ডাক্তার দের ভুল এবং চিকিৎসায় অবহেলা আসলে কি ? বাংলাদেশ ও বিশ্ব প্রেক্ষিত ! – পর্ব ২

এই পর্ব টি যখন লিখছি তখন আমাদের দেশে চিকিতসক এবং সাংবাদিক দুটি পেশার মানুশেরা প্রায় আক্রমণাত্মক ভাবে মুখোমুখি অবস্থান নিয়েছেন। আশ্চর্য জনক হচ্ছে এই উভয়ের পেশার সাথেই জড়িত রয়েছে বিপুল কারগরি দক্ষতা ও কঠোর নৈতিক পেশাগত আচরন এর বাধ্যবাধকতা। অবস্থা দৃষ্টে সত্যি ই সন্দিহান হয়ে পড়ছি যে এই দুই পেশার মানুষেরা তাঁদের পেশার কারিগরি দিকটি যত ভালো বোঝেন, নৈতিক ও আচরণগত দিকটি ততটা ভালো বোঝেন কি না। শুরু থেকেই আমার পরিকল্পনা এই ধরনের সাম্প্রতিক বিতর্কের বিষয় গুলি কে এই সিরিজের সর্বশেষ পর্বে লেখার, তাই অনুগ্রহ করে আসুন আমাদের আলোচনা কে পথভ্রষ্ট না করি।

আরেকবার বলে নিচ্ছি এই লেখার উদ্দেশ্য কোনও পারস্পরিক দোষারোপ বা “ব্লেইম গেইম” নয়, বরং এই লেখার উদ্দেশ্য –

১ – যে পাঠকেরা (ডাক্তার – রোগী বা অন্যান্য পাঠক) এই বিষয় গুলো তে খুব বিশদ ধারণা রাখেন না তাঁদের কে বিষয় গুলোর তাত্ত্বিক, পেশাগত ও আইনী দিক টি জানানো।

২ – চিকিতসকের ভুল ও অবহেলার ক্ষেত্রে চিকিতসকের দৃষ্টিভঙ্গি ও করনীয় কি এবং রোগীর দৃষ্টিভঙ্গি ও অধিকার সম্পর্কে জানানো এবং

৩ – কিভাবে চিকিতসকের ভুল বা অবহেলা এর পরিমান বা হার কমিয়ে আনা যায়

গত পর্বের শেষে বলেছিলাম এই পর্বে কিছু সুনির্দিষ্ট পরিসঙ্খ্যান উপস্থাপন করবো। একটি বিশেষ স্টাডি থেকে পরিসংখ্যান দেয়া যাক (১)। এটি একটি মার্কিন স্টাডি এবং খানিকটা ইচ্ছা করেই এই রকমের তুলনামূলক উপস্থাপনা করছি । তুলনা টি একটু অসম মনে হতে পারে, কিন্তু ভেবে দেখা দরকার যে আধুনিক প্রযুক্তি র সকল উপাদান থাকা সত্ত্বেও মার্কিন সমাজেও চিকিতসকের ভুল বা চিকিতসার ভুল এড়ানো সম্ভব হচ্ছে না। কারন গুলো কি ? কারন টি কি শুধুই এই যে চিকিতসকেরা যথেষ্ট মনযোগী নন তাঁদের কাজের প্রতি ? তারা যথেষ্ট ভালো মানুষ নন ? নাকি ভিন্ন কিছু ?

নির্দিষ্ট পরিসংখ্যান (Specific Statistics)

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জন্স হপকিন্স বিশ্ববিদ্যালয় এর একটি গবেষণা থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ইমারজেন্সি রোগী দের চিকিতসার বেলায় কি রকমের, কতটা ভুল বা অবহেলা হয়ে থাকে তাঁর একটি চিত্র তুলে ধরা যেতে পারে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের যেহেতু রোগীর অধিকারের বিষয় টি কঠোর আইন দ্বারা নিশ্চিত করা হয়ে থাকে, তাই যে ধরনের ভুল রোগীর জন্যে শারীরিক, মানসিক ও সামাজিক ক্ষতির কারন হয় তাঁর জন্যে সংশ্লিষ্ট চিকিতসক বা হাসপাতাল কে নানান রকমের আইনি ও অর্থনৈতিক দন্ডের সম্মুখীন হতে হয়। এই ধরনের পরিস্থিতি এড়ানোর জন্যে চিকিতসকেরা প্রায়শই অতিরিক্ত ইনস্যুরেন্স বা বীমা খরিদ করে থাকেন। সেই রকমের একটি বীমা জোট এর ড্যাটাবেইজ থেকে এই গবেষণার ফলাফল গুলো তুলে দেয়া হলো (১)

