লৌকিক লোকলীলা (উপন্যাস: পর্ব-দশ)

Posted in উপন্যাস

পাঁচ বেশ কিছুক্ষণ দৌড়নোর পর পাকা রাস্তার কাছাকাছি এসে আবার হাঁটতে থাকে ওরা তিনজন, ওদের ডানদিকে গাছপালা-ঝোপঝাড়ের পরেই চন্দনা নদী, বামদিকে রাস্তার পাশে যাদবপুর কালী মন্দির, মন্দির চত্ত্বরে বিশাল অশ্বত্থগাছ। পাকা রাস্তাটি চন্দনা নদীর ওপরের ব্রিজ থেকে শুরু হয়ে ঈষৎ দক্ষিণে বেঁকে মন্দিরের পিছন দিয়ে চলে গেছে পশ্চিমদিকে গ্রামের ভেতর…

বিস্তারিত পড়ুন...

লৌকিক লোকলীলা (উপন্যাস: পর্ব-নয়)

Posted in উপন্যাস

বন্ধুর মুখে সব শুনে ব্যথিত হন তেজরাজ, কিন্তু এত সহজে দমে যাবার পাত্র তিনি নন, আখড়ায় আসা তিনি বন্ধ করেন না, বরং একদিন সরাসরি কথা বলেন দেবী বৈষ্ণবীর সঙ্গে, তাতেও দেবী বৈষ্ণবীর মন গলে না। শেষে তেজরাজ একদিন দুপুরবেলা দীনবন্ধু গোঁসাইকে ধরেন, ‘আমি আপনার কাছে দেবীকে ভিক্ষে চাই, দেবীকে আমি…

বিস্তারিত পড়ুন...

লৌকিক লোকলীলা (উপন্যাস: পর্ব-আট)

Posted in উপন্যাস

চার রাস্তার দু-পাশে বড় বড় গাছ আর কিছু দূর পর পর গৃহস্থবাড়ি, অন্ধকারে ওরা দ্রুত পা চালায়। স’মিলের শ্রমিক সাধনের বাড়ির পিছন দিয়ে যাবার সময় ওদের কানে ভেসে আসে নারী কণ্ঠের শীৎকার-‘আহ…, উহ…, ইস…!’ ওরা বুঝতে পারে যে সাধন আর সাধনের স্ত্রী এখন সঙ্গমে রত। ওদের পায়ের গতি থমকে যায়…

বিস্তারিত পড়ুন...

লৌকিক লোকলীলা (উপন্যাস: পর্ব-সাত)

Posted in উপন্যাস

সোনার বালাজোড়া খুঁজে না পেয়ে একসময় রণে ভঙ্গ দেন যতীন ডুবুরি, আর তার অভিজ্ঞতা থেকে এই সিদ্ধান্ত দেন যে বালাজোড়া নদীতে পড়েনি, নদীতে পড়লে তিনি পেতেনই। অভিজ্ঞ যতীন ডুবুরির এই সিদ্ধান্তের পর পার্বতীর আগে কে কে এই ঘাটে স্নান করে গেছে চলে সেই খোঁজ, একজন জানায় যে সে পাড়ার অকাল…

বিস্তারিত পড়ুন...

লৌকিক লোকলীলা (উপন্যাস: পর্ব-ছয়)

Posted in উপন্যাস

তিন অতুলদের বাড়ি অতিক্রম করে কিছুদূর এগিয়ে ওরা ডানদিকের একটা সরু পথ ধরে, পথের ডান দিকে একটা পুরোনো পোড়ো বাড়ি, লোকে বলে জজবাড়ি, বাড়িটার দেয়ালের নানা জায়গা থেকে ইট খসে পড়েছে, দেয়াল ফুঁড়ে বট-অশ্বত্থ গাছ বেড়িয়েছে আর বেয়ে উঠেছে লতা-পাতা, কক্ষগুলোর ভেতরে ময়লা-আবর্জনা। জজ-পরিবার তাদের এই বাড়ি এবং অন্যান্য সম্পত্তি…

বিস্তারিত পড়ুন...

