শক্ত হাতে দমন হবে লালন-লেনিন অথবা ছবির হাট!

গৌরচন্দ্রিকাঃ আ.লীগ এর আগেরবারের ক্ষমতায় আসা আর শেষ কথিত নির্বাচনের পর ক্ষমতায় আসার মধ্যে বিস্তর ফারাক রয়েছে। এর আগেরবারও সাম্রাজ্যবাদী শক্তিগুলোর ইচ্ছে বা আর্শিবাদে শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন মহাজোট সরকার ক্ষমতায় আসে। আর দ্বিতীয়বার এ সমর্থন আঞ্চলিক পরাশক্তি ভারতীয় সম্প্রসারণবাদ ও দেশের সেনাবাহিনীর নিশ্চল ভূমিকার কারণে গণভবন থেকে নামতে হয়নি শেখ হাসিনাকে। কিন্তু পরিস্থিতি যেদিকে যাচ্ছে তাতে মনে হচ্ছে-শেখ হাসিনা সহ এন্তার আ.লীগের নেতা কর্মীরা বুঝে গেছেন সময় হাতে বেশি নেই। নগদ নারায়ন যা পাওয়া যায় তাই ভাল। দ্রুত কামাও, এলাকা লিজ দাও বেশ্যার দালাল অথবা মাফিয়াচক্রের কাছে। কারণ যে কোন মূহুর্তে ক্ষমতা হাত থেকে চলে যেতে পারে।

এখন প্রশ্ন উঠতে পারে বিএনপিতো আন্দোলন জমাতে পারে না, জামায়াতের সাথে সরকারের আপোষরফা হয়েছে আর হেফাজত সরকারের টাকার কাছে বিক্রি হয়ে গেছে তাহলে সরকার পড়বে কিভাবে? বাকি থাকে কি সেনা অভ্যুত্থান? মোটেও সেনাক্যু’র ঝুকির মধ্যে হাসিনা সরকার নেই। শুধু বাংলাদেশ নয় সকল নয়াউপনেবিশত দেশগুলোতে আশির দশকের মত আর সেনাক্যুর সম্ভাবনা একেদম শূন্যের কোঠায় প্রায় নেমে এসেছে। আপনারা বেয়াড়া প্রশ্ন করতে পারেন তাহলে থাইল্যান্ডে কি হলো? সে প্রশ্নের উত্তরে ছোট করে বলে রাখি, সেই ক্যু হবার পর কোথাও থেকে কোন ফুলের মালা যায়নি।

লালন থেকে লেনিনঃ বাউল, ফকিরদের ওপর হামলা। হামলা হয়েছে যশোরের সংখ্যালঘুদের ওপর। গত পাঁচ বছরে যত সংখ্যালঘু ও ভিন্নামতালম্বি মানুষের ওপর হামলা হয়েছে তার পরিসংখ্যান এক জায়গায় জড়ো করলে গোটা বিএনপি জামাত জোট সরকারের সাথে তার আর কোন পার্থক্য থাকে না।

বাউল-ফকিরদের চুল দাড়ি কেটে তাদেরকে মোসলমান করা হয়েছে, পড়ানো হয়েছে তওবা। এটা শুধু ২০১১ সালের ৭ এপ্রিলে রাজবাড়ির পাংশার ঘটনা নয়, এর আগেরবার ও এবারের আ.লীগ শাসনামলে এরকম ঘটনা অসংখ্য ঘটেছে। অর্থ্যাৎ আ.লীগ একটি টোটালেটেরিয়ান ডিক্টেটরশিপ চাপিয়ে দিতে চাচ্ছে আমাদের ওপর। ইতোমধ্যে দলটি সফল। কারণ কোন বিরুদ্ধমতই সে রাখেনি। হেফাজতকে কব্জা করে শফি হুজুরের ছেলেকে রেলের সম্পত্তি দিয়েছে। তিনি সেখানে বহুতল ভবন করছেন। অন্যান্যদের আ.লীগ হয় নিজের ছাতার তলে নিয়ে এসেছে নতুবা তাদের বীষদাত ভেঙ্গে ঢোড়া সাপ বানিয়ে দিয়েছে। আওয়ামী লীগের এই আগ্রাসি মনোভাব থেকে কেউ রেহাই পায়নি। না লালনপন্থি ফকিররা না লেনিনবাদী বিপ্লবীরা।

কেন ছবির হাটঃ ছবির হাটের বৃত্তান্ত নিয়ে অনেকে অনেক কথা লিখেছেন, অনেকে আরো বলবেন। আমিও কিছু তথ্য উপাত্ত দিতে চাই এর সঙ্গে। সময়টি ২০০৩ সালে। মোল্লার একটি খাবারের দোকান আছে। সেখানে খোলা আকাশের নিচে কাচা মরিচ দিয়ে ভাত খায় আমার মত অনেক শিক্ষার্থী। এরও আগে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলায় একটি ক্যান্টিন ছিলো। সেখানে আমরা কলাভবনের শিক্ষার্থীরাও যেতাম খেতে। কারণ দুপুর বেলায় কম টাকায় ভর্তা, ভাজি নানান পদের খাবার জুটত। হুট করে একদিন চারুকলা কর্তৃপক্ষ বললেন, ক্যান্টিন বাণিজ্যিকভাবে কারো একজনের কাছে ছেড়ে দেওয়া হবে। বাণিজ্যিকতার বিরুদ্ধে আন্দোলন হলো। ক্যান্টিনটাই বন্ধ হয়ে গেলো। এই ক্যান্টিনটা বন্ধ হবার পরই মোল্লার দোকানে খরিদ্দার বেড়ে গেলো।
তো, বিকেলের পর স্থানটি একদমই নিরব। তখনো সরওয়ারর্দী উদ্যানের ভেতর টিনের বেড়া দিয়ে কাজ হচ্ছিলো। ফলে উদ্যানের ভেতর পাকা রাস্তাগুলো হয়নি।

কিছু লোক উদ্যেগ নিলেন সন্ধ্যা বেলা বর্তমান ছবির হাটে ঢুকতে যে বটগাছ তার নিচে গান করবেন। তখন এলাকাটি খুব নির্জন ছিলো। বট গাছের নিচেটা তখন উচু ঢিবির মত ছিলো। সন্ধ্যা নামার আগেই যেনো নেমে আসতো ঘন অন্ধকার। সেখানে সপ্তাহে তিন কি চারদিন (আমার এখন আর মনে নেই। শুক্রবার সহ) সেখানে সন্ধ্যেবেলা গান হোত। বাউল ফকিরদের গান। বিপ্লবের গান, প্রেমের গান। নিয়মিত গানের জন্য আনা হলো একটি ছোটখাটো সাউন্ড সিস্টেম সাথে বড় সাউন্ড বক্স। জায়গাটার নাম দেয়া হলো গানের ভিটা। যারা এ কাজে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন তার মধ্যে আছেন গায়ক কফিল আহমেদ, গায়ক রাজিব আহমেদ রাজু ভাই, মোল্লা সাগর আরো অনেকে। এরা সবাই কিছু না কিছু পারে। আমি কেবল বেগার। আমার কাজ ছিলো সাউন্ড সিস্টেমটা রিকশায় করে আনা। আবার গান শেষে তা নিরাপদে রাখা। এই সাউন্ড সিস্টেমটা প্রগতির পরিব্রাজক দল (প্রপদ) এর অফিসে রাখতাম। এসবের পাশাপাশি যারা ছবি আঁকেন এমন শিল্পীরা শুক্রবারে মোল্লার হোটেলের সামনের চত্বরে ছবি বিক্রির হাট বসানো শুরু করলেন। মাঝে মধ্যে আমরা, আমাদের বন্ধুরা, বড় ভাইরা সেখানে সিনেমা দেখানোও শুরু করলাম।

এরপর আস্তে আস্তে অন্ধকার উদ্যান ক্রমশই আলোকিত হলো, চায়ের দোকান বসলো। মধুর কেন্টিনে এক সময় যে রাজনৈতিক বিতর্ক, আড্ডা, বিপ্লব, কবিতা নতুন কিছুর জন্য তুমুল হৈচৈ-তার সব কিছুই শুরু হলো ছবির হাটে।

এখন প্রশ্নটা হলো ছবির হাটে কি হয়? কেন ছবির হাট ভাঙ্গতে হবে?

