আর্ন্তজাতিক কূটনীতিতে আ.লীগের বেশুমার মিথ্যাচার!

৫ জানুয়ারির হাস্যকর নির্বাচন আন্তর্জাতিক পরিসরে বৈধতা পায়নি। কিন্তু সরকারের পক্ষ থেকে প্রভাবশালী দেশগুলোর কাছ থেকে নির্বাচনের বৈধতা নেওয়ার জন্য নানান ধরনের লবিং শুরু করে নির্বাচনের পর থেকেই। ভারত ছাড়া অন্য কোন প্রভাশালী দেশ তাতে সায় দেইনি। এ অবস্থায় সরকার মিথ্যাচারের পথ বেছে নিয়েছে। জাতিসংঘের প্রধান বান কি মুনের সঙ্গে ফটোসেশন করে সেটাকে বৈঠক হিসেবে চালিয়ে দেওয়া থেকে শুরু করে নানান ধরনের কেলেঙ্ককারি করে ইতিমধ্যে সরকার বিষয়টি হ-য-ব-র-ল পাকিয়ে ফেলেছে।

জানা গেছে, জাতিসংঘ মহাসচিব বান কি-মুনের সঙ্গে রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদের এবং ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী ডেভিড ক্যামেরনের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বৈঠক হয়েছে এমনটি দাবি করেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী। কিন্তু পরবর্তীতে জাতিসংঘ দপ্তর এ দাবিকে সঠিক নয় বলে জানিয়েছেন। জাতিসংঘ দপ্তর জানিয়েছেন, এটা ছিলো একটি সৌজন্য ফটোসেশন।

তবে সরকারের পররাষ্ট্রমন্ত্রণালয় শুধু সাক্ষাত হিসেবেই প্রচারণা থেমে রাখেনি। তারা সংবাদ মাধ্যমে প্রেস রিলিজ দিয়ে দ্বি-পাক্ষিক বৈঠক হিসাবে বিষয়টি বিভিন্ন স্থানে জানিয়েছে।

জানা গেছে, নিউইয়র্কে গত ১৯ জুন জাতিসংঘ মহাসচিব বান কি-মুনের সঙ্গে বৈঠক করেন রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ। এরপর সরকারি বিভিন্ন সূত্র সাংবাদিকদের জানিয়েছিলেন, রাষ্ট্রপতি সংলাপ ও নির্বাচন ইস্যুতে বাংলাদেশের জোরালো অবস্থান তুলে ধরেছেন। জাতিসংঘ মহাসচিবও বলেছেন, গণতন্ত্রে নির্বাচন-বর্জন গ্রহণযোগ্য নয়।

সরকারের এই বিশাল সফলতার ঘটনা একদিন পরই বেলুনের মত চুপসে যায়। সরকারের এই মিথ্যাচার ফাঁস করে দেন ঢাকায় জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি (ইউএনডিপি) কার্যালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তি। ওই সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদের সঙ্গে বৈঠকে জাতিসংঘ মহাসচিব সংসদের বাইরের বিরোধী দলের সঙ্গে সম্পৃক্ত হওয়ার (সংলাপ) ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন। পাশাপাশি তিনি সামাজিক ও রাজনৈতিক পূণর্মিলন এগিয়ে নিতে উৎসাহিত করেছেন। বিজ্ঞপ্তিতে আরো বলা হয়েছে, ‘২০১৪ সালের জানুয়ারি মাসে অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনের সুযোগ সৃষ্টি করতে পারতো এমন সমঝোতায় পৌঁছতে রাজনৈতিক দলগুলো ব্যর্থ হওয়ায় মহাসচিব তাঁর দুঃখ প্রকাশ করেছেন।’

এবার চিন্তা করেন মুল ঘটনা সম্পর্কে! জাতিসংঘের মহাসচিব বিরোধী দল ছাড়া নির্বাচন হওয়াটাকে দুঃখজনক বললো আর আওয়ামী লীগের প্রচার মেশিন কেমন ঢাহা মিথ্যাচার করলো? আওয়ামীলীগ বুঝাতে চেয়েছিলো বিএনপির জন্য জাতিসংঘের কোন মায়া নেই, সব মায়া আওয়ামী লীগ ও তার সরকারের জন্য। কিন্তু জাতিসংঘের থেকে প্রেস বিজ্ঞপ্তি পাওয়ার পর আওয়ামী লীগের প্রচার মেশিন এখন বলতে পারেন, বান কি মুন একটি চিঙ্কু বাম! যদিও আওয়ামীলীগ কিংবা বিএনপি কোনটার জন্য আমার নিজেরেই কোন উচ্ছ্বাস নেই। দুই দলই মুদ্রার এপিঠ আর ওপিঠ!

