এয়ারটেলের ১১৫ কোটি টাকা দুর্নীতির তথ্য চেপে গেছে বিটিআরসি!

বাংলাদেশের টেলিকমিউনিকেশন খাতে সবচেয়ে বড় দুর্নীতি করেছে ভারতীয় ফোন কোম্পানী এয়ারটেল। এক ধাক্কায় করা প্রায় এক শ’ কোটি টাকার এ দুর্নীতির ৪ বছরেও বাংলাদেশ টেলি যোগাযোগ নিয়ন্ত্রক সংস্থা বা ‘বিটিআরসি’ কোন ব্যবস্থা নেয়নি। ২০১০ সালে টেলিকমিউনিকেশন খাতে এ দুর্নীতি হয়। ভারতীয় শীর্ষ মোবাইল কম্পানি এয়ারটেল দুবাই ভিত্তিক কম্পানি ধাবি গ্রুপের ওয়ারিদের শেয়ার কেনার সময় এই এক’শ কোটি টাকার এ দুর্নীতির ঘটনা ঘটেছে।

?oh=dad1fced60f3283ff2bab967bbe246de&oe=54852C0B&__gda__=1418500705_54629a67ed6631b7c861e18539cda873″ width=”400″ />

বিটিআরসি সূত্রে জানা যায়, ভারতীয় শীর্ষ মোবাইল কম্পানি এয়ারটেল ২০১০ সালে ওয়ারিদের ৭০ শতাংশ শেয়ার কিনে নেয় মাত্র এক লাখ ডলার বা তৎকালিন মূল্যে ৭০ লাখ টাকায়, নাম মাত্র মুল্যে বিশাল এই কম্পানি হস্তান্তর করে ওয়ারিদ এয়ারটেলের কাছে। মাত্র ৭০ লাখ টাকায় ওয়ারিদের শেয়ার কিনে নেওয়ার কারণে বিটিআরসি’র ক্ষতি হয়েছে প্রায় ১০৫ কোটি টাকা।

বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ আইন বিটিআরসি থেকে লাইসেন্স পাওয়া কোনো কোম্পানি অন্য কোনো কোম্পানির কাছে শেয়ার হস্তান্তরের সময় শেয়ারের মূল্যের ৫ দশমিক ৫ ভাগ বিটিআরসিকে দিতে হবে। মাত্র ৭০ লাখ টাকায় যখন ওয়ারিদের শেয়ার হস্তান্তর করছিলো ধাবি গ্রুপ এয়ারটেলের কাছে, তখন ওয়ারিদের বাজার দর ছিলো ৩০ কোটি ডলার। এ হিসেবে বিটিআরসির আইন অনুযায়ী সরকারের পাওয়ার কথা ছিলো ১ কোটি ৬৫ লাখ ডলার বা প্রায় ১১৫.৫ কোটি টাকা। নামে মাত্র ৭০ লাখ টাকায় এয়ারটেল ওয়ারিদের শেয়ারে কিনে নেওয়ার কারণে মাত্র ৩ লাখ ৮৫ হাজার টাকা পেয়েছে বিটিআরসি। এয়ারটেলের প্রতারণার কারনে সরকার একশ কোটি টাকার ওপরে ক্ষতির সম্মুখিন হয়েছে।

ওয়ারিদ কত টাকা বিনিয়োগ করতে চেয়েছিলো?
২০০৫ সালে বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে ওয়ারিদের ধাবি গ্রুপের সমঝোতা স্মারক থেকে জানা যায়, ওয়ারিদের নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণের জন্য ধাবি গ্রুপ ৭৫ কোটি ডলার বিনিয়োগ করবে। টেলিকমিউনিকেশনের সংশ্লিষ্ট বিষেজ্ঞরা প্রশ্ন তুলেছেন- ওয়ারিদের বিনিয়োগ করা ৭৫ কোটি ডলার তাহলে গেল কোথায়? ওয়ারিদের অবস্থা কি এতোই খারাপ হয়েছে যে কোম্পানীটি দাম মাত্র এক কোটি টাকায় এসে পৌছেছে?

