সংবিধান রক্ষার জিহাদী সরকারের মন্ত্রীর সংবিধান বলাৎকার

লোটাস কামাল। বহু ঘটনার নায়ক। মুক্তিযুদ্ধের চেতনা রক্ষাকারী দলের পরিকল্পনামন্ত্রী। সম্প্রতি জাতির উদ্দেশে তার প্রশ্ন ছিল, ইসলামী ব্যাংকের টাকা নিলে সমস্যা কোথায়? এর আগে তিনি পাকিস্তানে ক্রিকেট দলকে পাঠানোর প্রধান উদ্যোক্তা ছিলেন। কি বুঝে প্রধানমন্ত্রী তাকে পরিকল্পনামন্ত্রী বানালেন, তা কেউ জানে না। স্বর্ণ ব্যবসা বেহাত করা থেকে শুরু করে পাকিস্তান প্রীতি সবই তার আছে। স্যুট বুট পরা থাকলেও আচার আচরণে তিনি ক্যাডারশ্রেণীর, এই অভিযোগ অনেক পুরনো। সরকারের মন্ত্রী হবার পরও সেই একই ধারা বজায় আছে। মন্ত্রী হলে সব কিছু করা যায় না, এটা তিনি মানতে নারাজ। চলছেন ইচ্ছে খুশী মতো।

যে সরকার ভোটারবিহীন নির্বাচন মেনে নেয়ার জন্য সবাইকে আহবান জানিয়েছিল এই যুক্তিতে যে, সংবিধান রক্ষার জন্য এছাড়া পথ নেই, সেই সরকারের মন্ত্রী হয়েও লোটাস কামাল এখন আর সংবিধান মানছেন না। মন্ত্রী হলে কি করা যায় আর কি করা যায় না তা সুনির্দিষ্ট করে দেয়া আছে সংবিধানে। যা করা যাবে না তার মধ্যে রয়েছে মন্ত্রী বা এমপি হবার পর পদে থাকার সময় কোনো লাভজনক পদে থাকতে পারবেন না কেউ। এমন কাজ করলে তার এমপি/মন্ত্রী পদ দুটোই যাবার কথা।

কিন্তু আওয়ামী লীগের শাসনামল বলে কথা। দল ক্ষমতায় যেতে তাদের সংবিধান রক্ষা করা লাগে। দলের নেতারা সংবিধান না ভাংলে আর ক্ষমতায়ই বা আসা কেন! পরিকল্পনামন্ত্রীর দায়িত্ব পাওয়ার পর থেকেই একের পর এক বিতর্কে লোটাস কামাল জড়িয়ে পড়েছেন। দায়িত্ব নেয়ার পরপরই অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিতের দক্ষতা ও যোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে বিতর্কের ঝড় তুলেছেন তিনি। শুধু অর্থমন্ত্রীই নয়, প্রধানমন্ত্রীর নিকটাত্মীয় প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থানমন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশাররাফ হোসেনকেও পাত্তা দেন না লোটাস কামাল। মন্ত্রণালয়কে পাশ কাটিয়ে লোটাস কামালের মালয়েশিয়ায় সাড়ে তিন লাখ জনশক্তি পাঠানোর ঘোষণা দেয়াটাকে শিষ্টাচারবহির্ভূত ও অনধিকার চর্চা বলেও অভিযোগ করেন প্রায় সকলেই। মন্ত্রীর তাতে কী যায় আসে! তিনি তো সংবিধানকেই পাত্তা দেন না, আর তো কীসের কী!

লোটাস কামালের বিরুদ্ধে অভিযোগ গুরুতর। তিনি সংবিধান বর্হিভূত কাজ করেছেন। বাংলাদেশের সংবিধানে বলা আছে, মন্ত্রীর দায়িত্ব নেওয়ার পর কোনো লাভজনক বা বেতনাদিযুক্ত পদ বা মর্যাদাপূর্ণ পদে থাকা যাবে না। চোরে না শোনে ধর্মের কাহিনী। দায়িত্ব নেয়ার চার মাস পেরিয়ে গেলেও তিনি এখনও তাঁর ব্যবসায়িক পদ থেকে পদত্যাগ করেননি। মন্ত্রীর পদে থেকেই তিনি ব্যবসায়িক কার্যক্রম পরিচালনা করছেন।