অনেকগুলো ছোট ছোট উত্তর, একটি সামগ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি মেলালে এর উত্তর পাওয়া যাবে। তবে সংক্ষেপে যদি বলি তাহলে, এই ভূমির ক্ষয়িষ্ণু মধ্যবিত্তের চিত্ত বিকাশের জন্য এই নগরে কোন আয়োজন নেই। আছে ধানমণ্ডি-সেখানে উচ্চবিত্তরা যায়। কিন্তু উচ্চবিত্তরাতো শিল্প সাহিত্য সৃষ্টি করে না, তারা শিল্প সাহিত্য কিনে তাদের ঘরের শোভা বর্ধন করেন। ছবির হাট সেই স্পেস পূরণ করতে সক্ষম হয়েছিলো। এর সঙ্গে অবশ্যই ক্ষুদ্র আকারে হলেও রাষ্ট্র বিরোধী কিছু মানুষ সেখানে যেতো, কবিতার কথা বলতো, গল্প লিখতে না পারার কথা বলতো, বিপ্লব হচ্ছে না, কম্যুনিস্ট পার্টিগুলো সব ভেড়াতে পরিণত হয়েছে তার সমালোচনা করতো। এসব করতে করতে তারা মাঝে মধ্যেই রাজপথে দাড়িয়ে যেতো। তারা শাহবাগের গণজাগরণ মঞ্চের আন্দোলনে দিনরাত খাটতো। মঞ্চের আওয়ামীকরণের বিরোধীতা করতো। তারা রানা প্লাজায় নিহত মানুষের জন্য চাঁদা তুলে পাশে দাঁড়াতো। তাদের জন্য লংমার্চ করে ঢাকা থেকে হেটে সাভারে গিয়ে রানাপ্লাজা সহ নির্যাতিত শ্রমিকদের পক্ষে কথা বলতো। বিজিএমই ঘেরাও করে সংগঠনের সভাপতির মুখে থুথু দিতো। তারা অনেক কিছু করতো। তারা রাষ্ট্রের হত্যার বিরোধীতা করার জন্য হাতে বন্দুক তুলে নেওয়ার মত উশকানিও দিতো। লালন ভাস্কর্য্য বিমানবন্দরে যখন ভাঙ্গতে চেয়েছে সরকার তার বিরুদ্ধে এ চত্বর থেকেই মনিরউদ্দিন তপু, কফিল আহমেদ, কৃষ্ণ কলি ইসলাম সহ অনেকের হাত ধরেই বাংলার সংস্কৃতি আন্দোলন গড়ে ওঠেছে। তবুও বলি, বিপ্লব হয়নি। এভাবে বিপ্লব হয়না কমরেডস।

এর বিপরীতে ছবির হাটে গাঁজা খাওয়া মানুষ যেতো। হয়তো ভিড় ভাট্টার মধ্যে দেহ বিক্রি করে সারাদিনের ভাত যোগাড় করার মত মেহনতি নারীও সেখানে ছিলেন। অথবা কিছুই না, একটু মন খুলে কথা বলার জন্যও অনেকে সেখানে যেতেন।

তো, এই মানুষগুলো আলবত হাসিনা খালেদার মানুষ না। তারা মুক্ত হতে চেয়েছিলো। সরকার আসলে এমন মানুষদেরকেই ভয় পায়। আমি আড়াআড়ি বা সোজাসুজি বুঝি-এমন মানুষদের ভয় পায় জনগনের ওপর চেপে বসা সরকারগুলো। শেখ হাসিনার দোষ কোথায়? তিনিও ভয় পেয়েছেন। এতোটাই ভয় পেয়েছেন রাতের অন্ধকারে সব ভেঙ্গে গুড়িয়ে দিয়েছেন।

আ.লীগ জামাত সমঝোতাঃ ৯৬ এর নির্বাচনে মৌলবাদী গোষ্ঠীর সাথে আ.লীগের সমঝোতা চুক্তির কথা মনে আছে নিশ্চয়ই?

এবার আওয়ামী লীগের সঙ্গে জামায়াতের একটা সমঝোতা হয়েছে অথবা আওয়ামী লীগ বিরোধী দল হিসেবে বিএনপির পরিবর্তে জামাতকে চায়। বিরোধী দল হিসেবে জামাতকে চাওয়ার পেছনে ১ হাজার ১টার ওপরে যুক্তি আছে। এটার প্রথম এসিড টেস্ট হয়েছিলো মোল্লা কাদেরের সময়। কিন্তু মানুষ যে এভাবে রিঅ্যাক্ট করবে আ.লীগ সে হিসেবটা আগে করে রাখেনি। ফলে এবার একটু ভেবেচিন্তে এগুনো।

প্রথমে শুরু হলো সব যুদ্ধাপরাধীদের বিচার ধীরগতিতে চলা। সাঈদীর রায় যে কোন সময় দিতে পারে কিন্তু রায় ঘোষণা হবে না। এরপর আসলো জামাত নিষিদ্ধের মামলা স্থগতি করা।

যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনালে তুরিন আফরোজের মত যারা আছেন তাদেরকে কোনঠাসা করে ট্রাইব্যুনালকে স্থগিত করা হলো একরকম। আইনমন্ত্রী একটা খোড়া যুক্তি দিলেন-জামাত নিষিদ্ধের মামলা করা যাবে না, আইনে শাস্তির বিধান নেই। এটা আইনকে একদম আমাদের মত লেম্যানদের মত বোঝা আর কি। যাতে এ বিষয়ে কোন কথা বার্তা জোরে সোরে না উঠে সে জন্য জাপান থেকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ফিরে-একদম স্টেট ধমক দিয়ে বললেন, এটা নিয়ে হৈইচই করার কিছু নেই। তিনি যেসব কথাবার্তা বললেন, সোজা আদালত অবমাননা। কিন্তু প্রধানমন্ত্রী বলে কথা। তিনিইতো সব। ফলে বন্ধ হয়ে গেলো জামাত নিষিদ্ধের মামলার ব্যাপারে সরকারকে সমালোচনা।

ড. আলী রিয়াজকে আপনারা চেনেন নিশ্চয়। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ইলিনয়’র ইউনিভার্সিটির শিক্ষক। সম্প্রতি ঢাকায় এসেছেন। দেশ, রাজনীতি নানান বিষয় তাঁর সাথে অনেক কথা হলো। তিনি একটি ব্যাখ্যা দিলেন। ব্যাখ্যার এক অংশের সঙ্গে আমি একমত। তিনি বললেন, “আওয়ামী লীগ বিএনপিকে শুকিয়ে মেরে ফেলবে। ইতিমধ্যে বিএনপি প্রায় অস্তিত্বহীন। আ.লীগ চায় বিএনপি বিলিন হয়ে যাক। জামাত থাকবে। দেশে দুইটি পক্ষ থাকবে। একপাশে আ.লীগ অন্যপাশে জামাত। এই দুটি ভাগকে সোজাভাবে দেখানো হবে স্বাধীনতার পক্ষের ও বিপক্ষের শক্তি।তখন যতই মধ্যবিত্ত আ.লীগের সমালোচনা করুক দিনশেষে আ.লীগেই থাকতে হবে। কারণ আর যাইহোক জামাতকেতো সমর্থন দেওয়া যায় না। এতে আ.লীগের ক্ষমতা দীর্ঘস্থায়ী হবে। এভাবে এগিয়ে যাচ্ছে আ.লীগ। আর যদি আ.লীগ না করতে চাও তাহলে ওয়ার্কার্স পার্টি কর, জাসদ কর, সাম্যবাদী দল কর তাতে সমস্যা নেই। আর যদি সেক্যুলার না থাকতে চাও তাহলে জামাত কর।’ যেহেতু এখানে সেক্যুলারিজম ইটসসেলফ রিলিজয়নে পরিণত হয়েছে সে কারণে উঠতি মধ্যবিত্তের শেষতক সেক্যুলার থাকতেই হবে। যদি বিএনপি না থাকে তাহলে সে কোনভাবেই জামাত হতে পারবে না।”

