ইসলামে কি নেশা দ্রব্য জায়েজ?

ইসলামে কি নেশা জায়েজ? নাকি হারাম? ইসলামী শাস্ত্র মতে আবার হারামের রকম ফের আছে। কোনটা পুরাপুরি হারাম। কোনটা আধাআধি। কোনটা হারাম না তবে না করাই ভাল! আবার কোনটার ব্যাপারে সিদ্ধান্তই নাকি হয়নি…।

মদ নিষিদ্ধের ঘটনা যারা জানে তারা দেখেছেন মদ নিষিদ্ধের খুব একটা ইচ্ছা প্রফেটের ছিল না। হযরত ওমরের পিড়াপিড়ি ও হযরত আলীর বন্ধুবান্ধব নিয়ে মসজিদে মাতলামীর মত ঘটনার কারণে এটা পুরোপুরি নিষিদ্ধ হয়ে যায়। (ইমাম ইবনে জারির (রা:)র বর্ননায় রয়েছে হযরত আলী(রা:), হযরত আব্দুর রহমান(রা) এবং তৃতীয় একজন সাহাবী মদ পান করেন। হযরত আব্দুর রহমান(রা:)কে ইমাম বানানো হয় । কোরআনুল কারীমের সুরা তিনি বিশৃংখলভাবে পাঠ করেন। তখন একটি আয়াতটি নাজিল হয়।(সুনান ই আবু দাউদ, সুনান ই নাসাঈয়ের মধ্যেও এই বর্ননাটি রয়েছে)। তাফসির ইবনে জারীরেও আর একটি বর্ননা রয়েছে যে, হযরত আলী (রা:) ইমাম হন এবং যেভাবে পড়তে চেয়েছিলেন সেভাবে পারেননি। তখন একটি আয়াতিট নাজিল হয়। অন্য একটি বর্ননায় রয়েছে যে, হযরত আব্দুর রহমান ইবনে আউফ(রা:) ইমাম হন এবং সুরা কাফিরুন ভূলভাবে পড়েন। তখন এই আয়াতটি নাজিল হয়। )…
প্রথম যুগে মদ নিষিদ্ধ ছিল না ইসলামে। তারও পরে শুধুমাত্র নামাজের সময় ব্যতিত মদ বৈধ ছিল। মদ যে কতটা প্রিয় বস্তু আরবদের কাছে তার প্রমাণ বেহেস্তে মদের নহর বইয়ে দেয়ার প্রতিশ্র“তি করা হয়েছে। খারাপ-জঘন্ন কিছু মনে করলে এই সৌখিন পানীয়কে বেহেস্তের মত “পবিত্র” জায়গায় স্থান পেতো কিভাবে?

ইসলাম সিগারেটের বিষয়ে নেতিবাচক মনোভাব দেখায়। এটা নেশা। নেশাবস্তুই ইসলামের হারাম। পানের সঙ্গে জর্দা খাওয়া কি তাহলে জায়েজ? জর্দা খাওয়া মানে তো একটা সিগারেট চিবিয়ে খাওয়া! আলেমওলামাদের একমাত্র নেশা পান। জর্দা দিয়ে দিব্যি নেশা চলছে। আজ পর্যন্ত কোন ইসলামিস্টকে বলতে শুনিনি-পান খাওয়ার কথা ইসলামে নেই। কাজেই এটা বেদাত! আল্লার নবী পান খেলে নিশ্চিত করেই সেটা স্ন্নুত হতো। হিন্দু ধর্মে মদ পুজার কাজে লাগে। অনেক দেবতার অর্ঘ হলো মদ। গ্রীকদের মদের দেবতা ছিল। আর ইসলাম কথা দিয়েছে তার কথা মত চললে পরকালে প্রচুর মেয়ে মানুষ ও মদের বন্যা বইয়ে দেয়া হবে।…

শাইখুল হাদিস আল্লামা আজিজুল হককে একবার গ্রেফতার করা হয়েছিল। কাগজে পড়েছি হুজুর পান খেতে না পেরে অস্থির হয়ে পড়েছিলেন!