সংবিধানের ১৪৭ এর তিন অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, ‘এই অনুচ্ছেদ প্রযোজ্য হয়, এইরূপ কোনো পদে নিযুক্ত বা কর্মরত ব্যক্তি কোনো লাভজনক পদ কিংবা বেতনাদিযুক্ত পদ বা মর্যাদায় বহাল হইবেন না কিংবা মুনাফালাভের উদ্দেশ্যযুক্ত কোনো কম্পানি, সমিতি, বা প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনায় বা পরিচালনায় কোনোরূপ অংশ করিবেন না।’ প্রধানমন্ত্রী বা প্রধান উপদেষ্টা, স্পীকার বা ডেপুটি স্পিকার, মন্ত্রী, উপদেষ্টা, প্রতিমন্ত্রী বা উপমন্ত্রী, সুপ্রিম কোর্টের বিচারক, মহা-হিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক, নির্বাচন কমিশনার এবং সরকারি কর্ম কমিশনের সদস্যদের এই অনুচ্ছেদ বিবেচিত হবে বলে সংবিধানে বলা আছে।

আমরা একটু লোটাস কামালের ওয়েব সাইটে ঢু মেরে এসেছিলাম। সেখানে লোটাস কামালের মুক্তার দাতের হাসি ঝরানো ছবির নিচে লেখা আছে তিনি লোটাস কামাল গ্রুপের চেয়ারম্যান ও সিইও। সেখান থেকে আরো জানা গেল, তিনি অনেক কোম্পানির মালিক। বর্তমানে তিনি ১৯টি ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের শুধু অদৃশ্য হাতের ইশারার মালিক নন, কাগজে কলমে চেয়ারম্যান-সিইও। এরমধ্যে নয়টি ম্যানুফ্যাকচারিং খাতের। পাঁচটি সেবা খাতের। দুটি ট্রেডিং এবং বাকি তিনটি আবাসন খাতের।

কোম্পানিগুলো হলো- লোটাস ইঞ্জিনিয়ারিং ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড, হার্ডউড ডাইমেনশনস বাংলাদেশ লিমিটেড, সিএমসি কামাল টেক্সটাইল মিলস, লোটাস কামাল স্পিনিং মিলস, এলকে-ইউনিটেক্স কম্পানি, এলকে কটন মিলস, লোটাস কামাল নিটওয়ার, সামউন এলকে ইলেক্ট্রনিক্স, প্রোলেক্সাস লোটাস কামাল অ্যান্ড জয়লাইন, লোটাস কামাল হোল্ডিং, লোটাস বাংলাদেশ, এশিয়া প্যাসিফিক জেনারেল ইন্সুরেন্স, অরবিটাল ট্র্যাভেলস, অরবিটালস এন্টারপ্রাইজ, গুলশান মেডিকেয়ার, ওরিয়েন্ট এডুকেশন, আকার ডিজাইন, লোটাস কামাল অটোমোবাইলস এবং বিজনেস ভেনচার এওয়েটিং ইমপ্লিমেনটেশন।

পরিকল্পনামন্ত্রী এখনো লোটাস কামাল গ্রুপের প্রেসিডেন্ট ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) হিসাবে দায়িত্ব পালন করছেন। মন্ত্রী হওয়ার পরও মুস্তফা কামাল এশিয়া প্যাসেফিক জেনারেল ইন্সুরেন্স কোম্পানির পরিচালক হিসাবে দায়িত্ব পালন করছেন। এভাবেই সংবিধান রক্ষার জিহাদি সরকারের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রীদের একজন হয়েও অবলীলায় সংবিধানকে বলাৎকার করছেন তিনি। অথচ তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার কেউ নেই। হয়তো একেই বলে শেখের মুল্লুক।

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

৩০ thoughts on “সংবিধান রক্ষার জিহাদী সরকারের মন্ত্রীর সংবিধান বলাৎকার

  1. শেখের মল্লুকে সংবিধান
    শেখের মল্লুকে সংবিধান ন্যাতানো ত্যানা। তবে তালগাছ টা অবশ্যই শেখের লাঠিয়ালদের