১৯৮৫ সাল থেকে ২০০৭ সাল যে সমস্ত রোগী রা কোনও না কোনও ভাবে ইমারজেন্সি (বা আকিউট) কোনও সেবা নিতে চিকিতসকের দারস্থ হয়েছেন, তাঁদের মধ্যে থেকে মোট ১১ ৫২৯ টি অভিযোগ নিবন্ধিত হয়েছে চিকিতসায় ভুল ও অবহেলা হিসাবে। সেই হিসাবে বছরে ৫০১ টি অভিযোগ এবং প্রতি দুই দিনে প্রায় ৩ টির মতো অভিযোগ রেজিস্ট্রি হয়েছে।

যে সমস্ত চিকিতসকেরা এই ভুল গুলো করেছেন আসুন দেখা যাক তারা কারা ? বিভিন্ন ভুলের অভিযোগে অভিযুক্ত চিকিতসক দের বিস্তারিত হিসাব টি দেখুন।

• অভিযুক্ত চিকিতসক দের ৯৬% হচ্ছেন ফুল টাইম বা পূর্ণ কালীন চিকিতসক (ফুল টাইম ডাক্তার রা অধিক দক্ষ হয়ে থাকেন কারন তারা নিয়মিত প্র্যাকটিস এ থাকেন)
• তাঁদের ৯৩% হচ্ছেন পুরুষ চিকিতসক (এটা মনে করার কোনও কারন নেই যে নারী চিকিৎসকরা ভুল করেন না, কারন আমরা জানিনা এই স্যাম্পল এ নারী পুরুষের অনুপাত কত টুকু ছিল্‌ )
• এই সকল চিকিতসক দের ৭৪% চিকিতসক হচ্ছেন আমেরিকান বোর্ড সারটিফায়েড (বিশেশজ্ঞ) চিকিতসক এবং
• এদের ৭১% হচ্ছেন আমেরিকান মেডিক্যাল ডিগ্রী ধারী (অর্থাৎ অভিবাসী বা বিদেশী চিকিতসক নন)।

উপরের পরিসঙ্খ্যন অন্তত এটুকু নিশ্চিত করছে যে চিকিতসকের ভুলের মূল কারন অনভিজ্ঞতা বা অপেশাদারিত্ত নয়, বরং অন্য কিছু। এই ড্যাটাবেইজ এর বেশীর ভাগ ভুল এর অভিযোগ বিশেষজ্ঞ চিকিতসক দের বিরুদ্ধে এবং যাদের বেশীর ভাগই আমারিকার মতো সব চাইতে উন্নত শিক্ষা ব্যবস্থায় মেডিক্যাল শিক্ষা নিয়েছেন।

এবারে আসুন দেখা যাক এই মোট ১১ ৫২৯ টি অভিযোগের কয়টি অভিযোগ হাসপাতালের কোন বিভাগ এর বিরুদ্ধে হয়েছিলো –

উপরের টেবিল এ দেখা যাচ্ছে মোট অভিযোগের প্রায় ২০% হচ্ছে জরুরী বিভাগের চিকিতসকের বিরুদ্ধে, অর্থাৎ চিকিতসয়ায় সন্তুষ্ট নন এমন প্রতি পাঁচ জনের একজন জরুরী বিভাগের ডাক্তার দের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছেন। ব্যাপার টি কি বাংলাদেশেও একই রকমের নয় ? জরুরী রোগীদের অভিযোগ বেশি থাকে এবং সেটার খুব সঙ্গত কারন ও থাকে বেশীর ভাগ সময়ে। একবার ভেবে দেখুন এই রোগীদের প্রত্যেকেই কিম্বা একাংশ ও যদি এই সকল ডিপারটমেন্ট গুলো তে গিয়ে হামলা চালাতেন, তাহলে হাসপাতাল ও চিকিতসা ব্যবস্থার কি হাল হতো !

