যুদ্ধাপরাধী বিচার এখানেই থামাও,গণহত্যার বিচার চালু করো।

ভড়কাইয়েন না এখানেই শিরোনাম পইড়াই। ইস্টিশনে আসছেন একটু মন দিয়া তো পড়াই লাগে।
গত কয়েকদিন ধইরা দ্যাশের অবস্থা কেমন তা আর নয়া কইরা গ্যানীগো নাইবা কইলাম,তয় অবস্থা প্রেক্ষিতে যা দ্যাখতাসি তাতে কইরা এই কথা সুস্পষ্ট যে ঐ জাত শুয়োরের বাচ্চা ফাকিস্তানি দালাল জামাতিরা এই দেশে সংখ্যালঘু হইয়াও তারা হুলুস্থুল কান্ড ঘটাইতে ক্ষেমতা রাখে। কয়েকটা ভিডিও দেইখ্যা মাথায় যা আইসতেছে তা হইলো জামাতীরা যহনে হামলা চালাইতে আসে তহন হজ্ঞলেই পুটু বাচাইতে পুটুতে দুইহাত দিয়া ঢাইক্ক্যা বনে জঙ্গলে লুকাইয়া থাকে আর তারা তান্ডব চালাইয়া যাইবার পর হাউমাউ কইরা কাইন্দা ভাসাইয়া ফালাইতাসে। তয় এইডা কইলাম নয়া কিছু না,যুগ যুগ ধইরা এই একই নিয়ম দেইখ্যা অভ্যস্ত,কিন্তু হামলা চালাইতে আইলে সকলে একজোট হইয়া প্রতিবাদ জানাইতে সাহস করি না, যার ফলে আইজকার দিনে বিম্পিও সন্ত্রাসী/জঙ্গী হামলা চালাইয়া উল্টা তারাই কইতাসে সরকার নাস্তিকগো কথা হুইনা গণহত্যা চালাইতাসে। অবইশ্য এহন তারা তাগো কথারে সইত্য বইলা প্রমানে আপ্রান চেষ্টা চালাইতেসে। আর পাখির লাহান এই হত্যার লাইগ্যা তারা দুষী করতাসে সরকাররে। অবশ্য তাদের মতে বিয়াল্লিশ বছর আগে ঘইটা যাওয়া এইসব বিচারের কুনুই মানে নাই,কেননা এই বিচারে তাদের মাঝেও বীরাঙ্গনা শ্রেণীর ভিক্টিম আছে,তয় বীরাঙ্গনা যদি সেইটারে অপরাধ মনে না কইরা সুখ মনে করেন তাইলে কিছুই কওয়ার নাই।
যেহেতু সুখ পাইছেন তারা তাইলে তো বিচারের মানে নাই,তাই আমার মুনে অয় এইজন্যি তারা নৈতিকভাবে জামাতীগো সমর্থন সমেত এই বিচার তারা চায় না। যার ফলে তারা যাইয়া এই যুদ্ধাপরাধ বিচার বানচালের লাইগ্যা যতরকমের ক্ষমতা তাগো আছে সব প্রয়োগ করতাসে জোট বাইন্ধ্যা আর এর শিকার হইতেসে দ্যাশের সাধারন জনগন। আর সেই শিকার হইতে পুটু বাচাইতে পাব্লিক প্রতিবাদ না কইরা দৌড়াইয়া জান বাচাইতেসে,যারা দৌড়াইয়া সীমানা পার হইতে ব্যর্থ হইতাসে তারা পাখির মত গুলি খাইয়্যা মরতাসে।

