The creativity of কাজের বুয়া of Dhaka city

ঢাকা শহরে যারা Bachelor, মেসবাড়িতে ভাড়া থাকেন কিংবা খাওয়া-দাওয়া করেন Family-র বাইরে তাদের সবারই কম-বেশি অভিজ্ঞতা আছে সেইসব খালাদের ব্যাপারে যারা মেসগুলোতে রান্না করেন। সময় বাঁচানোর স্বার্থে তারা এমন সব খাবারের Item তৈরি করে থাকেন যা সিদ্দিকা কবির কিংবা টমি মিয়া কোনদিন কল্পনাও করতে পারবেন না। সময় বাঁচানোর এই তাড়নার সাথে আর্থিক ব্যাপার জড়িত। কেননা এক সাথে একাধিক বাসায় তারা রান্না করে থাকেন। এই তাড়াহুড়া করার কারনে তারা রান্নার জগতে যেসব বিপ্লব সাধন করেছেন এবং সেই বিপ্লবের যেসব ফলাফল আমি নিজের উপর প্রয়োগ হতে দেখেছি তা আপনাদের সাথে শেয়ার করছি। আমি নিশ্চিত, আপনাদের অভিজ্ঞতাও এই ব্যাপারে কম নয়।

যেই Item গুলো আমি নিজে খেয়েছি তাদের কিছু নাম দিয়েছি। আপনারা চাইলে আরো ভাল নাম দিতে পারেন।

১. ম্যাজিক ডিম

ডিম ছিল দুইটা, কিন্তু খাবার সময় দেখলাম তিনটা ভাজা ডিম। ব্যাপার কি? Extra ডিম টা কে নিয়ে আসল? ঘটনা হচ্ছে সময় বাঁচানোর জন্য বুয়া দুইটা ডিম ভেঙ্গে তিন ভাগ করে ভেজে এনেছে। Idea টা খারাপ না। যাদের বাসায় হঠাত করে মেহমান চলে আসে তারা এই পদ্ধতি ব্যবহার করতে পারেন। খরচ ও বাঁচল, আপ্যায়নও হল।

২. ডিম তরতরি with Fried Potato

এটা রান্না করা খুবই সহজ। একটা ডিম সিদ্ধ করে আলু ভাজিতে ছেড়ে দিবেন। তারপর সেই মিশ্রণকে পানিতে চুবাবেন। অল্প পরমান লবন ও তারচেয়েও অল্প পরিমান হলুদ দিয়ে মিশিয়ে সমগ্র মিশ্রণটিকে ঢাকনা দিয়ে ঢেকে ১০ মিনিট রাখুন। আপনার খাবার প্রস্তুত।

Note: মেস মেম্বার হিসাবের চেয়ে বেশি হয়ে গেলে ডিমটিকে প্রয়োজনের উপর ভিত্তি করে দুই বা চারভাগ করে নিতে পারেন।

৩. বেগুন with Beef

বেগুনের প্রতি আমাদের বুয়ার সীমাহীন ভালবাসা। বাজার থেকে বেগুন কিনে নিয়ে আসলেই তার মনে creativity-র বন্যা বয়ে যায়। একদিন অফিস থেকে বাসায় ফিরে দেখি তিনি রান্না করেছেন আলু আর বেগুনের ঝোল তরকারির সাথে গরুর মাংস। জীবনে প্রথমবারের মত বেগুনের তরকারি দিয়ে গরুর মাংস খেলাম। খুব শখ করে বাজার থেকে গরুর মাংস কিনেছিলাম। মাংসের এই পরিনতি তে অনেক খারাপ লেগেছিল কিন্তু খেতে হবে কি আর করা। এটা ঠিক যে নতুন স্বাদ পেয়েছিলাম।

৪. খাসির মাংসের বেগুনি

এটা গত রমজান মাসের ঘটনা। বুয়াকে বলে গেলাম ইফতারিতে ভাল কিছু যেন করে। সন্ধ্যায় বাসায় ফিরে দেখি রাতের খাবারের জন্য যেই খাসির মাংস কেনা হয়েছিল তার কিছুটা বেগুনের সাথে ভাল করে মশলা দিয়ে মিশিয়ে বেগুনি তৈরি করেছে। আমরা হতম্ভব। ভাল খেতে চাওয়ার শাস্তি যে এমন হতে পারে কল্পনাও করি নি।

৫. ফুলকপি চমচম

ফুলকপি ভাজি, ফুলকপি বড়া, ফুলকপি তরকারি তো সবাই খেয়েছেন কিন্তু আমি নিশ্চিত আপনারা কেউই ফুলকপি চমচম খান নি। সকালে নাস্তায় রুটির সাথে সাধারনত ডাল বা ভাজি খেয়ে থাকি। খুব দ্রুত নাস্তা করতে হয় কারন অফিস যাবার তাড়া থাকে। কিছুদিন আগে গোসল শেষ করে বের হয়েছি তখন বুয়া বলছে মামা আসেন আজ নতুন জিনিস খাওয়াবো আপনাদের। নতুন জিনিসের কথা শুনেই বুঝলাম আজ খবর আছে। না জানি কি রান্না করেছে। রান্নাঘরে গিয়ে দেখি সে ফুলকপি সিদ্ধ করে ভেজে সেই ফুলকপিকে রুটির ভিতর ঢুকিয়ে রোল বানিয়েছে। এখানেই শেষ নয়। আগের রাতে আমরা পিঠা খাওয়ার জন্য চিনির শিরা বানিয়েছিলাম, তার অনেকটাই খাওয়ার বাকি ছিল। আমাদের বুয়া সেই চিনির শিরার ভিতর রোল করা রুটি ভাল করে ভিজিয়ে প্লেটে করে আমাদের পরিবেশন করেছে। What a creativity.

৬. ধনে পাতার ফ্রাই

এই রান্নাটা আমার খুব একটা খারাপ লাগে নি। সবজি রান্নার জন্য বাসায় তখন কিছুই ছিল না। তাই বুয়ার মাথায় creativity-র পুরাতন রোগ জেগে উঠল । ধনে পাতাগুলোকে মশলা দিয়ে ভাল করে মেখে সরিষার তেলে ভাজা হয়েছিল। খাবারটা দেখে জিহবায় পানি এসে গিয়েছিল কিন্তু মুখে দিয়ে দেখি বুয়া লবন দিতে ভুলে গেছে। আপনারা যদি এই রেসিপি তৈরি করতে চান তবে লবন দিতে ভুলবেন না কিন্তু।

৭. চিকেন ফ্রাই with টমেটো সস

নাম শুনে হয়ত ভাবছেন এ আর এমন কি নতুন খাবার। অপেক্ষা করুন, এখানেও creativity আছে। সাধারনত আমরা মুরগির মাংসের সাথে তৈরি করা টমেটো সস খেয়ে থাকি। কিন্তু আমাদের বুয়া অনেক বেশি creative. তিনি প্রথমে টমেটো সিদ্ধ করে জ্বাল দিয়ে কিভাবে জানি সস তৈরি করলেন। সেই সসের ভিতর সিদ্ধ করা মুরগির মাংস ঢাললেন। তারপর তেল ও মসলা দিয়ে আবার অনেকক্ষণ জ্বাল দিলেন। তরকারিতে কোন ঝোল ছিলনা, ঝোলের বদলে ছিল সস। সেদিন ছিল শুক্রবার। সপ্তাহে একদিন একটু ভাল খেতে চাওয়ার অপরাধ করেছিলাম। সেটার শাস্তি এমনভাবে পেতে হবে বুঝি নাই। মুরগির মাংসের দিকে তাকিয়ে মনে মনে বলছিলাম “তুই ফ্রাই হইসিস ঠিক আছে, আমারে ফ্রাই করলি না কেন ?”

