Posted in অনুগল্প

অনুগল্প ৩

-কতক্ষণ চেঁচাচ্ছি শুনছ না? খ্যাঁকখ্যাঁক করে উঠেন রিকু সাহা। তার মেজাজ আজ বড্ড চড়া। এই বৌ আর সংসার নিয়ে তিনি অতিষ্ঠ। কতবার ভাবেন এইসব ছেড়েছুড়ে পরবাসী হয়ে যাবেন। কিন্তু তা আর হয়ে উঠেনা। মানুষ তার ইচ্ছে পূরণে ভগবানের জিম্মি। -কইলাম তো আজ ঘরে কিচ্ছু নেই! যা ইচ্ছে ব্যাগ ভরে নিয়ে…

বিস্তারিত পড়ুন... অনুগল্প ৩
Posted in কবিতা

তোমারে বলা হয়নি।

আমার মনখারাপ করা প্রহর। বিকেলের গোধূলিতে মেশানো বিষণ্ণতা। তোমার চুমুকে চুমুকে গিলে ফেলা তরলের গেলাসের তলানিতে গোলাপি জল। তোমার ঠোট বাঁকানো মুখভঙ্গি। আর একটুকরো জিজ্ঞাসা। আমি চাইনি এটুকেই ফুরাক সবকিছু। আমি ভাবিনি মুহূর্তকাল আমারে থামায়ে রাখবে। আমি চেয়েছিলাম আরেকটু মমতার বাঁধন। আর গেলাসের খানিক তরল। আমি চেয়েছিলাম সোডিয়ামের রাজপথে তোমায়…

বিস্তারিত পড়ুন... তোমারে বলা হয়নি।
Posted in গল্প

অসমাপ্ত ছবি

কিটি তার হাত ঘড়িতে সময় দেখলো। চারটা বেজে সাত।বিকেল হচ্ছে কেবল। এই সময়টায় এদিকটা ফাঁকাই থাকে।রোজ রোজ ঘরে ফেরার জন্য অপেক্ষা করতে হয় বলে এখানটা কিটির আপন হয়ে গেছে।ঘরে ফেরার পথে পানির পিয়াস পায় কিটির।অফিস থেকে জল খেয়ে বেরুলে ও সে ঘটনার পুনরাবৃত্তি হবেই।রোজকার মতো ভাঙা ট্রামটা হেলে দুলে এসে…

বিস্তারিত পড়ুন... অসমাপ্ত ছবি
Posted in সমসাময়িক

একজন সু চি-র শান্তিকামনা

একটি দেশ। সুন্দর এবং গোছানো ভাবধারার মানুষেরা সে দেশে বাস করেন। দেশের ছোট্ট এক কিশোরী মানুষকে ভালোবাসে। সে মানুষের উপকারের কথা ভাবে। সে এই পৃথিবী এবং তার চারপাশের সব কিছুতে মুগ্ধ। কিশোরী বড় হয় এবং যৌবন পেরিয়ে পূর্ণতায় পৌঁছায়। সে গণতন্ত্র আর মানবতাবাদ নিয়ে কাজ করতে শুরু করে। এই পৃথিবীতে…

বিস্তারিত পড়ুন... একজন সু চি-র শান্তিকামনা
Posted in সমসাময়িক

দৃষ্টিভঙ্গি এবং অন্যান্য

আমি আপনি না বদলালে সমাজ আমাদের বদলে দিতে পারবে না।কতদিন নিজেদের পক্ষে সাফাই গাইবেন?একচোখা বিশ্বাস নিয়ে বেঁচে থাকতে চাইবেন? আপনার ভেতরকার পশু স্বত্বা কখনো বদলাবে না,যদি না আপনি নিজের মানসিকতা বদলাতে পারেন।আপনি হয়তো বা একজন সুশীল শ্রেণীর মানুষ।সমাজে আপনি ভালোমানুষ বলেই পরিচিত। কিন্তু আপনি কথা বলার সময় মুখ সামলাতে পারেন…

বিস্তারিত পড়ুন... দৃষ্টিভঙ্গি এবং অন্যান্য
Posted in অনুগল্প

অনুগল্প ২

ফরহাদ মিয়া পেঁয়াজ কাটতে কাটতে চোখ ডলে। উত্তরের জানলায় উথালপাতাল বাতাস। মাছভাজার বিজবিজ শব্দ হয়।শুনশান নীরব চারপাশ। ময়না গতবার বাড়ি থেকে ফেরার সময় বলছিল, “আপনার একটু ও খারাপ লাগেনা? আমারে নিয়া গেলেই তো পারেন। কি পুরুষ আমার!” ফরহাদ মিয়া হেঁসে বলেছিল, “তোমারে নিয়া গেলে রাখুম কই কওতো? আমার তো সাধ্যি…

বিস্তারিত পড়ুন... অনুগল্প ২
Posted in অনুগল্প

অনুগল্প ১

একলা থাকতে থাকতে রাতুলের হাঁপ ধরে যায়। না মানুষ না কাকপক্ষী। কথা বলার মত কেউ নেই। রাতুল এখন নিজে নিজের সাথে গল্প করে। একমনে কথা বলে যায়। পাছে না আবার কথা বলতে ভুলে যায়, সে ভয়। … সকালে বাবা বেরিয়ে যান। রাতুল আড়মোড়া ভাঙে।শিথানের পাশে কাঁচের জানলা। কার্নিশটায় রোদ পড়ে…

বিস্তারিত পড়ুন... অনুগল্প ১