যারা কোরআনের মধ্যে বিজ্ঞানকে দেখতে ভালবাসেন আর প্রতিনিয়ত খুঁজে পান তাদের জন্য জ্ঞাতার্থে: আধুনিক চিকিৎসা বিজ্ঞান অনুযায়ী পরিমিত (দুই পেগ) মদ্য পান করা হার্টের জন্য অত্যন্ত উপকারী!…

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

১২ thoughts on “ইসলামে কি নেশা দ্রব্য জায়েজ?

  1. এই ল্যাহাডা ধৈর্য ধৈরা পড়া
    এই ল্যাহাডা ধৈর্য ধৈরা পড়া গেলু।২-১টা জায়গা চরম লাগছে যেমন আপ্নে নাস্তিক হৈয়াও সাহাবায়ে কেরামগন গো নাম চরম সম্মানের সহিত লিখছেন।জামাইত্তা হৈলে লিখতনা।
    আর ২ একটা জায়গায় ধর্মেরে একটু খাঁটো করছেন।আইজকা ঐটা ধরলাম না।

  2. এই ল্যাহাডা ধৈর্য ধৈরা পড়া
    এই ল্যাহাডা ধৈর্য ধৈরা পড়া গেলু।২-১টা জায়গা চরম লাগছে যেমন আপ্নে নাস্তিক হৈয়াও সাহাবায়ে কেরামগন গো নাম চরম সম্মানের সহিত লিখছেন।জামাইত্তা হৈলে লিখতনা।
    আর ২ একটা জায়গায় ধর্মেরে একটু খাঁটো করছেন।আইজকা ঐটা ধরলাম না।

  3. এই ল্যাহাডা ধৈর্য ধৈরা পড়া
    এই ল্যাহাডা ধৈর্য ধৈরা পড়া গেলু।২-১টা জায়গা চরম লাগছে যেমন আপ্নে নাস্তিক হৈয়াও সাহাবায়ে কেরামগন গো নাম চরম সম্মানের সহিত লিখছেন।জামাইত্তা হৈলে লিখতনা।
    আর ২ একটা জায়গায় ধর্মেরে একটু খাঁটো করছেন।আইজকা ঐটা ধরলাম না।

  4. আর ২ একটা জায়গায় ধর্মেরে একটু

    আর ২ একটা জায়গায় ধর্মেরে একটু খাঁটো করছেন।আইজকা ঐটা ধরলাম না।

    আপনে আমারে ধরার কেডা? আপনে মনে হয় বাংলা ব্লগে নতুন।

  5. মদ বেহেস্তে হালাল হইলে
    মদ বেহেস্তে হালাল হইলে পৃথিবিতে হারাম হইলো ক্যান!!! :ভাবতেছি: :ভাবতেছি: :ভাবতেছি: :ভাবতেছি: :ভাবতেছি:

    1. নৈতিকতার কোন রকম ফের হতে পারে
      নৈতিকতার কোন রকম ফের হতে পারে না। যেটা এখানে অনৈতিক সেটা তো তথাকথিত পরকালেও অনৈতিক হবে। না হলে আমাদের নৈতিকতার বোধের মানদ্বন্ড থাকে না। এটাই ধর্মের দুর্বল মোড়ালিটি।

  6. মদের ইতিহাস ধর্মের ইতিহাস
    মদের ইতিহাস ধর্মের ইতিহাস থেকে অনেক পুরানো।সম্ভবত পৃথিবীতে ধর্মের আগেই মদের আবির্ভাব।

  7. প্রথম যুগে মদ নিষিদ্ধ ছিল না
    প্রথম যুগে মদ নিষিদ্ধ ছিল না ইসলামে। তারও পরে শুধুমাত্র নামাজের সময় ব্যতিত মদ বৈধ ছিল। মদ যে কতটা প্রিয় বস্তু আরবদের কাছে তার প্রমাণ বেহেস্তে মদের নহর বইয়ে দেয়ার প্রতিশ্র“তি করা হয়েছে। খারাপ-জঘন্ন কিছু মনে করলে এই সৌখিন পানীয়কে বেহেস্তের মত “পবিত্র” জায়গায় স্থান পেতো কিভাবে?————–

