অরণ্যের দিনরাত্রি # ৩য় পর্ব # রাতারগুল জলাভূমির বন (Amazon of the East) @ সিলেট

আমার পরিচিতদের প্রায় সকলেই আমার ঘোরাঘুরির নেশার ব্যাপারে ভালোভাবেই অবগত আছেন। ঘোরাঘুরির ক্ষেত্রে পাহাড় এবং অরণ্য সবসময়েই আমার অগ্রাধিকার তালিকায় থাকে। মাশাল্লাহ চাকরিটাও এমন যে চাই বা না চাই প্রতি মাসেই আমাকে ঢাকার বাইরে ৪-৫ দিনের একটা ট্যুর দিতেই হবে। একেক মাসে একেক জেলায় যাই। রথ দেখাও হয়, কলা বেচাও খারাপ হয় না।

এই মাসে সিলেট গিয়েছিলাম। ১১ তারিখ মিটিং এর পর ১২ তারিখ ছিল জামায়াতের হরতাল। হরতালে দিনের বেলা কাজ করার কোন উপায় থাকে না। ফ্রি ফ্রি বসে না থেকে ভাবলাম রাতারগুল থেকে ঘুরে আসা যায়। গত বছর প্রথম Ratargul Swamp Forest এর নাম শুনি। এটি বাংলাদেশের একমাত্র জলাভূমির বন। এই জাতীয় বন সাধারণত দেখা যায় আমাজন অববাহিকায়। বিশ্বে যে অল্প কয়টি Fresh water swamp forest আছে রাতারগুল তাঁর মাঝে অন্যতম। Swamp forest বা জলাভূমির বনের বৈশিষ্ট্য হচ্ছে বর্ষাকালে এই বন পানিতে ভরে যায়। এই বনের গাছগুলো পানিতে মারা যায় না। বরং পানিতে আরও সবুজ হয়ে উঠে। এই ধরণের বনে ঢুকলেই আপনার মনে হবে গাছগুলোর শিকর বোধহয় পানিতেই জন্মেছে। প্রায় ২০-৩০ ফুট পানিতে ডুবে থাকে গাছগুলো। তাই এই ধরণের বন অন্য সকল বন থেকে আলাদা।

খুব সকালেই বাইকে করে রওনা দিলাম রাতারগুলের উদ্দেশ্যে। সাথে ছিলেন সারওয়ার নামের আমাদের এক কলিগ যিনি ঐ মার্কেটে (গোয়াইনঘাট) কাজ করেন। বাইকে করে প্রায় ২৫ কিলোমিটার যাওয়ার পর যখন রাতারগুলের কাছাকাছি পৌঁছুলাম তখন রাস্তা শেষ। শেষ মানে আর বাইক চালানো যাবে না। কি করা যায় ভাবছিলাম। যে জায়গায় বাইক থামিয়েছিলাম সেখানে একজনকে দেখলাম ধান শুকাচ্ছেন। জিজ্ঞেস করলেন যে আমরা কোথায় যেতে চাই। রাতারগুলের কথা বলতেই হেসে বললেন “ও, সুন্দরবন যাবেন। তাহলে আমার নৌকা দিয়ে যেতে পারেন। গত ১০ দিনের বৃষ্টিতে বনে পানি উঠেছে। নৌকা ছাড়া যাওয়া যাবে না।“ আরে, এ তো দেখি মেঘ না চাইতেই বৃষ্টি। আমরা ভাবছিলাম কোথায় নৌকা পাব আর সেই নৌকা কি না আমাদের সামনে উপস্থিত। অতএব, আমাদের যাত্রা হল শুরু।

প্রথমে বেশ কিছুদূর বৃষ্টিভেজা কর্দমাক্ত রাস্তা ধরে হেঁটে যেতে হল। জুতা খুলে রেখে খালি পায়েই আমরা রওনা দিয়েছিলাম। ছবিতে যেই রাস্তা দেখছেন সেই রাস্তা কিছুদূর গিয়েই শেষ। দিগন্তের কাছে যেই জঙ্গল দেখেছেন সেটাই রাতারগুল আর বনের শেষে যেই পাহাড় দেখছেন সেটা ভারতের মেঘালয়ের পাহাড়। এতদূর থেকেও সেই পাহাড়ের গায়ের ঝর্না স্পষ্ট দেখা যাচ্ছিল। আমার ডিজিটাল ক্যামেরা খুলতে গিয়ে দেখি আগের রাতে চার্জ দেওয়া হয় নি। কি আর করা, মোবাইল ক্যমেরাই তখন ভরসা। কর্দমাক্ত রাস্তা পেরিয়ে অবশেষে আমরা নৌকার কাছে পৌঁছুলাম।

