ভুলে যাওয়া নাফিসা কবির : যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের মূল পরিকল্পনাকারী

নাফিসা কবিরের নাম সম্ভবত আমাদের তরুণ প্রজন্মের অধিকাংশই জানেন না। তার বাবার নাম মাওলানা হাবিবুল্লাহ, যিনি ঢাকা আলিয়া মাদ্রাসার প্রিন্সিপাল ছিলেন। পিতার নাম শুনে হয়তো কেউ কেউ পরিবারটি সম্পর্কে আন্দাজ করতে পারেন। এই পরিবারেরই দুইজন সদস্য সারা বঙ্গে তো বটেই বিশ্বজুড়েও খ্যাতিমান। একজন নাফিসা কবিরের বড় ভাই, আরেকজন তার ছোট ভাই। তারা হচ্ছেন, শহীদুল্লা কায়সার ও জহির রায়হান। কীর্তিমান এই দুই বাঙালিকে সারা দেশের মানুষ চিনলেও আজো স্মরণ করলেও নাফিসা কবির রয়ে গেছেন একেবারে আড়ালে। যদিও আজকের বাংলাদেশ গঠনে তার ভূমিকা ব্যাপক। একাত্তরের ঘাতক-দালালদের বিচারের মুখোমুখি করার মূল পরিকল্পনাটা তিনিই সাজিয়েছিলেন।

নাফিসা কবির আলোচনায় না আসার মূল কারণটা হচ্ছে, তার দেশত্যাগ। এখন তিনি আমেরিকা থাকেন। ষাটের দশকের শুরুতে তিনি প্রবাসে পাড়ি জমান। বিয়ে করেছিলেন ডা. এম এ কবিরকে, যিনি কিছুদিন আগে মারা গিয়েছেন। প্রথমে বেশ কিছুদিন ইংল্যান্ড ছিলেন। ওখান থেকে কানাডা, তারপর স্থায়ী হন আমেরিকায়। প্রায় ৫০ বছর ধরে আমেরিকা আছেন বাংলাভূমির কৃতি এই নারী। যারা জাতিগঠন সম্পর্কে ধারণা রাখেন, তারা জানেন, যুদ্ধাপরাধের বিচার বাঙালি জাতির মননের বিকাশের জন্য, জাতি হিসেবে বাঙালির মাথা তুলে উঠে দাঁড়াবার জন্য কত গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়।

দেশ স্বাধীনের প্রাক্কালে দেশের সূর্য সন্তানরা খুন হয়েছিলেন রাজাকার-আল বদরদের হাতে। ভয়াবহ সেই হত্যার বিচার না হলে জাতির বিকাশটা বাধাপ্রাপ্ত হয়। কারণ এর দ্বারা মানুষ বুঝতে শেখে যে, অন্যায় করলে কিছু হয় না, বরং ভালো থাকা যায়। রাজাকারের বিচার আটকে থাকাটা বাঙালির জাতিগত নৈতিকতা না তৈরি হওয়ার প্রধান একটা কারণ বলে আমি মনে করি। নাফিসা কবিরের প্রসঙ্গে আসা যাক।

নাফিসা কবির তাদের ভাই-বোন সবার মধ্যে সবচেয়ে মেধাবী। পাকিস্তান আমলে রেকর্ড মার্কস পাওয়ার কৃতিত্ব দেখিয়েছিলেন। ভীষণ প্রতিবাদী ও রাগী মানুষ ছিলেন। প্রতিবাদী এখনও আছেন, তবে রাগের অবস্থাটা জানি না। ফেনী কলেজ থেকে যখন উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা দিচ্ছিলেন, তখন তার পাশের একজন নকল করছিল। পরীক্ষা পরিদর্শক ভুলবশত নাফিসা কবিরকে নকলের জন্য দায়ী করলেন। তিনি পরিদর্শককে বোঝানোর চেষ্টা করে বলেছিলেন- ‘আমি নয়, আমার পাশেরজন এটা করেছে। আমার এসবের দরকার পড়ে না। আপনি আমার খাতা দেখুন।’ কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে ওই শিক্ষক কিছু একটা বাজে কথা বলেছিলেন। নাফিসা কবির পরীক্ষার হলেই তার ওই শিক্ষককে চড় মেরেছিলেন। অন্যায় সহ্য করতে পারতেন না কোনোক্রমেই। তিন বছরের জন্য রাস্ট্রিকেট করা হয় তাকে। পরে তিনি ঢাকা এসে ইডেন কলেজে ভর্তি হন।

রাজনৈতিক দিক থেকে পরিবারের মধ্যে শহীদুল্লা কায়সারের সঙ্গে মাথা উঁচু করে কথা বলতে পারেন, নাফিসা কবির ছাড়া এমন আর কেউ ছিল না। রুশ-চীন মহাবিতর্কের সময় নাফিসা কবির ছিলেন চীনপন্থিদের সমর্থক। শহীদুল্লা কায়সার ছিলেন মস্কোপন্থী পার্টির বড় নেতা। অন্যদিকে জহির রায়হান ছিলেন শহীদুল্লা কায়সারের ভীষণ অনুগামী। ফলে দাদার কথার বিরোধিতা তিনি কখনও করতেন না। কিন্তু চীনপন্থিদের দিকেই তার ঝোঁকটা ছিল প্রধান। টাকা-পয়সা দিয়ে নানাভাবে তাদের সাহায্য করতেন।

রুশ-চীন মহাবিতর্কের পর একদিন তাদের কায়েতটুলির বাড়িতে চীনপন্থিদের বড় নেতা কমরেড আবদুল হক এসেছিলেন শহীদুল্লা কায়সারের সঙ্গে কথা বলতে। শহীদুল্লা কায়সার তখন পূর্ব পাকিস্তানের আলোচিত এক ব্যক্তিত্ব। মস্কোপন্থী কমিউনিস্ট পার্টির নেতা, দৈনিক সংবাদ-এর নির্বাহী সম্পাদক এবং আলোচিত লেখকদের একজন। কমরেড আবদুল হকের সঙ্গে তিনি দেখা করতে চাইছিলেন না। নাফিসা কবির তখন শহীদুল্লা কায়সারের ঘরে এসে বললেন, ‘বড়দা এসব কি ব্যাপার! হক ভাই নিচে বসে আছেন, আপনি তার সঙ্গে দেখা করছেন না?’ শহীদুল্লা কায়সার বললেন, ‘আমি তো বলে দিয়েছি দেখা হবে না। ওসব বিষয়ে কথা বলার আমার সময় নাই। আর ওর সঙ্গে কথা বলেও লাভ নেই। ওকে বোঝানো যাবে না।’ জবাবে নাফিসা কবির বলেন, ‘বড়দা, মত আলাদা হতে পারে, কিন্তু আপনারা তো কমরেড! তিনি তো এই সেদিনও আপনার কমরেড ছিলেন। আর আজ তার সঙ্গে আপনি কথা বলতে পারছেন না? এটা মেনে নেয়া যায় না।’ শহীদুল্লা কায়সারের সঙ্গে এভাবে কথা বলার মতো তখন ওই একজন মানুষই ছিলেন, তিনি নাফিসা কবির!