    1. সব কিছুতে শেখ সাহেবকে না
      সব কিছুতে শেখ সাহেবকে না টানলে ভাত হজম হয় না? নাকি লোটা কামাল বা সরকার দলীয় অন্যান্য কুলাঙ্গারদের চারিত্রিক দোষ-গুণ, ব্যবসাপাতি, দুই নম্বুরি সবই শেখ সাহেবের নির্দেশেই হচ্ছে। আপনার অপ্রাসঙ্গিক মন্তব্যে মনে হওয়া স্বাভাবিক পোষ্টের হেডিং দেখেই মেন্তব্য করে ফেলেছেন।

      1. তুহিন ভাইয়ের মন্তব্যটা খুবই
        তুহিন ভাইয়ের মন্তব্যটা খুবই প্রাসঙ্গীক মনে হয়েছে। সংবিধান রক্ষার জন্য তারা জেহাদ ঘোষণা করে আবার তাদের মন্ত্রীরাই সংবিধানকে রেইপ করে। এরেই কয় শেখের মুল্লুক। মগের মুল্লুকের হাইয়েস্ট ভার্সন।

        1. শেখ সাহেবের নাম বেঁইচা
          শেখ সাহেবের নাম বেঁইচা আকাম-কুকাম করলে কোন সমস্যা নাই, শুধু তারে নামে কিছু কইলেই বিরাট দোষ! শেখ মুজিবকে বির্তকিত কারা করছে? তাদেরকে আগে সংশোধন হতে বলেন। শ্রদ্ধা জোর করে আদায় করা যায় না।

      2. আপনার দল বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ
        আপনার দল বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ বিম্পি জামাত ইতরামি করে কয় বল, সেই আল মানে আ.লীগ চেতনার নামে সব কিছু জায়েজ করে। তো, চ্যাতনা বিষয়টি কি? চ্যাতনা বিষয়টি হলো বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন। তো ওভার এক্সপোসড এই স্বপ্ন দেখার পর সাধালন পাবলিকের সব্প্ন দোষে পরিণত হয়েছে। কারণ তার পকেট ফাকা হচ্ছে আর ট্যাকাটুকা চলে যাচেজ্ছ ব্রিটেন।

        এ কাজ কে করছে? সব আ.লীগের লোকজন। নিচের লেখাতে তার কাগজপত্র দিয়ে প্রমান দিচ্ছে। পোস্টটিতো িইস্টিশনই স্টিকি করেছে। নাকি সব যড়যন্ত্র
        http://www.istishon.com/node/8204

  2. লোটা কামালদের মতো
    লোটা কামালদের মতো কুলাঙ্গারদের কারনে বর্তমান সরকারের মন্ত্রী-আমলা-সচিবদের দিকে আঙুল তুলে কথা বলতে ছাড়ে না। এসব কুলাঙ্গারদেরকে যদি সময় থাকতে সিধা করা না যায়, তবে সেটা হবে সরকারের জন্য বিপদজনক।

  3. বড় চোরদের জন্য এই সংবিধান
    বড় চোরদের জন্য এই সংবিধান বানানো হয় নাই। এটা বানানো হইছে ক্ষমতা দখল করা আর পাবলিকের সম্পদ লুট করার জন্য। আপনি দেখেন, তার কিছুই হবে না।

  4. একটা দেশের সবচেয়ে
    একটা দেশের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয় হচ্ছে অর্থ, পররাষ্ট্র, পরিকল্পনা ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রাণালয়। এই চারটি মন্ত্রানালয়ে মন্ত্রীগণকে অবশ্যই হতে হবে যোগ্যতা সম্পন্ন। লোটাস কামালকে কোন যোগ্যতার ভিত্তিতে পরিকল্পনা মন্ত্রনালয়ের মত গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রানলয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে?

    সংবিধানের ধারাবাহিকতা ও সংবিধান সমুন্নত রাখার জন্য যদি নির্বাচন করা হয়, তাহলে লোটাস কামালের মত গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রী সংবিধান লঙন করে এখনো কিভাবে মন্ত্রী হিসাবে দায়িত্ব পালন করছেন?