নৌকা চলতে শুরু করল। অল্প সময়ের মধ্যেই আমরা রাতারগুলের কাছে পৌঁছে গেলাম।

যাত্রার পুরো সময় জুড়েই আকাশ জুড়ে আলোছায়ার খেলা চলছিল। যাত্রার শুরুতে মেঘলা আকাশ, আবার বনে প্রবেশ করার সময় ঝলমলে রোদ। সেই রোদ গায়ে মেখেই আমরা বনের প্রবেশমুখে চলে এলাম। প্রবেশমুখে দুইটা নৌকা বাঁধা ছিল। বোঝা গেল, আমাদের মত ভ্রমণপিপাসু লোকের অভাব নেই।

অতঃপর আমরা বনে প্রবেশ করিলাম। চারপাশের নিরবতা এতটাই বিমোহিত করেছিল যা কি না ভাষায় প্রকাশ করতে পারব না। নাম মা জানা পাখির ডাক ছাড়া আর কোন শব্দই কানে আসছে না। অদ্ভুত সেই অনুভূতি। চলুন এই সুযোগে রাতারগুলের সবুজ নিস্তব্ধ প্রকৃতির কিছু ছবি দেখে নেই।

শুনেছি এই জঙ্গলে প্রচুর সাপ আছে যেগুলো গাছের দালে থাকে। আমাদের সৌভাগ্য যে আমাদের কোন সাপের সামনে পড়তে হয় নি।

হঠাত আকাশ কাল মেঘে ছেয়ে গেল এবং প্রচন্ড ভাতাস বইতে শুরু করল। বুঝতে পারলাম ঝড় আসছে।

কিন্তু আমাদের কিছুই করার ছিল না। কারণ কেউই ছাতা বা রেইনকোট নিয়ে যাই নি সাথে করে। একটা শুকনো জায়গা দেখে নৌকাটা থামিয়ে আমরা বড় দেখে একটা গাছের আড়াল নিতে না নিতেই বৃষ্টি আমাদের উপর ঝাঁপিয়ে পড়ল।

বৃষ্টি থেকে বাঁচার চেষ্টা করে কোন লাভ হয় নি। দেখতে না দেখতেই সবাই ভিজে গেলাম। যেহেতু ভিজেই গেছি তাই খোলা জায়গায় বের হয়ে বৃষ্টি উপভোগ করা শুরু করলাম। এই মৌসুমে প্রথমবারের মত বৃষ্টিতে ভিজলাম। কিছুক্ষণের মাঝেই লক্ষ্য করলাম ঠান্ডায় কাঁপছি। তারপরেও যতক্ষণ বৃষ্টি ঝরল ততক্ষণ কাঁপতে কাঁপতেই এই বৃষ্টি উপভোগ করলাম। ঢাকায় তো আর এমনভাবে বৃষ্টি উপভোগ করার সুযোগ মিলবে না।

অতঃপর আমরা ফিরে চললাম। আরও কিছুক্ষণ থাকার ইচ্ছে ছিল কিন্তু বৃষ্টি সব ভণ্ডুল করে দিল। সব ভিজে গিয়েছিল। কাপড়, মোবাইল, মানিব্যাগ সব। ভাগ্যিস মোবাইলটা নষ্ট হয়ে যায় নি। তা হলে এইসব ছবি আপনাদের সাথে কিভাবে শেয়ার করতাম?

