মুনাফেক জামায়াত নেতাদের সন্তানেরা মাদ্রাসায় পড়ে না

জামাতের বড় ব্যবসা ইসলাম ধর্মকে বিক্রি করা। এটা জামাতের পুজিও। দেশের সংখ্যাগরিষ্ট ধর্মপ্রাণ মানুষের কাছে জামাত এই বক্তব্য প্রচার করতে থাকে যে, ইসলামি শাসন ব্যবস্থা কায়েম করতে পারলেই কেল্লাফতে। এরপর আপনার ইহকাল ও পরকাল দুটোই নিশ্চিত। এই ইসলামি বিপ্লবের জন্য বাংলাদেশের মানুষকে ইসলামি শিক্ষা নিতে হবে। মাদ্রায় পড়তে হবে। দেশের কোমলমতি দরিদ্র ঘরের সন্তানরা জামাতের প্রচারণায় অনেকে আবার বাধ্য হয়েই মাদ্রাসা শিক্ষায় পাঠানো হয়। মাদ্রাসা শিক্ষার প্রধান দুই ধারা আলিয়া ও কওমি শিক্ষায় শত গলদ রয়েছে। আলিয়া মাদ্রাসার স্বীকৃতি থাকায় এখান থেকে পাস করে সরকারি চাকরি পাওয়া যায়। আবার এইচ এস সি সমমানের শিক্ষা শেষ করে অনেকে উচ্চ শিক্ষা নেন জামাতের ভাষায় নাস্তিক্যবাদী বিশ্ববিদ্যালয় ও মেডিকেলগুলোতে। কিন্তু এ সংখ্যা নেহাতৎ হাতে গোনা। আর কওমি মাদ্রাসা থেকে পাস করার পর দরিদ্র ঘরের সন্তানদের কোথাও ঠায় হয় না। মাত্র ২ হাজার টাকার অস্মমানের মসজিদের ইমামতি বা কোথাও মুয়াজ্বিনের জীবন বাধ্য হয়েই এরা বেছে নেন। সারা জীবন দারিদ্রের কষাঘাতে এই মৌলানারা জীবন পার করেন অন্যের অনুগ্রহে। কোথাও মিলাদ পড়াতে বা কোরআন খতমে এসব মৌলানাদের ডাক পড়ে। কেউ কেউ আবার ঝাড় ফুক করে কিছু আয় করেন। আর আধুনিক বিশ্ববিদ্যালয় পড়–য়া শিক্ষিক তরুনদের কাছে এই মৌলানারাই সমাজের অনগ্রসর, জঙ্গিবাদী। কিন্তু এই জীবনের যে রাজনৈতিক দল ও মতাদর্শ দায়ি সেই কারণের দিকে মধ্যবিত্ত শিক্ষিত তরুনের কমই নজর।

কিন্তু এই মাদ্রাসা শিক্ষার জন্য যারা সারা দিন ওয়াজ নসিত করে সেই জামায়াত ইসলামের সন্তানেরা কেউ মাদ্রাসায় পড়েন না। তারা পড়েন আধুনিক বিশ্ববিদ্যালয়, মেডিকেল কলেজ ও প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়। কেউ কেউ আবার উচ্চ শিক্ষা নিতে তাদের ভাষায় ইহুদি নাসারাদের দেশ ইউরোপ আমেরিকায়ও যান।

মুনাফেক জামাত:
জামায়াত ইসলাম মাদ্রাসার শিক্ষার পক্ষে প্রচার করে। বাংলাদেশের প্রচলিত শিক্ষা ব্যবস্থাকে দলটি নাস্তিকদের শিক্ষা হিসেবে প্রচার করে থাকে। আধুনিক শিক্ষার বিপরীতে দলটি মাদ্রাসা শিক্ষার পক্ষে জোর দাবি জানিয়ে আসছে। কিন্তু দলটির নেতাদের সন্তানেরা কেউ মাদ্রাসায় পড়েন না। জামায়াত মাদ্রাসা শিক্ষার কথা বলে দরিদ্র ঘরের সন্তানদের মাদ্রাসা শিক্ষার দিকে ঠেলে দেয়। এ সুযোগে দলটি মাদ্রাসা শিক্ষার্থীদের নিজেদের দলে টানে। দরিদ্র ঘরের এসব মাদ্রাসা শিক্ষার্থীদের টেনে আনা হয় হরতাল, পিকেটিং পুলিশের গুলির সামনে। তবে জামায়াতের মূল নেতৃত্বের সন্তানেরা পড়াশুনা করেন আধুনিক পশ্চিমা ধাচের তাদের মতের নাস্তিক শিক্ষার আধুনিক পশ্চিমা থাচের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে।

বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, জামায়াত নেতাদের সন্তানরা শিবির করে না, তাদের সন্তানরা মাদ্রাসায়ও পড়ে নাÑজামায়াত নৈতিকতা হারিয়েছে মাদ্রাসা শিক্ষার ব্যাপারে কথা বলার, শিবির করার জন্য দরিদ্র ঘরের ছেলে মেয়েদের সংগঠনে রিক্রট করার।

গোয়েন্দা সংস্থাও বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মূলত মাদ্রাসা শিক্ষার কথা বলে দরিদ্র ঘরের সন্তানদের সেখানে পাঠানো হয়। আর এসব কোমলমতি ছেলে মেয়েদের ব্রেনওয়াশ (মগজ ধোলাই) করে তাদেরকে জামায়াত-শিবিরের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত করে। সরকার বিরোধী আন্দোলনের সামনের কাতারে ঠেলে দেওয়া হয় এই দরিদ্র ঘরের সন্তানদেরকেই।

শিক্ষা ব্যবস্থা সম্পর্কে জামায়াতের ভাবনা : জামায়াতে ইসলামের দাবি, তাদের মূল লক্ষ্য ইসলামী শাসন ব্যবস্থা কায়েম করা। ইসলামী শাসন ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে দেশের শিক্ষা ব্যবস্থা কেমন হওয়া উচিত এ বিষয়ে দলটির উচ্চ পর্যায়ের নেতাদের সুনির্দিষ্ট গাইডলাইন রয়েছে। জামায়াতের শিক্ষা সম্পর্কে অবস্থান হল দেশের প্রচলিত শিক্ষা ব্যবস্থার বিপরীতে।

দলটির সাবেক আমির সদ্য প্রায়াত দেশের শীর্ষ যুদ্ধাপরাধী গোলাম আযমের একটি বই শিবিরের রাজনীতির হাতেখড়ি হওয়ার সময় পড়ানো হয়। গোলাম আযম ‘শিক্ষাব্যবস্থায় ইসলামী রূপরেখা’ পুস্তিকার ৭ নম্বর পৃষ্ঠায় উল্লেখ করেছেন, ‘ইংরেজ প্রবর্তিত আধুনিক শিক্ষাই যদি আদর্শ শিক্ষা বলে প্রচারিত হয় তাহলে এ শিক্ষার ফল দেখে কোনো ইসলামপন্থী লোকই সন্তুষ্টচিত্তে এ ধরনের শিক্ষাকে সমর্থন করতে পারে না।’ ওই গ্রন্থের ১২ নম্বর পৃষ্ঠায় গোলাম আযম উল্লেখ করেন, ‘পাশ্চাত্য মতাদর্শে বিশ্বাসীরা মানুষকে অন্যান্য পশুর ন্যায় গড়ে তুলবার উপযোগী শিক্ষাপদ্ধতির প্রচলন করেছেন। এ শিক্ষা দ্বারা মানুষ্যত্বের বিকাশ অসম্ভব।’ এই গ্রন্থের ২১ নম্বর পৃষ্ঠায় উল্লেখ রয়েছে, ‘আমাদের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসমূহের গোটা পরিবেশ একেবারেই ইসলামবিরোধী।’

জামায়াতের শীর্ষনেতার এ বইটি শিবিরের প্রতিটি স্তরে পড়ানো হলেও বাস্তবে জামায়াতের নেতাদের সন্তানদের কেউ মাদ্রসা শিক্ষা নেইনি।