    প্রধানমন্ত্রীর প্রিয়ভাজন বলেই কি সংবিধানকে বৃদ্ধাঙ্গুলী দেখিয়ে লোটাস কামাল এখনো মন্ত্রী হিসাবে বহাল তবিয়তে আছেন? এটা সেই লোটাস কামাল, যে নাকি ইসলামী ব্যাংক না থাকলে আজ ভিখারী থাকত। প্রধানমন্ত্রীর প্রিয়ভাজনের এই বক্তব্য কি প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য হিসাবে মনে করাটা ভুল হবে? ইসলামী ব্যাংক হচ্ছে মুক্তিযুদ্ধের চেতনার ফসল। চেতনা ব্যবসায়ীদের জয় হোক।

    লোটাস কামালের বিরুদ্ধে অভিযোগ গুরুতর। তিনি সংবিধান বর্হিভূত কাজ করেছেন। বাংলাদেশের সংবিধানে বলা আছে, মন্ত্রীর দায়িত্ব নেওয়ার পর কোনো লাভজনক বা বেতনাদিযুক্ত পদ বা মর্যাদাপূর্ণ পদে থাকা যাবে না। চোরে না শোনে ধর্মের কাহিনী। দায়িত্ব নেয়ার চার মাস পেরিয়ে গেলেও তিনি এখনও তাঁর ব্যবসায়িক পদ থেকে পদত্যাগ করেননি। মন্ত্রীর পদে থেকেই তিনি ব্যবসায়িক কার্যক্রম পরিচালনা করছেন।

    গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রনালয়ের মন্ত্রী হয়ে তিনি কিভাবে সংবিধান লঙন করছেন? এদেশের একজন নাগরিক হিসাবে জানতে চাই।

    সংবিধানের ১৪৭ এর তিন অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, ‘এই অনুচ্ছেদ প্রযোজ্য হয়, এইরূপ কোনো পদে নিযুক্ত বা কর্মরত ব্যক্তি কোনো লাভজনক পদ কিংবা বেতনাদিযুক্ত পদ বা মর্যাদায় বহাল হইবেন না কিংবা মুনাফালাভের উদ্দেশ্যযুক্ত কোনো কম্পানি, সমিতি, বা প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনায় বা পরিচালনায় কোনোরূপ অংশ করিবেন না।’ প্রধানমন্ত্রী বা প্রধান উপদেষ্টা, স্পীকার বা ডেপুটি স্পিকার, মন্ত্রী, উপদেষ্টা, প্রতিমন্ত্রী বা উপমন্ত্রী, সুপ্রিম কোর্টের বিচারক, মহা-হিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক, নির্বাচন কমিশনার এবং সরকারি কর্ম কমিশনের সদস্যদের এই অনুচ্ছেদ বিবেচিত হবে বলে সংবিধানে বলা আছে।

    হয়ত লোটাস কামালকে শপথ ভঙ্গ করার অভিযোগে মন্ত্রীত্বের পদ থেকে বহিষ্কার করা হোক। নয়ত সংবিধান মন্ত্রীদের জন্য প্রযোজ্য নয়, এই রকম একটা এসআরও জারি করা হোক।

    1. হয়ত লোটাস কামালকে শপথ ভঙ্গ

      হয়ত লোটাস কামালকে শপথ ভঙ্গ করার অভিযোগে মন্ত্রীত্বের পদ থেকে বহিষ্কার করা হোক। নয়ত সংবিধান মন্ত্রীদের জন্য প্রযোজ্য নয়, এই রকম একটা এসআরও জারি করা হোক।

      :bow: :bow: :bow: :bow:

  5. আমার দয়াল এল.কে বাবা, জমা খরচ
    আমার দয়াল এল.কে বাবা, জমা খরচ ঠিক নেই কেমন মহাজন পরের ধনে পোদ্দারি কেন কর আজিবন। 😀 😀 😀 😀

  6. যে সরকার ভোটারবিহীন নির্বাচন

    যে সরকার ভোটারবিহীন নির্বাচন মেনে নেয়ার জন্য সবাইকে আহবান জানিয়েছিল এই যুক্তিতে যে, সংবিধান রক্ষার জন্য এছাড়া পথ নেই