৮. বেগুন দোপেয়াজা with কালোজিরা ভর্তা

কালোজিরা অনেক রোগের ওষুধ ঠিক আছে কিন্তু এর ভর্তা খেতে আমার খুব একটা ভাল লাগে না, আমি আসলে খেতেই পারি না। দুর্ভাগ্যক্রমে বাসায় সেদিন কালোজিরা ছিল। বুয়াকে বললাম বেগুন ভাজি (আমার খুব প্রিয় খাবার) করতে। বুয়া বেগুন ভাজির সময় তার ভেতর কালোজিরা ঢুকিয়ে দিয়ে কিভাবে জানি বেগুন ভাজির উপর কালোজিরার একটা আবরণ তৈরি করল। বলাই বাহুল্য, অতি সাধের বেগুন ভাজি আমার আর সেদিন খাওয়া হয় নি।

৯. গাজরাংস (গাজর + মাংস)

হয়ত ভাবছেন এইটা আবার কি নাম। গাজর এবং মাংসের সন্ধি করলে সম্ভবত তাই দাঁড়ায়। কোন ভাষাবিদ যদি থেকে থাকেন তিনি হয়ত আরো ভাল বলতে পারবেন। মাংস আমরা হয় ভুনা অথবা আলুর সাথে তরকারি আকারে খেয়ে থাকি। আলুর বদলে অনেক সময় অন্য কিছু থাকে। কিন্তু সেই অন্য কিছুটা যদি শুধু গাজর থাকে তাহলে কেমন লাগে বলেন? সালাদ হিসাবে গাজর ঠিক আছে কিন্তু তরকারি হিসাবে চিন্তা করতে আপনাদের কেমন লাগে জানি না, আমার অসহ্য লাগে। কিন্তু বুয়ার creativity-র জ্বালায় আমাকে সেটাও সহ্য করতে হয়েছে।

১০. খিচুরি without ডাল

এইটা আমাদের ঘন ঘনই খেতে হয়। ডাল ছাড়া খিচুরির কথা কি আপনারা জানেন? না জানলে এখন জানুন। যেদিন রাতে আমদের ভাত বেঁচে যায় তার পরদিন সকালে বুয়া রুটি তৈরি না করে ভাতগুলোকে হলুদের সাথে মিশিয়ে তেল দিয়ে ভেজে আমাদের জন্য রেখে যায়। তাতে তাঁর কষ্ট কম হয় কিন্তু আমাদের যন্ত্রনা বাড়ে বই কমে না। খেতে মাঝে মাঝে ভাল লাগে কিন্তু বেশিরভাগ সময়ই বিরক্ত লাগে। কিন্তু কিছুই করার নেই।

১১. করলা কারি উইথ চিকেন

বেগুনের প্রতি আমাদের বুয়ার তীব্র ভালোবাসা ছিল। সেই ভালোবাসা এখন করলাতে ট্রান্সফার হয়েছে। খুব আগ্রহ নিয়ে দেশি মুরগী কিনে আনলাম। করলা আনলাম ভাজি করে খাবার জন্য। খেতে বসে তো পুরাই ভিরমি খাবার অবস্থা। কারন মুরগীর মাংসের সাথে করলা। ঘটনা কি? ব্যাপার খুবই সিম্পল। করলাকে আড়াআড়ি এবং লম্বালম্বি কুচি কুচি করে কেটে সেটাকে প্রথমে মাংসের মসলার সাথে মিশানো হয়েছে। তারপর সিদ্ধ মাংসকে জ্বাল দিয়ে ভুনা করে তার উপর এই কুচি কুচি করলা ছিটিয়েছে। সবশেষে পানি দিয়ে ঝোলের পরিমান কিছুটা বাড়ানো হয়েছে যেন করলার তিতা স্বাদটুকু ঢেকে যায়। খোদা, রক্ষা কর।

১২. করলা কারি উইথ চিংড়ি মাছ

তীব্র ভাষায় আমরা বুয়ার এই অগণতান্ত্রিক আচরণের নিন্দা জানাবার পর তিনি কমিটমেন্ট করলেন যে ভবিষ্যতে করলা এবং মাংস আর কখনো একসাথে রান্না করবেন না। যদিও আমরা তাতে খুব একটা ভরসা পাই নি। কারন রাজনৈতিক দলসমূহের হরতাল না দেওয়ার কমিটমেন্ট আর বুয়ার কমিটমেন্ট এর মাঝে কোন পার্থক্য আমাদের কাছে নেই। সেটার প্রমাণ ঠিক তার পরদিনই পেলাম। পরদিন বাজার করা হল চিংড়ি মাছ। আমার খুব পছন্দের মাছ যদিও অনেকেই খেতে পারেন না। সেদিন করলা কেনা হয় নি। কিন্তু আমাদের ভোজনের আকাশে যদি দুর্যোগের ঘনঘটা বিরাজ করে তবে কে সেটা ঠেকাতে পারবে? আগের দিন সব করলা রান্না করা হয় নি। বুয়া সেই করলাকে প্রথমে সিদ্ধ করল। তারপর চিংড়ি মাছগুলোকে সিদ্ধ করল। সবশেষে করলা এবং চিংড়ি একসাথে মশলা দিয়ে মাখিয়ে তেলে ভেজে আমাদেরকে পরিবেশন করল। সাধের চিংড়ি মাছের এই করুণ পরিনতি দেখে হাসব নাকি কাঁদব বুঝতে পারছিলাম না। কটমট করে বুয়ার দিকে তাকানো মাত্রই তাঁর নিরীহ মুখের সাবলীল উত্তর “আমি কিন্তু মাংসের সাথে করলা রান্ধি নাই, মাছের সাথে রান্ধছি। কেন মামা, মজা হয় নাই?” হ্যাঁ, এমন মজাই হইসে যে জীবনেও ভুলব না।