নাফিসা কবির প্রবাসে পাড়ি জমানোর ফলে হয়তো খুব বেশি কিছু করতে পারেননি জাতির জন্য। কিন্তু তারপরও যা করেছেন তা অসামান্য। যুদ্ধের সময় আমেরিকায় থেকেই স্বাধীনতার জন্য কাজ করেছেন। আমেরিকায় এফ আর খানের নেতৃত্বে প্রবাসী বাঙ্গালীদের একটি গ্রুপ কাজ করত। নাফিসা কবির তাদের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। তখন তারা টাকা পয়সা তুলে পাঠাতেন কলকাতায়। জহির রায়হানের তত্ত্বাবধানে সেগুলো পৌঁছে যেত শরণার্থী শিবিরে ও মুক্তিযোদ্ধাদের কাছে। দেশ স্বাধীনের সঙ্গে সঙ্গে তিনি ঢাকায় চলে আসেন। দুই ভাইকে হারিয়ে তখন তিনি ভেঙে পড়েননি, বরং দ্রোহে জ্বলে উঠেছিলেন। সে সময় তিনি পূর্ব বাংলার কমিউনিস্ট পার্টির (মতিন-আলাউদ্দিন) সঙ্গে যুক্ত হন।

যুদ্ধাপরাধের বিচারের ক্ষেত্রে নাফিসা কবিরের অবদানই সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ। এই আন্দোলন শুরু হয় ১৯৭২ সালে। আর তা শুরু করেছিলেন নাফিসা কবির। তিনি এই আন্দোলনের প্রথম এবং মূল পরিকল্পনাকারী। শহীদ পরিবারদের বাড়ি বাড়ি ঘুরে বেড়াতেন। তাদের ঐক্যবদ্ধ করাটাই ছিল তার লক্ষ্য। ‘শহীদ জননী’ নামে খ্যাত জাহানারা ইমাম তখনই প্রথম নাফিসা কবিরের তত্ত্বাবধানে এই আন্দোলনে যুক্ত হয়েছিলেন।
মুনীর চৌধুরী, মোফাজ্জল হায়দার চৌধুরী, আনোয়ার পাশা, ভাসানী ন্যাপের কোষাধ্যক্ষ ও শিল্পপতি সাঈদুল হাসান, এরকম অধিকাংশ শহীদ বুদ্ধিজীবীর পরিবারের সদস্যদের তিনি ঐক্যবদ্ধ করে মাঠে নামিয়েছিলেন।

শহীদ সাঈদুল হাসানের স্ত্রী ফরিদা হাসান পরিচিত ছিলেন ‘বাইজু’ নামে। তার বাড়িতেই তখন বৈঠকগুলো হতো। সেখানেই গঠিত হয় যুদ্ধাপরাধের বিচার আন্দোলনের প্রথম মঞ্চ ‘নিহত ও নিখোঁজ বুদ্ধিজীবীদের বিক্ষুব্ধ পরিবারবর্গ’। এই মঞ্চের আহবায়ক ছিলেন নাফিসা কবির। ১৯৭২ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি এই মঞ্চের আত্মপ্রকাশ ঘটে। যদিও এই কাজটা ছিল বিরাট চ্যালিঞ্জিং। বিভিন্ন ঠিকানায় ছড়িয়ে ছিটীয়ে থাকা শহীদ পরিবারগুলোকে এক জায়গায় নিয়ে আসাটা ছিল খুবই কঠিন কাজ। অধিকাংশই মুষড়ে পড়েছিলেন। মাঠে নেমে আন্দোলন করার মানসিকতা ছিল কয়েকজনের। তা দিয়ে আন্দোলন হয় না। নাফিসা কবির সেই সঙ্কট মোকাবেলা করেই আন্দোলন গড়ে তুলেছিলেন।

১৯৭২ সালের ১৮ মার্চ এই মঞ্চের কর্মসূচী ছিল যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের দাবিতে প্রধানমন্ত্রী শেখ মুজিবকে স্মারকপত্র প্রদান। নাফিসা কবিরের নেতৃত্বে শহীদ মিনার থেকে মিছিল করে শহীদ পরিবারের সদস্যরা বঙ্গভবনে যান। সেদিন ইন্দিরা গান্ধী বাংলাদেশে পৌঁছানোর কথা। স্বাধীন বাংলাদেশে ওটাই ছিল ইন্দিরা গান্ধীর প্রথম সফর। পুরো বঙ্গভবন ভারতীয় প্রধানমন্ত্রীর সফর নিয়ে ব্যতিব্যস্ত। ফলে মূল ফটকেই আটকে দেয়া হলো নাফিসা কবিরদের। বলা হলো, প্রধানমন্ত্রী আজ ভারতের প্রধানমন্ত্রীর সফর নিয়ে ব্যস্ত, দেখা হবে না। স্মারকপত্র দিয়ে চলে যান। কিন্তু নাফিসা কবির তা মানার পাত্র নন।

নাফিসা কবির তখন বললেন, ‘আমাদের যদি ভেতরে যেতে না দেন, তাহলে বঙ্গবন্ধুকেই বাইরে আসতে হবে। এই স্মারকপত্র তার হাতেই দেয়া হবে, অন্য কাউকে নয়।’ তারা সবাই গেটের সামনে বসে পড়লেন। শহীদ পরিবারের ভেতর তখন উপস্থিত ছিলেন সুচন্দা ও ববিতা। দুজনেই সিনেমার বড় নায়িকা। পুলিশের ডিআইজি শহীদ মামুন মাহমুদের স্ত্রীও ছিলেন সেখানে। ফলে খবরটা ভেতর পর্যন্ত নেয়ার লোকের কমতি ছিল না। বেরিয়ে এলেন তোফায়েল আহমেদ। বললেন, ‘বঙ্গবন্ধু ব্যস্ত থাকায় তার পক্ষ থেকে আমি স্মারকপত্র গ্রহণ করতে এসেছি।’ কিন্তু নাফিসা কবির তাতে রাজী হলেন না। তিনি ও লিলি চৌধুরী (শহীদ মুনীর চৌধুরীর স্ত্রী লিলি চৌধুরী, যিনি ছিলেন সাংস্কৃতিক অঙ্গনের এক উজ্জ্বল নক্ষত্র) তোফায়েল আহমেদকে অনেক কড়া কথা বললেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের যে শিক্ষকরা শহীদ হয়েছিলেন, তোফায়েল আহমেদ তাদের ছাত্র ছিলেন। তবু তিনি গললেন না।

