এই প্রজন্ম করতে পারবে কি?

আমরা মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছি, আওয়ামী লীগের নেতৃত্ব মেনে নিয়েছি। শুধু তার দুর্নীতি এবং অহংপুষ্ট মনোভাবের সমালোচনা করেছি বলে আওয়ামী লীগের লোকেরা আমাদের প্রাপ্য সম্মান, অধিকার এবং মর্যাদা থেকে বঞ্চিত করেছে। আজকে আওয়ামী লীগকে জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে আন্দোলন করতে হচ্ছে। কোন জামায়াত- যারা একাত্তরে নরহত্যা করেছে বলে অভিযোগ করা যায়। যারা মুক্তিযুদ্ধের বিরোধিতা করেছে। আমি সবিনয়ে একটি প্রশ্ন করতে চাই, আমাদের অপরাধ ছিল কি? মুক্তিযুদ্ধ বিরোধীদের থেকেও আমরা কি অধিকতর অপরাধী ছিলাম?
– আহমদ ছফা , একটি খোলা নালিশ (আজকের কাগজ, জানুয়ারি ১৯৯৬
)

আহমদ ছফা যখন এই নালিশটি করেন তখন আওয়ামী লীগ নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধিনে নির্বাচনের দাবিতে জামায়াতে ইসলামী ও জাতীয় পার্টির সাথে কাধে কাধ মিলিয়ে বিএনপি সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলন করছিল। ক্ষমতা দখলের রাজনৈতিক কৌশল হিসাবে ‘যুদ্ধাপরাধীদের বিচার দাবির আন্দোলন’ ও ‘মুক্তিযুদ্ধের চেতনা’ আওয়ামী লীগ ততোদিনে বেমালুম ভুলে যেতে সক্ষম হয়েছিল। জাহানারা ইমাম গত হয়েছেন তখন বছর দেড়েক হয়, তার আন্দোলন ততোদিনে আওয়ামী লীগের নির্বাচনী রাজনীতির বলি হয়ে মৃত্যুবরণ করেছে। এরপর ১৮ বছর পাড় হয়ে গেছে। বর্তমান প্রজন্ম মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করার সৌভাগ্য অর্জন করতে পারে নাই। কিন্তু এই প্রজন্মের অধিকাংশই মুক্তিযুদ্ধকে সমর্থন করে, মুক্তিযুদ্ধে আওয়ামী লীগের নেতৃত্বও স্বিকার করে এবং মুক্তিযুদ্ধের আকাঙ্খিত বাংলাদেশও চায়। অথচ এদের মধ্যে অনেকেই আওয়ামী লীগকে সাপোর্ট করেন না এবং আওয়ামী লীগের দূর্নীতি, দলীয় ও প্রাশাসনিক সন্ত্রাস, দূর্বল বিদেশ নীতি, অগণতান্ত্রিক ফ্যাসিস্ট আচরণ ইত্যাদির সমালোচনা করেন। গত কয়েক বছরে তাদেরকেও আহমদ ছফার মতো নালিশ জানাতে দেখা গেছে। যুদ্ধাপরাধীদের বিচার দাবি করায় এবং মুক্তিযুদ্ধের চেতনার ধর্মনিরপেক্ষ ও অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ নির্মান করার আন্দোলন করায় তাদেরকে ধর্মদ্রোহের অপরাধে অভিযুক্ত হতে হয়েছে। মিথ্যা প্রোপাগান্ডা ছড়িয়ে জনগণের চোখে তাদেরকে অপদস্ত করা হয়েছে। তাদের উপর হামলা করা হয়েছে, তাদের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে। এই কাজগুলি জামায়াতে ইসলামী এবং বিএনপি করেছে। আওয়ামী লীগও করেছে। শাহবাগে গড়ে ওঠা গণজাগরণ মঞ্চ, ছবির হাটের তরুন কবি, লেখক, ব্লগার, একটিভিস্টরা, সহরোয়ার্দী উদ্যানের প্রেমিক-প্রেমিকারা কি মুক্তিযুদ্ধ বিরোধীদের চেয়েও বড় কোন অপরাধ করেছে?