এয়ারটেলের বাজার দর কত ছিলো?
নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণের কাজ দেয় ওয়ারিদ এরিকসন ও মটোরোলাকে। এরিকসন ও মটোরোলার কাছ থেকে ওয়ারিদ যেসব যন্ত্রপাতি কিনেছে সেগুলোর দাম হিসেব করে দেখা গেছে- এসব যন্ত্রপাতির দাম অন্তত ৬০ কোটি ডলার! ওয়ারিদ ও বিটিআরসি সূত্রে জানা গেছে, ওয়ারিদ নেটওয়ার্ক স্থাপনের জন্য সারা দেশে তিন হাজার বিটিএস স্থাপন করে। এসব বিটিএসের এক একটির দামই প্রায় ৫০ হাজার ডলার। এসব একটি বিটিএসে কন্ট্রোলার হিসেবে ব্যবহৃত ২৫টি বিএসসি। একটি বিএসসির দাম কমপক্ষে প্রায় আড়াই লাখ ডলার। এসব বিএসসি’র সাথে রয়েছে এমএসসি, আইএন, ট্রান্সমিশন ইকুইপমেন্ট ইত্যাদির মতো আরও মূল্যবান যন্ত্রপাতির দাম। এর বাইরে আছে সফটওয়্যারের দাম। এক একটা সফটওয়্যার আপগ্রেডেশনের জন্য ভেন্ডর কোম্পানি (এরিকসন, মটোরোলা ইত্যাদি) যে দাম নেয় তার পরিমাণ প্রায় কয়েক লাখ ডলার। এসবতো গেলো যন্ত্রপাতির দাম। কিন্তু যখন কোন কোম্পানি সাধারণ মানুষকে সেবা দেয় তখন সেই কোম্পানির একটি ব্র্যান্ড ভ্যালু দাড়ায়। অর্থ্যাৎ কোম্পানির নামই একটি বড় মূল্য হিসেবে সারা পৃথিবীতে বিক্রি হয়। সম্প্রতি আর্ন্তজাতিক বাজারের আমাজন, ও অ্যাপেলের বেশ কয়েকটি ব্রান্ড ভ্যালু কিনে নেওয়ার ক্ষেত্রে পাঠক দৃষ্টি দিতে পারেন। এসবের সঙ্গে রয়েছে লাইন্সের দাম। একটি মোবাইল ফোনের লাইসেন্স পাওয়া কত ঝক্কির ব্যাপার তা জানার জন্য বিশেষজ্ঞ হওয়া লাগে না। যেখানে একটি টিভি স্টেশনের লাইসেন্স পেলে তা কোটি কোটি টাকায় বিক্রি করা যায়, তখন একটি ফোন কোম্পানির লাইসেন্সের দাম কত হতে পারে তা আন্দাজ করুন। এবার হিসেবে করুন লাইসেন্স ফি’র দাম, বিটিএস, বিএসসি, এমএসসি, আইএন, সফটওয়ার, ট্রান্সমিশন ইকুইপমেন্টসহ মূল্যবান যন্ত্রপাতির দাম ধরা হলো মাত্র ৭০ লাখ টাকা?

এতো কমদামে যখন একটি কোম্পানি বিক্রি হয় তখন কিন্তু বিশ্ববাজারে হইচই পড়ে যায়। কোন কোম্পানির মূল্য নির্ধারণের জন্যও কিন্তু বেসরকারি প্রতিষ্ঠান রয়েছে। ওয়ারিদের মূল্য নির্ধারণ করেছিলো তখন ভিসি সার্কেল। ভেঞ্চার ক্যাপিটাল বিষয়ক ওয়েবসাইট ভিসি সার্কেল একটি হিসাব প্রকাশ করে ২০০৯ সালের ৩১ ডিসেম্বর। উক্ত সাইটের প্রাপ্ত তথ্যমতে জানা যায়, ‘ওয়ারিদের সম্পদের মূল্যায়ন করে বলা যায়, এর পরিমাণ ৫০ থেকে ৫৫ কোটি ইউএস ডলার হবে। ফলে ভারতীয় এয়ারটেলকে ৩০ থেকে ৩৫ কোটি ডলারে ওয়ারিদের ৭০ ভাগ শেয়ার কিনতে হতে পারে। অথচ তারা মাত্র ৭০ লাখ টাকা মানে এক লাখ ডলারে কিনেছে।

