সরকারী জমি লুটছে মন্ত্রী-এমপিরা

আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় আসার পর ঢাকা শহরে মধ্যবিত্তদের আবাসন সমস্যাকে সহজতর করার লক্ষ্যে উত্তরায় একটি প্রকল্প নেয়। এখানে ৩, ৫ ও ৭.৫ কাঠা আয়তনে জমির সিলিং ঠিক করে জনগণের মধ্যে বরাদ্দের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। এ জন্য নাগরিকদের উন্মুক্ত ফরমের মাধ্যমে নির্দিষ্ট পরিমান অর্থ দিয়ে আবেদন করতে আহবান জানায় সরকার। শর্ত থাকে যে, যাদের ঢাকা শহরে জায়গা আছে তারা আবেদন করতে পারবেন না। হাজার হাজার মানুষ এতে আবেদন করেন। কিন্তু কথিত লটারির মাধ্যমে যারা জমি বরাদ্দ পেয়েছেন তারা আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্য, মন্ত্রী, বিচারক, সাংবাদিক, আমলারা। আর সাধারণ মানুষ আঙ্গুল চুষেছে। শুধু জায়গা বরাদ্দ পেয়েই এসব প্রভাবশালীরা থেমে থাকেনি। বরং ৩, ৫ কাঠার আয়তনের জায়গা তারা ৫ ও ১০ কাঠায় পরিণত করেছেন। এই তালিকায় কে নেই? ক্লিন ইমেজ থেকে শুরু করে দাপুটে মন্ত্রী এমপিরা আছেন। তালিকায় আছেন আওয়ামী লীগের ফাটা কেস্ট ওবায়দুল কাদের থেকে শুরু করে মমতাজ বেগম পর্যন্ত শিল্পী সাধুরাও।


রাজউক কর্তৃক মন্ত্রীদের নামে অতিরিক্ত জায়গা বরাদ্ধের চিঠি


রাজউক কর্তৃক বরাদ্ধের তালিকা

বিষয়টি নিয়ে সম্প্রতি দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) তদন্ত করলে এসব সত্য বেরিয়ে আসে। গত ১৩ এপ্রিল দুদকের পরিচালক প্রশাসন মুহাম্মদ মাহবুবর রহমান এ সংক্রান্ত একটি তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিয়েছেন। তবে শর্ষে ক্ষেতেই ভুত। কারণ এই প্লট কেলেঙ্কারির সাথে দুদকের তিন গুরুত্বপূর্ণ কর্মকর্তা জড়িত। আছেন আওয়ামী লীগের মন্ত্রী এমপিরা। এ কারণে দুদকের তদন্ত আর এগোয় না। ফাইল চলে গেছে হীমঘরে। হীমঘরে জন্মের ঘুমে আচ্ছন্ন থাকা ফাইল ঘেটে পাওয়া গেছে নিচের সব রাঘব বোয়ালের সম্পৃক্ততা।


ওবায়দুল কাদের

ফাটা কেস্ট ওবায়দুল কাদের : আওয়ামী লীগের কথিত ক্লিন ইমেজধারী ওবায়দুল কাদের গণমাধ্যম দেখলেই কাতলা মাছের মত হা করে বিপ্লবী বুলি আউড়াতে থাকেন। সরকারের মন্ত্রী হবার আগেতো তিনি রিতিমত বিরোধী দলের চিফ হুইফের দায়িত্ব পালন করেছেন। মন্ত্রী হবার পর মুখের লাগাম খানিকটা কমলেও নানান বিষয়ে তিনি জাতীর বিবেকেরা চরিত্র ধারণ করেন। মাঠে ময়দানে কাদার মধ্যে নেমে যান অনায়সে। সততার পরাকাষ্ঠা হিসেবে মিডিয়া তাকে ইতিমধ্যে ‘ফাটাকেস্ট’ আখ্যা দিয়েছেন। সেই ফাটাকেস্ট ওবায়দুল কাদের উত্তরায় ৫ কাঠার একটি প্লট পেয়েছিলেন। কিন্তু মন্ত্রী বলে কথা। মন্ত্রীর বাড়িতো আর ৫ কাঠার ওপর থাকলে মান সম্মান কিছু থাকে না। এ কারণে ৫ কাঠার জমিটি বাড়িয়ে তা ১০ কাঠা করা হয়েছে।