তবে ধকল কিন্তু এখানেই শেষ নয়। এসব ঘটনার পক্ষ-বিপক্ষ হয়ে জাতিসংঘ এক সপ্তাহের মধ্যে লিখিত বিজ্ঞপ্তি দিয়ে মিডিয়ার সবাইকে জানালেন যে, জাতিসংঘের মহাসচিবের সাথে আমাদের রাষ্ট্রপতির আসলে নির্বাচন নিয়ে কোন কথাই হয়নি। জাতিসংঘে বাংলাদেশ স্থায়ী মিশন ঢাকার একটি সংবাদপত্রে প্রকাশিত প্রতিবেদনের প্রতিবাদ জানাতে গিয়ে বলেছে, ‘জাতিসংঘ মহাসচিব বান কি-মুনের সঙ্গে রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদের বৈঠকে সংলাপ ও নির্বাচন নিয়ে কোনো আলোচনাই হয় নি।’

এরপর আসেন প্রভাবশালী দেশ ব্রিটেনের সাথে কি হইলো? বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জুলাইতে ব্রিটেন সফর করেন। সফর শেষে গত ২৩ জুলাই ঢাকায় এক সংবাদ সম্মেলনে পররাষ্ট্রমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী বলেন, বাংলাদেশের নির্বাচন নিয়ে যুক্তরাজ্যের মনোভাবে যে পরিবর্তন এসেছে তা দিনের আলোর মতোই পরিষ্কার। তিনি আরো বলেন, লন্ডনে ২২ জুলাই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে বৈঠকে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী ডেভিড ক্যামেরন নির্বাচন নিয়ে কিছু বলেননি। ক্যামেরন শুধু বলেছেন, নির্বাচন শেষ হয়ে গেছে। এটি এখন অতীত। আমরা এখন ভবিষ্যতের দিকে তাকাচ্ছি এবং আপনার সরকারের সঙ্গে আমরা কাজ করতে চাই, কাজ করছি। আমরা আরো এগিয়ে যেতে চাই। সম্পর্ক আরো শক্তিশালী করতে চাই।

এই ঘটনার পর ব্রিটিশ সরকারের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত হয় হাসিনা-ক্যামেরন বৈঠক নিয়ে এক বিজ্ঞপ্তি। সেই বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘বাংলাদেশে ২০১৪ সালের জানুয়ারি মাসে অনুষ্ঠিত নির্বাচনে অর্ধেকেরও বেশি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা না হওয়ায় প্রধানমন্ত্রী (ক্যামেরন) আমাদের (যুক্তরাজ্যের) হতাশার কথা জানিয়েছেন। গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় সকল রাজনৈতিক দলের অংশগ্রহণ ও গণমাধ্যমের স্বাধীনতাকে সম্মান করা হয় এমন মুক্ত সমাজ ও রাজনৈতিক ব্যবস্থার গুরুত্বের কথা তাঁরা (বাংলাদেশ) স্বীকার করেছেন।’

তারানকো নিয়েও মিথ্যাচার!
আওয়ামী লীগ বিভিন্ন সময় দাবি করে জাতিসংঘের বিশেষ দুত অস্কার ফার্নান্দেজ তারানকো বাংলাদেশের নির্বাচন কমিশন ও জাতীয় মানবাধিকার কমিশনকে শক্তিশালী করা, সুশাসন নিশ্চিত করণে তথ্য পাওয়া নিশ্চিত করতে ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ’ গড়ার লক্ষ্যে জাতিসংঘের জোরালো সহযোগিতা থাকবে বলেছেন। কিন্তু ইউএনডিপি বলছে ভিন্ন কথা। ইউএনডিপির ওয়েবসাইটে ‘ইলেক্টোরাল রিফর্ম প্রোগ্রামে’ একজন ‘চিফ টেকনিক্যাল অ্যাডভাইজার’ নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে ৫ জানুয়ারির নির্বাচন ও উপজেলা নির্বাচনের সমালোচনা করা হয়। বলা হয়, এর আগের বিজ্ঞপ্তিটি যথাযথ পর্যালোচনা ছাড়াই প্রকাশিত হয়েছে। এটি ভুল। এর জন্য দুঃখ প্রকাশ করছি। তাঁর আরো দাবি, ওই বিজ্ঞপ্তিতে দশম জাতীয় সংসদ ও উপজেলা নির্বাচন নিয়ে যে মন্তব্য করা হয়েছে তা ইউএনডিপির অবস্থান নয়।