১৩. করলার জুস

যেদিন বুয়া খুব বেশি ব্যাস্ত থাকে সেদিন বুঝি আজকের রান্না পেটে যাবার পর বেশ অনেকক্ষণ অবস্থান করতে পারবে। পেট থেকে নিষ্ক্রান্ত হবার জন্য কান্নাকাটি শুরু করবে না। যেদিন বুয়া মোটামোটি ব্যস্ত থাকে সেদিন বুঝি আজকের রান্নাটা ভাল হবার সম্ভাবনা ৯০%। আর যেদিন বুয়া একদম ফ্রি থাকে সেদিন বুঝি আজ কপালে খারাপি আছে। কারন বুয়াদের অলস মস্তিষ্ক হচ্ছে ক্রিয়েটিভিটির কারখানা। আর আমাদের বুয়ার কারখানার কলকব্জা সবসময় চকচক করতে থাকে। গ্যাসের অভাবে বাংলাদেশের বিদ্যুতকেন্দ্রগুলো বন্ধ থাকলেও আমাদের বুয়ার মাথার ভেতরকার ক্রিয়েটিভিটির কারখানা বন্ধ হবার কোন সম্ভাবনা আমরা দেখি না। এই রকম এক ফ্রি দিনের আবিষ্কার হচ্ছে করলার জুস। যদি ভেবে থাকেন এই জুস ব্লেন্ডার মেশিনে তৈরি করা তবে আপনি ভুল ভাবছেন জনাব। কারন আমদের বুয়া সবসময় সাথে হামানদিস্তা রাখেন। কোন ব্লেন্ডার মেশিনের বাপেরও সাধ্য নেই এত মিহি করে করলা গুড়া করার। আমার পাশের রুমমেট এর ১০১ ডিগ্রি জ্বর নিয়ে শুয়ে ছিল। এই অবস্থা দেখে বুয়ার ভেতর প্রবল মাতৃত্ববোধ জেগে উঠলো। আহারে বেচারা বাবা-মা ছেড়ে এত দূরে থাকে। তিনি তখনই করলার জুস তৈরি করে আমার পাশের রুমমেটকে জোড় করে খাওয়ালেন। তাঁর পীরবাবা নাকি তাঁকে এই চিকিৎসা বাৎলেছেন। ফলাফল ভয়াবহ। ৩০ মিনিটের মাঝেই বেচারার জর আরও ৩ ডিগ্রি বেড়ে ১০৪ ডিগ্রি তে পৌছালো। শেষ পর্যন্ত suppository দিয়ে রক্ষা। মেস লাইফে সেদিনই বুয়াকে সব থেকে বেশি ঝাড়ি দিয়েছিলাম বলে মনে হয়।

১৪. টমেটো ভাজি

বিশ্বাস করা না করা সম্পূর্ণ আপনার ব্যাপার তবে আমি সম্ভবত সেই সব দুর্লভ মানব প্রজাতির অন্যতম সদস্য যে কি না বেগুন ভাজির আদলে টমেটো ভাজি খেয়েছে। আমার মনে হয় না আমাদের মেসের ৭ জন সদস্য ছাড়া আর কারোরই এই সৌভাগ্য হয়েছে। তবে এই আইটেম টা আসলেও জোস, তাই সমালোচনায় যাচ্ছি না। রান্না করার সময় খেয়াল রাখবেন যেন লবনের পরিমান বেশি না হয়ে যায়। টমেটো ভাজার আগে স্লাইস করে টুকরোগুলোকে যদি কড়া রোদে ২০ মিনিট শুকিয়ে নিতে পারেন তবে ভালো হয়। আর অবশ্যই লেবু দিয়ে খাবেন। পরিপূর্ণ তৃপ্তি কাকে বলে সেটা তখনই বুঝতে পারবেন।

১৫. বরবটি ফ্রাই

এই আইটেমটাও কিন্তু খারাপ না। বাজার থেকে বরবটি কিনে এনে আগে ভালো করে ধুয়ে নিবেন। খুব হাল্কা সিদ্ধ করবেন (তিতাস গ্যাসের চুলায় ৫ মিনিটের বেশি না। এল পি গ্যাস হলে ৮ মিনিট)।তারপর মধ্যমা আঙ্গুলের সমান করে কাটবেন। এরপর টুকরোগুলোকে মসলা দিয়ে ভাল করে মিশিয়ে সরিষার তেলে ভেজে নিবেন। ব্যাস, হয়ে গেল আপনার বরবটি ফ্রাই। খেতে খুব একটা খারাপ লাগবে না। তবে সস দিয়ে মিশিয়ে খেয়ে নিলে যে ফ্রেঞ্চ ফ্রাই এর থেকে বেশি টেস্ট পাবেন সে ব্যাপারে আমি গ্যারান্টি দিতেই পারি।

সংক্ষেপে এই হচ্ছে আমাদের বুয়ার creativity-র নমুনা। সামনে আরো যে কত creativity দেখতে হবে আল্লাহ্‌ই ভাল জানেন। আপনারা হয়ত প্রশ্ন করতে পারেন কেন এই বুয়াকে আমরা এখনও বদলাচ্ছি না। তার দুটো কারন,
. ঢাকা শহরে কাজের বুয়া পাওয়া অনেক কঠিন, যারা মেসে থাকেন তারা এটা ভাল বুঝবেন।
. বুয়ার ব্যবহার অনেক ভাল। তার ভাল ব্যবহারের জন্য তার creativity কে আমরা ignore করি।
. কোন কোন দিন কিভাবে জানি রান্না অস্বাভাবিক ভাল হয়ে যায়। এমনটা ঘটে মাসে একবার অথবা দুই মাসে একবার। এই এক বা দুইদিনের জন্য আমরা সারা মাস অপেক্ষা করি এবং সেইদিনের রান্নার পারফর্মেন্সের জন্য বুয়ার আগের সমস্ত অত্যাচার ভুলে যেতে বাধ্য হই।

ক্রিয়েটিভিটি চলছে, ভবিষ্যতেও চলবে। কারন খুব দ্রুত এই বাসা ছাড়বার ইচ্ছে নেই। তাই সামনে ক্রিয়েটিভিটির আরো নমুনা আপনাদের জানাতে পারব বলে আশা করছি। আমাদের বুয়া ইদানিং ব্যাপক ভাবে আছে। কারণও আছে। তাঁর রান্নার ব্যাপারে আমাদের ক্রমাগত অভিযোগ সহ্য করতে না পেরে সে অশ্রুসিক্ত নয়নে এবং কান্নাজড়িত কণ্ঠে তাঁর সিদ্ধান্ত জানালো যে সে আমাদের মেসে আর রান্না করবে না। শুনে কেয়ামতের আগেই আমাদের মাথায় সপ্ত আসমান ভেঙ্গে পড়ার উপক্রম হল। কারন এই বাজারে টাকা থাকলে সব কিছু পাওয়া গেলেও কাজের বুয়া পাওয়া যাবে না। অবশেষে ১০০০ টাকা বেতন বাড়িয়ে তাঁকে আরো কিছুদিন রান্না চালিয়ে যাবার ব্যাপারে রাজী করানো গেল। কানে ধরেছি, এখন থেকে আলকাতরা রান্না করলেও সেটাকে বেহেশতি সেমাই মনে করে খেয়ে নিব। অভিযোগ জানাবো না। এই সুযোগ কি বুয়া ছাড়ে? নতুন উদ্যমে তিনি তাঁর ক্রিয়েটিভিটি দেখানো শুরু করে দিয়েছেন। আর আমরা হচ্ছি আদর্শ গিনিপিগ। বিজ্ঞানের ছাত্র থাকার সুবাদে ব্যাঙ, তেলাপোকা, কেঁচো এবং ইঁদুর নিয়ে অনেক কাজই করেছি। এখন নিজের অভিজ্ঞতা থেকে বুঝতে পারছি আমরা যখন প্র্যাক্টিক্যাল করতাম তখন বেচারাদের মনের অবস্থা কেমন হত। বাবারা আমাকে ক্ষমা করে দিস। আজ তোদের অভিশাপের কারনেই সম্ভবত আমার এই অবস্থা। ফার্মেসিতে পড়ার সুবাদে এনেসথেটিক এর ব্যবহার ব্যাঙ এর উপরই বেশি চালাতে হয়েছে। সেকেন্ড ইয়ার এ যখন পড়ি তখন ফাইনাল পরীক্ষায় আমার কাজ ছিল কোন ওষুধ দিলে কতক্ষন পর ব্যাঙ বাবাজি অজ্ঞান হয় সেটা বের করা। কপাল খারাপ সেদিন এক্সপায়ার হয়ে যাওয়া ওষুধ দিয়ে পরীক্ষা করছিলাম। ব্যাঙ কিছুতেই অজ্ঞান হচ্ছে না দেখে শেষে আছাড় দিয়ে অজ্ঞান করে স্যার কে দেখিয়েছিলাম। আমি নিশ্চিত সেই ব্যাঙ এর অভিশাপেই আজ আমার এই দুরবস্থা। কি আর করা, পাপের ফল তো ভোগ করতেই হবে।