এতো কম দামে কেনার কারণ কি?
বাংলাদেশ সরকারের অর্থ ফাঁকি দেওয়াই ছিলো এয়ারটেলের লক্ষ্য। কারণ বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ আইন ২০০১ এর ৩৭(১) ধারা অনুসারে, বিটিআরসি থেকে লাইসেন্স পাওয়া কোনো কোম্পানি অন্য কোনো কোম্পানিকে লাইসেন্স বিক্রি করতে পারবে না। কিন্তু ৩৭(৩)-এর (ঝ) উপধারা অনুসারে শেয়ার হস্তান্তর করার সুযোগ রাখা হয়েছে। আর এই শেয়ার হস্তান্তরের সময় শেয়ারের মূল্যের ৫ দশমিক ৫ ভাগ বিটিআরসিকে দিতে হবে। যদি চলতি বাজার মূল্য অনুযায়ী ওয়ারিদের বাজার মূল্য দেখানো হয় ৩০ কোটি ডলার, তাহলে সেখান থেকে ৫ দশমিক ৫ শতাংশ বিটিআরসিকে প্রদান করলে তার পরিমাণ দাঁড়ায় ১ কোটি ৬৫ লাখ ডলার বা প্রায় ১১৫ কোটি ৫০ লাখ টাকা। ৭০ লাখ টাকায় এয়ারটেল ওয়ারিদের শেয়ার কিনে নেওয়ার কারণে মাত্র ৩ লাখ ৮৫ হাজার টাকা পেয়েছে সরকার। বাংলাদেশ সরকারের নিট লস হয়েছে ১১৫ কোটি ৪৬ লাখ ১৫ হাজার টাকা। এই বিপুল পরিমান অর্থ লোপাট করার জন্য এয়ারটেল প্রতারণার আশ্রয় নেয়। ওয়ারিদের নিশ্চয় মাথা খারাপ হয়নি ৭০ শতাংশ শেয়ারের বাজার মূল্য ৩০ কোটি ডলার যে সময় রয়েছে তখন তা মাত্র ১ লাখ ডলারে বিক্রি করবে?