জাতিসংঘে বাংলাদেশের সদস্য পদ পাওয়ার চার দশক পূর্তি উপলক্ষে গত মাসে ঢাকায় এক অনুষ্ঠানের প্রাক্কালে ক্রোড়পত্রের জন্য জাতিসংঘ মহাসচিব যে বাণী পাঠিয়েছিলেন শেষ পর্যন্ত তা প্রকাশিত হয়নি। এ বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলেছিলো, দেরিতে আসার কারণে মহাসচিবের বাণী ক্রোড়পত্রে স্থান দেওয়া সম্ভব হয়নি। তবে ভেতরের কথা হলো যথা সময় জাতিসংঘই বানী দেয়নি।

গত ১৬ জানুয়ারি ইউরোপীয় পার্লামেন্টে (ইপি) গৃহীত বাংলাদেশ বিষয়ক প্রস্তাবের ষষ্ঠ দফার বরাত দিয়ে বর্তমান সরকারের প্রতিনিধিরা জামায়াতে ইসলামী ও হেফাজতে ইসলাম থেকে বিএনপিকে দূরে থাকতে ইপি’র আহ্বানের কথা জোর গলায় প্রচার করে আওয়ামী লীগ। কিন্তু ইপি’র সাইটে বলা হয়, ৫ জানুয়ারির নির্বাচন ‘অংশগ্রহণমূলক’ না হওয়াটা দুঃখজনক। তারা তাদের সাইটে দাবি করেন এরকম কথা তারা বলেননি।

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

১৩ thoughts on “আর্ন্তজাতিক কূটনীতিতে আ.লীগের বেশুমার মিথ্যাচার!

  1. এই ধরনের কুটনৈতিক মিথ্যাচার
    এই ধরনের কুটনৈতিক মিথ্যাচার একটা দেশের রাজনৈতিক দৈন্যতাকে স্পষ্ট করে তুলে। দেশের একজন নাগরিক হিসাবে আর্ন্তজাতিক কুটনীতিতে মিথ্যাচারের জন্য নিজেকে খুবই ছোট লাগছে। আমাদের এই রাজনৈতিক দৈন্যতায় দেশের নাগরিক হিসাবে দুঃখ প্রকাশ করা ছাড়া আমার মত আমজনতার আর কি-ই-বা করার আছে?

  2. আর্ন্তজাতিক কোন সংস্থা কখনো
    আর্ন্তজাতিক কোন সংস্থা কখনো সরাসরি কোন দলের পক্ষে সাফাই বা সমর্থন দেয় না। তবে তারা পর্দার বাইরে থেকে কাজ করে যায়।

  3. তথ্যপ্রযুক্তির যুগে মিথ্যা
    তথ্যপ্রযুক্তির যুগে মিথ্যা তথ্য দিয়ে পার পাওয়া যায় না। সবকিছু মিলিয়ে দেশ ভালই চলছে! বৃর্জোয়া অর্থনীতি ফুলে ফেপে ফ্যাসিজমের দিকে দেশ এগুচ্ছে। মজার ব্যাপার হচ্ছে অর্থনৈতিক অবস্থার স্থিরতায় আওয়ামিলিগ পার পেয়ে যাচ্ছে। অবৈধ টাকার প্রবাহ বেশি থাকলে সাধারণ মানুষের হাতে বাড়তি টাকা আসে। সেটার সুফল পাচ্ছে সরকার। জনঅসন্তোষ না থাকলে এভাবেই অনেকদিন টিকে থাকতে পারবে। ভবিষ্যতে সরকার এটা কতটা ধরে রাখতে পারবে সেটাই দেখার বিষয়।