শীর্ষ যুদ্ধাপরাধী সদ্য প্রয়াত গোলাম আজমের ছয় ছেলের একজনও মাদ্রাসায় পড়েননি। বড় সন্তান আব্দুল্লাহহিল মামুন আল আযমী রাজধানী খিলগাঁও গভর্নমেন্ট স্কুল থেকে এসএসসি, ঢাকা কলেজ থেকে এইচএসসি করেন। এরপর ইংল্যান্ডের ম্যানচেস্টার থেকে অর্থনীতিতে এমএ করেছেন। দ্বিতীয় ছেলে আব্দুল্লাহ হিল আমিন আল আযমী খিলগাঁও গর্ভমেন্ট স্কুল থেকে এসএসসি পাস করেন। এরপর ঢাকা কলেজে অধ্যয়নরত অবস্থায় বাংলাদেশ স্বাধীন হলে দেশত্যাগ এবং লন্ডনে নিটিং ফ্যাক্টরিতে কাজ শুরু করেন। তৃতীয় ছেলে, আব্দুল্লাহ হিল মোমেন আল আযমী সিদ্ধেশ্বরী স্কুল থেকে এসএসসি ও রাজধানীর হাবিবুল্লাহ বাহার কলেজ থেকে এইচএসসি পাস করে একই কলেজ থেকে বিকম পাস করেছেন। চতুর্থ ছেলে আব্দুল্লাহ হিল আমান আল আযমী ১৯৭৫ সালে সিলেট সরকারি অগ্রগামী উচ্চ বিদ্যালয় থেকে দ্বিতীয় বিভাগে এসএসসি, ঢাকা সেন্ট্রাল কলেজ থেকে তৃতীয় বিভাগে এইচএসসি পাস করে ১৯৮০ সালে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে যোগ দেন (সবার জন্য নির্ধারিত তারিখের একমাস পর তিনি মিলিটারি একাডেমীতে যোগদান করেন)। ২০০৯ সালে ব্রিগেডিয়ার জেনারেল পদে কর্মরত অবস্থায় অবসরে যান। পঞ্চম ছেলে আব্দুল্লাহ হিল নোমান আল আযমী ঢাকা গভর্নমেন্ট ল্যাবরেটরি স্কুল থেকে এসএসসি, ঢাকা কলেজ থেকে এইচএসসি পাস করেন। এরপর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ব্যবস্থাপনায় অনার্স ও মাস্টার্স করেছেন। ছোট ছেলে আব্দুল্লাহ হিল সালমান আল আযমী মতিঝিল আইডিয়াল স্কুল থেকে এসএসসি, এইচএসসি ঢাকা কলেজ থেকে পাস করেন। এরপর জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে ইংরেজিতে অর্নাসে ভর্তি হয়েছিলেন কিন্তু শেষ করতে পারেননি। এরপর আলীগড় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অনার্স এবং মার্স্টাস করেন।

আরেক শীর্ষ যুদ্ধাপরাধী জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল আলী আহসান মুহাম্মদ মুজাহিদের তিন ছেলে ও এক মেয়ের মধ্যে সবাই আধুনিক পশ্চিমা শিক্ষায় শিক্ষিত। বড় ছেলে আলী আহমেদ আদমজী ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল ও কলেজ থেকে এসএসসি এবং এইচএসসি পাস করেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে কম্পিউটার সায়েন্সে অর্নাস। এরপর অস্ট্রেলিয়ার সিডনি ইউনিভার্সিটিতে উচ্চতর ডিগ্রি নিয়েছেন। দ্বিতীয় ছেলে, আহমেদ আহকিক রাজধানীর মগবাজার আইএস স্কুল কলেজ থেকে এসএসসি ও এইচএসসি করেছেন ঢাকা কলেজ থেকে। এরপর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আর্ন্তজাতিক সম্পর্ক বিভাগ থেকে উচ্চ শিক্ষা নেন।
আরেক ছেলে আহমেদ মাবরুর আইএস স্কুল থেকে এসএসসি ও এইচ এসসি শেষ করেন। এরপর জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইংরেজিতে অনার্স করার পর আল মানারাত ইউনিভার্সিটি থেকে ইংরেজিতে মাস্টার্স করেছেন। একমাত্র মেয়ে তামরিনা রাজধানীর ভিকারুননিসা স্কুল ও কলেজ থেকে এসএসসি এবং এইচএসসি পাস করেন। আল মানারাত ইউনিভার্সিটিতে ইংলিশে অনার্স ও মাস্ট্রাস শেষ করেছেন।