আমি তাকে প্রশ্ন করেছিলাম, বিএনপি না থাকলে সেই স্থানে অন্য কিছু এসে যাবে। শূন্যস্থান থাকবে না। আর বিএনপির শূন্যস্থান জামাতকে দিয়ে পূরণ হবে না।’ তিনি উত্তরে বললেন, না। তা হবে না। অন্য কেউ আসবে না।’ এর কারণ হিসেবে তিনি বললেন, আ.লীগের বিরোধীতা বা এন্টি আ.লীগ রাজনীতি যতবার হয়েছে তা এখানকার সেনাক্যু’র মাধ্যমে হয়েছে। বিএনপি, জাতীয় পার্টির ইতিহাস তাই। বর্তমানে সেরকম কোন সেনাক্যু’র কোন সম্ভাবনা নেই। ফলে আ.লীগ টিকে যাবে।’

আমি শ্রদ্ধেয় ড. আলী রিয়াজের সঙ্গে সম্পূর্ণ একমত নই। কোন শূন্যস্থান কখনোই শূন্য থাকে না। আবার জামাতও সেখানে প্রধান বিরোধী দলের ভূমিকা নিতে পারবে না। তাহলে কি হবে? এ ব্যাখ্যা আরো পরে দিচ্ছি।

করপোরেট মিলিটারিঃ বাংলাদেশের আসল মালিক কারা? সংবিধানে একটা জবাব আছে এর। জনগণ বাংলাদেশের মালিক। কিন্তু এটা আইডিয়ালিস্টিক থট। বাস্তবে এ দেশের মালিকানা হলো এখানকার ব্যবসায়ীরা। যদি ব্যাবসায়ীরা অস্থির হয়ে ওঠেন তাহলে একটা ক্রিয়া প্রতিক্রিয়া হতে পারে। এর সঙ্গে রয়েছে শক্তিশালী সিভিল সমাজ আর ভোগবাদী মধ্যবিত্ত যারা মালিক না হয়েও সমাজের উপরশ্রেণী ও প্রান্তিক জনগোষ্টির মধ্যে হেজিমনি তৈরী করার ক্ষমতা রাখে।

কিন্তু কে এই আ.লীগকে থামাবে? সেনাবাহিনী? প্রত্যক্ষ সেনাক্যু’র কোন সম্ভাবনা নেই। কারণ দেশের সেনাবাহিনী ক্যু করলে তাতে অনেক রিস্ক। আর ক্যু না করেইতো আমাদের সেনাবাহিনী অর্থ বিত্তের নানান ভাগ পেয়েছে। আর প্রতি নিয়ত পাচ্ছে। সেনাবাহিনীর এ সংক্রান্ত ব্যবসা বাণিজ্য নিয়ে জানতে চাইলে বিবিসির ফৌজি বাণিজ্য ধারাবাহিকগুলো পড়েন। এটা তাহলে নিশ্চিত করেই বলা যায় প্রত্যক্ষ কোন সেনাক্যু’র সম্ভাবনা আমাদের মিলিটারি থেকে আসার কোন সম্ভাবনা অন্তত দেখছি না।

মধ্যবিত্তের অস্বস্তিঃ মধ্যবিত্তশ্রেণী’র কোন প্রগতিশীল ভূমিকা কোনকালে এ ভূমিতে ছিলো না। অবাক হচ্ছেন না? এটা বিশ্বাস করলে করেন, না করলে আরো বিস্তারিত স্টাডি করে দেখতে পারেন। এমন কী ৭১’ ও না। আমাদের মধ্যবিত্ত আইডেন্টি ক্রাইসিসে ভোগা একটা রুগ্ন সাংস্কৃতিক শ্রেণী। তারা কারোর পক্ষে হয়ে মাঠে নামার কোন চান্স নেই। আগে যেখানে একজন অনার্স পড়ুয়া শিক্ষার্থী শিক্ষা জীবনের পাশাপাশি জাতীয় রাজনীতির নানান বিষয়ে নিয়ে মাঠ গরম করতো এখন তারা ব্যস্ত কিভাবে করপোরেট জব নিয়ে ভালো থাকা যায়। এমন কী যে বাবা মা তাকে বড় করেছে তার দায়িত্ব এড়িয়ে নিজের জন্য বাঁচা যায় (গোপনে বলে রাখি এভাবে ভালো থাকা যায় না)। এই মধ্যবিত্তশ্রেণী কখনোই কোন ডিক্টেটরের বিরুদ্ধে রাস্তায় নেমে প্রতিবাদ করবে না। কিন্তু এরাই আবার হেজিমনি তৈরীতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। তো কিভাবে? এরা যখন অস্বস্তিতে ভোগেন তখন রাষ্ট্রও অস্বস্তিতে ভোগে।
একটা নগদ উদাহরণ নারায়নগঞ্জ। র‌্যাব তৈরী হবার পর সব থেকে বেশি মানুষ খতমের স্বীকার হয়েছেন নিষিদ্ধ গোপন কম্যুনিস্ট পার্টির নেতা ও কর্মীরা। পূর্ববাংলার কমিউনিস্ট পার্টি (এম এল) সাধারণ সম্পাদক মুক্তিযোদ্ধা মোফাখারুর চৌধুরীকে র‌্যাব গুলি করে হত্যা করে। পূর্ববাংলার কমিউনিস্ট পার্টি (এম এল লাল পতাকা) এর সাধারণ সম্পাদক ডা: মিজানুর রহমান টুটুলকেও হত্যা করা হয়। এসব পার্টির অন্তত ১৮’শ মানুষ হত্যা করা হয়। আর গণমাধ্যম তাদের পরিচয় দিয়েছে হত্যার পরে, কান কাটা মনির বা নাক কাটা সিরাজ নামে। পত্রিকাগুলো তাদের সম্পর্কে রিপোর্ট করেছে, অমুক থানায় তার নামে ১৬টি খুনের মামলা আছে। কোন রিপোর্টারের একবার মনে হয়নি-তথ্যগুলো একটু ক্রসচেক করে নেই। র‌্যাব যা বলছে তাই সত্যি? অর্থ্যাৎ র‌্যাবের ক্রসফায়ারের সাথে গণমাধ্যম সেই খুনের ন্যায্যতা তৈরী করেছে। খুনের দায় তাই তাদেরও আছে।