সুরঞ্জিত সেন

রেলের ‘কালো বেড়াল’ সুরঞ্জিত আবারও : তিনি কোন সোজা কথা সোজা ভাবে বলতে পারেন না। যে কোন কথা তিনি ঠোট বাকিয়ে তাচ্ছিলের সুরে বলবেন। তিনি ছাড়া বাংলাদেশে আর কোন মানুষ সংবিধান বোঝে না। সংসদীয় পদ্ধতির ব্যবস্থা দেশে তিনি সব থেকে ভাল বোঝেন। এ কারণে তিনি সংসদীয় পদ্ধতির বাইরে অন্য কোন চোরাপথে ক্ষমতায় আসার তীব্র বিরোধীতা করে থাকেন। গেলবার সরকার যখন তত্বাবধায়ক সরকার বাতিল করে প্রধানমন্ত্রীর অধীনে নির্বাচন করার ঘোষণা দিলো তখন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পক্ষে সব থেকে সোচ্চার ছিলেন সুরঞ্জিত সেন গুপ্ত সংক্ষেপে সেন বাবু। এক সময়ের কমিউনিস্ট সমাজতন্ত্রী সেন বাবু নিয়ে অনেক বক্তব্য আছে। তার মধ্যে অন্যতম হলো সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের পক্ষে কথা বললেও সেই সেন বাবুই সিলেটে সংখ্যালঘুদের জমি দখল করে সেন মার্কেট নির্মাণ করেছেন। এমনিতেই জমিদারী বংশের ছেলে। বাপ দাদার কমতি নেই কিছুতেই। তারপরও রবীন্দ্রনাথ একটা কথা বলে গেছেন না- ‘এ জগতে হায় সেই বেশি চায়, আছে যার ভুরি ভুরি’। সেন বাবুরও চাই ভুরি ভুরি। রেলের বস্তাভর্তী টাকা নিয়ে বিপাকে থাকা সেন বাবু ঢাকার পূর্বাচলে সাড়ে সাত কাঠার একটি প্লট নিয়েছেন। যদিও সেন বাবুর একটি বাড়ি আছে ঢাকার ঝিগাতলায়। কিন্তু তারতো আরো চাই। এ কারণে সাড়ে সাত কাঠার প্লটটি তিনি দশ কাঠা বানিয়ে নিয়েছেন।


মুরাদ জং ও রানা

মুরাদ জং এমপি : সাভারের কিং খ্যাত তৌহিদ মুরাদ জংয়ের প্রধান আয় জলাশয় দখল করে জমি ভরাট, গার্মেন্টের জুট ব্যবসার নিয়ন্ত্রণ এবং গার্মেন্ট মালিকদের কাছ থেকে চাঁদাবাজি। এভাবে তিনি হাজার কোটি টাকার সম্পত্তির মালিক হয়েছেন। এরকম জলাশয় ভরাট করে সংখ্যালঘু পরিবারের দখলকৃত জায়গায় মুরাদ জংয়ের ভাব শীর্ষ রানা গড়ে তোলেন রানা প্লাজা। এরপর সেই ভবনের নিচে ১১’শ মানুষ চাপা পড়ে নিহত হয়। বহু নাটকের পর রানা গ্রেপ্তার হলেও রানা গডফাদার মুরাদ জং থেকে গেছেন আবডালেই। হাজার কোটি টাকার মালিক হওয়ার পরও তার আরো চাই। এ কারণেই তিনি উত্তরায় ৫ কাঠার একটি প্লট দলীয় প্রভাবে বাগিয়ে নেন। তবে এতেতো আর ক্ষমতার দাপট খুব বেশি দেখানো গেলো না। ক্ষমতার দাপট দেখাতেই জমির পরিমান দ্বিগুন করা হলো।


কৌকিলকন্ঠী মমতাজ এমপি

মমতাজ বেগম এমপি : মানিকগঞ্জের প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে উঠে আসা এই গায়িকার রাজনৈতিক কোন ক্যারিয়ার ছিলো না। তবে বিএনপি-জামায়াত জোট আমলে মহাচোর তারেক রহমানকে তেল দিয়ে একাধিক গান গেয়েছেন গায়িকা মমতাজ। সে সময় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্যের সামনের এক অনুষ্ঠানে ছাত্রদলের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে তারেক রহমানকে নিয়ে সেই গান গেয়ে নেতা কর্মীদের উজ্জিবিতও করেছেন। সে সময় হয়তো মমতাজ বেগমের তারেক রহমানের জন্য ‘বুকটা ফাইট্যা’ যেতো। এখন হয়তো জয় বা স্বাধীনতার পক্ষের শক্তির জন্য ফাইট্যা যায়। গায়িকা মমতাজ পূর্বাচলে ৩ কাঠার একটি প্লট তিনগুনের বেশি বাড়িয়ে দশ কাঠা করেছেন। কে জানে, হয়তো তারেক রহমানরা ক্ষমতায় এলে তিনি হয়তো গুলশান লেকের ওপরই বাড়ি বানানোর আব্দার পুরণ করতে পারবেন। রাজনীতিতে যেহেতু শেষ কথা বলে কিছু নেই।