    ফালতু মন গড়া কথা বলার আর জায়গা পান না

    1. তো সঠিক তথ্যটা আমাদের জানান।
      তো সঠিক তথ্যটা আমাদের জানান। আমি মন গড়া কিছু বলছি কিনা হাদিস থেকে প্রমাণ দেখান। নইলে নিজের ফালতু কথার জন্য ক্ষমা চেয়ে দূর হন!

      1. মদ পান করার শাস্তি
        কোরআনের

        মদ পান করার শাস্তি

        কোরআনের আয়াত:
        ১ লোকেরা তোমাকে জিজ্ঞেস করে মদ ও জুয়া সম্পর্কে। তুমি বল: উভয়ের মধ্যে আছে মহাপাপ এবং উপকারও আছে মানুষের জন্য, তবে এদের পাপ উপকারের চেয়ে অধিক। [সূরা বাকারা-২১৯]
        ২ ওহে যারা ঈমান এনেছ! মদ, জুয়া, মুর্তিপূজার বেদী এবং ভাগ্য নির্ণায়ক তীর তো ঘৃন্য বস্তু, শাইতানের কাজ। অতএব তোমরা সব বর্জন কর যাতে তোমরা সফলকাম হতে পার। [সূরা মায়িদা-৯০]
        ৩ শাইতান তো তোমাদের মাঝে শত্রুতা ও বিদ্বেষ ঘটাতে চায় মদ ও জুয়ার মাধ্যমে এবং তোমাদের বাধা দিতে চায় আল্লাহর স্মরণ থেকে ও সালাত থেকে। তবুও কি তোমরা নিবৃত্ত হবেনা? [সূরা মায়িদা-৯১]
        ৪ এ বিষয়ে অন্যান্য সূরা দেখুন : সূরা নিসা-৪৩।

        হাদীস:
        ৫ নবী করীম (সাঃ) বলেছেন: যে ব্যক্তি দুনিয়ার মদ পান করেছে এরপর সে তা থেকে তওবা করেনি সেই ব্যক্তি আখিরাতে তা থেকে বঞ্চিত থাকবে। [বুখারী ৫১৬২-আ,ই, উমর (রাঃ) , [তিরমিযী ১৮৬৭]
        ৬ আয়িশা (রাঃ) বলেন, নবী করীম (সাঃ) বলেছেন: সব নেশা যাতীয় পানীয়ই হারাম। [বুখারী ৫১৭২, তিরমিযী ১৮৬৯, মুসলিম ৫০৪১]
        ৭ নবী করীম (সাঃ) বলেছেন: আমার উম্মতের মাঝে অবশ্যই এমন কতগুলো দলের সৃষ্টি হবে যারা ব্যাভিচার, রেশমী কাপড়, মদ ও বাদ্য যন্ত্রকে হালাল জ্ঞান করবে। [বুখারী ৫১৭৬-আ, ই, গানাম আশারী (রাঃ )]
        ৮ কোন শরাব পানকারী শরাব পান করার সময় ঈমানদার থাকেনা। [বুখারী ৬৩০২-আবূ হুরাইরা (রাঃ)]
        মদ পানের ভয়াবহতা সম্পর্কে নবী করীম (সাঃ) এর সতর্কবানী:
        মদ পান করা অবস্হায় মদ পানকারী কোন মুসলিমের ঈমান থাকেনা। অতএব যদি এ অবস্হায় মৃত্যু এসে যায় তাহলে তাকে বে-ঈমান হয়ে মরতে হবে। কেননা হাদীসে এসেছে: আবূ হুরাইরা (রাঃ) বলেন: নবী করীম (সাঃ) বলেছেন: ব্যভিচারী ব্যাভিচারে লিপ্ত থাকা অবস্হায় ঈমানদার থাকেনা, মদ পানকারী মদ পান করার সময় ঈমানদার থাকেনা এবং চোর চুরি করার সময় ঈমানদার থাকেনা। [হাদীসটি বুখারী (২৪৭৫,৫৫৭৮,৬৭৭২), মুসলিম (৫৭), তিরমিযী (২৬২৫), নাসাঈ (৪৮৭০,৪৮৭১), আবূ দাঊদ (৪৬৮৯), ইবনে মাযাহ (৩৯৩৬), আহমদ (৭২৭৬) ও দারেমী (২১০৬) বর্ণনা করেছেন]।