    ভোটারবিহীন বলতে কি বুঝাচ্ছেন? আমি নিজেও ভোট দিয়েছি, মানুষকে ভোট দিতে উৎসাহ দিয়েছিলাম। প্রচুর মানুষ ভোট দিয়েছে, বাকী যারা দেয় নাই তারা হয়তো সুবিধাবাদী কিনবা বিম্পি/জামাত প্রেমী। ভোট হয় আমাদের টাকায় সুতরাং ভোট দেয়া আমার নাগরিক দায়িত্ব, যদি প্রার্থী পছন্দ না হতো অন্য প্রার্থীকে দিয়ে বুঝিয়ে দিতে পারতো সুবিধাবাদী বা জামাত/বিম্পি প্রেমীরা!!! সত্যিই যদি নির্বাচনটা সেই মাপের ভোটারবিহীন হতো, যদি সত্যিই জনগণ ঐ নির্বাচন বর্জন করতো তাহলে তো দ্যাশনেত্রীর আহ্বানে সবাই সাড়া দিতো কিনবা ঐ নির্বাচন মানিনা প্রসঙ্গে দ্যাশে “গণ-অভ্যুত্থান” ঘটতো!!!

    লোটা কামাল ব্যর্থ এবং অনেক আগেই অযোগ্য যখন কিনা সে গুন্ডাগিরি ফলাতে চেয়েছিলো এই দেশের ক্রিকেট নিয়ে, সেই যে শকুনির দৃষ্টি পড়েছিল জাতীয় দলের উপর সেই আছর এখনো যায় নাই, কোন ভালো তান্ত্রিকও পাওয়া যাচ্ছে না আছর ছাড়াতে আর তারেই কিনা শেষমেশ পরিকল্পনা মন্ত্রী!!!

    আপনি একজন অনুসন্ধানী লেখক, তীক্ষ্ণ আপনার লেখনীর ধার। খুঁজে খুঁজে ফুড়ে বের করেন আপনি গোপন তথ্যাদি, সেজন্য আপনার গ্রহণযোগ্যতা নিশ্চয়ই আলুর মতি কিনবা হামার তলদেশ এর মাচুদুর এর ন্যায় হওয়া উচিত নয় বরং অন্যভাবে হওয়া উচিত। আর সেজন্যেই আপনার সমালোচনা হওয়া উচিত ছিলো ব্যক্তি বিশেষকে লক্ষ্য করে। পুরো দল কিনবা সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালিকে নিশানা করে নয়। একদম শেষ লাইনে এসে

    হয়তো একেই বলে শেখের মুল্লুক।

    বলে শেষ করাটা শুধু দৃষ্টিকটুই নয় বরং অশোভনীয় দেখাচ্ছে। আপনার পোস্টখানা যেহেতু লোটারে লক্ষ্য করে সুতরাং সেটা হওয়া উচিত ছিলো শুধুমাত্র লোটারে নিশানা করে তুলে ধরা। সেখানে পুরো দল কিনবা স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধের মহানায়ককে কটাক্ষ করে নয়। এতে করে যে কেউই বিভ্রান্ত হতে পারে, কেননা এই জাতীয় উক্তি বা কটুক্তি বিশেষ করে স্বাধীনতা বিরোধী চক্ররাই ব্যবহার করে ব্যঙ্গাত্মক ছলে।

    অবশ্য লোটার মন্ত্রীত্ব বাতিল এখন সময়ের দাবী, কেননা এইরকম মন্ত্রী যে মন্ত্রীসভায় থাকে তা আর যাই হোক, কোনভাবেই তা দক্ষ মন্ত্রীসভা নয়।

  7. আপনার পোস্টখানা যেহেতু লোটারে

    আপনার পোস্টখানা যেহেতু লোটারে লক্ষ্য করে সুতরাং সেটা হওয়া উচিত ছিলো শুধুমাত্র লোটারে নিশানা করে তুলে ধরা। সেখানে পুরো দল কিনবা স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধের মহানায়ককে কটাক্ষ করে নয়। এতে করে যে কেউই বিভ্রান্ত হতে পারে, কেননা এই জাতীয় উক্তি বা কটুক্তি বিশেষ করে স্বাধীনতা বিরোধী চক্ররাই ব্যবহার করে ব্যঙ্গাত্মক ছলে