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

৫৬ thoughts on “The creativity of কাজের বুয়া of Dhaka city

  1. খুব প্রয়োজন বা জরুরি ইস্যু
    খুব প্রয়োজন বা জরুরি ইস্যু ছাড়া পুরাতন লেখার বদলে নতুন লেখাই প্রিফার করব আমরা, আমাদের ব্লগার রা যথেষ্ট সৃজনশীল বলেই জানি :মুগ্ধৈছি: :মুগ্ধৈছি: :মুগ্ধৈছি: :মুগ্ধৈছি:

    1. এই ব্লগে এই লেখা পুরাতন নাকি?
      এই ব্লগে এই লেখা পুরাতন নাকি? :ভাবতেছি: আর আমার মাঝে সৃজনশীলতার বেশ ঘাটতি আছে। আপনারা যারা সৃজনশীল তাঁরা শুধু কমেন্ট না করে দুই-একখান লেখা ছাড়েন না। আমরা একটু সৃজনশীলতার পাঠ পাই। :আমারকুনোদোষনাই:

      1. আমরা তো বিখ্যাত ব্লগার না
        আমরা তো বিখ্যাত ব্লগার না ভাই, আমাগো নামের আগে ব্লগার লাগে নাই, যারা ব্লগার তাগো কাছেই তো নিত্য নতুন লেখা চাই, আজকাল সবাই খুব খ্যাপা মুড এ :ভেংচি: :ভেংচি: :ভেংচি: :ভেংচি: :ভেংচি: :ভেংচি:
        ব্লগের রুল সম্পর্কে যতটা জানি পুরাতন লেখা সব সময় নিরুৎসাহিত করা হয়, আর আপনার মত একজন বিখ্যাত, পুরাতন ব্লগার যদি এসব রুল পাশ কাটিয়ে যান তাইলে আমরা নতুনরা কই যাই?
        অবশ্য সৃজনশীলতা না থাকলে জোর করে আনা যায় না :ভেংচি: :ভেংচি: :ভেংচি: :ভেংচি:

        1. বাঙালির এই এইক সমস্যা। নিজে
          বাঙালির এই এইক সমস্যা। নিজে কিছুই করতে চায় না, খালি অন্যের কান্ধে বন্দুক রাইখ্যা গুলি করবার চায়। সো মাচ পবলেম। :মাথাঠুকি:

          1. আরে কি আজব, সমালোচনা করতে হলে
            আরে কি আজব, সমালোচনা করতে হলে কি লিখতে হবে নাকি? আহমেদ শরিফ দের মত বড় বড় সমালচক রা যারা সারা বিশ্বের শত শত লেখার সমালোচনা করেছে তারা নিজে কয়টা লিখেছে? আর কোন ডাক্তার যদি ভুল চিকিৎসা দেয় তো সেইটার সমালোচনা করলে কি ডাক্তারি পড়ে আসতে হবে নাকি?
            এটা ত কমনসেন্সের ব্যাপার যে এক যায়গায় আগে প্রকাশিত ব্লগ আরেক যায়গায় রিপাবলিশ করা ঠিক না, যদি না সেটা খুব ইম্পর্টান্ট কোন ইস্যু না হয়ে থাকে। বুয়ার রান্না নিশ্চই ত্যামন ইম্পর্টান্ট ইস্যু না। তাছাড়া ব্লগে কি কম লেখা আসছে যে পুরান লেখা দিয়ে চালাইতে হবে?
            এইটা তো সামহোয়্যার এর মত ফাউল ব্লগ না, এই ব্লগ টাকে আমরা বাংলাদেশের বেস্ট কমিউনিটি ব্লগ হিসাবে দেখতে চাই, কাজেই পুরাতন ব্লগার দের তো সচেতন আচরন করা উচিত

          2. আপনার মন্তব্যের উত্তরে আমার
            আপনার মন্তব্যের উত্তরে আমার কমেন্টটা যে ফান করে করা হয়েছে সেটা বোঝার মত জ্ঞান আপনার যে নেই সেটা আসলেও বুঝতে পারি নি। Sorry for that. সমালোচনা সহ্য করতে না পারলে ব্লগে লেখালেখিই করতাম না। আর ব্লগে আমি কি লিখব না লিখব সেটা সম্পূর্ণ আমার ব্যাপার। আমার মন চাইলে প্রেমের গল্প লিখব, মন চাইলে রান্না বিষয়ক লেখা লিখব, মন চাইলে সিরিয়াস লেখা লিখব। আপনার ভাল না লাগলে আপনি পড়বেন না। আপনার সেই অধিকার আছে। তেমনি আমার অধিকার আছে আমার লেখা যে কোন ব্লগে পাবলিশ করবার। আমি অন্য কারো লেখা কপি করি নি। নিজের লেখাই দিয়েছি। যদি সেটা আপত্তিকর হয় তাহলে ইষ্টিশন মাস্টার জানাবে। Who are you to tell me that? আপনার কথা শুনে মনে হচ্ছে আপনি এই ব্লগের সন্মানিত মডারেটর। হতেই পারেন। তাহলে এই আপত্তি ইষ্টিশন মাষ্টারের নিকে এসে জানান। আমি চিন্তা করে দেখব কি করা যায়।

            একজন তাঁর নিজের লেখা বিভিন্ন ব্লগে দিতেই পারেন। আমি একটা ব্লগেই লেখালেখি করতাম। এখন ইষ্টিশনই আমার ঠিকানা। আর কোথাও যাবার ইচ্ছেও নেই। আমি প্রফেশনাল ব্লগার না যে এই লেখা অমুক ব্লগে দিব, ওই লেখা তমুক ব্লগে দিব। লেখালেখি আমার ভাললাগার বিষয়। ইষ্টিশনকে আমি নিজেও বাংলাদেশের বেস্ট কমিউনিটি ব্লগ হিসাবে দেখতে চাই। তাই সব ধরণের লেখার সমাহার যেন ইষ্টিশনে থাকে সেই চিন্তা করেই দুই একটা ভিন্নধর্মী লেখা এখানকার আর্কাইভে রাখতে চাইছিলাম। Thats all. এতে আপনার সমস্যা হচ্ছে কেন সেটাই বুঝতে পারছি না। ইষ্টিশন বাংলাদেশের বেস্ট ব্লগ হোক সেটা আপনার চেয়ে বেশি না হোক অন্তত কম চাই না। এই ব্যাপারটা মাথায় রাখবেন।