        ৯ নবী করীম (সাঃ) শরাব পানকারীকে বেত্রাঘাত এবং জুতা মেরেছেন। [বুখারী ৬৩০৩-আ, ই, মালিক (রাঃ), ইবনে মাযাহ ২৫৭০]
        ১০ যা নেশা সৃষ্টি করে তাই মদ, আর যা নেশা সৃষ্টি করে তাই হারাম। [মুসলিম ৫০৪৯-ইবন উমর (রাঃ) , তিরমিযী ১৮৬৭]
        ১১ নবী করীম (সাঃ) বলেছেন: কেহ মাতাল হলে তাকে বেত্রাঘাত কর। সে পুনরায় মাতাল হলে তাকে বেত্রাঘাত কর। সে পুনরায় মাতাল হলে আবারো বেত্রাঘাত কর। এরপর চতুর্থবার বলেছেন: সে যদি পুনরায় মাতাল হয় তাহলে তার গর্দান উড়িয়ে দাও। [ইবনে মাযাহ ২৫৭২-আবূ হুরাইরা (রাঃ)]
        ১২ মদ পান করবেনা। কেননা তা সমস্ত পাপ কাজের উৎস। [ইবনে মাযাহ ৪০৩৪]
        ১৩ হালাল ও পবিত্র শরবতের পরে অন্যান্য শরবত ঘৃন্য হারাম। [বুখারী ৫১৮৪]
        ১৪ প্রত্যেক নেশার বস্তুই হারাম। [বুখারী ৫৬৮২-আবূ মুসা (রাঃ, আবূ দাঊদ ৩৬৪৩)
        ১৫ যা অধিক পরিমাণে পানকরলে নেশার সৃষ্টি হয় তা অল্প পরিমানে পান করাও হারাম। [আবূ দাঊদ ৩৬৪০]

        আল্লাহ এবং আখেরাতে বিশ্বাসী কোন ব্যক্তি মদ পান করতে পারে না এবং মদের টেবিলে বসতেও পারে না।
        আবূ হূরাইরা (রাঃ) হতে বর্নিত হয়েছে, কারন রাসূল (সাঃ) বলেছেন: “যে ব্যাক্তি আল্লাহ ও শেষ দিবসের প্রতি বিশ্বাস রাখে সে মদ পান করতে পারে না এবং যে ব্যক্তি আল্লাহ ও শেষ দিবসের প্রতি বিশ্বাস রাখে, সে ব্যক্তি সেই দস্তরখানা (টেবিল বা স্হানে) বসতে পারে না যেখানে মদ পান করা হয়”। [হাদীসটি ইমাম ত্ববরনী আল-মুজামুল কাবীর গ্রন্হে (১১৩০০) বর্ননা করেছেন। হাদীসটিকে শায়খ আলবানী সহীহ আখ্যা দিয়েছেন, দেখুন ‘সহীহ তারগীব অত-তারহীব’ (১৭২)]