ভারতের প্রধানমন্ত্রী আসার কথা, তার প্রথম সফর। স্বাভাবিকভাবেই সাংবাদিকদের ভিঁড় জমে গেল। শহীদ পরিবারের সদস্যরা নিরাপত্তা কর্মীদের সঙ্গে তর্কে জড়িয়ে কাঁদছেন। একজনকে দেখে আরেকজন কান্নায় ভেঙে পড়ছেন। এরকম সময় প্রধানমন্ত্রী শেখ মুজিবুর রহমান বেরিয়ে এলেন। তিনি বললেন, ‘আপনারা আর সময় পেলেন না, এসব করার। আজ আমাদের এত আনন্দের দিন।’ লিলি চৌধুরী এগিয়ে এসে বললেন, ‘আনন্দ আপনার হতে পারে। আমাদের কোনো আনন্দ নেই। আমাদের কথা আপনাকে শুনতে হবে।’

শেখ মুজিব তখন লিলি চৌধুরীর কথার জবাব না দিয়ে নাফিসা কবিরকে ধমক দিয়ে বললেন, ‘আপনি কোথায় ছিলেন মুক্তিযুদ্ধের সময়? এখন এসে এদের নিয়ে রাজনীতি করছেন? রাজনীতি করতে হলে সরাসরি রাজনীতি করুন, এদের ব্যবহার করবেন না।’ নাফিসা কবির এর কড়া জবাব দিলেন। তিনি বললেন, ‘মুক্তিযুদ্ধের সময় আপনি পাকিস্তানের জেলে ছিলেন। আর আমরা আমেরিকায় আপনার মুক্তির জন্য জাতিসংঘের সামনে ধর্ণা দিয়েছি।’ ফরিদা হাসান পেছন থেকে বললেন, ‘নাফিসা, ওঁকে এসব বলে কী লাভ হবে! ওঁকে বলো, উনি ফিরে না আসলে ওঁর স্ত্রীর কেমন লাগত! উনি আমাদের কষ্ট বুঝবেন না’ বলতে বলতে তিনি কান্নায় ভেঙে পড়লেন। এরপর শেখ মুজিবর রহমান দ্রুত বিচারের আশ্বাস দেন। আইন করার কথা বলেন।

পরদিন ১৯ মার্চ দেশের সব পত্রিকার প্রধান শিরোনাম ছিল ভারতীয় প্রধানমন্ত্রীর সফরের ঘটনাটি, আর দ্বিতীয় প্রধান সংবাদ ছিল বঙ্গভবনের গেটে শহীদ পরিবারের সদস্যদের অবস্থানের খবর। শেখ মুজিব সেদিন বললেও আইন করতে সময় লেগে যায়। রাজাকার গ্রেপ্তারেও সরকারের গড়িমসি নিয়ে অভিযোগ উঠতে থাকে। এর মধ্যেই জহির রায়হানের বন্ধু-ভক্তদের একটি দল শহীদুল্লা কায়সারের হত্যাকারি, ঘাতক জামাত নেতা খালেক মজুমদারকে খুঁজে বের করে পুলিশের হাতে তুলে দেয়। বুদ্ধিজীবী হত্যাকারি যুদ্ধাপরাধীদের মধ্যে প্রথম বিচারের মুখোমুখি হয় এই খালেক মজুমদারই। বিচার প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার পেছনে প্রধান ভূমিকাটা ছিল নাফিসা কবিরেরই। যদিও শেখ মুজিব সরকারের সাক্ষ্য আইন নিয়ে তখন নাফিসা কবিররা প্রশ্ন তুলেছিলেন। বাংলাদেশের প্রচলিত সাক্ষ্য আইনের এই দূর্বলতা নিয়ে আজো কথা হচ্ছে।

একথা নিঃসন্দেহে বলা যায় যে, দেশে থাকলে, সক্রিয় থাকলে নাফিসা কবির বাংলাদেশের রাজনীতিতে কারো চেয়ে কম যেতেন না। এখন তিনি কিছুতেই নেই। বয়স আশি পেরিয়েছে। এখনো তিনি কমিউনিস্ট আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত আছেন। নিজের আদর্শটা এখনো ধরে রেখেছেন। সংগ্রামী এই মহীয়সীকে জাতি সঠিকভাবে মূল্যায়ন করবে এই আমার প্রত্যাশা।


১৯৭২-এর ১৯ মার্চ দৈনিকে সংবাদ-এ প্রকাশিত ছবি। ক্যাপশন ছিল- ‘নিখোঁজ ও নিহত বুদ্ধিজীবীদের পরিবারবর্গের সদস্যদের সঙ্গে আলাপ করছেন বঙ্গবন্ধু।’ বাঁ থেকে দ্বিতীয়জনই নাফিসা কবির।

সূত্র : যুদ্ধাপরাধীদের বিচার, ৪২ বছরের আন্দোলন – শাহরিয়ার কবির। অনন্যা। ফেব্রুয়ারি, ২০১৪। ঢাকা। এবং ১৯৭২ সালের বিভিন্ন পত্রপত্রিকা ও শাহরিয়ার কবিরের স্মৃতিচারণ। (উল্লেখ্য, শাহরিয়ার কবির হচ্ছেন নাফিসা কবিরের আপন চাচাতো ভাই।)

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

৪৭ thoughts on “ভুলে যাওয়া নাফিসা কবির : যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের মূল পরিকল্পনাকারী

  1. এরকম আগুন ঝরা পোস্ট বহুকাল
    এরকম আগুন ঝরা পোস্ট বহুকাল পড়ি না। আশা করছি ইতিহাসের খেরোখাতা থেকে নাফিসা কবিরের মত কমরেডদের যেসব দলকানারা বাদ দেবার চেষ্টা করেছিলেন তা রুখে দেবার একটা পথ শুরু হলো।
    লাল সালাম কমরেড নাফিস কবির

  2. ইংল্যান্ড কানাডা তারপর স্থায়ী
    ইংল্যান্ড কানাডা তারপর স্থায়ী হন আমেরিকায়। এখনো তিনি কমিউনিস্ট আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত আছেন। নিজের আদর্শটা এখনো ধরে রেখেছেন। পুজিবাধী দেশের হওয়া কেনে কমিউনিস্ট? বেপক বিনুদন। যারা কমিউনিস্ট আন্দোলন শেষ কইরা দিলো, সেই দেশে দিব্বি হওয়া খেয়ে কমিউনিস্ট।

    1. আপনার অবস্থানটা হচ্ছে
      আপনার অবস্থানটা হচ্ছে জাতীয়তাবাদ। এ কারণে পুরো আমেরিকা আপনার শত্রু হয়ে গেছে। অথচ আমরা মার্কিন মুলুকের শ্রমিক-মেহনতিদের পক্ষে। তারাই মে দিবস তৈরি করেছিলেন। কিছুদিন আগে করেছেন উই আর ৯৯। ব্যক্তি মানুষ সংগ্রামে নাও টিকতে পারেন, সেক্ষেত্রে বিবেচ্য হবে আদর্শ প্রতিষ্ঠার স্বপ্নটা তার আছে কিনা। থাকলে সেজন্য কি করেন? যদি সেটা ইতিবাচক হয় তাহলে তাকে গালি দেয়ার কিছু নেই। মার্কিন দেশেও কমিউনিস্ট পার্টি আছে। মার্কিন বলেই পুঁজিবাদ এটা একেবারেই জাতীয়তাবাদি অ্যাপ্রোচ।

      আপনি নিশ্চয়ই চটি পিয়াল বাহিনীর হবেন!

