জামায়াত শিবিরের অপপ্রচার থেকে সতর্ক থাকার আহ্বান

সন্ধ্যায় চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবে একজন আলেম আমাকে একটা লিফলেট দেন, সেটি পড়ে সিদ্ধান্ত নেই সকলকে জানানো দরকার তাই এখানে হুবহু তুলে ধরলাম।

 

বাংলাদেশকে একটি সন্ত্রাসী ও জঙ্গীবাদী রাষ্ট্র বানিয়ে ইসলামের সমুন্নত ভাব-মর্যাদা বিনষ্ট করার গভীর ষড়যন্ত্র চলছে। এ মুহুর্তে তাই দেশের হক্কানী আলেম-ওলামা ও ধর্মপ্রাণ জনগণকে প্রতিটি পদক্ষেপেই সচেতনতার পরিচয় দিতে হবে। ইসলামের শত্রুরা ইসলামের বিরুদ্ধে গভীর ষড়যন্ত্রের রুপরেখা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে ইতোমধ্যেই পাকিস্তান,আফগানিস্তান,ইরাকের মত বাংলাদেশের মসজিদসমূহে সন্ত্রাসী কার্যকলাপ পরিচালনা শুরু করেছে।

বাংলাদেশ বিশ্বের সবচেয়ে ঘনবসতিপূর্ণ মুসলিম জনসংখ্যা অধ্যুষিত দেশ। দেশের হক্কানী আলেম-ওলামা ও ধর্মপ্রাণ জনগণের সচেতনতার কারণে বারবার চেষ্টা করেও ষড়যন্ত্রকারীরা এদেশে তাদের মিশন বাস্তবায়নে ব্যর্থ হয়েছে। এখন ভ্রান্ত আকিদার মওদুদী দর্শনের অনুসারীদের মাধ্যমে তারা তাদের মিশন বাস্তবায়নে কাজ করছে।

মওদুদী দর্শন ও ইসলাম এক নয়। এটি অনেক আগেই হক্কানী আলেম-ওলামাদের কাছে খোলাসা হয়েছে। এ উপমহাদেশের সর্বস্তরের হক্কানী আলেম ও পীর-মাশায়েখ তাই মওদুদী দর্শনে বিশ্বাসী জামায়াতে ইসলামীকে ‘ফিতনা’ সৃষ্টিকারী ও ‘গোমরাহ’ বলে ফতওয়া দিয়েছেন।

তাঁরা বলেন,
“মওদুদী নতুন ধর্ম জন্ম দেয়ার উদ্দেশ্যে স্ব-কল্পিত ভ্রান্ত মতবাদসমূহ প্রবর্তন করেই ক্ষান্ত হননি বরং মূল সত্য ইসলাম ধর্মের প্রধান বাহক শ্রেষ্ঠ মানব মহানবী (সা) হতে শুরু করে সমস্ত আম্বিয়ায়ে কেরাম, সাহাবায়ে কেরাম, তাবেঈ, তাবেতাবেঈ, আইম্মায়ে মুজতাহিদীনসহ সবশ্রেণীর দীনের ধারক-বাহক সম্পর্কে লাগামহীন সমালোচনার ক্ষেত্র বানিয়েছে।”
(মিস্টার মওদুদীর নতুন ইসলাম, লেখকঃ হযরত মাওলানা মুফতী মানছুরুল হক সাহেব (দা.) পৃষ্ঠা-১৪)

ইসলাম সম্পর্কে মওদুদীর বিভিন্ন বইয়ে বিরুপ মন্তব্যঃ

মওদুদী বলেন,
“নবীগণ মাসুম নন। প্রত্যেক নবীর দ্বারাই কিছু না কিছু গুনাহ সংঘটিত হয়েছে।”
(তাফহীমাত ২/৪৩);

“কোন কোন নবী দ্বীনের চাহিদার উপর অটল থাকতে পারেননি। বরং তাঁরা আপন মানবীয় দূর্বলতার কাছে হার মেনেছেন।”
(তাফহীমুল কুরআন ২/৩৩৪);

“নবী হোক বা সাহাবা হোক কারো সম্মানার্থে তার দোষ বর্ণণা না করাকে জরুরী মনে করা আমার দৃষ্টিতে মূর্তিপুজারই শামিল।”
(তরজমানুল কুরআন,সংখ্যা ৩৫, পৃষ্ঠা ৩২৭);

