Posted in অনুগল্প

অণুগল্প

শীতল শালবনের মতো, খুন, আলসেমি, বাস্তুচ্যুত

বিস্তারিত পড়ুন... অণুগল্প
Posted in সাহিত্য

সাঁতারু ও জলকন্যা- শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

ভাবলাম ক্লাসিক বাংলা বই দিয়েই রিভিউ লিখব। রিসেন্টলি দুটো পড়া বই শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায় এর “সাঁতারু ও জলকন্যা।” আর মৈত্রিয়ী দেবীর “ন হন্যতে।” আমি রিভিউ লিখলে স্পয়লার হয়ে যাওয়ার চান্স থাকেই না গ্যারান্টি দিচ্ছি। তাই পড়েই ফেলুন। সাঁতারু ও জলকন্যা’ বইয়ের ফ্ল্যাপ কথাঃ এক ছিল সাঁতারু। ছোট্টবেলা থেকে জল তার প্রিয়।…

বিস্তারিত পড়ুন... সাঁতারু ও জলকন্যা- শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
Posted in সাহিত্য

ন হন্যতে মৈত্রেয়ী দেবী

বুক রিভিউ না বলে বলছি কেন পড়বেন “ন হন্যতে।” মৈত্রেয়ী দেবী যাকে সবসময় পরিচয় করিয়ে দেওয়া হয় বিখ্যাত দার্শনিক সুরেন্দ্রনাথ দাশগুপ্তের কন্যা, রবীন্দ্রনাথের ভাবশিষ্য আর স্নেহে লালিত (protégée) আবার তিনি পরিচিতও হন মির্চা ইলিয়াড (ইউক্লিড) নামের বিখ্যাত রোমানিয়ান দার্শনিক এর “লা নুই বেঙ্গলী” উপন্যাসের নায়িকা হিসেবে। The Bengali Nights নামে…

বিস্তারিত পড়ুন... ন হন্যতে মৈত্রেয়ী দেবী
Posted in অধিকার রিভিউ

বিকেলের সাথে রাতের সন্ধিপত্র (তিনশ ফিট রোড ধরে রূপগঞ্জ)

শুক্রবার। সপ্তাহান্ত বলে হয়তো প্রাতঃরাশ বিসর্জন দিয়ে দুপুরের কিছু আগে ঘুম ভাঙলেও আফসোস করলাম না। দুপুরে খেয়ে কয়েকটা প্রশ্নপত্র রেডি করতে হলো বনানীতে ছাত্রের গণিতের অগ্নিপরীক্ষা নেওয়ার পণ করে। যাই হোক, বনানী সৈনিক ক্লাব থেকেই বাসে ওঠার মতো ধৈর্য্য আমার সবসময় আছে। কাকলী ফ্লাইওভারের নিচে সন্ধ্যার আগের অনভিপ্রেত ঘটনাগুলোর পুনারাবৃত্তি…

বিস্তারিত পড়ুন... বিকেলের সাথে রাতের সন্ধিপত্র (তিনশ ফিট রোড ধরে রূপগঞ্জ)
Posted in গল্প

পথের সাথীকে চিনে নিও

পথের সাথীকে চিনে নিও “শোন এখন আমাদের হাতে দু’টো পথ খোলা”, এটা বলে অয়নের হাতে নিজের আধ-খাওয়া সিগারেটটা দিল সায়েমা। সায়েমা রাকিবকে আরো সাবধান করে দিতে ভুললো না, “পুরোটা শেষ করিস না। শেষ টানটা আমি দেব।” রাকিব সুযোগ পেলে ছাড়ে না, বলেই দিলো, “দেব দেব শুধু শেষ টান না, আমাকেও…

বিস্তারিত পড়ুন... পথের সাথীকে চিনে নিও
Posted in গল্প

পাগলী

এই শহরের ভদ্রলোকদের অধিকাংশই নয়টা পাঁচটার চাকরি করে। কিন্তু ইসমাইল সাহেবের কাজ শুরু হয় ভোরে সূর্য উঠার আগ থেকেই, আর শেষ হয় শহরে মধ্যবয়স্কপুরুষরা যখন সুখনিদ্রায় যাওয়ার সমস্ত প্রস্তুতি শেষ করে তখন। তখনো তিনি বাসন কোসন মাজেন। পাঁচটা বাজার সাথে সাথে অফিস থেকে বের হয়ে পড়েন। ঢাকা শহরের যানজট ছাড়া…

বিস্তারিত পড়ুন... পাগলী
Posted in অনুগল্প

ত্রয়ী

সকাল সবসময় স্নিগ্ধ। বেলকনি দিয়ে সোজা আলো এসে পড়ছে সিনথিয়ার বিছানায়। সিনথিয়া এই সময়টা খুব প্রিয়। প্রিয় না হওয়ারই বা কোনো কারণ আছে কি? সে ভেবে কূল পায় না। আলো এসে সোজা তার মুখের উপর পড়ে। আর এই মিষ্টি আলোর জন্যেই হয়তো লোকে সকালের ঘুম ভাঙানোর অপরাধ মার্জনা করে দেয়…

বিস্তারিত পড়ুন... ত্রয়ী
Posted in সাহিত্য

সে একা ছিলো না

সে একা ছিলো না নতুন কালোরঙা ব্লেজারটা গায়ে দিয়েই বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনাল (bup) এর দিকে রওনা দিলাম। ভাইবা দিতে। যদিও ভাইবা দেওয়া আজকাল আমার কাছে খাওয়াপড়ার মতোই স্বাভাবিক ঘটনা। তাই বেশ ফুরফুরেই ছিলাম। টাই পরায় তেমন নিপুণ হয়ে উঠতে পারি নি তখনো। সবসময় ভয়ে ছিলাম “সানডে মানডে ” হয়ে…

বিস্তারিত পড়ুন... সে একা ছিলো না
Posted in ব্যক্তিগত কথাকাব্য

যেথায় আমার নেই আমন্ত্রণ

যেথায় আমার নেই আমন্ত্রণ দীপাকে প্রথম বারের মতোই কোনো নাটক এর মঞ্চ সাজানোর দায়িত্ব দিলাম। তাও যেনতেন না! রবীন্দ্রনাথ এর “পোস্টমাস্টার”।এখন রাত বারোটা! দীপার ফোন পেয়েই ছুটে গেলাম! ওপাশ থেকেই দীপা, “জান, হারিকেন টা কোথায় রাখব? কর্ণারে ঝুলিয়ে?”সে হয়তো মঞ্চ এর কোথায় কি করবে তার নকশা তৈরি করছে।আমিও চাই সে…

বিস্তারিত পড়ুন... যেথায় আমার নেই আমন্ত্রণ
Posted in অনুগল্প

অনন্তকাল অপেক্ষা

প্রতিদিন বিকেল পাঁচটায় ভার্সিটির (bup) এর ক্লাস শেষ হয়। সবাই দৌঁড়ে দৌঁড়ে বাসে ওঠে সীট যাতে না হারায়। আর সবচেয়ে ব্যতিক্রম ছেলেটি রাফি। বাসের সামনে দাঁড়িয়ে থাকবে যতক্ষণ না পর্যন্ত বাস না ছাড়ে। তাকে এডভ্যান্সার প্রিয় বলা যায় না মোটেও কারণ সে যথেস্ট পরিমাণ ভীতু, এতই ভীতু যে ছয় মাস…

বিস্তারিত পড়ুন... অনন্তকাল অপেক্ষা