বার্ধক্যের অজুহাতে গোলাম আজম বেঁচে গেছেন। বাকি জীবনটা সরকারী হাসপাতালে সরকারী খরচে পাড় করে দেবেন। মতিউর রহমান নিজামীও অসুস্থ্য হয়েছেন। তাই রায় দেয়া হলো না। রায় হলেও তা কার্যকর হবে সেই নিশ্চয়তা নাই। বাচ্চু রাজাকারের ফাঁসির রায় হয়েছে, সে বাংলাদেশে নাই। সাইদীর রায় হয়েছে, কার্যকর হওয়ার কোন খবর অথবা নিশ্চয়তা পাওয়া যাচ্ছে না। এক কাদের মোল্লার বিচার আদায় করতে গিয়ে শাহবাগে লাখো মানুষের আন্দোলন করতে হয়েছে, তাদেরকে নাস্তিক বানাতে হেফাজতের উত্থান হতে হয়েছে। সাইদীকে চাঁদে দেখা গেছে, শত শত মানুষ নিহত হয়েছে, আওয়ামী লীগ একটি একদলীয় শাসন কায়েম করেছে। আরেকটি বিচার আদায় করতে কি কি করতে হবে এবং তাতে আওয়ামী লীগ ও জামাত মিলে বাংলাদেশকে কোথায় নিয়ে যেতে পারে, আরো কতোজন লাশ হতে পারে তা আমাদের জানা নাই। নিজেদের রাজনৈতিক কৌশলগত অবস্থানের বাইরে যুদ্ধাপরাধের বিচারের ভিন্ন কোন মূল্য আওয়ামী লীগের কাছে নাই। যুদ্ধাপরাধের বিচার ইস্যুটিকে জাতীয় ইস্যুর বদলে দলীয় রাজনীতির ইস্যুতে পরিণত করে আওয়ামী লীগ নিজেদের ক্ষমতা ধরে রাখার কাজে লাগিয়েছে। মুক্তিযুদ্ধ আমাদের জাতীয় সংগ্রাম। এই সংগ্রামকে নিজেদের দলীয় সংগ্রাম বানিয়ে ইতিপূর্বে আওয়ামী লীগ বাংলাদেশে মুক্তিযুদ্ধ বিরোধীদের উত্থানে সহায়তা করেছে। বঙ্গবন্ধুকে জাতীয় নেতার বদলে দলীয় নেতায় পরিণত করায় আজো তিনি আপামর জনসাধারণের নেতা হয়ে উঠতে পারেন নাই। যুদ্ধাপরাধের বিচারের জাতীয় ইস্যুকে দলীয় ইস্যু বানিয়ে আওয়ামী লীগ দিনে দিনে মুক্তিযুদ্ধ বিরোধীদেরকেই শক্তিশালী করে তুলছে। যুদ্ধপরাধীদের রাজনীতির পূনরুত্থানের সুযোগ করে দিচ্ছে। এইধরণের ভুল আওয়ামী লীগ আগেও করেছে। তাতে আওয়ামী লীগ একা ভোগে নাই, পুরো বাংলাদেশকেই ভুগতে হয়েছে।