আনিসুল হক মাহমুদ

আনিসুল হক মাহমুদ মন্ত্রী (জাতীয় পার্টির মন্ত্রী) : কথিত ক্লিন ইমেজের অধিকারী আনিসুল হক মাহমুদ। কিন্তু যিনি বিশ্ববেহায়া এরশাদের পার্টি করতে পারেন তিনি কোনভাবেই সৎ হবেন এটা পাগলেও বিশ্বাস করবে না। এ কারণেই সুযোগ পেয়েই উত্তরায় বরাদ্দ পাওয়া ৩ কাঠার প্লটটি ৫ কাঠা করে নিয়েছেন।


জাহাঙ্গির কবির নানক এমপি

জাহাঙ্গির কবির নানক এমপি : জাহাঙ্গির কবির নানক আওয়ামী লীগের ক্ষমতাবান রাজনীতিক। তার ক্ষমতার ওজন হিসেবে উত্তরার ৩ কাঠার প্লটটি ৫ কাঠা বানানো কোনমতেই অপরাধের পর্যায় পড়ে না।


এ.বি.এম ফজলে করিম এমপি

এ.বি.এম ফজলে করিম এমপি : ‘যে যায় লঙ্কায় সে হয় বীর’ এই প্রবাদ যে ভূমিতে সবাই মেনে নিয়েছে সেখানে ইকবালুর রহিমানের অপরাধকে বরং গুন হিসেবেই ধরা উচিত। তিনি যখন পূর্ত মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি ছিলেন তখন এ মন্ত্রণালয়ের দেওয়া উত্তরায় ৩ কাঠার একটি প্লট বরাদ্দ নেন নিজের নামে। আর সুযোগ বুঝে ৩ থেকে পরিধি বাড়িয়ে ৫ করে নেন।


শামসুল হক টুকু এমপি

শামসুল হক টুকু এমপি : সামসুল হক টুকু স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেছেন। পুলিশ র্যা বের তিনি ছিলেন দন্ডমুন্ডের কর্তা। এ কারণে তাকে যদি উত্তরা প্রকল্পে প্লট বরাদ্দ না দিতেন তাহলে হয়তো রাজউকের চেয়ারম্যানের ক্রসফায়ারই হয়ে যেতো। কে জানে ৩ কাঠার প্লটটি ক্রসফায়ারের ভয় দেখিয়ে ৫ কাঠায় পরিণত করেনি?

এ ছাড়া ক্ষমতার দাপট দেখিয়ে প্লট পাওয়ার পর তার আয়তন বাড়িয়ে নিয়েছেন যেসব রথি মহারথি তাদের তালিকায় আরো আছেন ইকবালুর রহিম এমপি ও চীফ হুইফ, পিনু খান এমপি, আব্দুল মান্নান এমপি, ওমর ফারুক চৌধুরী এমপি, শওকত মোমেন শাহজাহান এমপি, এবিএম আনোয়ারুল হক এমপি, আ. ম. ওবায়দুর এমপি, আ.ক.ম মোজাম্মেল হক এমপি, মুন্নজান সুফিয়ান এমপিসহ আরো অনেকে।

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

৩১ thoughts on “সরকারী জমি লুটছে মন্ত্রী-এমপিরা

  1. সব ষড়যন্ত্র। এসব বলে
    সব ষড়যন্ত্র। এসব বলে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার কাজে বাঁধা দেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে। এই দেশ স্বাধীন করেছে আওয়ামীলীগ। মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় পুরো দেশটার মালিক হচ্ছে আওয়ামীলীগের নেতা কর্মীরা। সেখানে ৫/১০ কাঠা নিলে ক্ষতি কি? পুরো দেশটাতো আর নিয়ে যাচ্ছে না! আপনি জামায়াতী। এসব বলে জামায়াতের হাতকে শক্তিশালী করছেন। ইসলামী ব্যাংক এখন পুরাই আওয়ামী ব্যাংক। দেশে মদিনা সনদ বাস্তবায়নের পথে সরকার এগুচ্ছে আর আপনারা এসব বলে বাঁধা দিচ্ছেন।