“হযরত ইউনুস (আ) ঠিকমত নবুয়তের দায়িত্ব পালন করেন নি।”
(তাফহীমুল কুরআন ২/৯৯)

এবং
“হযরত ইব্রাহীম (আ) ক্ষণিকের জন্য শিরকের গোনায় নিমজ্জিত ছিলেন।”
(তাফহীমুল কুরআন ১/৫৫৮)

মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা) সম্পর্কে মওদুদী আরো বলেন।

“মহানবী (সা) মানবিক দূর্বলতা থেকে মুক্ত ছিলেন না। অর্থাৎ তিনি মানবিক দূর্বলতার বশবর্তী হয়ে গোনাহ করেছিলেন।”
(তরজমানুল কুরআন, সংখ্যা ৮৫, পৃ. ২৩০)

“আরবের মধ্যে উপযুক্ত লোকদের নেতৃত্ব পেয়েছিলেন বলেই তো রাসূলুল্লাহ (সা) সফলকাম হয়েছিলেন। অন্যথায় তিনি কি এই সফলতা লাভ করতে পারতেন?”
(তাহরীকে জামায়াতে ইসলামী কী আখলাকী বুনয়াদ, পৃষ্ঠা-১৭);

সাহাবায়ে কেরাম (রা) সম্পর্কে মওদূদী নলেন,
“সাহাবাদেরকে সত্যের মাপকাঠিতে জানবে না।”
(দস্তুরে জামায়াতে ইসলামী পৃ.-৭)

তিনি বলেন,
“সাহাবাদের অনুসরণ করবে না।” (ঐ পৃ.-৭)

তিনি বলেন,
“সাহাবায়ে কেরামের অনেকে মনগড়া হাদীস বর্ণনা করেছেন।”
(তরজুমানুল কুরআন, সংখ্যা ৩৫)

হযরত আবু বকর সিদ্দিকি (রা) সম্পর্কে তিনি বলেন,
“হযরত আবু বকর (রা) দূর্বলমনা ও খেলাফতের দায়িত্ব পালনে অযোগ্য ছিলেন।”
(তাজদীদ ও এহইয়ায়ে দ্বীন, পৃ. ২২);

হযরত ওমর (রা) সম্পর্কে বলেন,
“নবী করীম (সা)-এর ওফাতের সময় ব্যক্তি সম্মানের কুমনোবৃত্তি হযরত ওমর (রা)-কে পরাভূত করেছিল।”
(তরজমানুল কুরআন ১৩৫৭ হি. সংখ্যা);

হযরত উসমান (রা) সম্পর্কে বলেন,
“হযরত উসমান (রা)-এর মধ্যে স্বজনপ্রীতির বদগুন বিদ্যমান ছিলো।”
(খেলাফত অ মুলুকিয়াত পৃ. ১২২);

হযরত আলী (রা) সম্পর্কে বলেন,
“হযরত আলী খেলাফতের যামানায় এমন কিছু কাজ করেছেন,যাকে অন্যায় বলা ছাড়া আর কিছু বলার উপায় নাই।” (ঐ পৃ. ১৪৬)

পবিত্র কুরআনের তাফসীর সম্পর্কে মওদুদীর মন্তব্যঃ
“কুরআন শরীফের মনগড়া ব্যাখ্যা করা জায়েয।”
(তরজমানুল কুরআন ১৩৫৫ হি.
)

তিনি বলেন,
“তাফসীরের পুরাতন ভান্ডার হতে ধর্মীয় শিক্ষার প্রয়োজন নেই।”
(তানকীহাত, পৃ.১৪৪)

মওদুদী বলেন,
“কুরআনুল করীম হেদায়েতের জন্য যথেষ্ঠ, কিন্তু নাজাত বা মুক্তির জন্য নয়।”

তিনি বলেন,
“কুরআনের এক তৃতীয়াংশ আয়াত প্রচ্ছন্ন হয়ে গেছে।”

মহানবী (সা)-এর সুন্নাহ অনুসরণ সম্পর্কে মওদুদী বলেন,
“নবী করীম (সা)-এর আদত-আখলাককে সুন্নত বলা এবং তা অনুসরণে জোর দেয়া আমার মতে সাংঘাতিক ধরণের বিদআত ও ধর্ম বিকৃতির নামান্তর।”
(রাসায়েল মাসায়েল ১/২৪৮)