শাহবাগ কিংবা ছবির হাটের তরুনরা মূলত সেকুলার, লিবারাল অথবা বামপন্থী। এরা নিজেদেরকে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের বলে দাবি করলেও এদের অধিকাংশই আওয়ামী লীগ করেন না। এরা নিয়মিত আওয়ামী লীগের অপশাসনের বিরুদ্ধে সমালোচনা, আন্দোলন ইত্যাদি করে থাকে। আওয়ামী লীগ যে তথাকথিত গণতান্ত্রিক একনায়কত্ব কায়েম করেছে তা টিকিয়ে রাখতে যে কোন ধরণের বিরোধী শক্তিকে তারা দমন করেছে, করছে। শাহবাগ, ছবির হাটকেও তারা শক্ত হাতেই দমন করতে চায়। এই দমননীতির পেছনে আরেকটি কারন আছে। ক্ষমতায় টিকে থাকার রাজনৈতিক কৌশল হিসাবে জামাত ইসলামী, হেফাজতে ইসলামী ইত্যাদি ইসলামিস্ট শক্তিগুলোর সাথে আওয়ামী লীগকে একধরণের অলিখিত সমঝোতায় যেতে হয়েছে। ঠিক এই ধরণের অতি ডানপন্থী রাজনৈতিক লাইন আওয়ামী লীগ গ্রহণ করেছিল ১৯৯৬ সালে। ক্ষমতায় যাওয়ার খাতিরে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার দাবির সেকুলার আন্দোলনকে তারা নির্মম ভাবে হত্যা করেছিল। জামাত, জাতীয় পার্টির সাথে আন্দোলনের ঐক্য গড়ে নগদ লাভ হিসাবে তারা ক্ষমতায় যেতে পেরেছিল। কিন্তু বাংলাদেশের রাজনীতিতে বড় ধরণের ক্ষতি হয়েছিল। ফলশ্রুতিতে বিএনপি পরবর্তিতে নির্লজ্জের মতো জামায়াতে ইসলামের সাথে নির্বাচনী ঐক্য করে ক্ষমতা দখল করতে পেরেছিল। নিজামীর গাড়িতে তখন বাংলাদেশের পতাকা উড়েছে।

সরকারী গাড়ি থেকে নামিয়ে নিজামীকে কারাগারে পাঠাতে বছরের পর বছর সংগ্রাম করতে হয়েছে। বিচার সম্পন্ন করতে আরো কতো বছর সংগ্রাম করতে হবে আমার জানা নাই। কিন্তু আওয়ামী লীগের বর্তমান রাজনৈতিক কৌশল রাষ্ট্র হিসাবে বাংলাদেশকে কোথায় নিয়ে যাবে তা নিয়া আশংকা প্রকাশ না করে পারছিনা। ছিয়ানব্বইয়ের রাজনৈতিক লাইন আওয়ামী লীগের জন্যেও কতোটা লাভজনক হয়েছিল সেই বিষয়ে আহমদ ছফা নিশ্চিত ছিলেন না। তার ভাষায় –

“REAL POLITIC বলে যে ব্যাপারটা আছে অর্থাৎ একটি বিশেষ রাজনৈতিক দলকে বিশেষ মুহূর্তে বিশেষ পরিস্থিতিতে বিশেষ কলা-কৌশলের উদ্ভাবন করতে হয়। আওয়ামী লীগ-জামায়াতে ইসলামীর ঐক্যে সেই REAL POLITIC-এর কোন দিকটিকে অগ্রাধিকার দিল সেটা আমি অদ্যাবধি বুঝে উঠতে পারিনি”। – একটি খোলা নালিশ (আজকের কাগজ, জানুয়ারি ১৯৯৬)