তো, এখন আবার কি হলো যে র‌্যাবের বিরুদ্ধে হৈচৈ হচ্ছে? কারণ চন্দন সরকার। তিনি একজন মধ্যবিত্ত বা উচ্চ মধ্যবিত্ত। এক সময়ের শামিম ওসমানের কাছের মানুষ। টাকা পয়সা আছে। সমাজের এরকম একজন নিহত হলে মধ্যবিত্ত বিপন্নতা বোধ করেন। কারণ সেতো তাদের শ্রেণীর মানুষ। মোফাখার বা টুটুলতো তাদের শ্রেণী প্রতিনিধিত্ব করে না। তারা মরলে তাদের কিছু যায় আসে না। কিন্তু চন্দন সরকার মরলে তাদের যায় আসে। কারণ, চন্দন সরকারতো রাষ্ট্র ভাঙ্গতে যায়নি। এরকম একজন মানুষকে যখন র‌্যাব ধরে নিয়ে যায় তখন মধ্যবিত্ত মনে করে যেকোন সময় তাকেও র‌্যাব বা পুলিশের লোক ধরে নিয়ে শীতলক্ষ্যায় বা এরকম কোন নদীতে মাছেদের খাদ্য বানিয়ে দিতে পারে। এই মধ্যবিত্ত যখন হাউকাউ করে তখন গণমাধ্যমও হাউকাউয়ে সুর মেলায়। বিষয়টি এমন না যে, এর আগে গুম হয়নি। প্রতিদিনই গুম হয়েছে, এখনো হচ্ছে। সেসব খবর কোনদিন পত্রিকার পাতায় আসবে না। কারণ তারা মানুষ হিসেবে পৃথিবীতে তেমন কোন মূল্য তৈরী করতে পারেনি।
তো মধ্যবিত্তের অস্বস্তি শুরু হয়েছে। এই লক্ষণ ভালো না। এটা শেখ হাসিনাকে দ্রুত বিদায় নেওয়ার লক্ষণ।
ক্ষমতায় থাকার ন্যায্যতা আছে এটা আওয়ামী লীগ নিজেই বিশ্বাস করে না : আওয়ামী লীগ এবার যেভাবে ক্ষমতায় এসেছে তাতে দলটির নেতাকর্মীরা নিজেরাই বিশ্বাস করে না, কাজটি ঠিক হয়েছে কিনা। অর্থ্যাৎ আওয়ামী লীগের লোক মনে করছে যেভাবে ক্ষমতায় তারা এসেছে তাতে বেশিদিন তারা টিকতে পারবে না। দ্রুত লুটপাট করতে হবে। এলাকা দখল করতে হবে। গত ৫ জানুয়ারি প্রধান বিরোধী দল বিএনপি ও তার মিত্র জোট ছাড়াই নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতায় আসে আওয়ামী লীগ।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগ শিক্ষক ড. শান্তনু মজুমদার বলেন, ‘বর্তমান জোট সরকার প্রধান বিরোধী দল ছাড়াই গত ৫ জানুয়ারিতে যে একটি বিতর্কিত নির্বাচনের মধ্যে দিয়ে সরকার গঠন করেছে, এটা আইনের চোখে অবৈধ না হলেও গণতন্ত্রের সঙ্গে যায় না। আর সরকার গঠনের পর প্রধান বিরোধী দল অপেক্ষা নিজ দলের অন্তর্কলহের কারণে প্রায় প্রতিনিয়তই যে আহত নিহতর খবর আমরা পাচ্ছি তার কারণ হলো ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ একটি তড়িঘড়ি নির্বাচন দিয়ে সরকার গঠনের মধ্যে দিয়ে অতিরিক্ত আত্মবিশ্বাসী হয়েছে এবং কার্যকর প্রতিরোধহীন বিরোধী দলের কারণে আওয়ামী লীগের নেতা কর্মীদের মধ্যে একাধিপত্যের জন্ম দিয়েছে। এর কারণে আধিপত্য বিস্তারে নিজেরাই নিজেদের মধ্যে খুন সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ছে।’

এই রাষ্ট্র বিজ্ঞানী আরো বলেন, আওয়ামী লীগের নেতা কর্মীরা একটি আশঙ্কায় ভুগছেন। আর তা হলো যে ভাবেই হোক একটি নির্বাচনের মধ্যে দিয়ে আমরা ক্ষমতায় এসেছি। যে কয়দিন থাকতে পারি। যত তাড়াতাড়ি পারা যায় আখের গুছিয়ে নিতে হবে। এই ধরণের শঙ্কা আর লুটপাটের মনোভাবের কারণেই এমন ঘটছে বলেও তিনি মনে করেন।

আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলির সদস্য নূহ-উল আলম লেনিনও একই কথা বলেছেন। দেশে কোন কার্যকরী বিরোধী দল নেই এ ব্যাপারটি আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলির এই সদস্য স্বীকার করে বলেন, ‘দেশে কার্যকর কোন বিরোধী দল নেই। একটি দলের হাতে সর্বময় ক্ষমতা দেখে অসৎ লোকেরা নানা কায়দা-কৌশল করে আওয়ামী লীগে ঢুকে পড়ছে। এসব লোকেরাই দলের সর্বনাশ ডেকে আনে। এ সমস্ত অনুপ্রবেশকারীরা নিজেদের উদ্দেশ্য হাসিলে দলীয় কর্মীদের খুন করতেও দ্বিধা করে না। এ কারনে প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা অনুপ্রবেশকারী ও দলের নামে অপকর্মকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দিয়েছেন।’

ছবির হাট ভেঙ্গে দেওয়া আর শেখ হাসিনার নিজের আঁকা ছবি একই সময় প্রচারে এসেছে।

বিষয়টি কাকতাল হলেও এর মধ্যে একটি সুর কিন্তু আছে। আল কোরআন নাজিল হওয়ার পর আরবে কবিতা লেখা বন্ধ হয়ে গিয়েছিলো। কারণ আল কোরআনের চেয়ে বড় কবিতা আর হতে পারে না। এখন হাসিনা নিশ্চয় এরকম কিছু মনে করেন না। কিন্তু প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহযোদ্ধারা কি আর তাই মেনে চলবেন? মনে রাখতে হবে হিটলার কিন্তু দারুন একজন চিত্রশিল্পী ছিলেন।

হিটলার আঁকা ছবি।

এখন দেখা যাক মধ্যবিত্তের অস্বস্তি কোথায় গিয়ে পৌছায়। তবে ছবির হাট লালন কিম্বা লেনিন কোনকিছুকেই সরকার পরোয়া করে না। বিরুদ্ধমতের কোন চিহ্ন নিশানা তারা রাখতে চায় না।

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

৩৯ thoughts on “শক্ত হাতে দমন হবে লালন-লেনিন অথবা ছবির হাট!

  1. অশনি সংকেত… পুরো জাতির
    অশনি সংকেত… পুরো জাতির জন্যই। বাংলাদেশ যেই পথে এগুচ্ছে তার দায়ভার এই সরকার এড়াতে পারবে না। সাপ নিয়ে খেলার মাসুল দিতে হবে পুরো জাতিকেই। পাকিস্থান আফগানিস্থান দিচ্ছে হাড়ে হাড়ে।

    1. আহমদ ছফা অনেক বড়মাপের মানুষ।
      আহমদ ছফা অনেক বড়মাপের মানুষ। আহমদ ছফা হওয়া অনেক ধ্যানের ও সেক্রেফাইসের ব্যাপার। এটা বলে লজ্জা দিবেন না। আহমদ ছফার ব্যাখ্যার পদ্ধতি ও সৎ বলার নির্ভিকতা আমাদের জন্য অনুকরনীয়। পড়ার জন্য অশেষ কৃতজ্ঞতা।

  2. তুহিন ভাই, অসাধারণ একটা
    তুহিন ভাই, অসাধারণ একটা পোস্ট! অন্তরালের অনেত কিছু আপনার এই পোস্টে চলে এসেছে। তবে এসব চুদুর-বুদুরের কারণে সরকার বা আওয়ামীলীগ চরম রাজনৈতিক সংকটে পড়তে যাচ্ছে। যার মাশুল তারা কড়ায়-গন্ডায় দিবে।

  3. সরকার তার খমতা ও প্রভাব সব
    সরকার তার খমতা ও প্রভাব সব জায়গায়. বজায় রাখতে চায়। এমনকি পতিতালয়া হলেও। আর এই করতে গিয়ে সব লেজে গোবিন্দরে করে দিচ্ছে। ভাল লাগলো 🙂

  4. নূহ-উল আলম লেনিন; এর কথা ধরেই
    নূহ-উল আলম লেনিন; এর কথা ধরেই যদি বলি-

    দেশে কার্যকর কোন বিরোধী দল নেই। একটি দলের হাতে সর্বময় ক্ষমতা দেখে অসৎ লোকেরা নানা কায়দা-কৌশল করে আওয়ামী লীগে ঢুকে পড়ছে। এসব লোকেরাই দলের সর্বনাশ ডেকে আনে। এ সমস্ত অনুপ্রবেশকারীরা নিজেদের উদ্দেশ্য হাসিলে দলীয় কর্মীদের খুন করতেও দ্বিধা করে না। এ কারনে প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা অনুপ্রবেশকারী ও দলের নামে অপকর্মকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দিয়েছেন।

    কথাটা যৌক্তিক; এবং, সত্য। দেশে; বিরোধী দল থাকলেও তা কার্যকর নয়। বিএনপি হয়তো ভাবছে; জনগণ তাদের বিরোধী দল মানছে না, অথবা তারা তাদের রাজকীয় স্বভাবসূলভ মতোই, “আই ডোন্ট কেয়ার” করে চলেছে বলে কার্যকর নয়। আর এই সুযোগটা লুফে নিয়েছে সুযোগসন্ধানীরা, তারা দিন দিন কেবলা পরিবর্তন করে চলেছে। এইদিকটা অবশ্য বিএনপির জন্য ভালো হচ্ছে, কেননা এই সুযোগে; বিএনপি চিনে নিবে সুযোগসন্ধানীদের আর অসুবিধা হবে আওয়ামীলীগের। ভাঁড়ে পরিপূর্ণ হয়ে বেকুব হয়ে যাবে দলটি। হয়ে যাবে না বলে; বলা উচিত হয়ে যাচ্ছে, যার ফলেই আমরা দেখতে পারছি জামাত-শিবিরের কর্মীরা দিন দিন বায়াত পড়ে আ’লীগে যোগ দিচ্ছে।