  3. ইতিহাসের কত কিছু আমাদের অজানা
    ইতিহাসের কত কিছু আমাদের অজানা রয়ে গেছে! এই পোস্টটা না পড়লে এমন একজন লড়াকু সৈনিকের কাহিনী আমাদের অজানা থেকে যেত। ধন্যবাদ সাম্যবাদি ভাইকে ইতিহাসের সত্য আমাদের সামনে নিয়ে আসার জন্য। সবার উচিত পোস্টটি শেয়ার করে এই প্রজন্মকে সঠিক ইতিহাসের সাথে পরিচয় করিয়ে দেওয়ার সুযোগ সৃষ্টি করা।

  4. এই মহিলা এতদিন ডুব মেরে আছে
    এই মহিলা এতদিন ডুব মেরে আছে কেন? শাহরিয়ার কবির কেন এতদিন পরে এই ইতিহাস মানুষের কাছে তুলে আনছে? চিন্তা করতে হবে। :চিন্তায়আছি:

  5. ভালো লাগলো। নাফিসা কবির বিষয়ে
    ভালো লাগলো। নাফিসা কবির বিষয়ে জানার আগ্রহ তৈরি হলো। আশা করি আরো জানতে পারবো। ধন্যবাদ আপনাকে।

  6. নাফিসা কবির নামের সংগ্রামী
    নাফিসা কবির নামের সংগ্রামী মহিলার সাথে আজই প্রথম পরিচিত হলাম । উনার মহৎ কর্মের জন্য(যদি করে থাকেন) স্যালুট!

    পোষ্ট লেখকের প্রতি কিছু কথা… আপনার লিখাটি নিঃসন্দেহে অনেক গুরুত্বপূর্ণ । কিন্তু লিখার স্টাইল এবং সম্বোধনগুলি ভিন্ন কিছুর দিকে ইংগিত করে । নাফিসারা যেদিন বঙ্গবন্ধুর কাছে স্মারক লিপি দিতে যান সেদিন ভারতের প্রধানমন্ত্রী এদেশে আসছেন সুতরাং এদিন বঙ্গবন্ধু ব্যস্ত থাকতেই পারেন। তবুও তিনি তাদের সাথে দেখা করেছেন, কথা বলেছেন । অথচ আপনার কমিউনিস্ট নেত্রী বঙ্গবন্ধুর সাথে যে ভাষায় কথা বলেছেন তা নেতৃত্বের পরিচয় বহন করে না । ইহা কমিউনিস্টদের চিরাচরিত নষ্টামিই বটে(যদিও বঙ্গবন্ধুর সাথে এমন বাক্য বিনিময় হয়েছিল কিনা সন্দেহ) । এরপরও যদি এমন কিছু হয়ে থাকে তবে আমি বলবো ইন্ধিরা গান্ধীর সফরকে কলংকিত করতে তারা একটা বিশাল ফাঁদ পেতেছিলেন এবং সুযোগে সদ্বব্যবহারের চেষ্টা করেছিলেন । নয়তো এত দিন থাকতে ঐ দিন স্মারকলিপি দিতে যাবেন কেন?

    আন্দোলন সংগ্রামের নামে মাস্তানি করা সে সময়কার কমিউনিস্টদের চরিত্রই ছিল । নাফিসা ম্যাডামরাই বা বাদ যাবেন কেন!

    1. বঙবন্ধু বিশাল পীর কামেল আদমি।
      বঙবন্ধু বিশাল পীর কামেল আদমি। বঙবন্ধুর সাথে এমন আচরনে শাহিন ভাই ব্যাথা পেয়েছেন। কিন্তু বঙবন্ধু যে তাদেরকে পাত্তা না দেওয়ার কারন এবং যুদ্ধাপরাধিদের বিচারের দাবিকে গ্রাহ্য করে নাই সেটা দোষের কিছু না। বরং এ ঘটনার পর আমার মনে হচ্ছে বঙবন্ধু নিজেও ব্যক্তিগতভাবে যুদ্ধাপরাধিদের বিচার হোক চাইতেন না। যতটুকু এ বিষয়ের পক্ষে কথা বলেছেন ততটুকু করেছেন এ ধরনের চাপে পড়ে।

      1. জেল, জুলুম, অত্যাচার,
        জেল, জুলুম, অত্যাচার, মৃত্যুভয়, পারিবারিক বিচ্ছিন্নতা, আমেরিকার প্রেসিডেন্ট নিক্সনের চাপ, ভূট্রোর হুমকি, এদেশীয় দোসরদের হত্যার হুমকি ইত্যাদির চাইতে কোথাকার কোন নাফিসার চাপ বেশি হয়ে গিয়েছিল জনাব? বঙ্গবন্ধু যদি কোন চাপের কাছে নতিস্বীকার করতেন তবে এদেশ কোন দিন কোন কালে স্বাধীন হত??
        আরে, যে ব্যাক্তি নিজের জীবনের তোয়াক্কা করেনি, চরম মুহুর্তেও টলেনি, তাকে কমিউনিস্ট চাপের ভয় দেখান? হাসমু না কানমু একটু খুলে বলুন তো?

        বঙ্গবন্ধু পীর নন, তিনি বাঙালি জাতির জনক । বাংলাদেশের স্বাধীনতার স্থপতি । যার অবদানে স্বাধীনতা পেয়েছি তাকে তার প্রাপ্য সম্মানটুকু না দেয়ার মত অকৃজ্ঞ আপনি হতে পারেন, আমি নই ।
        ধন্যবাদ ।

  7. ইতিহাসের এক অজানা অধ্যায়
    ইতিহাসের এক অজানা অধ্যায় জানানোর জন্য লেখককে ধন্যবাদ। তবে কিছু স্থানে লেখক পক্ষপাতমূলক আচরণ করেছেন দেখে দুঃখ জেগেছে, হয় লেখক ইতিহাসের এক পক্ষের ইতিহাস জেনে বসে আছেন নয়তো ইচ্ছাকৃত ভাবে সেই ইতিহাস চেপে গিয়েছেন যেখানে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার সেইসময়ে করতে গিয়ে বঙ্গবন্ধুকে নানা প্রতিকূলতার সন্মুখীন হতে হয়েছিল। সবচেয়ে বড় সমস্যা সৃষ্টি করেছিলেন খোদ মওলানা ভাসানী নিজেই, তিনি গ্রেফতারকৃত হাজারো যুদ্ধাপরাধীদের ছেড়ে দিতে বলেছিলেন। তার কথা না শোনাতে সদ্য স্বাধীন দেশে আবারো তিনি সংগ্রামের মাধ্যমে নতুন পতাকা ওড়াবার ঘোষণা দিয়ে বলেন, “আমি নতুন পতাকা ওড়াবো, তোমাদের আমি নতুন পতাকা দেবো”। ভাবতে পারেন একটা সদ্য স্বাধীন দেশের জন্য একজন গণমানুষের নেতার পক্ষ থেকে কত বড় হুমকী ছিলো সেটা!!! আবার এই ভাসানীই ভারত বিরোধিতা করে ভারতের কাছে একখন্ড ভুমি চেয়েছিলেন বসবাসের জন্য!!! এরপর বলা যায় জাতীয় লীগের খান আতাউর রহমানের কথা, যুদ্ধাপরাধীদের মুক্তির জন্য আন্দোলন গড়ে তোলার হুমকিও দেন এই নেতা। শুধু তাই নয় সেই সময়ে খোদ ভারতের পাশাপাশি এইদেশবাসীর একটা চাপ ছিলো যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের উপর, কেননা সেই সময়ে লাখ লাখ বাঙালি বন্দী ছিলেন পাকিস্তানে। দোষ শুধু বঙ্গবন্ধু একারই তাই না? আজ যদি বঙ্গবন্ধু সেই লাখ লাখ বাঙালির তোয়াক্কা না করে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করতেন তাহলে সেই তারা যারা সেই সময়ে তথাকথিত “জাতিকে বিভক্ত” করার বিপক্ষে ছিলো তারা আজ বঙ্গবন্ধুর বিপক্ষে থাকতো এবং এই প্রজন্মের সুশীলেরাও থাকতো, যেমনটি এখনো করে।