          3. কারো সিরিয়াস কমেন্টের উত্তরে
            কারো সিরিয়াস কমেন্টের উত্তরে আপনি যে জোকার সাজতে পারেন এই জ্ঞান আসলেই আমার নাই।
            আপনি উত্তেজিত হচ্ছেন বলেই আমার কথার মূল ব্যাপার টা এড়িয়ে যাচ্ছেন বারবার। হু আর ইউ টু টেল মি বা আমি মডারেটর কি না এ জাতীয় কথা বা যুক্তি প্লে ক্লাসের বাচ্চারা দিলে আমি অবাক হতাম না।
            আপনার অবশ্যই অধিকার আছে যা খুশি তা নিয়ে লেখার, কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে আপনি সিনিয়ার ব্লগার, আপনি কার জন্যে লেখেন? আপনার পাঠক কূলের জন্যে নিশ্চই, নাকি এখন আবার প্লে ক্লাসের বেবির মত বলবেন নিজের জন্যে লিখি?
            আমি আগেও বলেছি, আমরা পাঠক, আমাদেরজন্যেই আপনাদের সৃষ্টি, আমাদের ভালো লাগা মন্দ লাগা দেখার দায়ভার টা অনেকটাই আপনাদের উপর পড়ে। তাহলে আপনি লেখা দেয়ার পর কোন সেন্সে ক্রিটিক শুনে বলেন যে লেখার সমালোচনা করতে হলে লিখতে হবে? ও আচ্ছা, এর সঠিক উত্তর না দিতে পেরে আপনি তো ফানের দিকে ঠেলে দিয়েছেন, আচ্ছা বুঝলাম।
            আপনি পুরাতন ব্লগার, ইস্টীশনবিধি নিশ্চই খুব ভালো মত পড়েই লিখতে বসেছেন, তাই না? ৩নম্বর বিধিটি কি আরেকবার ভালো করে পড়বেন? আপনার মত সিনিয়র ব্লগারের কাছ থেকে কি এই বিধির সামান্যতম লঙ্ঘন ও আশা করা যায়? আপনি যদি নতুন ব্লগার হতেন, আমার কোন সমস্যা ছিলো না, কিন্তু সমস্যা আপনি একজন পুরাতন ব্লগার হয়ে কিভাবে এই বিধি অতিক্রম করেন? তাহলে নতুনরা কি শিখবে?
            আপনার যদি পার্সোনাল ব্লগ খোলার ইচ্ছা থাকে তো গুগল এরকম বহু অপশন রেখেছে যেখানে ওয়ার্ডপ্রেস খুলে আপনি ইচ্ছা মত বুয়ার রান্না, বাথরুম পরিষ্কার করা লেখা লিখতে পারেন। কিন্তু এটা কোন পার্সোনালে আর্কাইভ খোলার যায়গা না।
            এবার আসছি মূল প্রসঙ্গে। আপনি আপনার কমেন্টে আমাকে সুবিধা করে দিলেন। আপনি একটা ব্লগে লেখালিখি করতেন এবং আমরা সেখান থেকেই আপনার লেখা পড়ি, বলাবাহুল্য, আপনার এই লেখাও সেখানে পড়া। ইস্টিশনই এখন আপনার ঠিকানা, শুনে ভালো লাগল। এখন আমাকে বলেন,একজন পুরাতন ব্লগার হিসেবে ইস্টিশন শুরুর মূল কাহিনি কি আপনার অজানা? কিভাবে আমাদের এই ব্লগের পথযাত্রা শুরু সেটা অনেকটাই আপনি জানেন আশা করি। তাহলে অন্য ব্লগের বিশেষ করে যেহেতু আপনি একটা ব্লগেই লিখতেন, এবং ঐ ব্লগের পুরান লেখাই আপনি এখানে রিপোস্ট করে আমাদের ইস্টিশনের দিকে অন্য একটি কমিউনিটির আঙ্গুল তুলে দেখানোর উপকরন তৈরী করে দিলেন না?
            বারবার বলছি, আপনি পুরাতন ব্লগার, আমাদের ব্লগ টা নতুন, এটার প্রতি সব চেয়ে বেশি দায়ীত্বশীল আচরন করবেন আপনারা। ভিন্নধর্মী লেখা আপনারাই লিখবেন, তবে অবশ্যই সেটা ইস্টিশনবিধি এবং ব্লগের ইম্প্যাক্ট মাথায় রেখে।

          4. ঘটনা কি? সামান্য একটা বিষয়
            ঘটনা কি? সামান্য একটা বিষয় নিয়ে দুইজন এতো সিরিয়াস হয়ে গেলেন কেন? পুরাতন লেখা রিপাবলিশড করা তো ব্লগ কালচারের মধ্যেই পড়ে বলি জানি। নাকি সমস্যা অন্যাখানে? পূর্বের ব্লগের নাম উল্লেখ করা হয় নাই দেইখা চেতছেন… বুঝলাম না। :মাথানষ্ট:

          5. ঘটনা যখন সিরিয়াস হয়েই গেছে
            ঘটনা যখন সিরিয়াস হয়েই গেছে তাইলে কমেন্ট করাটা জরুরী মনে করছি। প্রথমত আতিক ভাইকে বলছি,পুরাতন লেখা দেয়াটা কি ব্লগ কালচার? আমার মনে হয় না। পুরাতন লেখার লিংক দেয়া ব্লগ কালচার।

            এবার লেখককে আরেকটা জিনিস মনে করিয়ে দিচ্ছি সেই সাথে আতিক ভাইকেও, পুরাতন লেখা রিপাবলিস করলে অবশ্য অবশ্যই সেখানে উল্লেখ করে থাকতে হবে “রিপোস্ট” বা “উমুক ব্লগে প্রকাশিত”। কিন্তু লেখার কোথাও সেটা নেই। এখন নাগরিকের কেউ যদি এসে এখানে টিটকারি মারে যে, “নতুন লেখা বাইর হয়না তাই পুরান লেখা আইনা ব্লগের হিট কামান,তাইলে?”আমার নিজেরই বেশ কয়েকটা লেখা আছে নাগরিকে যেগুলো পাঠকের নজরে এসেছিলো (যেমন ছাগু চিনার ১০টি উপায় বা দেনমোহর একটি সামাজিক অন্যায়)। .আমি সেই লেখাগুলো এখানে আনিনি শুধুমাত্র নাগুর কেউ যেনো এই কথা বলতে না পারে যে, পুরাতন লেখা দিয়ে ব্লগের হিট বাড়াচ্ছি।

            দ্বীপার উদ্দেশ্যে, একজন লেখক পুরাতন লেখা দিতে পারে, সেই অধিকার সে রাখে। এটা কোনো অন্যায়ের পর্যায়ে পড়েনা। তোমার অভিযোগ হচ্ছে, পুরাতন ব্লগার হয়ে কেনো এই কাজ করলেন।এই ব্যাপারে ব্লগার নিজেই বলতে পারবেন,আমি কিছু বলতে রাজী না। তবে সেটি অন্যায় না। তুমি যদি সেটা অন্যায় হিসাবে গন্য করো তবে সেটি ভুল এছাড়া বাকি যে আলোচনা চলছে সেটি দেখে আমার এখানে কোনোপক্ষে মন্তব্য করা প্রয়োজন মনে করছিনা। যাদের মধ্যে ঝামেলা তারাই বুঝবে। তবে এই আলোচনাটা আর বাড়ানো ঠিক হবে বলে মনে করছিনা। যেহেতু এই ব্লগটি নতুন এবং আমরা সবাই মনপ্রান দিয়ে চাই এই ব্লগটিকে বাংলাদেশের এক নাম্বার কমিউনিটি ব্লগ হিসাবে দেখতে তাই সবাই একজোট হয়ে কাজ করাটাই শ্রেয়। ছোটখাট ব্যাপার নিয়ে বেশি লেবু চিপলে তার রেশ রয়ে যাবে যা ব্লগের ভবিষ্যতের জন্য ক্ষতিকর হবে। এই দিকটা খেয়াল রেখে আমি শংখচিলের ডানা এবং বহ্নিশিখা দুইজনকেই ব্যাপারটি এখানেই শেষ করে দেয়ার অনুরোধ করছি।