এয়ারটেলের মূল লক্ষ্য টেলিকরিডোর!
ভারতের পূর্বাঞ্চলে স্বাধীনতা সংগ্রাম থাকায় সেখানে ফোন কোম্পানিগুলো খুব সহজেই ব্যবসা করতে পারে না। কারণ বিদ্রোহীরা যে কোন মূহুর্তে টাওয়ার ধ্বংস ও নেটওয়ার্ক ধ্বংস করে দিতে পারে। ভারতীয় ফোন কোম্পানি এয়ারটেল বাংলাদেশের ভূখণ্ডের মধ্য দিয়ে ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের সাত রাজ্যে টেলি করিডোরের জন্য ইতিমধ্যেই সরকারের কাছে আবেদন করেছে। এয়ারটেলকে টেলিকরিডোর দেয়ার বিষয়ে সরকার ইতিবাচক সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ইতিমধ্যে ভারতীয় দুই কোম্পানি এয়ারটেল ও রিলায়েন্স কমিউনিকেশন্সের তরফে যৌথভাবে বিটিআরসির কাছে বাংলাদেশের মধ্য দিয়ে উত্তর-পূর্ব ভারতে ফাইবার অপটিক নেটওয়ার্কের টেলিকরিডোর স্থাপন করার আবেদন করা হয়েছে। এ কাজটি শুরু করার ঘোষণা দিয়েছে ভারতের রাষ্ট্রীয় সংস্থা ভারত সঞ্চার নিগম লিমিটেড (বিএসএনএল)। বিএসএনএল অপটিক্যাল ফাইবার ক্যাবল বসানো ও সংযোগের জন্য ত্রিপুরার রাজধানী আগরতলা থেকে বাংলাদেশের আখাউড়া (১২ কিলোমিটার) পর্যন্ত তাদের সমীক্ষার কাজ সম্পন্ন করেছে। এখন চট্টগ্রাম থেকে আশুগঞ্জ পর্যন্ত সমীক্ষার কাজ চলছে। আর এ সমীক্ষার কাজ শেষ হলে ভারত সঞ্চার নিগম ভারতীয় কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে তার এ প্রতিবেদন জমা দেবে। এরপরে ঢাকা-দিল্লির মধ্যে যে সমঝোতা হয়েছে সে অনুযায়ী অপটিক্যাল ফাইবার ক্যাবল বসানোর কাজ শুরু হবে। তবে এই সংক্রান্ত পুরো প্রক্রিয়াটিতে কঠোর গোপনীয়তা রক্ষা করা হচ্ছে। করিডোরের মত টেলিকরিডোরও হলো একদেশের ভূমি ব্যবহার করে নিজ দেশেই টেলি সেবা পৌছে দেয়া যাবে। এক দেশের টেলিনেটওয়ার্ক অন্য আরেকটি দেশের ভূখণ্ডে স্থাপন করলেও তার কর্তৃত্ব ব্যবহারকারী দেশেরই থাকে। আর টেলিকরিডোরের বিনিময় বাংলাদেশকে কিছু নগদ অর্থ প্রদান করবে করিডোর সুবিধাপ্রাপ্ত কোম্পানিটি, যদি সরকারের মন্ত্রী ও নীতি নির্ধারকেরা ভারতীয় কোম্পানীকে ট্রানজিটের মত ‘ফ্রি’ না দেয়। বাংলাদেশের মধ্য দিয়ে ভারতীয় কোম্পানিগুলো ফাইবার অপটিক ক্যাবল স্থাপন করে উত্তর-পূর্ব ভারতের ৭ রাজ্যের সঙ্গে টেলিযোগাযোগ সেবা নিয়ে যাবে। এই রুটের একটি হলো কলকাতা-মেহেরপুর-ঢাকা-জাফলং এবং অন্যটি কলকাতা-মেহেরপুর-ঢাকা-কুমিল্লা-আগরতলা রুট। বর্তমানে ভারতের উত্তর-পূর্ব ভারতের রাজ্যগুলো ভিস্যাটের মাধ্যমে ভারতের কেন্দ্র ও বহির্বিশ্বের সঙ্গে যোগাযোগ রয়েছে, যা খুবই ব্যায়বহুল।