পরবর্তী টেবিল এ খেয়াল করে দেখুন, মোট ১১ ৫২৯ টি অভিযোগের পরীক্ষা নিরিক্ষা করার পরে মধ্যে ২ ০৯১ টি অভিযোগের কোনও ভিত্তি পাওয়া যায় নি, অর্থাৎ শতকরা প্রায় ১৮ ভাগ অভিযোগের সত্যতা মেলেনি, তাঁর মানে হলো প্রায় ৮২ শতাংশ অভিযোগে কোনও না কোনও ভুল পাওয়া গেছে। অর্থাৎ রোগী যখন অভিযোগ করেন তাঁর বেশীর ভাগ ক্ষেত্রেই আসলে কোনও না কোনও ধরনের ভুল বা অবহেলা ঘটে থাকে। সুতরাং বাস্তবতা বলছে, রোগীর অভিযোগ কে হালকা করে দেখার কোনও সুযোগ নেই। টেবিল টি তে খেয়াল করে দেখুন কোন ধরনের ভুল কতো টি বা কি হারে হয়ে থাকে। কনফিউশন এড়ানোর জন্যে আলাদা কলাম এ মূল ইংরেজি টার্ম বা নাম গুলো দিয়ে দিলাম।

উপরের টেবিল থেকে খেয়াল করে দেখুন যে সবচাইতে বেশী সংখ্যক ভুল হয়েছে রোগটি ডায়াগনোসিস করার ক্ষেত্রে এবং যথাযথ ব্যবস্থা নিতে না পারার ঘটনা ঘটেছে মাত্র ৪% ক্ষেত্রে। আজকের আধুনিক যুগে আমরা জানি, রোগ ডায়াগনোসিস করার ক্ষেত্রে ডাক্তার এর একক ব্যক্তিগত মেধা আর এখন যথেষ্ট নয়, এখানে বিভিন্ন রকমের ডায়াগনস্টিক টেস্ট বা পরীক্ষা একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। ডায়াগনস্টিক টেস্ট এর সাথে ডাক্তার, টেকনিশিয়ান এবং অনেক আধুনিক জটিল যন্ত্রপাতি জড়িত এবং ভুলের উৎস টি এদের যেকোনো স্থান থেকেই হতে পারে। প্যথলজি ডাক্তার বা টেকনিশিয়ান এর ভুল হতে পারে বা যে যন্ত্র টি ব্যবহার হচ্ছে তার ও কোনও সমস্যা হতে পারে।

উপরের চার্ট বা টেবিল এ (টেবিল ৩) দেখা যাচ্ছে যে সমস্ত রোগীরা ভুল চিকিতসার অভিযোগ এনেছেন তাঁদের প্রায় ৩৬% রোগীর মৃত্যু হয়েছে এই সমস্ত জরুরী রোগ বা অসুস্থতায় এবং যেখানে চিকিতসক বা চিকিতসা ব্যবস্থার কোনও না কোনও ত্রুটি ছিল (একথা বলা যায় যে, অন্তত ৮২% ক্ষেত্রে কোনও না কোনও ত্রুটি হয়ত ছিলো)। লক্ষ করে দেখুন কিছু সংখ্যক রোগী চিকিতসকের ভুল এর জন্যে চিরস্থায়ী ক্ষতির সম্মুখিন হয়েছেন। আবার কারো কারো ক্ষতির পরিমান ছিল সামান্য এবং স্বল্পস্থায়ী।

চিকিতসা বিজ্ঞানের ক্ষেত্রে পৃথিবীর সব চাইতে উন্নত একটি দেশের উদাহরন ও পরিসংখ্যান দেবার উদ্দেশ্য কোনও মতেই বাংলাদেশের ডাক্তার দের ক্লিনিক্যাল এরোর কে জায়েজ বা জাস্টিফাই করা নয়। বরং শুধু এটুকুই আবারো বলা যে সমস্যা টি একটি বাস্তব সমস্যা এবং এটি শুধুমাত্র বাংলাদেশ বা উন্নয়নশীল দেশ গুলোর সমস্যা নয় এটা একই রকমের সমস্যা কারিগরি উন্নতির দিক থেকে পৃথিবীর সব চাইতে অগ্রসর দেশ গুলোর জন্যেও। এটা এড়ানোর অতীত একটি দুঃখজনক বাস্তবতা। প্রশ্ন হচ্ছে চিকিতসক এবং চিকিতসা ব্যবস্থা এই ভুলগুলোর বিষয়ে কিভাবে রেসপন্স বা প্রতিক্রিয়া দেখায়, কিভাবে প্রতিক্রিয়া দেখানো উচিত, চিকিতসা সংক্রান্ত যেকোনো ভুলের ক্ষেত্রে ডাক্তার, রোগী ও প্রতিষ্ঠানের দায়দায়িত্ত কি এই বিষয় গুলোর উপরে সুস্পষ্ট আইনী ও পেশাগত পদ্ধতি গুলো কি ? সমাজে এই আইনি ও পেশাগত বিধি বিধান গুলোর প্রয়োগ কতটুকু আছে ? সর্বোপরি, চিকিতসক, অন্যান্য স্টাফ এবং প্রতিষ্ঠান এই ভুল গুলো থেকে কি আদৌ কোনও শিক্ষা নিচ্ছেন ?