          6. আমার প্রথম কমেন্ট টা একটু
            আমার প্রথম কমেন্ট টা একটু খেয়াল করবেন, আমি কিন্তু কোন এটাকে যাইনি, আমি শুধু আমার ভিউ জানিয়েছি, কিছু যুক্তি দিয়েছি যে যুক্তি গুলি লেখক কাটাতে পারেন নি বরং উলটা ভাবে নিয়েছেন। আমি কখনই বলিনি এটা অন্যায়, আমার কাছে যুক্তিযুক্ত ভাবে ভুল মনে হওয়াতে সেটা বলেছি, যুক্তি না ভাংতে পারলে স্বীকার করে নেয়াটা উচিত ছিলো। তা না করে লেখক আমাকে ব্যাক্তিগত আক্রমন করলেন আমি না লিখে শুধু কমেন্ট ক্যানো করছি, এক্ষেত্রে তাকে কি আমার ব্যাপার টা বুঝিয়ে বলা উচিত ছিলো না? আমি শুধু তাই করেছি। আমার কথা প্রথম দিকেই খুব সাফ ছিলো, লেখক তখনি বুঝলে আমি এগোতাম না।@অধম

          7. রুমন ভাই আপনি এইটা কিভাবে
            রুমন ভাই আপনি এইটা কিভাবে বলেন।আপনার একটা পোষ্ট বা একটা মন্তব্যেরও দায়দায়িত্ব যে কেউ নিবে না তাতো ব্লগগুলোর নিচে খুব স্পষ্টভাবেই লেখা আছে।সো আপনার অন্য ব্লগের (স্টিকি পোষ্ট ছাড়া) লেখা এখানে প্রকাশের কোন বাধা থাকতে পারে না।কে কি বলল না বলল তাতে তো এত কান দেবার কিছু নাই।আপনার লেখার মালিক তো আপনিই।আপনার কোন পোষ্ট যদি আংশিক বা সম্পুর্ণ চুরি হয় কোথাও তবে আপনার কি মনে হয় সেখান থেকে কোন প্রতিবাদ জানানো হবে?যা করার আপনারই করতে হবে।তবে আগে কোথাও প্রকাশিত হলে নিচে লিখে দেয়া দরকার।এটা ঠিক।

            আরেকটা কথা কে বা কারা টিটকারী মারে বা মারতে পারে তা রাফলি ধারনা করতে পারি।এদেরকে এত গোনায় ধরার কিছু নাই।ওদের কাজই টিটকারী করা।

          8. পুরানো ব্লগ রিপাব্লিশ কালচার
            পুরানো ব্লগ রিপাব্লিশ কালচার হলে সেটা ইস্টিশনবিধি ভঙ্গ করছে, তাহলে হয় ইস্টিশনবিধি পাল্টান নইলে আপনার এই স্টেটমেন্ট@আতিক

          9. দেখেন, আপনি হুদাই
            দেখেন, আপনি হুদাই পেঁচাইতেছেন। বিধিতে একেবারে নিষিদ্ধ তো বলা নাই। নিরুৎসাহিত করা আছে। পোস্ট রি-পোস্ট কি এই প্রথম দেখলেন নাকি ব্লগে? উপরে দেখেন আমি অধম ভাইয়ের সাথে সহমত পোষণ করে মন্তব্য দিয়েছি। রি-পোস্টের ক্ষেত্রে সুত্র উল্লেখ করে দেওয়াই উচিৎ ছিল। সেটা হয়ত লেখক তার নিজের লেখা বলে খেয়াল করেন নাই। এটা কি খুব বড় অপরাধ হয়ে গেলো? যাই হোক, এটা এখানেই শেষ করা ভালো মনে হয়। আশা করছি, যার যার ম্যাসেজ সবাই ইতোমধ্যে পেয়ে গেছেন।

          10. আমি ও কিন্তু একবারো বলি নাই
            আমি ও কিন্তু একবারো বলি নাই নিষিদ্ধ, আবার এটাও বলি নাই মহা অন্যায়, শুধু ভুলটা ধরিয়ে দিয়েছি যেটা লেখক মানতে নারাজ, এখান থেকেই আপত্তি শুরু

          11. আমি বুঝলাম না।এই সামান্য
            আমি বুঝলাম না।এই সামান্য ব্যাপারটা নিয়ে এত কচলা কচলি করতেছেন ক্যান আপনি?আগেও দেখতাম একটা জায়গায় একজন খুব দাদাগিরি ফলাইত।এইখানে কি তার ইজারা আপনি নিছেন নাকি?আপনার আপত্তির জায়গা শিকল টেনে সেখানে বলুন।অথবা ইস্টিশন মাস্টার নিকে বলুন।দুইটা ব্লগের কোথাও বলা নাই লেখা দেয়ার সাথে সাথে পোষ্টের মালিক শুধুমাত্র ঐ ব্লগই।শুধুমাত্র স্টিকি পোষ্টের ক্ষেত্রেই এই নিয়মটা মানা হয়।নাকি আপনি অন্য একটি কমিউনিটির হয়ে দালালী করছেন?

          12. সামান্য ব্যাপার নিয়ে আমি
            সামান্য ব্যাপার নিয়ে আমি সামান্য মন্তব্যই করেছিলাম, লেখক টেনেছেন বিধায় আমাকে টানতে হয়েছে। আপত্তির শিকল লেখক কে বলা হয়েছে, সেটা তাকে বুঝতে হবে তো নাকি? আর আমি কখনও বলিনি যে লেখকের লেখার মালিক শুধু ঐ ব্লগ, আমি বারবার ইস্টীশনবিধি অনুসরনের কথা বলছি, পুরানো লেখা নিরুতসাহিত করার পর ও ক্যানো পাব্লিশ হবে? আর তাই যদি হবে তাহলে এই বিধি ক্যানো? এই সহজ ভাষা বোঝার জন্যে কি ইস্টিশন মাস্টার লাগবে?
            সমালোচনা শুনলে ছাগুরা সাথে সাথে দালাল ট্যাগ দিয়ে বসে, এখানেও কি সেরকম কিছু আছে?
            আমি শেষ যে বড় কমেন্ট টা করেছি ওখানে খুব সুন্দ্র ভাবেই ব্যাখ্যা করেছি, তারপরো না বুঝলে মুড়ি খেতে পারেন

          13. আপু বাদ দেন তো। আমরা হুদাই
            আপু বাদ দেন তো। আমরা হুদাই মাথা গরম করে নিজেদের সম্পর্ক এবং ব্লগের পরিবেশ নষ্ট করছি। এই ইস্যু এখানেই খতম দেন। আশা করছি কেউ আর এই বিষয় নিয়ে মন্তব্য দিবেন না প্লীজ।