শঙ্কা ভারতকে পিশে মারছে!
স্বাধীনতার পর বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের রাজনৈতিক বিরোধ থাকলেও স্বাধীনতা উত্তর সকল সরকারই ভারতের সঙ্গে বাণিজ্য সম্পর্ক বজায় রেখেছে। শুধু বাণিজ্য সম্পর্কই দুই দেশের মধ্যে রক্ষিত হয়নি, ভারত পরিণত হয়েছে বাংলাদেশের প্রধান আমদানীকারক দেশ হিসেবে। ভারতের কৃষি পণ্য থেকে শুরু করে নিত্য ব্যবহার্য জিনিষপত্রের ওপর নির্ভরশীল হয়ে যায় বাংলাদেশ। আস্তে আস্তে বাণিজ্য ঘাটতি বাড়তে থাকে। বর্তমানে সেই বাণিজ্য ঘাটতি গিয়ে দাড়িয়েছে প্রায় বিশ হাজার কোটি টাকার ওপরে। অন্যদিকে পূূর্বমুখি নীতির আওতায় চীনের সঙ্গে বাণিজ্য স্থাপিত হওয়ার পর চীন বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে আসছে। গত এক দশকের হিসেব মতে ১১০ কোটি ডলার থেকে বেড়ে ৪শ কোটি ডলারে দাঁড়িয়েছে চীন বাংলাদেশ দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য। বিষেষজ্ঞরা মনে করছেন চলতি বছরে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ৫শ’ কোটি ডলার ছাড়িয়ে যাবে যা ভারতের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য থেকেও বেশি। বাংলাদেশের অর্থনীতিতে চীনের ক্রমবর্ধমান প্রভাবের কারণে শঙ্কিত হয়ে পড়েছে ভারত। বাংলাদেশ ঘনবসতিপূর্ণ একটা দেশ হওয়ায় এখানে ভারতীয় পন্যের যে বিশাল বাজার রয়েছে তা হাতছাড়া হওয়ার উপক্রম হয়েছে।

এতো বড় ডাকাতি কিন্তু কোন শব্দ নাই কেন?
ভারতের একটি টেলিফোন কোম্পানি দিনে দুপুরে এতো বড় ডাকাতি করলো কিন্তু এ ব্যাপারে বিটিআরসির কোন শব্দ নাই। বিটিআরসি এ জন্য কোন শাস্তি দেয়নি এয়ারটেলকে। এয়ারটেলকে শাস্তি না দিয়ে উল্টো বাংলাদেশের ভূমি ব্যবহার করে ভারতের পূর্বাঞ্চলে নেটওয়ার্ক স্থাপনের সুযোগ করে দিচ্ছে। অপরাধের কারণে শাস্তি না দিয়ে উল্টো তাদেরকে উপহার দেওয়া হচ্ছে। এই হলো বাংলাদেশ। এই হলো মুক্তিযুদ্ধের চেতনার বলাৎকার।

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

১৪ thoughts on “এয়ারটেলের ১১৫ কোটি টাকা দুর্নীতির তথ্য চেপে গেছে বিটিআরসি!

  1. সরকারের ভারতপ্রীতির নিদর্শন
    সরকারের ভারতপ্রীতির নিদর্শন আর কতটুকু দেখলে আমাদের মনে হবে এবার জেগে উঠার সময় হয়েছে। এভাবে ভারততোষন করে কতদিন চলবে? সবকিছু নিয়ম মেনে জাতীয়স্বার্থ রক্ষা করে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যকে সাধুবাদ জানানো যায়। কিন্তু, আমরা শুধু দাদাদের দিয়েই যাব, বিনিময়ে কিছুই পাবোননা! এটা কতদিন মানা যায়?

    পোস্ট স্টিকি করার জোর দাবি জানাচ্ছি।

  2. এ তো পুকুর চুরি না। রীতিমতো
    এ তো পুকুর চুরি না। রীতিমতো সমুদ্র চুরি। তাও দিনেদুপুরে। এতো বড় অনিয়মের খবর আমাদের মহান মিডিয়ায় আসে না। কি চমৎকার।
    দিনদিন হতবাক হওয়ার শক্তিও নিঃশেষ হয়ে যাচ্ছে। আর কত?

  3. ভারতীয় ফোন
    কোম্পানি এয়ারটেল

    ভারতীয় ফোন
    কোম্পানি এয়ারটেল বাংলাদেশের ভূখণ্ডের মধ্য
    দিয়ে ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের সাত
    রাজ্যে টেলি করিডোরের জন্য ইতিমধ্যেই সরকারের
    কাছে আবেদন করেছে। এয়ারটেলকে টেলিকরিডোর
    দেয়ার বিষয়ে সরকার ইতিবাচক সিদ্ধান্ত নিয়েছে।******-***