    1. শেহজাদ আমান শব্দটাও বাংলা না,
      শেহজাদ আমান শব্দটাও বাংলা না, নাম বদলে ফেলুন :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: পাকিস্তানি জনৈক খেলোয়াড়ের নামও মিল পাই।

          1. বুঝতেই পারতেছেন আকাশ ভাই! কি
            বুঝতেই পারতেছেন আকাশ ভাই! কি আর কমু আমি…! আওয়ামী পন্থি ইয়াবা গ্রুপ না থাকায় এখন ছুমিত ছাহেব আর ছওকত ছাহেব আমার ইয়ের পেছনে লাগিয়াছে।
            তেনারা আবার আম্লীগ করেন। ক্ষেইপা গিয়া কবে আবার আমারে গুম কইরা দেয়, বলা যায়না। এমনও হইতে পারে উনারা ‘আওয়ামী ব্লগার গুম কমিটি’র ছভাপতি আর ছম্পাদক!

            :কেউরেকইসনা: :কেউরেকইসনা: :কেউরেকইসনা: :কেউরেকইসনা: :কেউরেকইসনা:

  2. এইসব দুর্নীতির কথা বলে লাভ
    এইসব দুর্নীতির কথা বলে লাভ নেই। অপরিবর্তনীয় এই প্রথা। খেয়ে দেয়ে দেশের উন্নয়ন ঠিক রাখলেই হয়। :খাইছে: :কনফিউজড: :মাথানষ্ট:

  3. সত্যিই মন্ত্রী এমপিদের পুকুর
    সত্যিই মন্ত্রী এমপিদের পুকুর চুরির কাছে এইসব কয়েক কাঠার জমি বাগায়ে নেওয়াটা আমার কাছে কোন অপরাধই মনে হইতেছে না। এবং আমি সিওর এদেশের বেশীর ভাগ মানুষই এটাকে অপরাধ হিসেবে গননায়ই ধরবে না। বরং এই সামান্য (!) জমি না নিলেই বরং এই দেশের মানুষ মন্ত্রী এমপিদের ভোদাই আখ্যা দেবে। হুদাই আপনি ফাইল নিয়া ঘাটাঘাটি করলেন।

  4. চোর চুরি করলে মেনে নেওয়া যায়;
    চোর চুরি করলে মেনে নেওয়া যায়; চুরের ধর্মই চুরু করা।
    কিন্তু দেশের মানুষের ভোটে নির্বাচিত মন্ত্রী-এমপিরা যখন চুরি, ডাকাতি করে আবার মুখে ফেয়ার এন্ড লাভলী মেখে ইমেজ ক্লিন রাখার চেষ্টা করে তখন সেটা মেনে নেওয়া বড়ই কঠিন।

  5. কিছু দালিলিক তথ্য প্রমাণওতো
    কিছু দালিলিক তথ্য প্রমাণওতো দিবেন, নয়তো ধোপে টিকবে না ভায়া। আপনাকে যদি বিশ্বাস করি আমি, তাহলে আমাকেও বিশ্বাস করতে হবে আপনাকে। কারণ দালিলিক প্রমাণ ছাড়া আমিও বলতে পারি

    ক্লিন ইমেজধারী মুজাহিদুল ইসলাম সেলিমও ৩ কাঠার প্লট ৬ কাঠা করে নিয়েছেন!!!
    অথবা

    আনু মুহাম্মদও ৩ কাঠাকে ১০ কাঠা করে নিয়েছেন!!!

    আমি যেই দল সমর্থন করি স্বভাবতই দূর্বলতা থাকবে সেই দলের প্রতি। সুতরাং এই জাতীয় কিছু মেনে নিতে হলে দরকার পড়বে দালিলিক প্রমাণ। আপনি যেহেতু এখানে উল্লেখ করেছেন দুদকের তদন্তের কথা তাহলে সেই তদন্তের কিছু তথ্য তুলে ধরুণ। কেননা অনলাইনে এমন লেখা যে কেউ লিখতে পারে, প্রতিনিয়তই বালেরকেল্লাতে লিখে যাচ্ছে ছাগুরা আবঝাব-কাপটাপ টাইপ লেখা।

    1. এইগুলা কি কন !!! সেলিম ভাই
      :মাথাঠুকি: :মাথাঠুকি: :মাথাঠুকি: :মাথাঠুকি: :মাথাঠুকি:

      এইগুলা কি কন !!! সেলিম ভাই যতোদূর জানি হাজার হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সংযোগ দিতে চাইসিলেন। হয়তো জমি জিরাত বেচতে হইবে সেজন্য জমির পরিমান বাড়ায় নিসিলেন। আনু স্যার হয়তো কয়লা/গ্যাসের টার্গেটে বাড়ায় নিসিলো। সঠিক জানি না … :আমারকুনোদোষনাই: :আমারকুনোদোষনাই: :আমারকুনোদোষনাই:

    2. কিছুক্ষণ আগে টিভির খবরে
      কিছুক্ষণ আগে টিভির খবরে দেখলাম রাষ্ট্রপতির নির্বাহী আদেশে দুইজন দুদকের কর্মকর্তাকে সাসপেন্ড করা হয়েছে। কেন সাসপেন্ড করা হয়েছে কারণটা একটু খুঁজে দেখুন। রাস্ট্রপতির কাছে সাসপেন্ডের সুত্র খুঁজে দেখতে পারেন। আপনি যে দুইজনের ছবি দিয়েছেন সেই দুইজনের সম্পদের হিসাব দুদককে জানান। তারা ব্যবস্থা নেবে। আমার ধারনা তাদের সম্পদের হিসাব প্রতিদিন গোয়েন্দাদের কাছে আপডেট হচ্ছে। সুযোগমত পাইলে ঠিকই মাইনক্কার চিপায় আটকায়া ফেলবে।

      1. সুযোগমত পাইলে ঠিকই মাইনক্কার

        সুযোগমত পাইলে ঠিকই মাইনক্কার চিপায় আটকায়া ফেলবে।

        আগে না হয় ক্ষমতায় যাক এরপর না হয় মাইনক্কা চিপায় যাওয়াডা হইবে :শিস: :শিস: :শিস: :শিস:

        1. আপনার সমস্যা হচ্ছে, আপনি একটু
          আপনার সমস্যা হচ্ছে, আপনি একটু বেশী বুঝেন। উপরে ছবি দেওয়া দুইজনের ক্ষমতায় যাওয়ার কথা বলি নাই। বলেছি, আপনাদের দল ক্ষমতায় আছে। যদি তাদের নামে কোন দুর্নীতির খবর সরকার পাইত, ঠিকই মাইনক্যার চিপায় হান্দায়া দিত। যেভাবে আপনারা অন্যদেরকে হান্দাইতেছেন।

          যাক, জমি বরাদ্ধের প্রমাণ হিসাবে রাজউকের দুই পৃষ্টা চিঠির স্ক্যান কপি পোস্টে সংযুক্ত করা হইল। এরপরও বিশ্বাস না করলে আপনাদের এসব ধান্ধাবাজ নেতাদের পুজা করতে থাকেন। সময়মত এদেশের মানুষ উপুক্ত জবাব দেবে।

          1. আপনি এখানে প্রমানের স্তুপ
            আপনি এখানে প্রমানের স্তুপ তৈরী করে ফেললেও দলাকানারা এসব নেতাদের অপকর্মের সমালোচনা মেনে নিতে পারবেনা। আপনার কাজ আপনি করে যান। কে বিশ্বাস করল, আর কে করলো না এটা দেখার দরকার নাই। বাংলাদেশের সাধারণ মানুষ এসব নেতাদের চোরবাটপার হিসাবে জানে।

  6. যে যায় লঙ্কায়, সেই হয় রাবণ।

    যে যায় লঙ্কায়, সেই হয় রাবণ।

    সুরঞ্জিত সেনের জীবনী আপনি ভাল করে জেনেছেন কি?? বিশেষ করে তাঁর ছোট বেলার কাহিনী। কিভাবে তিনি বড় হয়েছেন?? তিনি কি আসলেই জমিদার বংশের ছেলে??

  7. নজরুলের কবিতা কই……
    জাগিয়া

    নজরুলের কবিতা কই……

    জাগিয়া দেখিনু জুটিয়াছে যত হনুমান আর অপদেব,
    হুজুরের চোখ যাবে কোথা বাবা, প্রণামীয়া কয় মোসাহেব।

    1. নজরুলের এই কবিতাখান কি
      নজরুলের এই কবিতাখান কি উদ্দেশ্যে শেয়ার করিলেন? আপনার যদি মনে হয় উপরের নেতাদের ফেরেস্তার মত পবিত্র, সেটা সরাসরি বলেন।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

+ 17 = 23