            THE END

          14. ‘নিরুতসাহিত’ আর ‘নিষিদ্ধ’
            ‘নিরুতসাহিত’ আর ‘নিষিদ্ধ’ শব্দ দুইটার অর্থ বোঝেন?নাকি না বুইঝাই ফাল পারতেছেন?মাথায় খালি ছাগু ঘুরে দেখি,কাঠবলদ জানি কোনহানকার।

          15. আমি বুজেছি বলেই ফাল পেড়েছি,
            আমি বুজেছি বলেই ফাল পেড়েছি, নইলে এতো ফালাফালির দরকার ছিলোনা, আমার কথা গুলো খুব সুস্পষ্ট ছিলো, সেগুলো পড়লে আপনার কমেন্ট করারই দরকার ছিলো না, পুরাতন ব্লগার এবং দায়িত্ব এই শব্দ দুটোর সাথে নিরুতসাহিত যুক্ত, একটু বুঝে পড়ুন, আশা করি বুঝবেন, অযথা কাঠাল্পাতা আর ছাগুপাতার আলাপ আমি করিনা

          16. ব্যাস। এইবার বাদ দেন। আপনি কি
            ব্যাস। এইবার বাদ দেন। আপনি কি বলতে চাইছেন বুঝে গেছি। আশা করি লেখকও বুঝবেন এবং এই প্রসঙ্গে আর একটাও মন্তব্য কেউ দেবেন না সুস্থ্য পরিবেশ বজায় রাখার স্বার্থে। 😀 :ফুল:

    1. এইসব ষড়যন্ত্রমূলক কথা বলে
      এইসব ষড়যন্ত্রমূলক কথা বলে জাতিকে বিভ্রান্ত করা যাবে না। নাস্তিক আর মুরতাদরাই এমুন কথা বলে। তুমি নিশ্চই শাহবাগি। সো, মাইর হবে কিন্তু সাউন্ড হবে না ভবঘুরে :ক্ষেপছি:

  2. ইস্টিশনবিধি ৩ এ বলা হইছে,
    ইস্টিশনবিধি ৩ এ বলা হইছে,

    পূর্বে অন্য কমিউনিটি ব্লগে প্রকাশিত লেখা ‘ইস্টিশন’-এ প্রকাশ করার ক্ষেত্রে কর্তৃপক্ষ নিরুৎসাহিত করছে

    কিন্তু এই পোস্টে তো কর্তৃপক্ষের নিরুৎসাহের কোনো চিহ্ন দেখলাম না। যাক, বাদ দিলাম। আসেন ভাই নতুন পোস্ট লিখি, প্রাণে প্রাণ মেলাই 😀

      1. আতিক ভাই এর অনুরোধের প্রতি
        আতিক ভাই এর অনুরোধের প্রতি সন্মান দেখিয়ে এই পোস্টে সকল প্রকার কমেন্ট করা থেকে বিরত থাকলাম। আমি যুদ্ধ চাই না, শান্তি চাই। কিন্তু কেউ যুদ্ধ করতে আসলে তাঁকে ছেড়ে কথা বলতে রাজী নই। সবাই মিলেমিশে থাকতে চাই। আসুন, প্রাণে প্রাণ মিলাই। :ফুল:

        1. আপনার যদি স্বপক্ষে বলার মত
          আপনার যদি স্বপক্ষে বলার মত কিছু থাকত তাহলে কারো অনুরোধ আপনি ক্যানো শুনবেন? আপনার লজিক ছিলো না বলেই আতিক ভাই এর ঘাড়ে বন্দুক রেখেছেন, ফোন করে সবাইকে ডেকে এনে ৪ ৫ দিনের পুরানো পোস্টে কমেন্ট করাচ্ছেন, নিজের মাজায় জোর থাকলে ফোন করে আনতেন না লোকজন। আর রেলমন্ত্রী এর কথার পরও বলতেছেন যুদ্ধ করতে আসলে ছেড়ে কথা বলতে রাজি না, আপনি কি আসলেই বুঝেন নাই এখানে কোন ব্যাপারে কথা বলা হয়েছে? তা না ছেড়ে এবার একটু ধরেই কথা বলেন না, আপনাকে উদ্দেশ্য করে যে বড় কমেন্ট টা করেছিলাম, সেটার পয়েন্ট টু পয়েন্ট উত্তর দিলেই তো বোঝা যায়।
          আমরা তো চুপেই ছিলাম, যে জায়গায় কথা দরকার সেখানে গান না গেয়ে এখন এই কথা কেন রে ভাই?
          আমার কথা নাহয় নাই বুঝলেন, রেলমন্ত্রীর কথাও কি বুঝেন নাই?

          1. আপনার সাথে কথা বলতে আসলেও
            আপনার সাথে কথা বলতে আসলেও আমার রুচিতে এখন বাঁধছে। ব্লগের পরিবেশ নোংরা করতে চাই না বলেই চুপ হয়ে গিয়েছিলাম কিন্তু গাঁয়ে পড়ে ঝগড়া না করলে যে আপনার পেটের ভাত হজম হয় না সেটা বুঝি নি। আর এই কথা আপনি কিভাবে বলেন?

            ফোন করে সবাইকে ডেকে এনে ৪ ৫ দিনের পুরানো পোস্টে কমেন্ট করাচ্ছেন, নিজের মাজায় জোর থাকলে ফোন করে আনতেন না লোকজন।

            আপনার নোংরা মানসিকতার এই কদর্য রূপ না দেখালেও পারতেন। আপনি অনেক বড় অভিযোগ তুলেছেন আমার বিরুদ্ধে। হয় প্রমাণ করুন অথবা সবার সামনে সরি বলুন। আপনার ব্যাপারে অনেক উচ্চ ধারণা পোষণ করতাম। সরি, আপনি সেটা ভেঙে দিলেন। আসলেও মানুষ চেনা বড়ই কঠিন। নিজের জিদ মিটানোর জন্য কেউ যে এতটা নোংরা চিন্তা করতে পারে সেটা কল্পনাও করতে পারি নি। আমার বিরুদ্ধে যে অভিযোগ তুলেছেন সেটা প্রমাণ করুন। এখুনি।

          2. ৭ ৮ দিন পুরান পোস্টে হঠাত
            ৭ ৮ দিন পুরান পোস্টে হঠাত কইরা ২/৩ জনের উপচায়া পড়া কমেন্ট যে ফোন করার বদৌলতে তা প্রমান করতে আইনস্টাইন হওয়া লাগে না।
            আপনি কি ধারনা পোষণ করেন সেটা আমার মাথা ব্যাথা না। আপনাকে আমি একদম প্রথমে সোজা ভাষায় কথা বলেছিলাম, আপনে নিজে সেটাকে অস্বাভাবিক করেছেন। তারপর যখন ব্যাপার ভেঙ্গে বললাম তখন নিজে কিছু বলতে পারেন না, মানুষ পাঠান, আপনার নিজের যুক্তিবোধ থাকলে তখন আমার কমেন্টের জবাব দিতেন, আর যদি ব্লগের পরিবেশের চিন্তা থাকত তাহলে নিজের ছোট্ট ভুলটা দ্রুত স্বীকার করে নিতেন। তা না করে উল্টা ফাপর নেন। ব্লগের পরিবেশের চিন্তা থাকলে সব শেষে আবার লিখতেন না যে আপনি যুদ্ধের জন্যে প্রস্তুত, কারন আপনার কাছে কোন যুক্তি নাই, তারপরো ভন্ডামি ছাড়েন না।
            আপনার ভুল যে ধরায়া দিব তার মানসিকতাই আপনার কাছে নোংরা লাগবে, সে ক্ষেত্রে আপনার আগে মানসিক ডাক্তার দেখানো উচিত 😀 😀 😀