    দেশের মালিকানায় কখন জে ভারতের হাতে চলে জায়।

  4. বাংলাদেশের ভূমি ব্যবহার করে

    বাংলাদেশের ভূমি ব্যবহার করে ভারতের পূর্বাঞ্চলে নেটওয়ার্ক স্থাপনের সুযোগ করে দেয়া হচ্ছে।

    এটা এলার্মিং একটা বিষয়। টেলিযোগাযোগ খাতে এয়ারটেলের কর্তৃত্ব ও তাদের এসব প্রকল্প আমাদের আইটি নিরাপত্তাকে হমকির মুখে ফেলে দিয়েছে। এভাবে সরকার ভারতীয় এয়ারটেলকে স্পেস দিতে থাকলে আমাদের আর ভারতের থাবা থেকে বেরুনোর কোনো সুযোগ থাকবে না। সবার সতর্ক হওয়া দরকার।

  5. এমনিতেই সারাদিন এদের
    এমনিতেই সারাদিন এদের ম্যাসেজের যন্ত্রণায় অস্থির, এখন দেখছি এদের যন্ত্রণা-মন্ত্রণার দৌড় আরো অনেক গভীর !!! ভিওআইপি ব্যবসায়ীদের অনেকেরই পছন্দের নেটওয়ার্ক এয়ারটেল।

    1. ভিআইপি নিয়ে কথা বলা মুশকিল।
      ভিআইপি নিয়ে কথা বলা মুশকিল। এই ব্যবসার সাথে বড় বড় চেতনাবাদী পরিবার যুক্ত। ব্লগেও নিরাপদ নয় লেখা।

      1. তুহিন ভাই, ভিওআইপি’র ক্ষেত্রে
        তুহিন ভাই, ভিওআইপি’র ক্ষেত্রে চেতনা কোন ফ্যাক্টর নয়। এখানে চেতনাবাজ-সুটকেসসানগ্লাসঅলা-ধর্মবাজ-লালবিপ্লবীরা একই ঘাটে হুইস্কি খায়। বাস্তব অভিজ্ঞতা থেকে বলছি।

  6. সব হচ্ছে ভারতের প্রতি কঠিন
    সব হচ্ছে ভারতের প্রতি কঠিন ভালবাসা। দেশটা যে এখনো পুরোপুরি ভারতকে লিখে দেয় নাই এজন্য সবার খুশি থাকা উচিত।

    1. চলেন একটা নাগরিক আন্দোলন শুরু
      চলেন একটা নাগরিক আন্দোলন শুরু করি এভাবে আস্তে আস্তে ভারতেক সব কিছু না দিয়ে পুরো দেশটাই একবারে দিয়ে দেই।

  7. চমৎকার একটা অনুসন্ধানী
    চমৎকার একটা অনুসন্ধানী রিপোর্ট। তুহিন ভাইকে ধন্যবাদ রিপোর্টটির জন্য। ভারত আমাদের থেকে বিনে পঁয়সায় সব ভাগিয়ে নেবে। আপনি যদি বাঁধা হয়ে দাঁড়ান, ক্ষমতা থেকে সরিয়ে দেবে। রাষ্ট্রের সরকার দুর্বল হলে, জনবিচ্ছিন্ন হলে সেই রাষ্ট্রের পররাষ্ট্রনীতি হয়ে পড়ে নতজানু। আওয়ামিলিগ এভাবে ক্ষমতায় টিকে থাকতে হলে ভারতকে শুধু দিয়ে যেতে হবে। বিএনপি হলেও এই পরিস্থিতিতে একই কাজ করত।

  8. টেলি কমিউনিকেশনে ভয়াবহ দুনীতি
    টেলি কমিউনিকেশনে ভয়াবহ দুনীতি রয়েছে। যেহেতু মেইনস্ট্রিম পত্রিকা বা টিভি তা নিয়ে রিপোর্ট করে না, ফলে নাগরিক সাংবাদিকতাই ভালো। এরপর হয়তো গ্রামীণ ফোন বা রবি নিয়ে একটা প্রতিবেদন করবো।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

83 − 81 =