    লেখক যেভাবে একটি লাইনকে উক্তি করলেন তাতে কিছুটা হলেও জাতির পিতাকে পর্যুদস্ত করা হয়েছে মনে হচ্ছে। সেদিন যদি প্রশ্নটির উত্তর আমি পেতাম তাহলে আমি বলতাম, আপনি আমেরিকায় বসে ধর্ণা দিয়েছেন সত্য, এর জন্যে কৃতজ্ঞ। তবে আপনি ছিলেন মুক্ত বাতাসে, আপনি ছিলেন মুক্ত আর আমার পিতা ছিলো বন্দী। বন্দী জীবনের কষ্ট আপনি কি বুঝবেন? আপনি কয়দিন না খেয়ে ছিলেন, ছিলেন কি ততদিন যতদিন আমার পিতা খায়নি? আপনি বিলাতে বসে ধর্ণা দিয়েছেন, আপনি বিলাতে বসে অর্থ সংগ্রহ করেছেন এর জন্য আপনার নিকট কৃতজ্ঞ, তবে আপনি আর আমার পিতার মাঝে অনেক ফারাক, কেননা আপনি চীন পন্থী, আর সেই চীনের পন্থাই আপনি আদর্শ হিসেবে নিয়েছেন যেই চীন ছিলো আমাদের মুক্তি স্বাধীনতার বিরুদ্ধে। ফারাকটা এখানেই, আপনি বাংলা পন্থায় ছিলেন না, আপনি দেশী পন্থায় সংগ্রামে বিশ্বাসী ছিলেন না। অথচ স্বাধীনতা এসেছে দেশী পন্থায়, লড়াই শুধু পাকিস্তানের বিরুদ্ধেই ছিলো না, ছিলো আপনার সেই আদর্শের স্থল চীনের বিরুদ্ধেও।

    1. আপনি আমেরিকায় বসে ধর্ণা

      আপনি আমেরিকায় বসে ধর্ণা দিয়েছেন সত্য, এর জন্যে কৃতজ্ঞ। তবে আপনি ছিলেন মুক্ত বাতাসে, আপনি ছিলেন মুক্ত আর আমার পিতা ছিলো বন্দী। বন্দী জীবনের কষ্ট আপনি কি বুঝবেন? আপনি কয়দিন না খেয়ে ছিলেন, ছিলেন কি ততদিন যতদিন আমার পিতা খায়নি? আপনি বিলাতে বসে ধর্ণা দিয়েছেন, আপনি বিলাতে বসে অর্থ সংগ্রহ করেছেন এর জন্য আপনার নিকট কৃতজ্ঞ, তবে আপনি আর আমার পিতার মাঝে অনেক ফারাক, কেননা আপনি চীন পন্থী, আর সেই চীনের পন্থাই আপনি আদর্শ হিসেবে নিয়েছেন যেই চীন ছিলো আমাদের মুক্তি স্বাধীনতার বিরুদ্ধে। ফারাকটা এখানেই, আপনি বাংলা পন্থায় ছিলেন না, আপনি দেশী পন্থায় সংগ্রামে বিশ্বাসী ছিলেন না। অথচ স্বাধীনতা এসেছে দেশী পন্থায়, লড়াই শুধু পাকিস্তানের বিরুদ্ধেই ছিলো না, ছিলো আপনার সেই আদর্শের স্থল চীনের বিরুদ্ধেও।

      যথার্ত বলেছেন সুমিত ভাই । চায়নাপন্থীরা মনে করে স্বাধীনতা এমনি এমনিই চলে এসেছে আর বঙ্গবন্ধু শশুরবাড়ীর সম্পত্তির মত অনায়াসে তার ভাগীদার হয়ে গেছেন! আরে বেকুবেরা, বাংলাদেশের স্বাধীনতার এমন কোন ক্ষণ-মুহুর্ত বল যেখানে আমাদের পিতার অংশ গ্রহণ কিংবা অবদান ছিল না? যুদ্ধাপরাধের বিচার কোন চরমপন্থি নাফিসার বেয়াদবি উচ্চারণের ফসল নয়, এটা বঙ্গবন্ধুর ইচ্ছার বাস্তবায়ন ।

    2. বঙ্গবন্ধু মনে হয় ছ্যাচড়া চোর
      বঙ্গবন্ধু মনে হয় ছ্যাচড়া চোর হিসাবে জেলে গেছেন? জেলে এদের কষ্ট হয়। রাজবন্দিদের কষ্ট হয় বলে জানতাম না। যতটুকু জানি বঙ্গবন্ধুকে পাকিরা পূর্ণ রাজবন্দির মার্যাদায় এবং যথেষ্ঠ সম্মানের সাথে জেলে বন্দি রেখেছিলেন।

      1. বন্দী জীবনের কষ্ট আপনি কি

        বন্দী জীবনের কষ্ট আপনি কি বুঝবেন?

        আমি লিখলাম কি আর আপনে ত্যানা প্যাচাইতেছেন কি নিয়া? এই হইলো চুলকানীর লক্ষণ!!! পভিসেপ তিনবেলা ক্ষতস্থানে। এখানে ফারাক দেখানো হইছে মুক্ত থাকা আর বন্দীত্বের মাঝ আর আপনে আইছেন সেই ছ্যাচরামি লইয়া!!! :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে:

        1. এই উপমহাদেশে সবার মায়ের কয়’টা
          এই উপমহাদেশে সবার মায়ের কয়’টা নাগর? আমি কি চ্যাছড়ামি করছি? কেউ যদি কারো মায়ের নাগর দুইটা বানায়, সেটা তার রুচি। আমি কেন বানাব? আমার মন্তব্যের প্রতি মন্তব্য করতে সাবধান হওয়ার জন্য শেষবারের মত বললাম। শুয়োরের বাচ্ছা আমি চ্যাছড়ামি কি করলাম? বেয়াদপি করবিতো থাপ্পড় দিয়া কানের নীচে পট্টি ফাডায়া ফেলব।

          1. বঙ্গবন্ধু মনে হয় ছ্যাচড়া চোর

            বঙ্গবন্ধু মনে হয় ছ্যাচড়া চোর হিসাবে জেলে গেছেন?