এ জন্যই হক্কানী উলামায়ে কেরাম বলেছেন,
‘মওদুদী ফেৎনা কাদিয়ানী ফেতনার চেয়েও ভয়াবহ।’
আর এ কারণেই ইসলামের শত্রুরা ইসলাম ধ্বংসের জন্য মওদুদী দর্শনে বিশ্বাসী জামায়াতে ইসলামী ও ছাত্র শিবিরকে তাদের অস্ত্র হিসেবে বেছে নিয়েছে। তারা নানা ধরনের গুজব ছড়িয়ে মানুষের ঈমান আকীদা বিনষ্টের জন্য মাঠে নেমেছে। তারা ইসলামকে ব্যবহার করে টাকার পাহাড় গড়ে মিথ্যা প্রচারণা চালিয়ে দেশের সরলমনা আলেম-ওলামা ও ধর্মপ্রাণ জনগোষ্ঠীকে প্রতারিত করছে। দেলওয়ার হোসেন সাঈদীর তাফসীর সম্পর্কে হক্কানী আলেম সমাজের অভিমত হচ্ছেঃ-
“তারা (জামায়াতে ইসলামী) সুপরিকল্পিত ভাবে এমন কিছু লোককে মুফাসসিরে কুরআন বানালো,যাদের কন্ঠ ও বাকচাতুর্যতাই একমাত্র সম্বল।।..তারা সুললিত কন্ঠে তফসীরের সুরে মওদুদী মতবাদ প্রচারে ট্রেনিংপ্রাপ্ত। উক্ত সাজানো মুফাসসিরের মধ্যে মৌলভী দেলাওয়ার হোসেন সাঈদীর নাম সর্বশেষ উল্লেখযোগ্য।”
(মৌং দেলাওয়ার হোসেন সাঈদীর ভ্রান্ত তাফসীরের স্বরুপ উন্মোচন পৃ.৪)।

গুজব থেকে সতর্ক থাকুন!

আদালতে যুদ্ধাপরাধ ও মানবতা বিরোধী অপরাধে দেলাওয়ার হোসেন সাঈদীর ফাঁসির রায় ঘোষণার পর জামায়াতে ইসলামী ও ছাত্রশিবির দেশ জুড়ে যে তান্ডব চালাচ্ছে তার একমাত্র উদ্দেশ্য হচ্ছে যে,যুদ্ধাপরাধী ও মানবতা বিরোধী অপরাধীদের বিচার বানচাল করে দেশে মওদুদীবাদ প্রতিষ্ঠা করা। তাদের কার্যকলাপ পর্যালোচনা করলে দেখা যায় যে, তারা ইসলাম বিরোধী দেশী-বিদেশী চক্রের ক্রীড়নক হয়ে দেশের শান্তি,শৃংখলা ও স্থিতিশীলতা বিনষ্টের চেষ্টা করছে। এ লক্ষ্যে তারা সাঈদীকে অতিমানব হিসেবে প্রতিষ্ঠা করার জন্য নানা ধরণের গুজব ছড়িয়ে সরল ধর্মপ্রাণ জনগণের ঈমান আকীদাকে নষ্ট করতেও দ্বিধাবোধ করেনি। সম্প্রতি তারা গুজব ছড়িয়ে যে, সাঈদীকে চাঁদে দেখা গেছে। এ সংবাদ তারা মাইকে প্রচার করে জনগণকে উস্কে দিয়েছে পুলিশ ও আইনশৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনীর উপর হামলা চালানোর জন্য। আজ পর্যন্ত কোন নবী রাসুল ও শুহাদাকে চাঁদে দেখা যায় নি।
“যেদিন মহানবী (সা)-এর পুত্র ইব্রাহীম (রা) ইন্তিকাল করেন,সেদিন সূর্যগ্রহন হয়েছিল। লোকেরা বলতে লাগলো, ইব্রাহীম (রা)-এর মৃত্যুর কারণেই সূর্য গ্রহন হয়েছিল।
তখন নবী করীম (সা) বললেন, ‘কারো মৃত্যুর কারণে অথবা জন্মের কারণে সূর্য বা চন্দ্রগ্রহণ হয় না।”
(বোখারী শরীফ,হাদীস নং ৯৮৬)

