
    পশু সেই সব পশুদের।
    ফায়ারিং স্কোয়াডে ওদের
    সারিবদ্ধ দাঁড়
    করিয়ে নিমিষে ঝা ঝা বুলেটের….শামসুর রাহমান

  18. এ রকম সারা দেশে বিপথে যাওয়া
    এ রকম সারা দেশে বিপথে যাওয়া তরুন আর কত আছে এবং কোন কারনে এরা ধর্মান্ধ কসাই হয়ে যায় তা সবারই ভালোভাবে খতিয়ে দেখা দরকার। জামাতী জীবানু ধ্বংস করতে হবে। তবু কিছুটা স্বস্তি পাওয়া গেলো যে থাবা বাবার খুনিদের ধরা গেছে।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

− 4 = 1