    হাহাহাহাহা, দলকানা আর কারে কয়! তা লোটাস কামালকে পরিকল্পনা মন্ত্রী করা হয়েছে কি লোটাসের ব্যক্তিগত সিদ্ধান্তে? নাকি দলীয় তথা প্রধানমন্ত্রীর সিদ্ধান্তে? এত গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীর মন্ত্রীত্বের জন্য দল দায়ী নয়? লোটাস কামাল ইসলামী ব্যাংককে মাথায় তুলে নাচছে, এজন্যও দল বা নেত্রী দায়ী নয়, তাহলে কে দায়ী? বাল্যসুলভ আচরণ ও কথাবার্তা তারাই বলতে পারে, যারা নিজ দলের কোন দোষ দেখেনা। টিনের চশমাটা খুলে ফেল। বঙ্গবন্ধুর নাম বেঁইচা তোমার দল মুক্তিযুদ্ধের চেতনার বারোটা বাজাইতেছে, সেটা কোন দোষ না। লোটাস কামালের আদর্শ যদি হয় মুক্তিযুদ্ধে চেতনা আর বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন, তাহলে ক’দিন পর মানুষ তোমাদের জাতির পিতাকে নিয়ে কি তামাশা করে নিজের চোখেই দেখতে পাবা। ছেলে কুলাঙ্গার হয় বাপ-মায়ের সঠিক শিক্ষা না দিতে পারার কারণে। দোষটা কিছুটা হলেও বাপ-মা’র উপর বর্তাবেই।

    দলকানাদের এসব বলে লাভ নেই। আপনি ভাই আপনার নাগরিক সাংবাদিকতা চালিয়ে যান। শ্রদ্ধা কেউ জোর করে আদায় করতে পারেনা। শ্রদ্ধা অর্জন করতে হয়।

    1. ভাই আপনাদের কথায় মনে অইতেয়াছে
      ভাই আপনাদের কথায় মনে অইতেয়াছে লোটারে বঙ্গবন্ধু মন্ত্রী বানাইছে :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে:

        1. শেখ হাসিনা বানাইছে, লাকসামের
          শেখ হাসিনা বানাইছে, লাকসামের জনগণ ভোট দিয়া বানাইছে, কিছু বলা লাগলে শেখ হাসিনা আর ঐ ভোটারদের বলেন। বঙ্গবন্ধু কেন?

  8. এই পোস্ট পইড়া আমার মনে
    এই পোস্ট পইড়া আমার মনে হইতাছে, ইন্টারনেটের মাসিক বিল কমাইয়া দেওয়া উচিত।
    ট্যাকার অভাবে মেগাবাইট কিনতে পারতাচি না তাই পত্তেকদিন নানা রকম বিনুদুন ব্যাফুক মিস করতাচি।
    ইষ্টিশনের বড় বড় বুদ্ধিজীবীদের জ্ঞানগর্ভ আলুচোনা মিস করতাচি দেইক্ষা সরকারের উপর বড়ই রাগ লাগতেচে।

    সরকার মহাশয়, অধমের দিকে নজর দিন, সুশীল বুদ্ধিজীবীদের জ্ঞানগর্ভ আলুচোনা শোনার সুযোগ করিয়া দিন।
    নাইলে টাইন্না হ্যাচড়াইয়া গদীতথন নামাইয়া দেওয়ার আন্দুলনে শরিক হওয়া ছাড়া গত্যন্তর থাকবো না!

    1. লোটা কামালের বিরুদ্ধে
      লোটা কামালের বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগ কি মিথ্যা? নাকি আপনার দলের বিরুদ্ধে কোন সমালোচনা করা সংবিধান নিষিদ্ধ? সরকারের একজন প্রভাবশালী মন্ত্রী যখন ইসলামী ব্যাংকের পক্ষে সাফাই গাইতে থাকে তখন আপনাদের চেতনা কিভাবে অক্ষুন্ন থাকে জনাব?

      1. সরকারের একজন প্রভাবশালী

        সরকারের একজন প্রভাবশালী মন্ত্রী যখন ইসলামী ব্যাংকের পক্ষে সাফাই গাইতে থাকে তখন আপনাদের চেতনা কিভাবে অক্ষুন্ন থাকে জনাব?