যেখানে মহানবী (সা)-এর পুত্রের মৃত্যুশোকে চন্দ্র বা সূর্যগ্রহণ হয় না, সেখানে সাঈদীর ফাঁসির রায় ঘোষণার পর তিনি কুরআন হাতে চাঁদে চলে গেলেন,এটা গুজব ছাড়া আর কিছুই নয়। যারা মিথ্যা প্রচারণা চালিয়ে,গুজব ছড়িয়ে সরলমনা ধর্মপ্রাণ জনগণের ঈমান-আকীদা বিনষ্ট করছে তাদের তওবা করে আল্লাহর কাছে পানাহ চাওয়া উচিত।

সম্মানিত ওলামায়ে-কেরাম ও ধর্মপ্রাণ মুসলিম ভাই-বোনেরা!
জামায়াতে ইসলামী নবী-রাসুল,সাহাবায়ে কেরাম,তাবে-তাবেঈন,হক্কানী আলেম-ওলামা ও পীর-মাশায়েখগণের দ্বীনী দাওয়াতী উসূল পরিবর্তন করেছে। আলেম-ওলামাগণের সাথে জামায়াতের বিরোধ হল ধর্মীয় বিরোধ। আলেম-ওলামাগণ তাদেরকে গোমরাহ ও পথভ্রষ্ট বলে অভিহিত করেছেন। হক্কানী আলেম-ওলামাগণের মতে এরা কাদিয়ানীদের থেকেও জঘণ্য। দ্বীনী দাওয়াতের উসূল পরিবর্তন ও ইসলামকে মনগড়াভাবে ব্যাখ্যা করে ধর্মপ্রাণ জনগণকে বিভ্রান্ত করায় তাদের প্রতিহত করা আলীয়া-কওমী সকল সিলসিলার পীর-মাশায়েখ, আলেম-ওলামাগণের ঈমানী দায়িত্ব। তাই আসুন,আমরা ইসলাম,দেশ ও জাতির স্বার্থে সকলে ঐক্যবদ্ধ হয়ে জামায়াত-শিবিরের কর্মকান্ড প্রতিহত করি।
আল্লাহ আমাদের সহায় হোন। আমীন!

প্রচারেঃ সম্মিলিত আলীয়া-কওমী-পীর-মাশায়েখ পরিষদ

উপরে মওদুদীর বর্ণিত কথাগুলো পড়ে বারবার একটাই কথা সামনে আসছে,মওদুদীর মত লোক যেই অবমাননা ইসলামের করেছে সে তুলনায় ব্লগাররা নিতান্তই চুনোপুটি,নাস্তিক ব্লগারদের ফাঁসি দাবী করবার আগে মওদুদীবাদী সকল জামায়াত-শিবিরের ফাঁসি দাবী কি খুব অযৌক্তিক হবে?

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

১৪ thoughts on “জামায়াত শিবিরের অপপ্রচার থেকে সতর্ক থাকার আহ্বান

  1. অসাধারণ পোস্ট। এমন একটা
    অসাধারণ পোস্ট। এমন একটা পোস্টের অপেক্ষায় ছিলাম আমি অনেকদিন।
    বলতাম মউদুদি ফেতনা কারি কিন্তু প্রমাণ দেখাইতে পারতাম না।
    ধন্যবাদ ভাইয়া এমন পোস্টের জন্য।

    1. খুশি হলাম জেনে যে এই পোস্ট
      খুশি হলাম জেনে যে এই পোস্ট আপনার কাজে লাগবে।
      সামনে থেকে আরো কিছু শেয়ার করব আশা করছি।

  2. মহান আল্লাহ তা’আলা আপনার
    মহান আল্লাহ তা’আলা আপনার মঙ্গল করুন। সকল আলেম ওলামাগণকে এরূপ বক্তব্য প্রতিটি মসজিদে জুম’আর দিনে প্রচার করতে অনুরোধ করছি। আল্লাহ আপনাদের মঙ্গল করুন। আমিন…………….