    এই সুযোগসন্ধানীরা যুগে যুগে ছিলো, আছে এবং থাকবে। এদের কাজই হলো নিজেদের হীনস্বার্থ হাসিলে এরা যেকোন কাজ করে যাওয়া। এদের ভাগ্যটাও সুপ্রসন্ন, এরা হাওয়ায় পাল তোলা নৌকার মাঝি, যেদিক হাওয়া সেদিকেই তারা। আর এদের জোর এতোই বেশি যে এরা দলের অন্যকর্মীদেরকেও ডিঙ্গিয়ে এগিয়ে যায়। এরা নিজেদের প্রয়োজনেই দলকে বিতর্কিত এবং ব্যর্থ করে।

    আপনি শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত আপনার মতকে কখনো কারো উক্তি, কিনবা তথ্য ইত্যাদি দিয়ে প্রকাশের চেষ্টা করেছেন। যতদূর জানি আপনি একজন সাংবাদিক তাই আপনার অনেক কথা অনেকেই বিশ্বাস করবে। তবে আমি সরাসরিই নিজের মত হিসেবে বলবো, আওয়ামীলীগ-জামাত চুক্তি হয়নি। বরং বিএনপি জামায়াতের পাশ থেকে সরে যাওয়াতে জামায়াত দূর্বল হয়ে পড়ছে। শিবির তো ইতোমধ্যেই আন্তর্জাতিক শীর্ষ সন্ত্রাসী সংগঠনের তালিকায় নাম তুলিয়েছে আর এই জামাত-শিবিরের সাথে বিএনপি জোটভুক্ত হয়ে ক্ষমতায় গিয়ে যে অপকর্ম সম্পাদন করতে হয়েছিল তা যেমন এই বাংলার জনগণ ভুলতে পারেনি তেমনি বিএনপিও পারেনি। বিএনপি এখন নিজেদের গায়ের যুদ্ধাপরাধের কালি মুছতেই ব্যস্ত, এইজন্যে তারা একলা চলো নীতিতে এগুচ্ছে।

    জামাতকে প্রধান বিরোধী দল; অন্তত এই দেশের জনগণ কোনদিন মেনে নিবে না। আবার এককভাবে আ’লীগকেও; ক্ষমতায় থাকতে দিবে না। এমনকি আপনার ব্যক্ত; ঐ ধরণের ভ্রান্ত ধারণা “ইন্ডিয়ার কাছে দ্যাশ বেইচ্চা দিসে” টাইপ লোকেরাও থাকতে দিবে না, আর; অরাও দিবে না।

    বঙ্গ দেশের জনগণরে আমরা যত সহজেই বেকুব; আর; আবাল ভাবি আমরা; কিন্তু আসলে তা না। তুলনামূলকভাবে “খারাপের ভালো আওয়ামীলীগ”, এই শর্ত মেনে নিয়েই এইবারের তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবীতে আন্দোলনে নামি নাই, অথচ; এই আমরাই নেমে ছিলাম ২০০৬ সালে। আওয়ামীলীগ এতো খারাপ হলে; অবশ্যই; তারে এতোদিন গদিতে থাকতে দিতাম না।

    শেষে এটাই বলার নূহ-উল আলম লেনিনের কথাগুলা আবারো পড়ুন। ঐখানেই সত্য নিহিত, সুযোগসন্ধানীদের ভীড়ে দল আজ ভারযুক্ত। আশা করবো আ’লীগ যেহেতু বিএনপি স্টাইলে চলে না, তাই এমনকোন ভূল করবে না যার ফলে বিএনপির পরিণতি হয় আওয়ামীলীগের এটা বিশ্বাস করি।

  5. অসাধারণ বিশ্লেষণ। আওয়ামী লীগ
    অসাধারণ বিশ্লেষণ। আওয়ামী লীগ যেই মোনাফেকি আচরণ শুরু করেছে বাংলার জনগনের সাথে তাঁর ফল একদিন ভোগ করবে আর আমরা বঙ্গবন্ধুর আদর্শের এই দলটির পরিণতি দেখে হয়ত কষ্টই পাব।

  6. আপনি মনে হয় আমার লেখা ভুলভাবে
    আপনি মনে হয় আমার লেখা ভুলভাবে ইন্ট্রারপ্রেট করেছেন। আমি নিজের কথা কারোর মুখ দিয়ে বলাইনি।লেলিন ভাইয়ের এ বক্তব্য কালের কন্ঠে আমার এরকম একটি প্রতিবেদনে ছাপা হয়েছে। আর শান্তুনু মজুমদারের বক্তব্যও সেই রিপোর্টে ছিলো। ফলে বোল্ডকরা বক্তব্যগুলো আমার না।
    আর থাকলেন আলী রিয়াজ। রিয়াজ ভাইয়ের সাথে এ ব্যাপারে আমার দীর্ঘ সময় আলাপ হয়েছে তিনি বহু কিছু নিয়ে বলেছেন। আমি জামাত-আ.লীগ প্রসঙ্গের টুকু কোড করেছি।
    প্রচলিত ব্লগ ধাচের লেখা এটি না। আপনি এ লেখাটিকে সিটিজেন জার্নালিজম হিসেবে দেখলে খুশি হবো। যেহেতু ইস্টিশন সিটিজেন জার্নালিজম করে ইতিমধ্যে গুরুত্বপূর্ণ কিছু কাজ করেছে সেকারণে এখানে দিলাম। না হলে লেখাটি আমাদের রাজনৈতিক ম্যাগাজিন রাজকূটেই দিতে পারতাম।
    মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ

    1. মনে হচ্ছে, আপনি আমাকে; কিছু
      মনে হচ্ছে, আপনি আমাকে; কিছু স্থানে ভূল ভেবেছেন। ইস্টিশন ব্লগ; অবশ্যই “সিটিজেন জার্নালিজম”-এর জন্য; ইতোমধ্যেই ব্যাপক সাড়া ফেলেছে। মন্তব্যে এমন দাবী করা হয়নি; আ’লীগ ধোয়া তুলসী পাতা, এর জন্য আপনারই লেখা; নূহ-উল আলমের বক্তব্য; কোট করেছিলাম। আপনার লেখাকে সিটিজেন জার্নালিজম; হিসেবেই নিয়েছি এবং সেখানে; পক্ষপাতমূলক আচরণও পেয়েছি।

  7. ‘আপনি শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত
    ‘আপনি শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত আপনার মতকে কখনো কারো উক্তি, কিনবা তথ্য ইত্যাদি দিয়ে প্রকাশের চেষ্টা করেছেন।’
    আপনার এ বক্তেব্যের মানে কি যদি একটু ব্যাখা করতেন।
    আমি উপরে লিখেছি, আবার লিখছি। নিজের বক্তব্যেকে কারোর কোড হিসেবে দেয়নি। আপনার বক্তব্যের অর্থ কিন্তু তাই দাড়ায়।