        চ্যাঁতোনা তো সব আপ্নাগো কাছে বহুত আগেই বিক্রি কৈরা খাইচি।
        অহন আপ্নেরাই হইলেন গিয়া চ্যাঁতোনার একমাত্র ধারক এবং বাহক।

          1. তাইলে কি বোঝা গেল? লোটা কামাল

            তাইলে কি বোঝা গেল? লোটা কামাল ঠিক করছে? আহরে চেতনা!

            আপ্নাগো এই মনে মনে কলা খাওয়ার স্বভাব তো আজকার নতুন কিছু নাহ!
            চিন্তা করতাচি, কলার লগে ছিলকা শুদ্ধা না খাইয়া ফালান।

          2. ইসলামী ব্যাংকের দালাল, পাকি
            ইসলামী ব্যাংকের দালাল, পাকি এজেন্ট লোটা কামালের োন চুষতে থাকেন। ভাগে কিছু কমিশন জুটতেও পারে।

          3. ইসলামী ব্যাংকের দালাল, পাকি

            ইসলামী ব্যাংকের দালাল, পাকি এজেন্ট লোটা কামালের োন চুষতে থাকেন

            আমি ন্যাড়া কুত্তা নই, আপনার গালি টা মাঠে মারা গেল!

  9. কতই রঙ্গ দেখি দুনিয়ায়; ও
    কতই রঙ্গ দেখি দুনিয়ায়; ও ভাইরে কতই রঙ্গ দেখি দুনিয়ায়!

    সংবিধান হলো আওয়ামীলীগের বাপ-দাদার সম্পত্তি। এইড়া নিয়ে কথা তুলছে! এতো বড় আস্পর্ধা কাহার হইয়াছে!

    সংবিধান তুমি কার? যখন যে ক্ষমতায়; তখন কি তার?

  10. অতঃপর আমি তোমাদের মধ্যে কতকের
    অতঃপর আমি তোমাদের মধ্যে কতকের দিলে মোহর আঁকিয়া দিয়াছি। তোমরা তথ্য প্রমাণ না দিলে তারা পালটা ছবি দিয়া বলিবে, এরাও খারাপ। আর প্রমাণ দিলে বলিবে ও একা খারাপ। এতে আমাদের দোষ নাই। কিন্তু তোমরা তো জানোই, আমি রসুনের পাছিদিগকে একত্রে প্রাকৃতিক পিন আঁটিয়া বাঁধিয়া দিয়াছি। তোমরা কি আমার এই নেয়ামত অস্বীকার করিবে? নিশ্চ্যই বঙ্গবন্ধু ফেরেশতাদের মধ্যে আযাযীলের মতোই একজন।

  11. শওকত সাহেবদের এতো গোস্যা কেন
    শওকত সাহেবদের এতো গোস্যা কেন এইটা বুঝি না। বঙ্গবন্ধুর আর্দশের সৈনিক হিসেবেইতো চুরি চামারি করে। ভোট চায়, গুম করে, নিখোজ হয় সবইতো চ্যাতনাদণ্ড খাড়া থাকার জন্য। এই দেশে আ.লীগ কোনটা বঙ্গবন্ধুর নামে করেনি। কেউ কিছু বললেই বলে যে, যুদ্ধাপরাধের বিচার বাধাগ্রস্ত করছে। অথচ সরকারের প্রসিকিউশন নিজেই জামাত নিষিদ্ধের মামলা স্থগিত করেছে। সেখান থেকে তুরিন আফরোজের নামে যেসব চিঠি হায়দার আলী লিখেছে তা মানুষের জন্ম হলে লেখা যায় না। এই চ্যাতনা দন্ডকে প্রশ্ন করলে আবার জামাত হেফাজত হবার চান্স আছে। সো ভাইজান, শেখের মল্লুকে আছেন, বললে খেপেন কেলা?
    নাকি তিতা খাইতে কস্ট হয়। অসুবিধা নাই একটু মধু মেশাই নেন। সংবিধানের সাথে যেমন গণতন্ত্র মিশায় এবার ক্ষমতায় এসেছেন। ভেজাল দিলে চেতনা আপনাদের ওপর গোস্যা করবে না

    1. একদম বরাবর মারছেন।
      :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ:
      একদম বরাবর মারছেন। 😀

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

35 − = 27