Posted in উৎসব ও দিবস ব্যক্তিগত কথাকাব্য সমসাময়িক

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এবং আমার প্রেমিকারা

বহুদিন আগে এক এলোমেলো চৈত্রের দুপুরে যখন শহরের সব পিচগলা পথে মহাসমারোহে নিজের উন্মত্ততা জানিয়ে দিচ্ছিল সূর্য, উত্তপ্ত নগরীতে পথিকেরা হারিয়ে ফেলতে চেয়েছিল পথিকেরা, থেমেছিল পাখিদের সব গান, তখন সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের ভেতরে দিয়ে হেঁটে হেঁটে এসে আমি মিশেছিলাম ইতিহাসের এই স্থিরচিত্রপটে। শাহবাগ থেকে টি এস সি কিংবা ভিসি চত্বর অথবা…

বিস্তারিত পড়ুন... ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এবং আমার প্রেমিকারা
Posted in ব্যক্তিগত কথাকাব্য

মেষপালকের দিনগুলি পর্ব-২

শহরের পুরোনো কোন এক পথ ধরে নেমে আসে বিমর্ষ এক সন্ধ্যা যেমনটা কোনো এক কালে নেমে এসেছিল প্রভাতের প্রথম আলো অথবা যে আলোর দেখা আমরা পাইনি এখনও কিংবা এই বিষণ্ণতায় হারাবার প্রায় সাথে সাথেই আমরাও হারিয়েছি যেসব আমাদের ছিল।

বিস্তারিত পড়ুন... মেষপালকের দিনগুলি পর্ব-২
Posted in ব্যক্তিগত কথাকাব্য

মেষপালকের দিনগুলি পর্ব-১

অপেক্ষায় আমাদের শরীরে পচন ধরে, দগদগে ঘা থেকে পুঁজ বেড়িয়ে আসে কিংবা ফিনকির মত রক্তস্রোতধারা এবং আমরা ভাবি প্রত্যাবর্তনের কথা যদিও আমরা জানি এ শহরে তোমার কিংবা তোমাদের প্রত্যাবর্তন কেবল তোমাদের ইচ্ছাতেই হয় যেমনটা হয়েছিল সুপ্রাচীন রূপকথার গল্পে।

বিস্তারিত পড়ুন... মেষপালকের দিনগুলি পর্ব-১
Posted in অনুগল্প গল্প সাহিত্য

অপরাহ্ন

মাঘের শেষের এমন রৌদ্রজ্জ্বল সকালের গভীর আনন্দানুভূতি এবং হরেন সরকারের মানবিক অবস্থার পারস্পরিক সম্পর্কের দ্বিধা-দন্দে কিছুক্ষণের জন্য গাঢ় নিরবতা নেমে আসে ধামরাইয়ের অদূরে রঘুনাথপুরের মিয়াবাড়ির পেছনের সমস্ত প্রকৃতিতে। কিছুক্ষণ আগেও সে পাখির শব্দ আর মৃদু উত্তরীয় হাওয়ায় এক অদ্ভুত সুরের উদ্ভব হয়েছিল তা নেমে যায় এক আশ্চর্য নিরবতায়। এতকিছুর পরে…

বিস্তারিত পড়ুন... অপরাহ্ন
Posted in গল্প সমসাময়িক সাহিত্য

যে রোদে সব পুড়ে যায় (২য় পর্ব)

সাত-পাঁচ ভেবে পায়ে হেঁটেই যেতে হয়। শহরের শেষ মাথাগুলো খুব সম্ভবত এরকম আবর্জনার স্তূপই হয় সবসময়। মধ্যবিত্ত সমাজের এই একটা ব্যাপার খুব ভালো মনে হয়। এর গিরিগিটীর মতো রঙ পাল্টাতে বেশ পটু। প্রচণ্ড রোদে কাউকে আর রাস্তায় ভণিতা করতে হচ্ছেনা। নির্বিকারে পচা-গলা মাড়িয়ে যাওয়া যাচ্ছে, নয়তো নাক সিটকানোর একটা অভিনয়ের…