    1. তুহিন ভাই. উনি কি বোঝাইতে
      তুহিন ভাই. উনি কি বোঝাইতে চাইতেছেন, উনি নিজেও জানেন না। উনার মন্তব্যের মধ্যে একটা লক্ষ্য স্পষ্ট। সেটা হচ্ছে, যেভাবেই হোক আওয়ামীলীগের দোষকে দোষ না বলা। আপনি সাংবাদিক,তাই আপনাকে শামীম ওসমানের পক্ষে বলতে হবে। ছবিরহাট ভাঙলেও মেনে নিতে হবে। কারণ বঙ্গবন্ধুর আদর্শ। বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে ওনারা এখন যাই করবেন তার সাথে প্যাচ খাওয়াতে হবে। আওয়ামীলীগ ভুল করতে পারেনা। ভুল করলেও মেনে নিতে হবে। কারণ হচ্ছে বিকল্প নাই। এখানে কার বিকল্প খোঁজা হচ্ছে? বিএনপি’র বিকল্প। আরে বাবা বিএনপি আর আওয়ামীলীগের চরিত্র এখন এক হয়ে গেছে, তাহলে আর এই ভাঙ্গা রেকর্ড বাজায়া কি লাভ? যাহাই বিএনপি, তাহাই আওয়ামীলীগ। সংসদে দাঁড়িয়ে দেশের প্রধানমন্ত্রী ও সংসদনেত্রী যখন শামীম ওসমানের মত গডফাদারের পাশে দাঁড়ানোর কথা বলেন,তখন আওয়ামীলীগের চরিত্র বিএনপি থেকেও খারাপ মনে হয়। সারাদেশে যে পরিমান ধান্ধাবাজি হচ্ছে- এটাই যদি বঙ্গবন্ধুর আদর্শ হয়, সেই আদর্শকে ছুঁড়ে ফেলে দেওয়াটা একজন সচেতন নাগরিকের দায়িত্ব।

      1. সংসদে দাঁড়িয়ে দেশের

        সংসদে দাঁড়িয়ে দেশের প্রধানমন্ত্রী ও সংসদনেত্রী যখন শামীম ওসমানের মত গডফাদারের পাশে দাঁড়ানোর কথা বলেন,তখন আওয়ামীলীগের চরিত্র বিএনপি থেকেও খারাপ মনে হয়। সারাদেশে যে পরিমান ধান্ধাবাজি হচ্ছে- এটাই যদি বঙ্গবন্ধুর আদর্শ হয়, সেই আদর্শকে ছুঁড়ে ফেলে দেওয়াটা একজন সচেতন নাগরিকের দায়িত্ব।

        সহমত দুলাল ভাইয়ের সাথে! আপনার স্পষ্টবাদিতার জন্য :ফুল: :ফুল: :ফুল:

  8. দুলাল ভাই, কেউ যদি বলে মন্দের
    দুলাল ভাই, কেউ যদি বলে মন্দের ভাল আ.লীগ তিনি আসলে শেষ পর্যন্ত আ.লীগের মানুষ। কারণ আপনাকে শেষ পর্যন্ত আ.লীগই ভরসা বলে তারা কীর্তন গাইবে।
    পৃথিবীতে এমন একজন লেখকের নাম বলেন যার পক্ষপাত নেই।পক্ষ।পাত খারাপ না। কিন্তু আপনের পক্ষে কেন যাবো তার যুক্তি দিয়ে বলেন আপনারটা ঠিক। এখন আমি যা ঠিক মনে করি তা প্রমান করার জন্য মার্কস-লেনিনকতো হাজির করবোই পাশাপাশি আর যাকে যাকে দরকার তাকেও ডেক আনবো। তাতে কোন সমস্যা আছে বলে মনে করছি না। বিষয়টি হলো যুক্তি। সেখানে ভুল থাকলে আপনার পক্ষে আমরা যাবো না।

    1. বিষয়টি হলো যুক্তি। সেখানে

      বিষয়টি হলো যুক্তি। সেখানে ভুল থাকলে আপনার পক্ষে আমরা যাবো না।

      :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ:

  9. শিল্পী হিসাবে হিটলারের চাইতে
    শিল্পী হিসাবে হিটলারের চাইতে হাসিনাকে অনেক দক্ষ মনে হইতেছে। এই ছবি দিয়া ফ্রান্স থেকে একটা পুরুষ্কারের ব্যবস্থা করা যাবে। এজন্য মোল্লা আমজাদের মত দালাল দরকার। রাস্ট্রিয় খরচে একটা প্রজেক্ট করা যাইতে পারে।

    ভবিষ্যতে শেখ হাসিনা হয়ত চিত্রশিল্পী হিসাবে সোমালিয়া থেকে ডঃ অব আর্টিস্ট ডিগ্রি বাগিয়ে আনতে পারে। চাটারদল কয়দিন এই ইস্যু নিয়া অনলাইনে মাতম তুলবে।

    জগতের সকল ফ্যাসিস্টের অদ্ভুত মিল আছে। যেমনঃ হিটলার, শেখ হাসিনা, এরশাদ

    1. শেইখ হাসিনারে ফ্যাসিস্ট
      শেইখ হাসিনারে ফ্যাসিস্ট হিসেবে এরশাদের সাথে তুলনা কইরা এরশাদের অপমান করলেন। ফ্যাসিস্ট হাসিনারা তো এরশাদ মিয়ারে র‍্যাব দিয়া তুইলা নিয়া নির্বাচনে যাইতে বাধ্য করে…। কাজেই, বুইঝা দেখেন, কে অনেক বেশি ফ্যাসিস্ট!

  10. ছবির হাটকে আমি অন্য এক
    ছবির হাটকে আমি অন্য এক দৃষ্টিতে দেখি। চট্টগ্রামে থাকি বলে খুব অভাববোধ করি “ছবির হাটের”, মাঝে মাঝে আফসোস হয়, ইসসসস চট্টগ্রামে যদি একটা ছবি হাট থাকতো। যেখানে আমার মত বিরোধী, মতাদর্শী সব ধরণের লোক থাকবে। ঘন্টার পর ঘন্টা আড্ডা হবে, ঘন্টার পর ঘন্টা সেখানে ঘুমন্ত কয়লাতে ফুঁ দিয়ে আগুন জ্বালানো হবে। সেখানে আমি সুখ দেখেছি, স্বাধীনতা দেখেছি, দুঃখ দেখিনি, হতাশা দেখিনি। সারা দেশে এমন জায়গা খুঁজে পাওয়া ভীষণ দুষ্কর। গেল বছরেও বৃষ্টিতে ভিজে ভিজে একা একা বসেছিলাম, প্রচন্ড বৃষ্টিতে ঠাঁই নিয়েছিলাম লালন চর্চা কেন্দ্রে। কেউ খেদিয়ে দেয় নাই, বরং বলেছে, ভাই এদিকটায় এসে দাঁড়ান। এরকম মমতা আর কোথাও কি আছে? চা খেতে বসে ভিজে যাচ্ছিলাম বলে দোকানী বলছিলো, মামা এই সাইডে বসেন, ভিইজ্যা যাইতাছেন তো। এই দরদ কি আর কোথাও পাবো? এতো প্রাণের মিলন, এতো প্রাণের আড্ডা আর কোথাও কি নিয়মিত হয়?