            ছ্যাচড়া শব্দটি কে আগে ব্যবহার করেছে? আমি কিসের জন্য ছ্যাচড়া শব্দটি টেনে এনেছি?

            শুয়োরের বাচ্ছা আমি চ্যাছড়ামি কি করলাম? বেয়াদপি করবিতো থাপ্পড় দিয়া কানের নীচে পট্টি ফাডায়া ফেলব।

            বড়ই সুন্দর মন্তব্য!!!! তা জনাব আমি কি আপনার পরিচয় জানতে চেয়েছি? ব্লগ কর্তৃপক্ষের সদয় দৃষ্টি আকর্ষণ করছি, এইভাবে গালাগালি ব্লগিং এর সুস্থ পরিবেশ নষ্ট করে দিচ্ছে। এইসকল নষ্টদের বিরুদ্ধে অবস্থান নেয়া উচিত, আমরা ব্লগ পরিবেশ সুন্দর চাই।

          2. বন্দী জীবনের কষ্ট আপনি কি

            বন্দী জীবনের কষ্ট আপনি কি বুঝবেন? আপনি কয়দিন না খেয়ে ছিলেন, ছিলেন কি ততদিন যতদিন আমার পিতা খায়নি?

            বোল্ড করা কথাগুলো কে লেখেছে হে আওয়ামী গন্ডমুর্খ? ছ্যাচড়া শব্দটা কেন বলেছি? এই বুদ্ধি যদিও আওয়ামী মগজে থাকত, তাহলে কথা ছিল না। এর আগে তোর পিতাকে বঙ্গবন্ধু সম্বোধন করেছি। এখন বলব বঙ্গবল্টু! বঙ্গবল্টু আওয়ামিদের পিতা হতে পারে, বাংলাদেশের সব মানুষের না। ইতিহাসের কোন জায়গায় লেখা আছে বঙ্গবল্টু না খেয়ে ছিল? ছ্যাচড়া চোররা জেলে না খেয়ে থাকে। রাজবন্দিরা রাজকীয় ভোগ বিলাসে সময় কাটায়রে আওয়ামী গর্দভ!

          3. ইকারাস আমি কি আপনার দুলাভাই
            ইকারাস আমি কি আপনার দুলাভাই বা দোস্ত লাগি নাকি যে তুই/তোকারি ব্যবহার করে চলেছেন? নিজে অসভ্যের মতো ব্যবহার করেই চলেছেন আর আরেকজনকে সভ্যতা শিখাচ্ছেন? ওহে চিঙ্কু বঙ্গবন্ধু কতদিন না খেয়ে ছিলো সেটা ইতিহাস পড়ে জেনে নাও। ১৩ দিন না খেয়ে ছিলেন আমার পিতা, পরে এক রিকশাওয়ালার দেয়া ফল খেয়ে অনশন ভঙ্গ করেছিলেন।

            বঙ্গবন্ধুর আত্মজীবনী পড়ে দেখো হে গন্ডমূর্খ, সেখানে দেখবে রাজবন্দি থাকা অবস্থাতেই তিনি অনশনে ছিলেন। বাংলার স্বাধীনতার ইতিহাস জানো, চায়নার ইতিহাস জেনে ছাগলের বাচ্চার মতো লাফিও না।

          4. হাহাহা…. অনশন আর খেতে না
            হাহাহা…. অনশন আর খেতে না পারার মধ্যে পার্থক্য বুঝে না আওয়ামি আবাল। ব্লগ আওয়ামি আবালমুক্ত করা হোক। তোমার পিতা মোট কয়’টা?

          5. আমি কি আপনার দুলাভাই
            তোমগো

            আমি কি আপনার দুলাভাই

            তোমগো দেশে বুঝি দুলাভাইয়ের সাথে এত অসভ্য আচরন করে? বিষয়টা ভবিষ্যতের জন্য রেকর্ডেট থাকলো।

          6. শুয়োরের বাচ্ছা আমি

            শুয়োরের বাচ্ছা আমি চ্যাছড়ামি কি করলাম? বেয়াদপি করবিতো থাপ্পড় দিয়া কানের নীচে পট্টি ফাডায়া ফেলব।

            এতদিন শুনেছি, চোরের মায়ের বড় গলা হয় কিন্তু চোরের গলাও যে এতো বড় তা জানতাম না।

            শোনেন মিয়া ভাই, আপনি ছ্যাচ্চড় না। আপনি আস্ত একটা জোচ্চোর পিলাচ একটা “সি” গ্রেডের “চোর”।
            লাগবা বাজি?

          7. চায়নার তৈরি ল্যাপটপে বসে
            চায়নার তৈরি ল্যাপটপে বসে চায়নাদের গালি দেওয়া ধর্মীয় মৌলবাদিদের মত আচরণ হয়ে গেল না মিঃ আইজুদ্দিন! মুক্তিযুদ্ধের সময় চায়নারা মুক্তিযুদ্ধের বিরোধীতা করার পরও আওয়ামীলীগের নেতারা এত চায়না তেল মাখে কেন? চায়নাদের সাথে সম্পর্ক ছিন্ন করুক, চায়না পণ্য বর্জন করুক পারলে। সেই সৎ সাহস যে দলের নাই, সেই দলের কয়েকটা কুত্তার ঘেউ ঘেউ চায়নাদের কিছু হবে না। ওরা বাল দিয়ে পুছে না।

          8. সেই দলের কয়েকটা কুত্তার ঘেউ

            সেই দলের কয়েকটা কুত্তার ঘেউ ঘেউ চায়নাদের কিছু হবে না।

            কুত্তারা কুত্তারে ভয় পাবে কেন?

  8. ঠিক আছে, মেনে নিলাম যে নাফিসা
    ঠিক আছে, মেনে নিলাম যে নাফিসা কবির যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের মূল পরিকল্পনাকারী কিন্তু পুরো পোস্ট জুড়ে বঙ্গবন্ধুকে যেভাবে চিত্রিত করা হয়েছে তাতে বুঝতে অসুবিধে হয় না যে লেখক আসলে মুলত বঙ্গবন্ধুর উপর বিদ্বেষ দেখাতে চেয়েছেন, নাফিসা কবির কে মুল পরিকল্পনাকারী হিসেবে দেখিয়ে স্বয়ং বঙ্গবন্ধুকে এর বিরোধিতাকারী রুপে প্রতিপন্ন করতে চেয়েছেন।

    আর পারি নাহ!আপনারা পারেনও বটে!