আমাদের রাতারগুল ভ্রমণ আপাতত শেষ। যাবার আগে রাতারগুলের কিছু তথ্য দিয়ে যাই। ৯৭২ একর আয়তনের এই বনের অবস্থান সিলেট জেলার গোয়াইনঘাট থানায়। এটি বাংলাদেশের একমাত্র এবং পৃথিবীর অল্প কয়েকটি স্বাদু পানির বনের মধ্যে অন্যতম। এটি গোয়াইন নদীর কাছে অবস্থিত এবং চেঙ্গির খাল নামক একটি খাল দিয়ে এখানে পানি আসে। বর্ষাকালে পুরো জঙ্গল ২০-৩০ ফুট পানিতে ডুবে যায়। বছরের অন্যান্য সময় এখানে ১০ ফুট বা তাঁর কম পানি থাকে। উপগ্রহ থেকে রাতারগুলকে কেমন দেখায় চলুন সেটা একনজর দেখে নেই।

বনের প্রধান বৃক্ষ হচ্ছে Pongamia pinnata (Koroch tree) । এছাড়া হিজল গাছও আছে প্রচুর পরিমানে। অনেক ধরণের পাখির অভয়ারণ্য এই বন। ভাগ্য ভাল থাকলে ঈগল কিংবা শকুনও আপনার চোখে পড়তে পারে। এছাড়া অনেক প্রজাতির সাপ, সরীসৃপ ও পতঙ্গও এখানে দেখা যায়।
বর্ষাকাল হচ্ছে রাতারগুলে ভ্রমণের সর্বোৎকৃষ্ট সময়। যারা দেশে থেকেই আমাজন জঙ্গলের স্বাদ পেতে চান, তাঁর দেরী না করে এখনই বেরিয়ে পড়ুন। নিশ্চিত করে বলছি, আপনাদের পয়সা পুরোমাত্রায় উশুল হয়ে যাবে।

বিঃদ্রঃ ১, ৮ ও ৯ নম্বর ছবি গুগল থেকে পাওয়া।

অরণ্যের দিনরাত্রি # ১ম পর্ব # বর্ষীজোড়া ইকো পার্ক, মৌলভীবাজার

অরণ্যের দিনরাত্রি # ২য় পর্ব # দুলাহাজরা সাফারি পার্ক, কক্সবাজার

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

৩০ thoughts on “অরণ্যের দিনরাত্রি # ৩য় পর্ব # রাতারগুল জলাভূমির বন (Amazon of the East) @ সিলেট

    1. আসলেই মজায় আছি রে ভাই। জীবনে
      আসলেই মজায় আছি রে ভাই। জীবনে একা একাই বেশি ঘুরেছি। একা একা ঘুরতে আমার বেশি ভাল লাগে। তবে কিছু কিছু জায়গায় পরিচিত কেউ সাথে থাকলে অনেক সুবিধা।

  1. ” ও যে স্বপ্ন দিয়ে তৈরী
    ” ও যে স্বপ্ন দিয়ে তৈরী সেদেশ, স্মৃতি দিয়ে ঘেরা
    এমন দেশটি কোথাও খুঁজে পাবে নাকো তুমি, সকল দেশের রাণী সে যে আমার জন্মভুমি”

    :তালিয়া: :তালিয়া: :তালিয়া: :তালিয়া:

    1. এমন দেশটি কোথাও খুঁজে পাবে

      এমন দেশটি কোথাও খুঁজে পাবে নাকো তুমি,
      সকল দেশের রাণী সে যে আমার জন্মভুমি

      আসলেও তাই।

  2. একা একটু ঘুইরা দেইখেন ভাই ।
    একা একটু ঘুইরা দেইখেন ভাই । তাইলে আপনার ভ্রমন আরও আকর্ষণীয় হবে । বায় দা ওয়ে এরকম ব্যতিক্রমী একটা পোস্ট এর জন্য ধন্যবাদ । ।

  3. আর কতবার বলব? আপনারে হিংসা
    আর কতবার বলব? আপনারে হিংসা হয়। :মনখারাপ:
    খুব সুন্দর জায়গা সেটা আপনার ছবি দেখেই বুঝা যাচ্ছে। যদি ভাগ্যে থাকে কখনও যাওয়ার ইচ্ছে জাগল। মেঘের ছবিগুলা সেইরাম হইছে। :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ:

  4. লেখাটা পড়ে আর ছবিগুলো দেখে
    লেখাটা পড়ে আর ছবিগুলো দেখে আপনাকে অভিশাপ দিতে ইচ্ছে করছে। সময় এর বড়ই অভাব, আপনার মতো ভাগ্য নেই… :মনখারাপ: :মনখারাপ:

    ভবঘুরে জীবন চালিয়ে যান… শুভ কামনা রইলো :খুশি: :খুশি:

    1. শুভকামনার জন্য ধইন্যা তবে
      শুভকামনার জন্য ধইন্যা :ধইন্যাপাতা: তবে অভিশাপ দিলেন বলে মাইনাচ :শয়তান:

  5. নিজে ঘোরার সাথে সাথে ঘোরার
    নিজে ঘোরার সাথে সাথে ঘোরার অভিজ্ঞতা (উইথ ফট্টুক 😀 ) শেয়ার করার জন্য ধন্যবাদ। আর ব্লগে মাঝেমধ্যে ব্যাতিক্রমি পোস্ট না পরলে আসলেই পাইনসা হয়ে যায়। নাগরিক ব্লগে নেবুলা নামেীকজন বিজ্ঞান নিয়ে পোস্ট দিতো। যদিও প্রথম দিকে অনেক ত্রুটি বিচ্যুতি ছিলো (যেমন পাঠ্যবইয়ের মতো বর্ননা,ছবি না দেয়া,পরে ছবি দিলেও এ্যাডজাস্টমেন্টে সমস্যা এবং অসংখ্য ভুল বানান) কিন্তু পরে কাটিয়ে উঠেছিলো। তাকে এখানে মিস করছি। তুমি যেমন মাঝে মধ্যে ভ্রমন কাহিনী দাও সেইরকম বিজ্ঞানের উপরও কারো লেখা উচিৎ। আশা করি কেউ না কেউ আসবে।

    আমার অবশ্য হিংসা হয়না কারন কেনো জানি বন-জংগল আমাকে টানেনা। আমার ভালো লাগে পাহাড় আর প্রাচীন স্থাপত্য। অনেকবার বলেছি,আবারো বলছি, জীবনে আমার একটাই খায়েশ আছে। মিশরের পিরামিড দেখা। এরপর যদি সুযোগ হয় লুভ্রে মিউজিয়াম ,গ্রীস(দর্শন বিদ্যার জন্মনগরী…এইরকম কিছু প্রাচীন স্থাপত্য দেখার ইচ্ছে আছে। সিলেট ছিলাম অনেকদিন। তাই পাহাড় ঝর্না দেখা হয়েছে। জংগল বলতে ঐ মধুপুর। সুন্দরবন দেখেছি কুয়াকাটা লঞ্চ দিয়ে যাবার সময়। তবে সুন্দরবনে হানিমুন করার একটা প্ল্যান আছে আমার। বউ ডরে বাইরেই যাইবোনা… :নৃত্য: :নৃত্য: :নৃত্য: :নৃত্য: :নৃত্য:

    1. এত জায়গা থাকতে সুন্দরবন?
      এত জায়গা থাকতে সুন্দরবন? অক্কে বস, কবে যাইবেন জানায়া দিয়েন। পরিচিত কিছু ডাকাত সর্দার আছে, তাঁদেরকে একটা কল দিমু। ভাল আপ্যায়ন করব নি। :শয়তান: :শয়তান: :শয়তান:

  6. আবারো অভিশাপ দিলুম। মাইনাচে
    আবারো অভিশাপ দিলুম। মাইনাচে মাইনাচে পেলাচ!! :নৃত্য: :নৃত্য: :নৃত্য: :শয়তান: :শয়তান: :শয়তান:

  7. গুগলের ছবি গুলার স্পেসিফিক
    গুগলের ছবি গুলার স্পেসিফিক সোর্স দিয়ে দিলে ভালো হত। এটা তো কারো না কারো ইন্টেলেকচুয়াল প্রপার্টি। বিদেশে কিন্তু না বলে ইন্টেলেকচুয়াল প্রপার্টি ব্যবহার করলে মামলা হয়ে যায় আর শাস্তি টা নর্মাল চুরির চাইতেও বেশি হয়।
    পোস্ট ভালো হয়েছে।

    1. তাই নাকি, জানতাম না তো?
      তাই নাকি, জানতাম না তো? জানাবার জন্য ধন্যবাদ। আসলে কি করব বলুন; যেই দেশে সবাই সফটওয়ার না কিনে সিস্টেম করে ফ্রি ডাউনলোড করে, যেই দেশে সবাই কপিরাইটকে কাঁচকলা দেখিয়ে নীলক্ষেত থেকে বই ফটোকপি করে পড়াশোনা চালায়, সেই দেশে গুগল থেকে ছবি মেরে দেওয়াটা কি খুব বেশি অপরাধ? আমি তো প্রাপ্তিস্বীকার করেই নিয়েছি, অনেকে তো সেটুকুও করে না।