    ছবির হাট ভেঙ্গেছে, সোহরাওয়ার্দী উদ্যান তো ভাঙ্গেনি!!! তাহলে এতো ক্ষেপার কি আছে? ক্ষেপার কারণ একটাই, এটা এখন পূর্ণ সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে পূর্ণ হবে। এখানের গাছগুলো বড্ড জ্বালাতন দিচ্ছে বা দিবে, এগুলো কেটে ফেলতে হবে। কয়েকটা গাছ না থাকলেও সমস্যা নেই, কিন্তু মিছিল সমাবেশে লোক থাকতে হবে। গাছ কম থাকলে লোক দাঁড়ানোর সংখ্যা বেশি হবে। দোকানগুলো, টংগুলো, গোল চত্বরগুলো, লালন চর্চা, খুপরি ঘরগুলিও ভাঙ্গতে হবে। এতে আরো অনেক লোক দাঁড়াতে পারবে, শ্লোগান দিতে পারবে, দলীয় লোক বেশি হবে, শো-ডাউন বেশি হবে। সারাক্ষণ গাছপালা, টং, মাচাং, লালনে সোহরাওয়ার্দী ভারী হয়ে গেছে। এখন থেকে মুক্ত রাখতে হবে, পরিষ্কার রাখতে হবে। পারলে প্রবেশে টিকেটের ব্যবস্থা করা যেতে পারে, রক্ষণাবেক্ষণের একটা ব্যাপার-স্যাপার আছে না। আর ঐ ছবিওয়ালা সালারা ট্যাক্স না দিয়া ফাও ফাও অনেকদিন ব্যবসা করেছে আর নয়, এইবার তাদের উচিত শিক্ষা দিতে হবেই। এইবারে যদি তাদের উচ্ছেদ করে ট্যাক্সের বিনিময়ে বসানো যায় তাহলে আগামীতে নিশ্চিত একটা ইনকাম সোর্স হয়ে যাবে। টাকা ছাড়া শিল্পকে শিল্প মনে হয় না, ট্যাক্স ছাড়া শিল্পের সৌন্দর্য ফুটে ওঠে না। বহু শিল্পী বাংলার রাস্তাঘাটে কাঁদছে, সেখান থেকে কাউকে ধরে এনে বসিয়ে দেওয়া যাবে এইখানে, অথব রাস্তার ঐপাশে চুড়িওয়ালাকে হলেও এনে বসাবো। কিছু না হলেও টিকেটঘর বসানো যাবে, তাও তো আর্থিক আয়ের রাস্তা হবে। গরীব দেশে শিল্প থাকতে নাই, শিল্পের বিকাশ হতে নাই। এইসব শখের জিনিস, এইসব শুধু বড়লোকদের জন্য। বড়লোকেরা ট্যাক্স বেশি দিবার ক্ষমতা রাখে, তারা ক্যাশ ট্যাক্স দিয়ে সার্টিফিকেট নেয়। এই ট্যাক্স নেওয়া-দেওয়াতেও শিল্প আছে। শৈল্পিকভাবে সারা দেশের গরীব মানুষগুলো থেকে ট্যাক্স আদায় করে শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত সভাকক্ষে সুন্দর আলোকসজ্জা করে, মাইক লাগিয়ে, শৈল্পিকভাবে এই ট্যাক্সের সার্টিফিকেট দেয়া হয়। আর আমরা গরীবেরা ঘরে বসে টিভিতে সেসব সংবাদ দেখে আনন্দিত হই, পুলকিত হই। এই সোহরাওয়ার্দীরে পারলে সেই ক্যাশ ট্যাক্স দেয়া শৈল্পিক বড়লোকদের জন্যে মেদ কমানোর একটা জায়গা করে দেয়া যেতে পারে।

    সবই হবে কিন্তু সেখানে আড্ডাবাজি চলবে না, অন্তত মদীনার সনদ তা অনুমোদন করে না। রাজনীতি, বিপ্লব এসব রাজাদের ব্যাপার, আমাদের না। পারলে সেখানে মুক্তচিন্তা চর্চা বন্ধ করে দিয়ে কাঁটাবন থেকে কিছু জিহাদী ডেকে একটা সালনা-জলসার আয়োজন করা যেতে পারে। তাদের যেই দেয়াল দিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আলাদা করা হয়েছে সেই দেয়াল ভেঙ্গে দেয়া যেতে পারে।

      1. আপসোস… আপনার একটা আগাম রেডি
        আপসোস… আপনার একটা আগাম রেডি করে রাখা কমেন্ট বৃথা গেলো… :মাথাঠুকি: :মাথাঠুকি: :মাথাঠুকি: :মাথাঠুকি:

  11. তবে ছবির হাট লালন কিম্বা

    তবে ছবির হাট লালন কিম্বা লেনিন কোনকিছুকেই সরকার পরোয়া করে না। বিরুদ্ধমতের কোন চিহ্ন নিশানা তারা রাখতে চায় না।

    এই বর্বর অসভ্য ফ্যাসিস্ট আমলীগের হাত থেকে দেশবাসি মুক্তি চায়!

    1. এই বর্বর অসভ্য ফ্যাসিস্ট

      এই বর্বর অসভ্য ফ্যাসিস্ট আমলীগের হাত থেকে দেশবাসি মুক্তি চায়!

      বিম্পি জামাতও তাই কয়।

      1. এটা কিন্তু সুমিত দা ব্যাপক
        এটা কিন্তু সুমিত দা ব্যাপক বিনোদন। বিএনপি জামাত সঙ্গম করে, তারা ভাত থায় তারা আরো অনেক কিছু করে। সো, বিএনপি জামাত এটা করে আপনি এগুলো ছেড়ে দিন। হাজার হলেও চেতনাবাদের ব্যাপার আছে না। তা না হলে চেতনাবাদ মধ্যরাতে আপনাকে জ্বালাবে দাদা।

        1. চেতনাবাদও তো ওনাদের নাই; আছে
          চেতনাবাদও তো ওনাদের নাই; আছে চেতনা-বিক্রিবাদ!

          এই চেতনা-বিক্রিবাদ বা চেতনা-বকরিবাদের কারণে ওনাদের দিন রাত কোনসময় ঘুম হয়না। তাইতো, ব্লগে আইসা চেতনা-বকরিবাদের এজেন্ট হিসেবে নিজেদের প্রতিষ্ঠা করার প্রাণপাত অপচেষ্টা করিতেছেন!

          1. আমরা চেতনা ফেরি করি না, করলে
            আমরা চেতনা ফেরি করি না, করলে পরে ঐরকম পোস্ট অহরহ লিখতাম, “আর কতো দেরী হে পাঞ্জেরী, এবার ভাসাও তোমার তরী” অথবা “হে বিপ্লবী এবার জাগো”। আমরা যা কই তা স্পষ্টভাবেই কই। সেইটা ব্লগেই হোক আর রাজপথেই হোক। তবে একটু চোখ কান খুলেন, চেতনার ফেরী করে কারা আজ ফ্ল্যাটে থাকছে কুঁড়েঘর থেকে, দিনরাত সর্বহারার গীত দিয়ে রাতে হাইজেনিক ফুড খুঁজছে, লড়াই করছে শ্রমিকদের জন্য অথচ লিফট ছাড়া উপরে উঠে না, কথা বলছে শোষিতের জন্য অথচ এন্ড্রয়েড ছাড়া চলে না, কথা বলছে সাম্যবাদের জন্য অথচ পুজিবাদী জিনিস ছাড়া চলে না। সেইসকল ভোগবাদী চেতনা ব্যবসায়ীদের দিকে দেখুন আগে। আমাদের কাছে যা আছে তা একদম খোলাখুলি।

        2. কৈ শেখ সাদি আর কৈ বখরির
          কৈ শেখ সাদি আর কৈ বখরির লাদি!!! আপনার তুলনাটা এইরকম হাস্যকর হয়ে গেলো না তুহিন ভাই :হাসি: :হাসি: :হাসি:

      2. বিম্পি জামাতও তাই কয়।
        আওয়ামী

        বিম্পি জামাতও তাই কয়।

        আওয়ামী লীগের অসীম কুকীরতির কারণে এখন দেখি জামত-বিম্পির দাবি জনদাবিতে পরিণত হইয়া গেছে! জামাত-বিম্পির উচিত হাম্বালীগের কাছে কৃতজ্ঞ থাকা!

        1. আওয়ামী লীগের অসীম কুকীরতির

          আওয়ামী লীগের অসীম কুকীরতির কারণে এখন দেখি জামত-বিম্পির দাবি জনদাবিতে পরিণত হইয়া গেছে!

          জনদাবীতে পরিণত হইলে জনতা এখনো শেখের বেটিরে বসাইয়া রাখছে ক্যারে? টাইন্যা নামায় না ক্যারে? শ্লার কাডলপাতা আর রইলো না দেখি!!!

          1. জনদাবীতে পরিণত হইলে জনতা এখনো

            জনদাবীতে পরিণত হইলে জনতা এখনো শেখের বেটিরে বসাইয়া রাখছে ক্যারে?

            শেকের বেটি হাসিনা টিকে আছে রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাসের জোরে! আর আমলীগ টিকে আছে ভারতের পা চাইটা। জনতা তারে বসাইয়া রাখে নাই! এভাবে বইস্যা থাকতে শুধু আওয়ামী লীগের মত পলিটিক্যাল প্রস্তিটিউট দলই পারে!

            ভারতীয় গরুরা গোবরাইয়া সব জায়গা নোংরা কইরা ফালাইতেছে!