    1. বঙ্গবন্ধুর একটা মুর্তি বানিয়ে
      বঙ্গবন্ধুর একটা মুর্তি বানিয়ে সেটাকে প্রতিদিন পুঁজা করেন। মানা করছে ক্যাডা। আপনি পুঁজা করবেন বলে সবাই পুঁজা করতে হবে কেন? কাউকে শ্রদ্ধা করা না করা এটা যার যার ব্যক্তিগত অধিকার।

      1. কাউকে শ্রদ্ধা করা না করা এটা

        কাউকে শ্রদ্ধা করা না করা এটা যার যার ব্যক্তিগত অধিকার।

        … এবং এ কথার সূত্র ধরে আপনি যদি গোলমাল আজমের গলায় ফুলের মালাও পরিয়ে দ্যান, আমি একটুও আশ্চর্য হব না।

        1. গোলাম আজম এবং পাকিদের আমি
          গোলাম আজম এবং পাকিদের আমি গালে মুতি। তলে তলে কার সাথে কাদের খাতির এটা মানুষ জানে। নির্বাচনের আগে গোলাম আজমের পা ছুঁয়ে দোয়া নেওয়ার ছবিটা এখনো অনলাইনে খুঁজলেই পাওয়া যাবে। গোলাম আজমদের মত নরপিশাচদের সাথে এক সাথে আন্দোলন করার ইতিহাস সবাই জানে। বর্তমানে জামায়াতের সাথে আঁতাতের খবর মানুষের অজানা নয়। আওয়ামীলীগের কাছে যুদ্ধাপরাধী ইস্যু স্রেপ রাজনৈতিক ভাওতাবাজি ছাড়া আর কিছু না

  9. এক অজানা ইতিহাস তুলে ধরার
    এক অজানা ইতিহাস তুলে ধরার জন্য ধন্যবাদ। তবে পোষ্টের বক্তব্যে ইতিহাস তুলে ধরে একজনকে মহান করে তোলার চেষ্টা যতটা ছিলো তার পাশাপাশি আরেকজনকে ছোট করার চেষ্টাও কম ছিলোনা। শেখ মুজিব যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের ব্যপারে উদাসীন ছিলো এটা যারা মনে করে তাদের মুক্তিযুদ্ধের চেতনা দেখলে আসলেই করুনা হয়। ভুল যা হয়েছিলো তা মোশতাকদের কারনে, ভুল হয়েছিলো রক্ষীবাহিনী বানিয়ে, ভুল হয়েছিলো নিজের কাছের মানুষদের নিয়ন্ত্রনহীন ক্ষমতার অপব্যবহারের সুযোগ দেয়ার কারনে। আর এসব ভুল সামলাতে সামলাতেই হয়তো যুদ্ধাপরাধীদের বিচারেও দীর্ঘসূত্রীতা হচ্ছিলো। একারনেই বিয়াল্লিশ বছর পরেও আমাদের সেই বিচারের ঘানি টানতে হচ্ছে। আর ভাঙ্গাচূড়া দেশ গঠনের ঝামেলাও তো কম না। কিন্তু যিনি নিজে পুঁজিবাদী সম্রাজ্যের বিরুদ্ধে রাজনীতি করে আবার সেইসব দেশেই আস্তানা গেড়ে বসে থাকেন তার রেফারেন্স দিয়ে শেখ মুজিবকে ছোট করার চেষ্টা মানতে পারলাম না। ব্যক্তি মানুষ বাদ দিয়ে কি সংগ্রাম হয় নাকি! আমেরিকায় বসে ডাক দিবে মার্কিন পন্য বর্জন করুন, আর এদেশে বসে পাবলিক তা শুনবে! এইটারেই বলে বাংলাদেশী বাম। পাকিস্তানে ব্যবসা বানিজ্য করে, পাকিস্তান সরকারকে ট্যক্স দিয়ে কোন বাঙ্গালী যদি যুদ্ধাপরাধীদের বিচার চায় তবে সে ব্যটার দাবির মুখে ওয়াক থুহ, তাহলে আমেরিকায় বসে সম্রাজ্যবাদের বিরুদ্ধে রাজনীতি করা মানুষকে কেন ভন্ড বলা যাবেনা? যেখানে তিনি জন্ম নেননি, জীবিকা কিংবা পেশার কারণেই গিয়েছেন, অর্থাৎ যেকোন একটা সুবিধা নিতে গিয়েছেন। ব্যক্তি হিসেবে ব্যর্থ হয়ে আদর্শের কথা সবাই বলতে পারে, বাংলাদেশের বামেরা একটু বেশিই পারে, কিন্তু মাঠে থেকে একজন ব্যক্তি হিসেবে নিজের আদর্শকে বাস্তবায়ন করতে পারলেই না সত্যিকার সৈনিক।

  10. এই ব্লগের স্লোগান নাকি
    এই ব্লগের স্লোগান নাকি “নিরপেক্ষ নয়, মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে”!

    ইকারাস

    নামে একটা জারজ নিক বার বার মুক্তিযুদ্ধের মূল নায়ক, জাতির জনককে অপমান করে মন্তব্য করছে; সহ ব্লগাদের যাচ্ছেতাই গালাগাল করছে আর ব্লগ কতৃপক্ষ দিব্যি নাকে তেল দিয়ে ঘুমাচ্ছে!
    এই কি তবে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের নমুনা?

    রাজাকার? সেও ভাল, চিংকু… সে তো শুয়োরের অবয়ব

    1. জাতির জনক কি নবী-রসুল? স্রেপ
      জাতির জনক কি নবী-রসুল? স্রেপ একজন রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব। আমার অধিকার আছে আমি কাকে নেতা হিসাবে বেছে নেব। এই অধিকার সাংবিধানিক। ‘জারজ’ শব্দটা আম্বার দলকানা হিসাবে আপনার মুখে মানাইছে। এই শব্দ ব্যবহারের মাধ্যমে আপনি বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন বাস্তবায়ন করছেন। এই রকম স্বপ্নের জোয়ার সুশান্তের আস্তানায় বহমান। সেখানে পিতা, পিতা করে জীবন দিয়ে ফেলতে পারেন। বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন মদিনা সনদ যদি হয়, সেই স্বপ্নে থুথু ছিটাইলাম। আর সেই স্বপ্নের দ্রষ্টা আমার কাছে ভ্রষ্ট বৈ কিছু না।

      আর হ্যাঁ, জাতির পিতা কনসেপ্টটা আমার একটা ভংচং বিষয়। কথায় কথায় পিতা পিতা বলে নেতিয়ে পড়া খ্রিষ্টান ধর্ম থেকে ধার করা। এটা পুরাই মদিনা সনদ বিরোধী কাজ।

    2. মুক্তিযুদ্ধের পক্ষ মানে
      মুক্তিযুদ্ধের পক্ষ মানে শুধুমাত্র আওয়ামীলীগ নাকি? সারা বাংলাদেশে যারা মুক্তিযুদ্ধ করছিল তারা সবাই আওয়ামীলীগ কর্মী ছিল নাকি? মুক্তিযুদ্ধের সোল এজেন্সী যেদিন আওয়ামীলীগ ছেড়ে দেবে এই দেশের মানুষের কাছে সেদিনই মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বাস্তবায়ন হওয়া শুরু হবে। আর বঙ্গবন্ধুকে যেদিন আওয়ামী নেতা থেকে মুক্তি দেওয়া হবে, সেদিন বঙ্গবন্ধু হতে পারবে সার্বজনীন।

      রাজাকার যাদের কাছে ভাল, তারা মুক্তিযুদ্ধের কোন ধরনের চেতনা ধারন করতে পারে বুঝা গেল!