বুঝে উঠতে পারেন নাই বললেও তিনি ধারণা করতে পারেন নাই তা মনে করার কোন কারন নাই। নব্বই দশকের মাঝামাঝি সময়ে আহমদ ছফা বাংলাদেশের রাজনৈতিক গতি প্রকৃতি যেভাবে বুঝেছেন এবং ভবিষ্যত সম্ভাবনাগুলো যেভাবে যাচাই করেছেন তা অন্য কারো পক্ষে করা সম্ভব হয় নাই। ছিয়ানব্বই নির্বাচনে আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক কৌশলকে তিনি বাংলাদেশের রাজনীতির অতি ডানপন্থা ও সাম্প্রদায়িকতার দিকে ঝুকে যাওয়ার লক্ষন হিসাবে দেখেছেন। তার ভাষায়
“জামাত হচ্ছে একস্ট্রিম রাইটিস্ট, জাতীয় পার্টি হচ্ছে সেন্ট্রিস্ট রাইটিস্ট। এবং বিএনপি তো রাইটিস্ট পার্টিই। এখন দেশের পলিটিক্সটাকে সার্বিকভাবে একটি সাম্প্রদায়িক খাতে তারা নিয়ে গেছে। আওয়ামী লীগের ভুলের জন্যে সাম্প্রদায়িক খাতে চলে গেছে। আওয়ামী লীগের একটা জাতীয় চরিত্র ছিল। একটা গণতান্ত্রিক চরিত্র ছিল। একটা ফ্যাসীবাদী চরিত্র ছিল এবং তার একটি ইসলামী পরিচয়ও ছিল। জামাত এবং জাতীয় পার্টির সঙ্গে চলতে গিয়ে আওয়ামী লীগকে দেখাতে হচ্ছে সে ইসলাম মানে এবং এগুলো করতে গিয়ে রাজনীতির যে খাতটা ছিল একেবারে রাইটিস্ট কোর্টে চলে গেছে। এ কথাটি কেউ বলছে না। এটা খুব বেদনার কথা। বেদনার কথা এজন্য যে আগামীকাল যে রাইটিস্ট একটিভিস্ট জন্মাবে এদের মধ্যে জাতীয়তাবাদী কিংবা সেক্যুলার পলিটিক্স তৈরি হতে পারে এটা খুব দূরাশার ব্যাপার হয়ে গেছে”। – (আওয়ামী লীগ যখন জিতে………সাক্ষাৎকার-নভেম্বর, ১৯৯৫)

এই আশংকা সত্য হয়েছিল। ২০০১ সালে আহমদ ছফা বিদায় নিয়েছেন। সেই বছরই বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের বিরোধী শক্তি ও একাত্তরের যুদ্ধাপরাধীদের রাজনৈতিক দল জামায়াতে ইসলামী বিএনপির সাথে জোটবদ্ধ হয়ে বাংলাদেশের ক্ষমত দখল করে। এতো এতো দূরাশার মাঝেও বাংলাদেশের নতুন প্রজন্মের লেফটিস্টদের পাশাপাশি রাইটিস্টদের মাঝেও যেসব একটিভিস্টের জন্ম হয়েছে তাদের মধ্যে জাতীয়বাদী এবং সেকুলার পলিটিক্স তৈরি হয়েছে। মূলত এদের আন্দোলন সংগ্রামের কারণেই নিজামী এখন সরকারের গাড়িতে চড়েন না, কারাগারে আটক আছেন। এই সেকুলার ও জাতীয়তাবাদী তরুনদের দমন নিপিড়ন করে আওয়ামী লীগ বাংলাদেশের রাজনীতিকে আবারো একটি সাম্প্রদায়িক বলয়ের দিকে ঠেলে দিচ্ছে। হাট হাজারি মাদ্রাসায় জমি উপহার দিয়ে আর ছবির হাটে উচ্ছেদ চালিয়ে আওয়ামী লীগ শুধু যে বাংলাদেশের রাজনীতিরই ক্ষতি করছে তাই না, নিজেদের পতনের রাস্তাও পরিস্কার করছে। একাত্তরের পর নন আওয়ামী সেকুলার, লিবারাল, বামপন্থীদেরকে আওয়ামী লীগ দমন নিপিড়ন করেছিল, হত্যা করেছিল। তাতে আওয়ামী লীগ নিজের ক্ষমতা টিকিয়ে রাখতে পারে নাই। মাঝখান দিয়ে সাম্প্রদায়িক শক্তির পুনরুত্থান ঘটেছিল। আওয়ামী লীগ বাংলাদেশ এবং তাদের নিজেদের ভবিষ্যত সেই পথেই ঠেলে দিচ্ছে।