লৌকিক লোকলীলা (উপন্যাস: পর্ব-পাঁচ)

Posted in উপন্যাস

ওরা তিনজন যখন রাস্তার পাশের পুরোনো দিনের ওয়াল করা ঘরটার খুব কাছে এসে পড়ে তখন অতুলের একদা চর্চিত সুরেলা গলার গান থেমে যায়, আর যাত্রার সংলাপ বলার ঢঙে আবেগঘন কণ্ঠে বলতে থাকে, ‘রাধা, রাধা, রাধা; দুঃখিনী রাধা, অভাগিনী রাধা, বিরহিণী রাধা…!’ অতুলের ঘরের রাস্তার দিকের জানালাটা খোলা, জানালা বরাবর এসে…

বিস্তারিত পড়ুন...

লৌকিক লোকলীলা (উপন্যাস: পর্ব-চার)

Posted in উপন্যাস

দুই বাঁশঝাড়ের নিচ দিয়ে যাবার সময় ওরা তিনজন প্রায় কেউ কারো শরীর দেখতে পায় না, এমন জমাট অন্ধকার! ইট বিছানো রাস্তার দু-পাশের কয়েক একর জমি জুড়ে বাঁশঝাড়, দু-পাশের ঝাড়ের বাঁশ রাস্তার দিকে ঝুঁকে দো-চালা ঘরের মতো গাঢ় ছায়া করে রেখেছে। এখানে দিনের বেলাতেই সূর্যের মুখ দেখা যায় না, রাতের বেলা…

বিস্তারিত পড়ুন...

লৌকিক লোকলীলা (উপন্যাস: পর্ব-তিন)

Posted in উপন্যাস

মাঠের শেষ প্রান্তের আলপথ ছেড়ে ওরা একটা পুকুরের পাড়ে উঠে পূর্বদিকে এগোয়, পরিমল অতিক্রম করে গেলেও কড়ইগাছের তলায় বাঁশের চটার বেড়া দিয়ে ঘেরা একটা কবরের পাশে হঠাৎ দাঁড়ায় অমল। বিলাসও থমকে দাঁড়ায়, বলে, ‘এইডে মহি মৌয়ালের কবর।’ অমল লেখাপড়ার জন্য যখন ঢাকায় ছিল, তখন মহি মৌয়াল মারা যান, বিলাসের ধারণা…

বিস্তারিত পড়ুন...

লৌকিক লোকলীলা (উপন্যাস: পর্ব-দুই)

Posted in উপন্যাস

পরিমল, অমল, বিলাস আর আশালতা একই ক্লাসে পড়ত এবং একই গ্রামে ওদের বাড়ি। পরিমলদের তিনজনের অমলিন শৈশবের অনাবিল আনন্দের নাম আশালতা, কৈশোরের স্বপ্ন-আকাঙ্ক্ষা আর গোপন সুখের নাম আশালতা, যৌবন-তারুণ্যের অকৃত্রিম সুহৃদের নাম আশালতা। ক্লাস টেনে উঠে পরিমল প্রথম অনুভব করে যে সে আশালতাকে ভালবেসে ফেলেছে। স্কুলে খুব চঞ্চল ছিল আশালতা;…

বিস্তারিত পড়ুন...

লৌকিক লোকলীলা (উপন্যাস: পর্ব-এক)

Posted in উপন্যাস

এক জয়ন্ত ফেরিওয়ালার হাতুরির ঘায়ে তোবড়ানো পুরোনো-ভাঙারি সিলভারের গামলার মতো আধখানা চাঁদ আকাশে থাকলেও মধ্যবয়সী গৃহিনী অম্বিকার ধান সিদ্ধ করা জ্বলন্ত উনুন থেকে উদ্গত কালো ধোঁয়ার মতো মেঘের আড়ালে তা কিছুটা নিষ্প্রভ, তার ওপর লোডশেডিং এর কারণে আশপাশের গৃহস্থবাড়ির বৈদ্যুতিক বাতি বন্ধ থাকায় এবং দু-পাশের বাড়ি লাগোয়া জমিতে গৃহস্থরা বাগান…

বিস্তারিত পড়ুন...