      চিঙ্কুদেরকে আমি গনায় ধরিনা। রাজাকার হচ্ছে শুয়োরের পাল, চেতনা ব্যবসায়ী হচ্ছে একপাল ভন্ড! প্রতারক!

      1. বঙ্গবন্ধুকে যেদিন আওয়ামী নেতা

        বঙ্গবন্ধুকে যেদিন আওয়ামী নেতা থেকে মুক্তি দেওয়া হবে, সেদিন বঙ্গবন্ধু হতে পারবে সার্বজনীন।

        শুনে পুলকিত হলাম! বঙ্গবন্ধুকে অপমান করে সার্বজনীন নেতা বানাবার সিষ্টেমটা বড় দারুন লাগলো! কতৃপক্ষ স্লোগানে এই সিষ্টেমটার উল্লেখ রাখলেই পারে ।

        1. কর্তৃপক্ষের শ্লোগানে
          কর্তৃপক্ষের শ্লোগানে বঙ্গবন্ধুকে জাতির বাপ বানাইছে কোন জায়গায়? আর বঙ্গবন্ধুকে অপমান করছে কোন জায়গায়। আপনারা যারে বাপ ডাকবেন, অন্য সবাইকে একই কাজ করতে হবে কেন? সম্মান কখনো জোর করে আদায় করা যায় না। যার সম্মান প্রাপ্তি সে সম্মান এমনিতেই পাবে। আর যার সম্মান করার ইচ্ছে আছে সে এমনিতেই সম্মান করবে। আপনাদের এই ধরনের ফ্যাসিস্ট মনোভাব বঙ্গবন্ধুকে বরং ছোট করছে। হিটলারও তার উগ্র জাতীয়তাবাদ চাপিয়ে দিতে পারে নাই। মানুষের উপর কোন দর্শন বা আদর্শ চাপিয়ে দিয়ে বাস্তবায়ন করা যায় না।

          1. ইকারাস
            কি কতৃপক্ষের আওতার

            ইকারাস

            কি কতৃপক্ষের আওতার বাইরে? তার কমেন্টগুলো কি খুব দৃষ্টিনন্দন? ইকারাসের কমেন্টগুলি কি ইষ্টিশন বিধির পরিপন্থী নয়?

            আপনাকে কে বলেছে বঙ্গবন্ধুকে জাতির জনক মানতে? আপনি বঙ্গবন্ধুকে জাতির জনক মানবেন নাকি চে গুয়েভরাকে মানবেন সেটা আপনার ব্যাপার কিন্তু আমার মানা নিয়ে আপনাদের এত চুলকানি কেন?

          2. ইকারাস এর পুষি চাইয়া একটা
            ইকারাস এর পুষি চাইয়া একটা ইভেন্ট খুলে ড়াসেল রহমানদের মত আপনাগো পিতার আর্দশ সৈনিক দিয়া ইকারাস এর বিরুদ্ধে গালি উৎসব করেন। টুঙ্গিপাড়ায় চিরনিন্দ্রায় শুয়ে থাকা আপনাগো পিতার আত্মায় শান্তি বর্ষিত হইবে। আর একটা জিনিস খেয়াল রাখবেন, আপনার পিতার খুনি কিন্তু আপনারা, আপনাগো দলের নেতারা।

            জাতির পিতা যখন এজাতির কপালে জোর করে চাপায়া দিতেছেন, একজন জাতির মাতা দরকার আমাদের। পিতা আছে, মাতা নাই। বিষয়ডা ভাল দেখায় না।

          3. একজন জাতির মাতা দরকার আমাদের।

            একজন জাতির মাতা দরকার আমাদের। পিতা আছে, মাতা নাই। বিষয়ডা ভাল দেখায় না।

            আমাদের পিতা আছে, আপনাদের মাটা দড়কার।
            তো সমিশ্যা কুতায়? এতো দিন মঞ্চে গিয়া মাটা ফালাইলেন কিসের জন্নি?
            আপনাদের কালা হস্তি ওতবা ফাঁকি বেগম রে মাটা ঘুশনা দিয়া দ্যান!
            ল্যাঠা চুকে যাক।

  11. কথায় কথায় পিতা পিতা বলে

    কথায় কথায় পিতা পিতা বলে নেতিয়ে পড়া খ্রিষ্টান ধর্ম থেকে ধার করা

    মুহম্মদ আলী রে কি জানি “কায়েদে আজম” নাম দিচিল?

  12. আওয়ামী লীগাররা তাদের দলের
    আওয়ামী লীগাররা তাদের দলের নেতা মুজিবকে মহান হিসেবেই জেনে এসেছেন। তারা তাকে সবখানেই মহান বানাতে চান। কিন্তু তিনি আওয়ামী নেতৃত্বের আজকের যে নষ্টামী, তার অনেক কিছুরই জনক। ফলে সত্যভাষণে তার মহত্ব প্রায়ই খাটো হবে। আর এর বিপরীতে আওয়ামী কাঠমোল্লারা গালাগালি, অস্ত্রবাজি, পুলিশবাজি করবে যে যার ক্ষমতা অনুযায়ী- এটাই স্বাভাবিক।

  13. একই গ্রামের ছেলে এবং জহির
    একই গ্রামের ছেলে এবং জহির রায়হানের সহপাঠি হওয়াতে আমার বাবা ছিলেন জহির রায়হানদের পারিবারিক বন্ধু।নিঃখোজ হওয়ার আগে জহির রায়হান বাবা কে প্রায় বলতেন ” শেখ মুজিব বোধ হয় আমাকে বাঁচতে দিবেনা।” ….উল্লেখ্য যুদ্ধ পরবর্তী সময়ে চিত্রযোদ্ধা জহির রায়হান দেশে এসে বলতেন মানুষের মুখের কথা কেঁড়ে নেওয়া যায় কিন্তু সেলুলয়েডের ফিতায় যা ধরে রাখা যায় তা কেড়ে নেওয়া যায়না। আমি দেশবাসী কে দেখাবে হেয়ার রোডে বসে আওয়ামীলিগের নেতা কর্মীরা কি করছে” নাফিসা কবির কে বঙ্গবন্ধু নিজে ফোন করে বলেছিলেন ” নাফিসা জহির কে মুখ সামলাতে বল, না হলে ফলাফল ভাল হবেনা। ” কি ফলাফল সেটা দেশের মানুষ দেখেছে। স্বাধীন দেশে চিরদিনের জন্য হারিয়ে গেলেন এক সাহসী কলম ও চিত্র সৈনিক।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

6 + 3 =