পুটু বাচানো জনতা অহন চাইতাসে এইসব ধুনফুন বন্ধ হউক। আবার জামাতী থুক্কু তৌহিদি জনতার প্রচারে অনেক ধম্মফ্রিয় জনতা চাইতাসে এইসব নাস্তিক আন্দোলন এখানে শ্যাষ হউক,নাইলে দেশ থিক্কা ধম্ম উইডা ফাকিস্তান যাইতাসে গা, তাই এইডা বাচাইতে আন্দুলনে নামো। তয় শান্তিফ্রিয় জনতা সমইস্যা সমাধানে চাইতাসে সেনাবাহিনী নামুক,নাইম্ম্যা সাইরা সবডিরে দেদারছে পিডাক,দেশে শান্তি আনুক এই শান্তির দুতেরা,দরকার নাই শালার বিচার-ফিচারের,খাইয়্যা পইড়া হাইগ্যা ঘুমাইয়্যা বাচতে পারলেই হইলো।

জনতা যহন এভাবেই চাইতাসে তহন হয়ত সেনাবাহিনী নামবো,নাইমা পিডাইয়া হাড়গোড় এক কইরা সব লাইনে আনবো,এরপর নির্বাচন দিবো,তৌহিদি জনতা প্রচারে নামবো (চান্দে,আসমানে,বিচিতে,বিষ্ঠায় সর্বত্র তাদের উপস্থিতি দেখাইবো), শান্তিপ্রিয় জনতা দূর্ভোগ থিক্যা বাচতে দ্যশনেত্রীরে হয়তো ক্ষেমতায় আনবো আর উনি গদিতে বইসাই শুরু করবো গণহত্যার বিচার,যার একটুস কইরা আভাস আইজকা আমরা এসিরুমের চাইরদেয়ালে ভিত্রে বইসা আন্দুলুনকারী রিজভী সাবের সম্বাদ সম্মেলন হইতে আন্দাজ করতে পারি।

আমার দৃষ্টিতে গণহত্যার আসামী করা হইবো এরকম কয়েকজন হইলোঃ-

ডাঃ ইমরান এইচ সরকার
বাধন স্বপ্নকথক
মারুফ রসুল
অমি রহমান পিয়াল
আরিফ জেবতিক
নিঝুম মজুমদার
ডাঃ সেলিনা মাওলা
আনিস রায়হান
মহামান্য কহেন
নূর নবী দুলাল
নির্ঝর মজুমদার

সহ ম্যালা তরুন গণহত্যা আসামীদের যারা শুধু অনলাইনেই জাগরণ দেয় নাই,বিভিন্ন মিডিয়াতে যাইয়া খোমা দেহাইয়্যা গণহত্যায় উস্খানী দিছে বইলা আসামী করবো,আর এদের গডফাদার/মুল হোতা হিসেবে দেশের বর্তমান স্বাধীনতার স্বপক্ষের বুদ্ধিজীবীগো দাড় করানো হইবো। দ্যাশজুইড়া শুরু হইবো গণতন্ত্র মঞ্চ,সেখানে শ্লোগান আইবো

ই তে ইমরান – তুই জয় বাংলা তুই জয় বাংলা
ব তে বাধন – তুই জয় বাংলা তুই জয় বাংলা
ম তে মারুফ – তুই জয় বাংলা তুই জয় বাংলা
প তে পিয়াল – তুই জয় বাংলা তুই জয় বাংলা
আ তে আরিফ – তুই জয় বাংলা তুই জয় বাংলা
ন তে নিঝুম – তুই জয় বাংলা তুই জয় বাংলা

এইরকম কইরা শ্লোগান দিবো আর কইবো,ফাঁসি ফাঁসি ফাঁসি চাই,জয় বাংলার ফাঁসি চাই।

তো সাধারন আমজনতা আইসো শান্তির স্থাপন করি,গুল্লি মারি ৭১ এর চেতনা,বাচতে পারলে নিজের নাম,দ্যাশে থাউক রাজাকারেরা মন্ত্রী,৭১ এ যারা যুদ্ধ করছে স্বাধীনতার লাইগ্যা সবডিরে একদিন এই দ্যাশে তালেবান কায়েম কইরা মুরতাদ ঘুষণা করা হইবো।
কথা খালি একটাই নিজের পুটু বাচানোই ফরজ।

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

৩ thoughts on “যুদ্ধাপরাধী বিচার এখানেই থামাও,গণহত্যার বিচার চালু করো।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

61 + = 66