  8. শঙ্খচিলের ডানা, আপনাকেই বলছি!
    শঙ্খচিলের ডানা, আপনাকেই বলছি! আপনি আমার ভ্রমানানুভুতিতে আঘাত করেছেন।
    দেশের রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতার কারণে গত ২ মাসে ২-৩ বার সুযোগ আর প্রস্তাব পাওয়ার পরও কোন ভ্রমণে যায় নাই…
    আপনার এই পোস্ট আবার পিনিক তুলে দিল।
    আপনি ভাই আসলেই মানুষ ভাল না!!
    :মাথাঠুকি: :মাথাঠুকি: :মাথাঠুকি: :মাথাঠুকি: :মাথাঠুকি: :মাথাঠুকি: :মাথাঠুকি: :মাথাঠুকি: :মাথাঠুকি:

    1. এইরকম ভীরু হৃদয় নিয়ে হয়ত
      এইরকম ভীরু হৃদয় নিয়ে হয়ত প্রেম করতে পারবেন, কিন্তু দুনিয়া ভ্রমণ করতে পারবেন না সেটা বলে দিলাম। বীরের মত বেরিয়ে পড়ুন আর পৃথিবী দেখুন। কিছু হইলে আমি আছি না? :চোখমারা:

  9. ঘুরতে কার না ভাল লাগে ভাইজান
    ঘুরতে কার না ভাল লাগে ভাইজান ! সময় আর সুযোগ কোনটাই হয়ে উঠে না তাই প্রবল ইচ্ছা থাকলেও পারিনা। আপনার মত যাদের সময় ও সুযোগ দুটোই পাওয়ার সৌভাগ্য হয়েছে তাদের কল্যাণে আমরা দুধের স্বাদ ঘোলে মিটাইয়া লওয়ার চেষ্টা করি আর কি। আপনার ভ্রমন কাহিনী শেয়ার করার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ….. আর হ্যাঁ.. ছবিগুলো দারুন হয়েছে…

  10. কিছু কিছু মানুষের হাতে একটা
    কিছু কিছু মানুষের হাতে একটা অলৌকিক ক্ষমতা থাকে। তেমনি আপনার হাতেও আছে। আর সেটি হলো ফটোগ্রাফির ক্ষমতা। লেখার হাততো আপনার সেইরকম।
    জানিনা ফটোগ্রাফি নিয়ে কোর্স করেছেন কিনা তবে অসম্ভব সুন্দর ছবি তুলেছেন। আর তার সাথে বর্ণনা এমনভাবে মিশিয়েছেন যেন কল্পনাতেই ঘুরে এলাম। যদিও বৃষ্টি একদমই পছন্দ না তবুও এখানে কল্পনাতে ভিজে ভালো লাগছে। :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ:

    1. না রে ভাই, ফটোগ্রাফির উপর কোন
      না রে ভাই, ফটোগ্রাফির উপর কোন কোর্স করার সৌভাগ্য এখনও হয় নি, তবে ইচ্ছে আছে। :মনখারাপ:

  11. বৃষ্টিতে ভেজার মজাই আলাদা !
    বৃষ্টিতে ভেজার মজাই আলাদা ! কিন্তু দুঃখের বিষয় সেই ভেজার সুযোগ হয়ে উঠছে না…. শিশুকালে বৃষ্টিতে ভিজে ফুটবল খেলা.. এগুলো এখন শুধুই স্মৃতি….

    1. উফফ, নস্টালজিক করে দিলেন রে
      উফফ, নস্টালজিক করে দিলেন রে ভাই। বৃষ্টিতে ভিজে ফুটবল খেলার আনন্দের কথা কি ভোলা যায়? :ভাঙামন:

  12. ছবিগুলো সুন্দর লাগলো। বিশেষ
    ছবিগুলো সুন্দর লাগলো। বিশেষ করে ১,৯ আর ১০ নাম্বারটা।
    আপনার লেখার বর্ণনা খুব প্রাঞ্জল। পড়তে খুব ভালো লাগে, আর চরম হিংসা লাগে।
    ভালো থাকবেন, আরও ঘুরে বেড়াবেন, সাথে সাথে অভিজ্ঞতা শেয়ার করবেন।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

64 − = 54