        আম্মার ইবনু ইয়াসির (রাঃ) হতে বর্নিত হয়েছে, তিনি রাসূল (সাঃ) হতে বর্ননা করেন, তিনি বলেন: তিন শ্রেনীর লোক কখনো জান্নাতে প্রবেশ করবেন না: দায়ূস, পুরুষের বেশধারী এবং অব্যাহতভাবে মদ পানকারী। সাহাবীগন বললেন: হে আল্লাহর রাসূল! মদ পানকারীকে আমরা চিনি তবে দায়ূস কে? তিনি বললেন: সেই ব্যক্তি যে তার পরিবারের (স্ত্রীর) নিকট কে প্রবেশ করছে সে ব্যাপারে তার কোন পরোয়াই নাই (কিছুই মনে করে না) । আমর বললাম: পুরুষের বেশ ধারনকারী নারী দ্বারা কি বুঝালো হয়েছে? তিনি বললেন: পুরুষের সাথে সাদৃশ ধারনকারী নারী। [হাদীসটি ইমাম ত্ববরনী বর্ননা করেছেন। হাদীসটিকে শায়খ আলবানী সহীহ আখ্যা দিয়েছেন, দেখুন সহীহ তারগীব অত-তারহীব (২০৭১, ২৩৬৭) ]

        আখেরাতে মদ পানকারীর শাস্তি: জাবের (রাঃ) হতে বর্নিত হয়েছে যে, এক ব্যাক্তি ইয়ামানের জীশানা অ জায়শানু হতে আগমন করে রাসূল (সাঃ) -কে তাদের ভূমিতে উৎপন্ন যুরাহ (ভুট্টা) থেকে প্রস্তুতকৃত শরাব সম্পর্কে জিজ্ঞেস করল যাকে মিযরু বলা হয়ে থাকে। রাসূল (সাঃ) বলেছেন: তা কি মাতাল করে (নেশা সৃষ্টিকারী? সে ব্যক্তি বলল: জি হ্যা। তখন রাসূল (সাঃ) বললেন: সকল প্রকার মাতালকারী বস্তু হারাম। আর আল্লাহ এ অঙ্গীকার করেছেন যে, যে ব্যক্তি মাতালকারী বস্তু পান করবে তিনি তাকে তীনাতুল খাবাল ভক্ষন করাবেন। তারা বলল: হে আল্লাহর রাসূল! ত্বীনাতুল খাবাল কি? তিনি বললেন: জাহান্নামীদের ঘাম অথবা জাহান্নামীদের থেকে নির্গত দুর্গন্ধযুক্ত নিকৃষ্ট রস। [হাদীসটি ইমাম মুসলিম (২০০২) ও নাসাঈ (৫৭০৯) বর্ননা করেছেন।]

        মদ পানকারীর ৪০ দিনের সালাত কবুল করা হবে না: আব্দুল্লাহ ইবনে আমর (রাঃ) হতে বর্নিত হয়েছে, তিনি বলেন: রাসূল (সাঃ) বলেছেন: যে ব্যক্তি মদ পান করে মাতাল হয়ে যাবে তার ৪০ দিনের সালাত কবূল করা হবেনা। সে যদি এ অবস্হায় মারা যায় তাহলে জাহান্নামে প্রবেশ করবে। (পান করার পর যদি সে তাওবাহ করে তাহলে আল্লাহ তার রাওবাহ কবুল করবেন। অত:পর সে যদি পুনরায় মদ পান করে মাতাল হয়ে যায় তাহলে তার ৪০ দিনের সালাত কবুল করা হবেনা। অত:পর সে যদি এ অবস্হায় মারা যায় তাহলে সে জাহান্নামে প্রবেশ করবে। অত:পর সে যদি ৪র্থ বার মদ পান করে তাহলে কিয়ামতের দিন আল্লাহর উপরে তাকে রাদাগাতুল খাবালত্বীনাতুল খাবাল পান করানো অপরিহার্য হয়ে যায়। তারা বলল: হে আল্লাহর রাসূল! রাদাগাতুল খাবালত্বীনাতুল খাবাল কি? তিনি বললেন: জাহান্নামীদের থেকে নির্গত দুর্গন্ধযুক্ত নিকৃষ্ট রস।[হাদীসটি ইবনু মাযাহ (৩৩৭৭) এবং ইমাম আহমদ ও তিরমিযীও বর্ননা করেছেন।]

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

+ 89 = 94