এবার আসুন উন্নয়নশীল দেশ গুলোর কিছু পরিসংখ্যান দেখি (টেবল ৪)। নিচের টেবল বা চার্ট এ আটটি উন্নয়নশীল দেশের গড় হিসাব দেখা যাচ্ছে (২)। তুলনামূলক ভাবে দেখা যাচ্ছে চিকিতসকের ভুলের কারনে মৃত্যুর হার উন্নত বিশ্বের চাইতে খানিক টা কমই ! যদিও নানান বাস্তব কারনে এই রকমের স্টাডি গুলোর মধ্যে তুলনামূলক বিশ্লেষণ করাটা যথাযথ নয়, তবুও অন্তত পক্ষে এক ধরনের মোটা দাগের হিসাব পাওয়া যায় এবং দেখা যাচ্ছে যে চিকিতসকের ভুলের কারনে মৃত্যু ও অন্যান্য ক্ষতির পরিমান কম বেশী একই রকমের।

দুর্ভাগ্যজনক ভাবে এই প্রশ্নগুলোতে বাংলাদেশের পরিসংখ্যান বিরল। বাংলাদেশের চিকিতসকদের নিয়ন্ত্রন সংস্থা বিএমডিসি (http://bmdc.org.bd/ ) এর অফিসিয়াল ওয়েব সাইট এ এ সংক্রান্ত কোনও তথ্য – পরিসংখ্যান নেই। আইন ও সালিশ কেন্দ্রের প্রদত্ত তথ্য অনুযায়ী ২০০৭ সালের জানুয়ারি থেকে অক্টোবর পর্যন্ত মাত্র দশ মাসে চিকিৎসায় অবহেলা জনিত ৭০টি মৃত্যুর অভিযোগ এসেছে (৩), যদিও এই সকল মৃত্যুর সঠিক কারন আনুষ্ঠানিক ভাবে পরীক্ষা করে দেখা নাও হয়ে থাকতে পারে, কারন এই ঘটনা গুলোর বেশীর ভাগ অভিযোগকারী দের কাছ থেকে সংগ্রহ করা।

বটম লাইন
এতো সব তাত্ত্বিক আলোচনা ও বিভিন্ন স্টাডি থেকে পরিসংখ্যান উল্লেখ করার উপসংহার টি হচ্ছে
১ – ডাক্তার রা ভুল করেন, চিকিতসা করতে গিয়ে এই সমস্ত ভুলের পরিমান নেহায়েত কম নয়
২ – সকল ভুলের দায় “ব্যাক্তি” চিকিতসকের উপরে চাপানো টি আরেকটি বড়ো ভুল, চিকিতসার ভুলের অসংখ্য কারনের একটি কারন হচ্ছে ডাক্তার বা চিকিতসকের ব্যক্তিগত ভুল
৩ – চিকিতসকের ভুল এর প্রধান ক্ষতি গ্রস্থ পক্ষ হচ্ছে রোগী নিজে, কখনও কখনও রোগীর পরিবার ও আত্মীয় স্বজন।
৪ – চিকিতসকের ভুলের কারনে যে ক্ষতি হতে পারে তা কখনও কখনও টাকা বা অর্থনৈতিক ভাবে পুরন যোগ্য নয়
৫ – চিকিতসার বিরুপ প্রতিক্রিয়া বা ভুল গুলো কে কমিয়ে আনার প্রধান দায়িত্ব অবশ্যই চিকিতসক ও সংশ্লিস্ট অন্যান্য কর্মী এবং প্রতিষ্ঠানের
৬ – চিকিতসকের বা চিকিতসার ভুল কমিয়ে আনার প্রথম করনীয় হচ্ছে ভুল টি স্বীকার করা আর তা করতে হবে রোগীর কাছেই, এর কোনও বিকল্প নেই।