          2. বাহরে বাহ!!! দেশের কুটি কুটি
            বাহরে বাহ!!! দেশের কুটি কুটি জনতা থেইক্যা রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাস বড়!!! তাইলে আগের ইতিহাসগুলো ভুয়া? ৭১ এও রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাসের প্রভাবে স্বাধীন হইছিলাম? ভারতের পা চাইটা স্বাধীন হইছিলাম? অবশ্য আওয়ামী বিরোধীরা সবসময় ভয়ে থাকে ভারতের কাছে দ্যাশ বেইচ্যা দিতাছে!!!! ভারতের মসনদে তো মোদী, এরপরেও কি আওয়ামীলীগ ভারতে কাছে দ্যাশ বেচতেসে? পা চাটতে হইলে হাসিনা নিজেই যাইতে পারতো, শিরিন আপারে পাডাইলো ক্যা? সব পা চাটা চাটি, খোয়াবি পা চাটা!!! কে পলিটিক্যাল প্রসটিটিউট তা সবাই জানে, নির্বাচন আসলে আওয়ামীলীগ কিন্যা লয় অন্যদের, আ’লীগ বেচা যায় না। প্রসটিটিউশনের সংজ্ঞাও কি অগ্রজ বেপ্লবীরা দেয় নাই?

          3. নির্বাচন আসলে আওয়ামীলীগ

            নির্বাচন আসলে আওয়ামীলীগ কিন্যা লয় অন্যদের,

            কিনতেই পারে! সন্ত্রাসী, গডফাদার, গডমাদার, চোরাকারবারি, দূরনিতিবাজ, কিডনাপার, দখল্বাজ, চোর-বাটপার, ড্রাগ ব্যাবসায়িতে যে দল ভরপুর, সে দলের কি আর টাকার অভাব আছে!

          4. শ্যাঅ্যা আপনার মুখটা কি মুখ
            শ্যাঅ্যা আপনার মুখটা কি মুখ না অন্যকিছু? এই বললেন প্রসটিটিউট এই বলছেন গডফাদার, গডমাদার, সন্ত্রাসী ব্লা ব্লা ব্লা। মুখটারে প্রসটিটিউট না বানাই :হাসি: :হাসি: :হাসি: :হাসি:

          5. চায়না মাল এতো কড়া জানতাম না,
            চায়না মাল এতো কড়া জানতাম না, নাকি সহ্য ক্ষমতা কম? অল্পেই ব্যারাছ্যারা হইয়া যান? কইলাম কি আর রিপ্লাই দিলেন কি? অন্য ব্লগের/অন্য পোস্টের কমেন্ট কি এইটা? :হাসি: :হাসি: :হাসি:

          6. সুমিত ভাই, নির্বোধের সাথে
            সুমিত ভাই, নির্বোধের সাথে তর্ক করিতে নাই!
            এইবার আল্লাহর ওয়াস্তে ক্ষ্যান্ত দ্যান।

  12. অনেকদিন পর ভাবনার খোরাক
    অনেকদিন পর ভাবনার খোরাক জাগাতে পারে এমন একটা পোষ্ট পড়লাম। ভালো লাগলো।

    ছবির হাটে সরকারী যে আক্রমন চলেছে তাতে অনেকেই অনেক কিছু চিন্তা করছে। আমার কাছে অবশ্য ব্যাপারটা ঠিক রাজনৈতিক না বরং টাকা পয়সা ঘটিত কোন ঝামেলা বলে মনে হয়েছে।
    আবার এটাও হতে পারে যে শাহবাগকে ঘিরে যে গণ আন্দোলন তৈরি হয়েছিল সেটা আওয়ামী লীগের উপর যেন বুমেরাং হয়ে ফিরে আসতে না পারে সে জন্য এই ভাংচুর।

    এখন ব্যাপারটা যদি টাকা পয়সা নিয়ে হয়ে থাকে তাহলে এখানে আমার কোন ইন্টারেস্ট নাই। টাকা পয়সার ব্যাপারে বাংলাদেশের সব দল সমান। কারন এদেশে রাজনীতি করার উদ্দেশ্যই হল ক্ষমতা ব্যাবহার করে টাকা পয়সা কামানো। আওয়ামীলীগ বা বিএনপি কোন ইতর বিশেষ নেই।

    কিন্তু ঘটনা যদি রাজনৈতিক হয় তাহলে কোথাও না কোথাও খুব ইন্টারেস্টিং কিছু একটা ডেভেলপ করছে যে সম্পর্কে আমরা কিছুই জানতে পারছি না। এবং অবশ্যই এই ডেভেলপমেন্টের কেন্দ্র ছিল সেই ছবির হাট বা এর আশেপাশের এলাকা। আর এই ভাংচুর হল কেবল একটা ওয়ার্নিং।

    আওয়ামী লীগ নিয়ে বলার কিছু নাই। বর্তমান পরিস্থিতিতে বিএনপির মত বিশৃঙ্খল একটা দলকে অপজিশনে পেলে আমি যা করতাম আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতৃত্বও তাই করছে। It is a simple Annihilation process.
    আমি তো বলব আওয়ামী লীগ যা করছে সেটাই আসল রাজনীতি। তারা ক্ষমতার অপব্যাবহার করতে শিখেছে, মিডিয়া নিয়ন্ত্রন করতে শিখেছে, এবং তাদের সব চেয়ে বড় যে গুনটা আছে তা হল – বাংলাদেশের এই হুজুগে মাতাল জনগণকে সঠিক সময় মত হুজুগে মাতার সুযোগ করে দিয়ে নিজের আখের গোছানোর কাজটা এরা চমৎকার ভাবে আয়ত্ত করেছে।
    আমরা দু’দিন লাফালাফি করে এখন বুঝতে পারছি যে ঝামেলা হয়ে গেছে। আওয়ামী লীগ আসলে আমাদের বোকা বানিয়েছে। এবং সংসদে এখন বিরোধী দল জাতীয় পার্টি। হা হা হা। পুরাই ধরা। বাঙালি এমনই স্মার্ট। রাজাকারের বিরুদ্ধে, মুক্তিযুদ্ধের চেতনার যে একক বুলিতে সাধারণ জনগন এক সময় উজ্জীবিত হয়েছিল তাদের সেই চেতনা এখন তাদের হাত ছাড়া হয়ে সরকারী কাগজপত্র আর আইনের মার প্যাচে আটকা পড়েছে।
    গালাগালি বা বিশ্লেষণ করে এই আওয়ামী লীগ কে পেড়ে আনা যাবে না। বিএনপি যদি সেই রকম আন্দোলন করতে পারে তাহলে সেটা সম্ভব হতে পারে। এছাড়া আগামী নির্বাচনের আগে আর কোন সুযোগ নাই।
    এখন ছবির হাট ভাংলেই কি, সাত খুন মাফ হলেও কি আর রানা প্লাজায় হাজারখানেক লোক মরলেই বা কি…

  13. আওয়ামী লীগ বিএনপিকে শুকিয়ে

    আওয়ামী লীগ বিএনপিকে শুকিয়ে মেরে ফেলবে। ইতিমধ্যে বিএনপি প্রায় অস্তিত্বহীন। আ.লীগ চায় বিএনপি বিলিন হয়ে যাক। জামাত থাকবে। দেশে দুইটি পক্ষ থাকবে। একপাশে আ.লীগ অন্যপাশে জামাত। এই দুটি ভাগকে সোজাভাবে দেখানো হবে স্বাধীনতার পক্ষের ও বিপক্ষের শক্তি।তখন যতই মধ্যবিত্ত আ.লীগের সমালোচনা করুক দিনশেষে আ.লীগেই থাকতে হবে। কারণ আর যাইহোক জামাতকেতো সমর্থন দেওয়া যায় না। এতে আ.লীগের ক্ষমতা দীর্ঘস্থায়ী হবে। এভাবে এগিয়ে যাচ্ছে আ.লীগ। আর যদি আ.লীগ না করতে চাও তাহলে ওয়ার্কার্স পার্টি কর, জাসদ কর, সাম্যবাদী দল কর তাতে সমস্যা নেই। আর যদি সেক্যুলার না থাকতে চাও তাহলে জামাত কর।’ যেহেতু এখানে সেক্যুলারিজম ইটসসেলফ রিলিজয়নে পরিণত হয়েছে সে কারণে উঠতি মধ্যবিত্তের শেষতক সেক্যুলার থাকতেই হবে। যদি বিএনপি না থাকে তাহলে সে কোনভাবেই জামাত হতে পারবে না।”

    দেশের সবচেয়ে বড় শত্রু এখন আওয়ামী লিগ!

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

60 − 54 =