          3. বহ্নিশিখা, আপনার মন্তব্য
            বহ্নিশিখা, আপনার মন্তব্য অত্যন্ত আপত্তিজনক। আমার ধারনা ক্যাচাল লাগানোর উদ্দেশ্যেই আপনি এখানে এসেছেন। সেরকম উদ্দেশ্য থাকলে রাস্তা মাপেন।

          4. আমি কমেন্টে আপনার সাথে কথা
            আমি কমেন্টে আপনার সাথে কথা বলছি না, যার সাথে কথা হচ্ছে তার সাথে কথা বলতে দেন, ডানা তো আপনাকে এসিস্ট্যান্ট রাখে নাই, সো তার কথা তাকে বলতে দেন।
            এক ঘন্টার মধ্যে দুলাল দা, আপনি, ভবঘুরে সবাই এক নিমেষে পুরান পোস্টে কিভাবে কমেন্ট করে এটা তো আমাকে বুঝাতে হবে না, তাই না? আওনিও এর সত্যতা জানেন, আমিও জানি, সো হুদাই মানুষ ভন্ডামি ক্যান করবে?
            ডানার কমেন্ট দেখে তারপর কমেন্ট করেন, পক্ষপাতদুষ্ট হয়ে না

          5. আপনি সীমা ছাড়ায়ে মন্তব্য
            আপনি সীমা ছাড়ায়ে মন্তব্য করছেন। কে কাকে ফোন দিছে সেটা খুব ভালো করেই জানি। হুদাই ত্যানা পেচায়েন না। আর আমি কোন পোস্টে কি মন্তব্য দিবো সেটা আপনার কাছ থেকে অনুমতি নিয়ে দিতে হবে নাকি?

          6. কে কার মন্তব্যে কমেন্ট করবে
            কে কার মন্তব্যে কমেন্ট করবে এটা তার ব্যক্তিগত ব্যাপার। এটা নিয়ে কথা বলাটা কতটুকু সভ্য আচরণ হল? বহ্নিশিখা’র আচরণে খুব কষ্ট পেলাম। ব্যক্তিগত কাঁদা ছোড়াছুড়ি ইস্টিশনে দেখতে চাইনা। আমি বহ্নিশিখা’কে অনুরোধ করব এই বিষয়টা নিয়ে এখানেই যেন ক্ষ্যান্ত দেন।

  3. এই ব্লগটি যেদিন পোস্ট হয়েছিল
    এই ব্লগটি যেদিন পোস্ট হয়েছিল সম্ভবত সেদিন পড়তে পারি নাই, কয়েকদিন পরে পড়ে যখন মন্তব্য করতে যাবো তখন মন্তব্যের দশা দেখে মন্তব্য করা থেকে বিরত ছিলাম তবে প্রতিদিনই দেখতাম কি কি মন্তব্য এসেছে। ইচ্ছে করেই মন্তব্য করা থেকে বিরত ছিলাম শুধুমাত্র ব্লগ পরিবেশ ঠান্ডা রাখতে (পাগল কিনা তাই)।
    তবে আজ মন্তব্য না করেই পারছি না। শুরুতেই পোস্টদাতাকে বলি, রুপক ভাই আশা করছি যে আপনি এইক্ষেত্রে দ্বিমত পোষণ করবেন না যে আপনাকে একজন ভালো ব্লগার এবং ভিন্নধর্মী চমৎকার ব্লগার হিসেবেই জানি। তাছাড়াও আপনি বেশ পুরোনো একজন ব্লগার বলেই জানি। একজন ব্লগার যখন পোস্ট দেন তখন সেখানে ভিন্নমত আসতেই পারে তবে সেটিকে একটু ঠান্ডা মাথায় প্রতিমন্তব্য করতে হয় ব্যক্তি বুঝে। হয়তো সেসময় আপনার মানসিক অবস্থা ভালো ছিলো না তাই বহ্নিশিখার মন্তব্যটিকে মজা হিসেবে নিতে পারেন নাই। এরপর উনি যখন স্বীকারোক্তি দিয়েছিল তখনও একটু মেনে নিলে ভালো হতো।

    বহ্নিশিখা আপনার মন্তব্য করবার ধরণটা একটু পরিবর্তিত হওয়া দরকার ছিলো, মেনে নিচ্ছি যে শুরুতে আপনি মজা করতেই ঐরকম স্ট্যাটাস দিয়েছিলেন কিন্তু পরবর্তী মন্তব্যগুলোতে দ্বিমত আছে বেশ ভালোভাবেই। উনি যখন মানতে পারছিলেন না তখন আপনার না আসাটাই ভালো ছিলো। এরপরে আবার মন্তব্য ছুড়েছেন ফোন করে একে ওকে ডাকা যা আসলেই ভীষণ আপত্তিজনক মন্তব্য তার উপরে কয়েকজন ব্লগারের নাম উল্লেখ করে বিশেষ ইঙ্গিত প্রদান করেছেন। বিশ্বাস করবেন কিনা জানিনা যেই মুহুর্তে নাম উল্লেখ করা মন্তব্যটি পড়ছিলাম সাথে সাথেই অন্য এক স্থানে এইরকমভাবে নাম কোট করে দারুন এক অপবাদ দেয়া হয়েছিলো যা আজো ভুলতে পারি নাই। তবে আমার ভাগ্য ভালো যে আমি মন্তব্য করি নাই বলে আমার নাম আসে নাই যদি করতাম তাহলে আমি নিশ্চিত আমার নাম এসে যেত। একইভাবে এই ব্যাপারটি আনিস ভাইয়ের ক্ষেত্রেও ভাগ্যের ব্যাপার। নাইলে কোন ফোন না পেয়েই মন্তব্য করার জন্য একটা ট্যাগ খেয়ে যেতে হতো।
    রুপক ভাই একস্থানে প্রতিমন্তব্যে বলেছেন উনি আতিক ভাইকে সম্মান দেখাতে গিয়ে কিছু বলা থেকে বিরত থাকবেন তবে সাবধান বাণী উচ্চারন করে নিজের স্থানটা যদিও মজবুত রেখেছেন কিন্তু এরপরে আপনি উনাকে সম্মুখে দাড়ানোর আহ্বান জানিয়ে মন্তব্য ছুড়ে দিলেন। ব্যক্তিগতভাবে মনে করছি যদি আপনি প্রতিমন্তব্য না ছুড়তেন তাহলে ভালো হত।

    ইস্টিশন এমন একটি কমিউনিটি ব্লগ যার মূল মন্ত্র প্রাণে প্রাণ মেলাবই আশা করি সেই দিকেই আমাদের সকলের গন্তব্য হবে। তর্ক হবে বিতর্ক হবে তাই বলে অভদ্রতা নয় নিজেদের মাঝে ( ছাগু হইলে গদাম দিতে সুশীলতা ভদ্রতা দেহানি লাগপে না কইলাম )।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

− 5 = 4