বিস্তারিত পড়ুন... যে রোদে সব পুড়ে যায় (২য় পর্ব)
Posted in গল্প ব্যক্তিগত কথাকাব্য সাহিত্য

যে রোদে সব পুড়ে যায়

শরতের আকাশ এমন হবার কথা ছিলোনা। গাঢ় নীল রঙের আকাশে কোথাও মেঘের ছিটেফোটাও নেই। চারপাশ ফুঁড়ে হাপরের মতো আগুনজ্বলা উন্মত্ত গরম বাতাস। যেন এক ক্লান্ত বৃদ্ধ শরীরে আগুন নিয়ে মৃদু পায়ে হেঁটে হেঁটে ছড়িয়ে দিচ্ছে সবখানে। ছয় তলা থেকে নামতে নামতেই ভেতর থেকে হৃৎপিণ্ড বের হয়ে যেতে চাইছে। কলাপসিবল গেইট…

বিস্তারিত পড়ুন... যে রোদে সব পুড়ে যায়
Posted in অনুগল্প সমসাময়িক

ছাতা

আজকাল আকাশের মনের ভাব বোঝা বেশ মুশকিল। এই মাথার পোকা নাড়িয়ে দেয়া রোদ তো এই প্যাচপ্যাচে বৃষ্টি। অবশ্য তাতে গরমের কমতি নেই। বৃষ্টি ভেজা শরীরে প্রাগৈতিহাসিক ঘামের গন্ধ এপাশ ওপাশ নাড়িয়ে চলে যায়। কার শরীর থেকে গন্ধ আসে সেটা বোঝা যায়না। অপেক্ষাকৃত আধুনিক তরুণী পার্স থেকে বের করে পারফিউমটা একটু…

বিস্তারিত পড়ুন... ছাতা
Posted in অনুগল্প ব্যক্তিগত কথাকাব্য সমসাময়িক

আমার বাবা

আজকাল শুনি সবার বাবা তাদের খুব ভালো বন্ধু ছিলেন কিংবা এখনও আছেন। আমার কিংবা আমার চারপাশের সমস্ত বাবারা অবশ্য তাদের সন্তানের বন্ধু ছিলেন না। আমার বাবার কথা আমার মনে পড়ে। বাবা আমার কাছে ছিল মুর্তিমান আতংক। আমাদের পরিবারে মা আমাদের একমাত্র আপনজন। বাবার আবির্ভাব ঘটত সন্ধ্যার পর। তারপর থেকে পুরো…

বিস্তারিত পড়ুন... আমার বাবা
Posted in উপন্যাস গল্প সাহিত্য

পরিত্যাক্ত সন্ধ্যা

আমার নাম ইতু। নামটা আমার অনেক পছন্দ। কিন্তু নামটা আমার বাবা রাখেনি। এমনকি আমার মাও রাখেনি। নামটা রেখেছি আমি। বাবা আমার নাম রেখেছিলেন পরী। আমি ছোটবেলায় দেখতে অনেক সুন্দর ছিলাম, অবশ্য এখনও আছি। তাই আমার বাবা আমার নাম রেখেছিলেন পরী। ছোটবেলায় আমাকে কেউ পরী বলে ডাকলে আমার খুব ভালো লাগত।…

বিস্তারিত পড়ুন... পরিত্যাক্ত সন্ধ্যা
Posted in মুক্তচিন্তা শোকগাঁথা সমসাময়িক

সাবিরাদের জন্য ভালোবাসা

ক্লাস নাইনে আমি একটা কোচিং এ ভর্তি হয়েছিলাম। তাও বাবা মায়ের চাপে। তারপর কোন এক শুক্রবারে মান্থলি টেস্ট দিতে গিয়ে পরিচয় হয়েছিল একটা মেয়ের সাথে। আমার সহপাঠী, নিশাত। আমার জীবনের প্রথম মেয়ে বন্ধু, নিশাত। অসম্ভব সুন্দর আর নিষ্পাপ একটা মেয়ে। আমাকে দেখলেই কোমরে হাত দিয়ে বলতো, “দেখতো, আমি কি একটুও…

বিস্তারিত পড়ুন... সাবিরাদের জন্য ভালোবাসা