  4. তৃতীয়বার প্রধানমন্ত্রী
    তৃতীয়বার প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হওয়ায় শেখ
    হাসিনাকে গ্রিসের প্রধানমন্ত্রীর অভিনন্দন
    গ্রিসের প্রধানমন্ত্রী অ্যান্টিনিও সি. সামারাস গত ৫
    জানুয়ারির নির্বাচনের মাধ্যমে তৃতীয়বারের মতো বাংলাদেশের
    প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হওয়ায় প্রধানমন্ত্রী শেখ
    হাসিনাকে অভিনন্দন জানিয়েছেন।
    আজ মিলানে শেখ হাসিনার সঙ্গে এক বৈঠকে গ্রিক
    প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশের চলমান আর্থ-সামাজিক অগ্রগতির
    প্রশংসা করে বলেন, শেখ হাসিনার গতিশীল নেতৃত্বে দেশ সামনের
    দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। দশম আসেম শীর্ষ সম্মেলনের পাশাপাশি আজ
    মিলানের বাংলাদেশ মিটিং রুমে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
    বিস্তারিতঃ http://bit.ly/1rfSRFW
    Bilateral meeting held between PM Sheikh Hasina and Prime
    Minister of # Greece Antonis Samaras
    Prime Minister of Greece Antinios C. Samaras has congratulated
    Sheikh Hasina on being elected the Prime Minister of Bangladesh
    for the third time following the January 5, 2014 elections.
    In a meeting with Sheikh Hasina in Milan, the Greek Prime Minister
    appreciated Bangladesh’s ongoing economic and social progress,
    saying the country is marching forward under the dynamic
    leadership of Sheikh Hasina.
    Detail News: http://bit.ly/1stXikj

  5. ভাইজান, গ্রীস বেলারুশের ভেতরই
    ভাইজান, গ্রীস বেলারুশের ভেতরই থাকা লাগবে। এবার জাতীসংঘ সফরের একমাত্র সফলতা বেলারুশের সাথে বৈঠক, তাও দীপু মনির লবিংয়ে।
    ছি কি লজ্জা।
    এমন কী রাশিয়া প্রধানের সাথে পিএম মিটিং করতে পারলো না। না পেরে শুরু করলো মিথ্যাচার

    1. গ্রীসের নিজেদের কুত্তা মরা
      গ্রীসের নিজেদের কুত্তা মরা দশা! তারা নাকি বিনোয়োগ করবে বাংলাদেশে। সেরা কৌতুক এটি। গ্রীসকে বরং বাংলাদেশের সহযোগিতা করা উচিত। তাদের অর্থনৈতিক অবস্থা আমাদের চেয়ে বর্তমানে অনেক খারাপ।

  6. সরকারের এই বিশাল সফলতার ঘটনা

    সরকারের এই বিশাল সফলতার ঘটনা একদিন পরই বেলুনের মত চুপসে যায়। সরকারের এই মিথ্যাচার ফাঁস করে দেন ঢাকায় জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি (ইউএনডিপি) কার্যালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তি। ওই সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদের সঙ্গে বৈঠকে জাতিসংঘ মহাসচিব সংসদের বাইরের বিরোধী দলের সঙ্গে সম্পৃক্ত হওয়ার (সংলাপ) ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন। পাশাপাশি তিনি সামাজিক ও রাজনৈতিক পূণর্মিলন এগিয়ে নিতে উৎসাহিত করেছেন। বিজ্ঞপ্তিতে আরো বলা হয়েছে, ‘২০১৪ সালের জানুয়ারি মাসে অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনের সুযোগ সৃষ্টি করতে পারতো এমন সমঝোতায় পৌঁছতে রাজনৈতিক দলগুলো ব্যর্থ হওয়ায় মহাসচিব তাঁর দুঃখ প্রকাশ করেছেন।’

    গুম-খুন-দমন-নিপিড়নের দিক থেকে হাসিনা সরকার হিটলার সরকারের মতই অনেকটা। এখন সরকারী প্রচার মাধ্যম গোয়েবলসের মত মিথ্যা প্রপাগান্ডার ভাঁড়ামো শুরু করেছে।

    এইসব হিটলার, গোয়েবলসের হাত থেকে দেশ আর দেশের মানুষকে বাচানোর জন্যই মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী সবার ঐক্যবদ্ধ হওয়া জরুরী।

  7. সরকার সব কিছুর দায় ডঃ মুহম্মদ
    সরকার সব কিছুর দায় ডঃ মুহম্মদ ইউনুসকে দিলেন।অর্থমন্ত্রীর ভাষ্যমতে বাংলাদেশি এক ব্যাক্তির কারনে বিশ্ব ব্যাংক ঋন দিতে অসম্মতি প্রকাশ করেছেন।যার দরুন অন্য কয়েকটি দেশ সরকার বিমুখীতা প্রকাশ করেছে
    যদিও সরকার নাম প্রকাশ করে কিছু বলে নি কিন্তু আঙ্গুল ইউনুস সাহেবের দিকে।ঘটনা যখন ঘটেছে কারো না কারো ঘাড়ে দোষ চাপাতে তো হবে,নাহলে যে সরকার পতন।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

− 4 = 2