    1. আমার দেয়ার ছিলো দিয়েছি,এখন
      আমার দেয়ার ছিলো দিয়েছি,এখন মসজিদে এবং ধর্মপ্রাণ মুসল্লিদের কাছে এইসব পৌছে দেয়ার ব্যবস্থা আপনাদেরকেই করতে হবে।

  3. প্রথমেই সাধুবাদ জানাই আপনাকে।
    প্রথমেই সাধুবাদ জানাই আপনাকে। স্পেসিফিক রেফারেন্স সহ পুরো মওদুদীর ভণ্ডামি টাইপ করে লেখাটা সময়সাপেক্ষ কষ্টসাধ্য। আমি নিজেও মওদুদীর সম্পর্কে লিখছিলাম( টাইপ-পেস্ট)।
    ””জামায়াতের ইসলামী গঠনের পর মওদুদী যে বক্তব্য দিয়েছিলেন তাতে তিনি বলেছিলেন,”জামাতে ইসলামীতে প্রবেশের পুর্বে সবাইকে নতুনভাবে কালিমা পড়তে হবে, আর জামাতে ইসলামী থেকে ফিরে যাওয়ার অর্থ হচ্ছে মুরতাদ (ধর্মদ্রোহী) হয়ে যাওয়া।”(রোদাদে জামাতে ইসলামী)

    জামাতে ইসলামী সম্পর্কে মওদুদী বলেন,”আমাদের বিশ্বাস এই যে, ইহা একটি দাওয়াত এবং কর্মপন্থা যা ব্যাতিত অন্যান্য সকল দাওয়াত এবং কর্মপন্থা একেবারে ভ্রান্ত।”(তরজমানুল কুরআন, পৃষ্ঠা- ১১১, খণ্ড- ২৬, সংখ্যা- ৩) অর্থাৎ জামাতে ইসলামী ছাড়া সব বাতিল ও ভুল! মওদুদী আরও বলেন,’ মানুষের মনে ইসলামের যে রূপরেখা প্রচলিত রয়েছে তা পুরোপুরি ধ্বংস না করে নতুন নকশা পেশ করা একান্তই মূর্খতা ।’ ‘(তরজমানুল কুরআন, পৃষ্ঠা- ১৩৪, খণ্ড- ১৪, সংখ্যা- ২)। ‘পুরোপুরি ধ্বংস ‘ ও ‘নতুন নকশা পেশ’ এর প্রেক্ষিতে কিছু কাজ-কর্ম ঃ
    আল্লাহ্‌ তা’য়ালা কুরআনে বলেছেন,” নিশ্চয় আমি কুরআন নাযিল করেছি এবং আমিই এর হিফাযাত করব ।”(সূরা হিজর, আয়াত-৯); কিন্তু মওদুদী লিখেন,”কুরআন অবতীর্ন হওয়ার সময় এ শব্দগুলোর (অর্থাৎ কুরআনের চারটি পরিভাষা যথা দীন,ইলাহ্, রব, ইবাদাত) যে মূল অর্থ প্রচলিত ছিল, পরবর্তী শতকে ধীরে ধীরে তা পরিবর্তিত হতে থাকে। শেষ পর্যন্ত এক একটি শব্দ তার সম্পূর্ণ ব্যাপকতা হারিয়ে একান্ত সীমিত বরং অস্পষ্ট অর্থের জন্য নির্দিষ্ট হয়ে পড়ে। …… ……কুরআনের এক তৃতীয়াংশ আয়াত প্রচ্ছন্ন হয়ে গেছে।””

    আপনার পোস্ট টি যথেষ্ট সমৃদ্ধ। এখন জানিয়ে দেবার কাজটি করতে পারবো। ছড়িয়ে দিচ্ছি। ভালো থাকুন।

  4. এই পদ্ধতিটা আমার কাছে ভাল
    এই পদ্ধতিটা আমার কাছে ভাল লাগে না। জামাত শিবির যে জঙ্গি সংগঠন এর কারন কিন্তু এই দ্বীমতের জন্য না। সাতকানিয়া মাউলানাদের সাথে অল্প বিসাদৃশ্য আছে। আর বেশির ভাগ অংশেই কিন্তু তারা একমত। যদি ধরি নেই সাতকানিয়া সহ অন্যান্য ধর্ম ভিত্তিক দলের সাথে ধর্মের দিক দিয়ে জামাত ৫% এদিক সেদিক। তাহলে কি দাঁড়ালো? …

    বিস্তারিত বলতে ইচ্ছা করছে না। ম্যালেরিয়া সারাবে কুইনাইন,কিন্তু কুইনাইন সারাবে কে?

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

15 − = 9