সম্প্রতি মানবতা বিরোধী অপরাধে মৃত্যুদণ্ড দণ্ডিত জামায়াতে ইসলামের সাবেক সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল আব্দুল কাদের মোল্লার চার মেয়ে ও দুই ছেলে পড়ছেন আধুনিক শিক্ষা ব্যবস্থায়। কাদের মোল্লার মেয়ে আমাতুল্লাহ পারভীন ইস্পাহানী গার্লস স্কুল ও কলেজ থেকে এসএসসি ও এইসএসসি পাস করেন। এরপর ইডেন কলেজ থেকে অর্নাস ও মাস্টার্স করেছেন। বড় ছেলে হাসান জামিল এসএসসি পাস করেছেন বাদশাহ ফয়সাল স্কুল থেকে। তেজগাঁও কলেজ থেকে এইচএসসি পাস করে ইসলামিক ইউনিভার্সিটি থেকে এমবিএ করেছেন। আরেক ছেলে আমাতুল্লাহ সায়মিন এসএসসি ও এইচএসসি পাস করেছেন ইস্পাহানী স্কুল ও কলেজ থেকে। অনার্স করেছেন হোম ইকোনমিক্স কলেজ থেকে। একই কলেজে ফুড অ্যান্ড নিউট্রেশন বিষয়ে মাস্টার্সে অধ্যয়ন শেষ করেছেন। সেজো ছেলে হাসান মওদুদ রাইফেলস পাবলিক স্কুল ও কলেজ থেকে এসএসসি এবং এইচএসসি পাস করে মালয়েশিয়ার ইন্টারন্যাশনাল ইসলামিক ইউনিভার্সিটি উচ্চ শিক্ষা নিয়েছেন। মেয়ে আফতুল্লাহ লারদীন ইস্পাহানী গার্লস স্কুল ও কলেজ থেকে এসএসসি ও এইচএসসি পাস করে বর্তমানে একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যায়ন করছেন। ছোট মেয়ে আমাতুল্লাহ নাজনীন ইস্পাহানী গার্লস স্কুল ও কলেজে অধ্যয়ন শেষে একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় পড়ছেন।

মুহাম্মদ কামারুজ্জামান
(৫ ছেলে, ১ মেয়ে)
সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল, জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশ

১. হাসান ইকবাল ওয়ামী : এসএসসি ও এইচএসসি ন্যাশনাল ব্যাংক স্কুল ও কলেজ থেকে। ইসলামি ইউনিভার্সিটি থেকে মিডিয়া এন্ড ম্যাস কমিনিকেশনে অনার্স করেছেন, এখন মাস্টার্স এ অধ্যয়নরত।
২. হাসান ইকরাম : এসএসসি ও এইচএসসি ন্যাশনাল ব্যাংক স্কুল ও কলেজ থেকে, অনার্সে ভর্তির অপেক্ষায়।
৩. হাসান জামান : এসএসসি ও এইসএসসি ন্যাশনাল ব্যাংক স্কুল থেকে, অনার্স ফাইনাল ইয়ারে পড়ছেন মাল্টিমিডিয়া ইউনিভার্সিটিতে।
৪. হাসান ইমাম : এসএসসি ও এইচএসসি ন্যাশনাল ব্যাংক স্কুল অধ্যায়ন করে বর্তমানে ইন্ডিপেন্ডেন্ট ইউনিভার্সিটিতে বিবিএ অধ্যয়ন করছেন।
৫. আহম্মদ হাসান জামান : ও লেভেল পরীক্ষা দেবেন একাডেমিয়া ইংলিশ মিডিয়াম স্কুল থেকে।
৬. আতিয়া : মিরপুর লিটল ফ্লাওয়ার স্কুলে কেজি ক্লাসে পড়ছে।

শাহজাহান চৌধুরী (২ মেয়ে)
সাবেক সংসদ সদস্য, জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশ

১. তানজিলা আক্তার চৌধুরী : চট্টগ্রাম পাথরঘাটা গার্লস হাইস্কুল থেকে এসএসসি, চট্টগ্রাম কলেজ থেকে এইচএসসি এবং একই কলেজে অনার্স শেষ করে মাস্ট্রাসের শিক্ষার্থী।
২. শেরিফা আক্তার চৌধুরী : চট্টগ্রাম পাথরঘাটা গার্লস হাইস্কুল থেকে এসএসসি, চট্টগ্রাম কলেজ থেকে এইচএসসি এবং একই কলেজে অনার্সের শিক্ষার্থী।

মীর কাসেম আলী (২ ছেলে, ৩ মেয়ে)
সদস্য, কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটি, জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশ

১. মোহাম্মদ বিন কাসেম (সালমান) : আল মানারাত ইংরেজি মিডিয়াম থেকে এ লেভেল এবং ও লেভেল করেছেন। এরপর পাকিস্তান ডেন্টাল কলেজে পড়েছেন।
২. মীর আহমেদ বিন কাসেম (আরমান) : আল মানারাত থেকে এ লেভেল এবং ও লেভেল। এরপর লন্ডনে বার এট ল সম্পন্ন করেছেন।
৩. হাসিনা তাইয়্যেবা : অনার্স এবং মাস্টার্স করেছেন হোম ইকোনোমিক্স কলেজ থেকে।
৪. সুমাইয়া রাবেয়া: আল মানারাতে স্কুল ও কলেজ থেকে এ লেভেল এবং ও লেভেল সম্পন্ন করার পর আল মানারাত ইউনিভার্সিটিতে বিবিএ পড়ছেন ।
৫. তাহেরা হাসনিন : আল মানারাতে পড়ছেন।

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

৯ thoughts on “মুনাফেক জামায়াত নেতাদের সন্তানেরা মাদ্রাসায় পড়ে না

    1. সমাজে ধর্মের প্রভাব, উপস্থিতি
      সমাজে ধর্মের প্রভাব, উপস্থিতি একটি দার্শনি ও অর্থনৈতিক বাস্তবতা। একে বিলিন করে দিলেই যে প্রগতি এগিয়ে যাবে এটা ঠিক নয়। তাহলে মার্কিন বা ইউরোপে ধর্ম বিলিনের ডাক আসতো। যতদিন ব্যাক্তিগত সম্পত্তি থাকবে ততদিন ধর্ম থাকবে। কিন্তু প্রশ্নটা হলো, ধর্মকে যখন ব্যবসা পাতির হাতিয়ার করা হয় তখন।
      এই ব্যবসায়ী ধর্মের বিরোধীতা করতে হবে। লোকায়িত আচারি ধর্ম পালনে প্রগতির খুব সমস্যা হয় এটা মনে করি না।

  1. জামায়াত কখনই ইসলাম ধর্মের
    জামায়াত কখনই ইসলাম ধর্মের প্রতিনিধিত্ব করে নাই, করবেও না। এরা এদেশের অতি সাধারণ সরল ধর্মপ্রানদের আবেগ নিয়ে চতুরতার সাথে ব্যবসা করছে। এটা আজ পরিক্ষিত। তারা যদি ইসলামের খেদমতগার হয়ে থাকে তাহলে তাদের ছেলে মেয়েরা আধুনিক শিক্ষায় শিক্ষিত হচ্ছে কেন? তারা বিদেশে পড়া লেখা করছে কেন? তাদের পরিবারের একটা সন্তানকেও মাদ্রাসা শিক্ষায় শিক্ষিত করছে না কেন?

    1. কারণ তারা জানে যে, মাদ্রাসায়
      কারণ তারা জানে যে, মাদ্রাসায় পড়লে সমাজের জাতে উঠা যাবে না। মানে শ্রেণি প্রশ্নে এলিট হওয়া যাবে না। আর দরিদ্র মানুষ মাদ্রাসায় পড়ে জামাত নেতাদের দাস হবে। এই ফারাক শিবিরের তরুনদেরও বুঝতে হবে। কিন্তু শিবির এমন একটা ম্যাকানিজমে বেড়ে উঠে ও তাদের শিক্ষা দেয়া হয় যেখানে নেতার শ্রেণি চরিত্র, তার শিক্ষা দিক্ষা, তার এলিটিজম নিয়ে প্রশ্ন করার সুযোগ থাকে না

      1. মাদ্রাসায় পড়লে সমাজের জাতে

        মাদ্রাসায় পড়লে সমাজের জাতে উঠা যাবে না। মানে শ্রেণি প্রশ্নে এলিট হওয়া যাবে না। আর দরিদ্র মানুষ মাদ্রাসায় পড়ে জামাত নেতাদের দাস হবে।

        জামাত নেতাদের ছেলেমেয়েরা মাদ্রাসায় না পড়ার এটাই মুল কারণ।

  2. আমি আপনার সাথে একদম একমত
    আমি আপনার সাথে একদম একমত জামায়াতের উদ্দেশ্য ইসলাম প্রতিষ্ঠা নয় ধর্মকে পুঁজি করে নিজেদের স্বার্থ হাসিল করা।

  3. জামায়াত নেতাদের ছেলে-মেয়েরা
    জামায়াত নেতাদের ছেলে-মেয়েরা শুধু তথাকথিত অাধুনিক প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা নিয়েই তাদের শিক্ষা শেষ করে না, কোরান-হদিসের শিক্ষাও তারা সারা-জীবনভর নিতে থাকে, তারা কোনদিনই নাস্তিকদের মত অল্পবিদ্যা ভঙ্করি হয় না।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

69 − = 66