আগামী পর্বে আলোচনা করবো, চিকিতসকের বা চিকিতসার ভুল কে কমিয়ে আনার জন্যে উন্নত ও উন্নয়নশীল দেশগুলো কি ভাবছে এবং বাংলাদেশে আমাদের কি অবস্থা। চিকিতসকের বা চিকিতসার ভুল এর ক্ষেত্রে চিকিতসকের, সংশ্লিস্ট প্রতিষ্ঠানের এবং রোগীদের কি কি করনীয় থাকতে পারে।

ততক্ষণ পর্যন্ত সবাই ভালো থাকুন।

রেফারেন্স সমুহ
1. Brown TW et al, 2010, An epidemiologic study of closed emergency department malpractice claims in a national database of physician malpractice insurers, Acad Emerg Med. 2010 May;17(5):553-60. doi: 10.1111/j.1553-2712.2010.00729.x.

2. R M Wilson et al, 2012, Patient safety in developing countries: retrospective estimation of scale and nature of harm to patients in hospital, BMJ 2012;344:e832

3. http://opinion.bdnews24.com/bangla/archives/4870

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

১২ thoughts on “ডাক্তার দের ভুল এবং চিকিৎসায় অবহেলা আসলে কি ? বাংলাদেশ ও বিশ্ব প্রেক্ষিত ! – পর্ব ২

  1. অনেক তথ্য জানলাম। এই ধরনের
    অনেক তথ্য জানলাম। এই ধরনের তথ্যসমৃদ্ধ পোস্টের জন্য ব্লগে ছুটে আসি। পরবর্তী পর্বের অপেক্ষায় রইলাম।

  2. দুর্ভাগ্যজনক ভাবে এই

    দুর্ভাগ্যজনক ভাবে এই প্রশ্নগুলোতে বাংলাদেশের পরিসংখ্যান বিরল। বাংলাদেশের চিকিতসকদের নিয়ন্ত্রন সংস্থা বিএমডিসি ( http://bmdc.org.bd/) এর অফিসিয়াল ওয়েব সাইট এ এ সংক্রান্ত কোনও তথ্য – পরিসংখ্যান নেই।

    সর্ষের ভিতরেই ভুত!
    পরিসংখ্যান দেখলে ডাক্তাররা নিজেরাই হার্ট এটাক করে মেডিকেলে ভর্তি হতে হবে!

  3. সারওয়ার ভাইকে ধন্যবাদ এমন
    সারওয়ার ভাইকে ধন্যবাদ এমন একটি তথ্য উপাত্ত মূলক লেখা চালিয়ে যাবার জন্য। এটা আমাদের চিকিৎসক সমাজের জন্য জানাটাও জরুরী। আমি মনে করি, কেউ ভুলের উর্ধ্বে নয়। কিন্তু গুরুত্বপুর্ন বিষয় হচ্ছে, ভুল থেকে সে শিক্ষা নিয়ে ভুল শোধরানোর চেষ্টা করছে কিনা?

    1. বাঙালীর রক্তে আছে শুধুমাত্র
      বাঙালীর রক্তে আছে শুধুমাত্র বিপ্লব। ভুল স্বীকার বা ভুল থেকে শিক্ষা নেওয়ার ইতিহাস তেমন একটা চোখে পড়ে না।

  4. বাংলাদেশের ডাক্তাররাই অকর্মের
    বাংলাদেশের ডাক্তাররাই অকর্মের ঢেকি। তাদের স্বপক্ষে এই ধরনের তথ্য ও ডাটা মানুষের কাছে শেয়ার করতে না পারার ব্যর্থতার কারণেই সাধারণ মানুষের মনে ডাক্তারদের বিষয়ে ভুল ধারনা তৈরী হয়েছে। ক’জন ডাক্তার এসব তথ্য জানে বা মানুষের কাছে শেয়ার করেছে? অনলাইনের সব ডাক্তারদের উচিত এসব তথ্য সাধারণের মাঝে শেয়ার করা।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

+ 35 = 38