এখন প্রশ্ন হচ্ছে এই প্রজন্ম আওয়ামী লীগের রাজনীতির বাইরে নিজেদের ভবিষ্যত গড়তে পারবে কি না। আহমদ ছফার প্রজন্ম তা পারে নাই। ছফার জবানিতে – “আজকে শুধুমাত্র রাজনৈতিক সুবিধার জন্য জামাতকে সামনে নিয়ে এসে আওয়ামী লীগ একধরনের পলিটিক্যাল হারিকিরি করছে। সেটা আমাদের বেদনা। আমি বরাবর বলেছি, আওয়ামী লীগ যখন জিতে তখন শেখ হাসিনা তথা কিছু মুষ্টিমেয় নেতা জিতেন, আর আওয়ামী লীগ যখন হারে গোটা বাংলাদেশ পরাজিত হয়। আমি আওয়ামী লীগার নই, কিন্তু আওয়ামী লীগের পলিটিক্যাল কনটেন্ট আউটলিভ করার মত কোন পলিটিক্স আমরা তৈরি করতে পারিনি। আওয়ামী লীগ থেকে উত্তরণ ঘটিয়ে ভিন্নরকম রাজনীতি সৃষ্টি করার চেষ্টা আমরা করেছি, করতে পারিনি” । – (আওয়ামী লীগ যখন জিতে………সাক্ষাৎকার-নভেম্বর, ১৯৯৫)

প্রশ্ন হচ্ছে, এই প্রজন্ম করতে পারবে কি?

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

১১ thoughts on “এই প্রজন্ম করতে পারবে কি?

    1. পরের প্রজন্ম আসতে আসতে
      পরের প্রজন্ম আসতে আসতে বাংলাদেশ থাকবে তো? মধ্যপ্রাচ্যের অবস্থা দেখে সতর্ক হওয়া উচিত।

  1. এই প্রজন্ম পারবে কি পারবে না
    এই প্রজন্ম পারবে কি পারবে না সেটা নির্ভর করছে প্রজন্মের মধ্যে আশংকাজনক হারে গজিয়ে ওঠা হাইব্রিড “চাটার দল” কে প্রজন্ম ইগনর করতে পারবে কিনা সেটার উপর।

  2. প্রজন্মের পিঠ দেয়ালে ঠেকে
    প্রজন্মের পিঠ দেয়ালে ঠেকে গেলে ঘুরে দাঁড়াবেই। তাই হতাশ হওয়ার কিছু নাই। প্রজন্মের মধ্যে চেতনাবোধ জাগ্রত করার দায়িত্ব আমাদের।

    1. একমত। অবিরত সংগ্রাম
      একমত। অবিরত সংগ্রাম দীর্ঘমেয়াদে বৈপ্লবিক পরিবর্তন আনবেই। হতাশ না হয়ে নিজ নিজ দায়িত্ব পালন করে যেতে হবে।

  3. এই প্রজন্ম তো আগের প্রজন্মের
    এই প্রজন্ম তো আগের প্রজন্মের উত্তরসূরী।তাই তাদের ব্যর্থতা তো আমাদের মাঝেও প্রবাহিত।
    চাইলেই বাংলাদেশের সব আবর্জনা দুই বছরের মধ্যে সাফাই করে সব ক্ষেত্রে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা সম্ভব। তার জন্য যারা পরিবারের স্বার্থ বিসর্জন দিয়ে দেশের জন্য কাজ করতে চাই তাদের ক্ষমতায় বসানো উচিত।

  4. উত্তরসূরী হলেও একটা বড়
    উত্তরসূরী হলেও একটা বড় পার্থক্য আছে। আগের প্রজন্মের অধিকাংশের জন্ম পূর্ব পাকিস্তানে। এই প্রজন্মের সবার জন্ম একটি স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশে।

  5. এই প্রজন্ম ফরমালিন প্রজন্ম।
    এই প্রজন্ম ফরমালিন প্রজন্ম। যদ্দিন না ফরমালিন দূর হবে, এই প্রজন্মকে দিয়ে কিছুই হবে না।
    আসলে আমি নিজেই হতাশ!

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

+ 23 = 28