ভাড়াটে

Posted in গল্প ব্যক্তিগত কথাকাব্য শোকগাঁথা

তখন আমি কলেজে পড়ি। বরিশাল শহরে থাকতাম নিজ বাড়িতে। আমি যে দোতলা পাকা বাড়িতে থাকতাম, সে বাড়িটা ছাড়াও আলাদা ১০-টা ঘর ছিল আমাদের টিনের। তা ভাড়া দিতাম মাসে ৬০০-টাকা করে। দশ ঘরে ছ’হাজার টাকা পেতাম মাসে। প্রতিমাসে ভাড়া তুলতাম আমি। তা থেকে নিজের খরচ বাদ দিয়ে বাকি টাকা মায়ের কাছে…

বিস্তারিত পড়ুন...

পেশাদারিত্ব এবং ……!

Posted in গল্প ঝালমুড়ি ব্যক্তিগত কথাকাব্য স্যাটায়ার

জীবনে সপ্তপদি পেশাতে নিয়োজিত ছিলাম আমি। যখন যে পেশায় যুক্ত হলাম তখন মনেপ্রাণে চাইতাম নিজের বেসাতি বাড়াতে। গ্রাম্য ডাক্তারের পেশা গ্রহণের পর মনেপ্রাণে চাইতাম কলেরা লেগে যেন গ্রামছে গ্রাম সাফ হয়ে যায়। যাতে হাজারো রোগীর মাঝে নিজের রমরমা ব্যবসা পরিচালনা করতে পারি আমি। একবার চৈত্রমাসে গ্রামে মহামারী আকারে কলেরা লাগলে,…

বিস্তারিত পড়ুন...

হিরোইনের খোঁজে!

Posted in গল্প ঝালমুড়ি ব্যক্তিগত কথাকাব্য

ঢাকাইয়া সিনেমার পোকা আমি। যখনই নতুন কোন ছবি রিলিজ হয়, তা মিস করিনা কখনো। কোন রকমে ১০/১২ টাকা জোগার হলেই কমদামি টিকেট কিনে সিনেমার একদম সামনের সিটে বসে মুভি দেখি আমি। বিশেষ করে রিক্সাওয়ালার সাথে বড়লোকের মেয়ের প্রেম জাতীয় মুভি খুব পছন্দ আমার। ছবি দেখতে দেখতে নিজেকে ঢাকাই ছবির হিরো…

বিস্তারিত পড়ুন...

ঈশ্বরের কাছে এক বরপুত্রের প্রার্থনা !

Posted in গল্প ব্যক্তিগত কথাকাব্য শোকগাঁথা

আমি যেদিন থেকে স্বর্গদূতের দায়িত্বপ্রাপ্ত হয়েছিলাম, সেদিন থেকেই মনটা ভাল ছিলনা আমার। কারণ আমাকে মানুষের প্রাকমৃত্যু দূত হিসেবে কর্মপ্রদান করা হয়েছিল। মানে পৃথিবীর সকল মানুষের মৃত্যুর প্রাকমূহূর্তে আমাকে উপস্থিত হতে হয় ঘটনাস্থলে। মৃত্যু যদিও খুব বেদনাদায়ক, কিন্তু পৃথিবীর কোটি কোটি শিশু, যুবক, বৃদ্ধের মৃত্যু দেখতে দেখতে অভ্যস্থ হয়ে গিয়েছিলাম আমি।…

বিস্তারিত পড়ুন...

কাবা বিষয়ক একটা জটিল প্রশ্ন

Posted in ধর্ম-অধর্ম ব্যক্তিগত কথাকাব্য মুক্তচিন্তা

খৃস্টান আবরাহা বাদশা যখন ৫৭০ খৃস্টাব্দে কাবাঘরে ৩৬০-টি মূর্তিপুজার বদলে একেশ্বরবাদী খৃস্টান ধর্মের পক্ষে কাবাঘর ভাঙতে এলো, যখন আবাবিল পাখি দিয়ে আল্লাহ একেশ্বরবাদী আবরাহাকে ধ্বংস করে দিলেন, ৩৬০-টি মূর্তিসহ কাবাঘরকে রক্ষা করলেন। মূর্তিগুলো কিন্তু ধ্বংস করলেন না!   অপর দিকে ১৯৭৯ সনে সৌদি জোহাইমান আল ওতাইবি, আল-কাহাতানি ও তার লোকজন…

বিস্তারিত পড়ুন...

ভোররাতের স্বপ্ন (শেষ পর্ব)

Posted in গল্প ব্যক্তিগত কথাকাব্য শোকগাঁথা স্যাটায়ার

সারারাত ধরে একটা একটা করে স্বর্ণ বার আনলাম মুখে করে। এভাবে অনেকগুলো টুকরা এনে জড় করলাম মিতালীর সামনে। দুকেজির মত স্বর্ণবার আনতে ভোর হয়ে গেলো। সকাল নটা বাজতে খুব অল্পই বাকি। লোকজন ঢুকবে এখনই। বারগুলোসহ মিতালী আর আমি ঢুকে পড়লাম আবার ওপর তলার টয়লেটে। মিতালী তার ভ্যানিটি ব্যাগে ভরে নিয়েছে…

বিস্তারিত পড়ুন...

ভোররাতের স্বপ্ন (পর্ব-১)

Posted in গল্প ব্যক্তিগত কথাকাব্য ভ্রমণ কাহিনী স্যাটায়ার

ফিজি থেকে ১০৫০ কিমি দক্ষিণে অবস্থিত টুভালুতে ঘুরতে গিয়েছিলাম ২০০৪ সনে। প্রধান শহর ফুনাফুতিতে দুদিন কাটিয়ে লোকাল বোটে উঠে বসলাম নুকুলুলু যেতে। এটা মূল ভূখন্ড থেকে প্রায় ৩০০-কিমি দূরে। ফুনাফুতির লোকাল মাঝিরা সপ্তাহে দুবার যায় নুকুলুলুতে। মানুষ ছাড়াও মালপত্র বহন করে তারা। প্রশাস্ত মহাসাগরের স্বচ্ছ জল কেটে সাদা ফেনা তুলে…

বিস্তারিত পড়ুন...

চন্দ্রিমার কান্না

Posted in গল্প ব্যক্তিগত কথাকাব্য শোকগাঁথা

হাওড়া বাগবাজার ফেরিঘাটে বসেছিলাম মিনিট দশেক। ফেরি ঘাটে আসতেই হুড়মুড় করে সবাই উঠে বসলো ফেরিতে। সবার ওঠা শেষ হলে আস্তে আস্তে উঠলাম আমিও। এক কোণায় বসে একটা পত্রিকার পাতা ওল্টাচ্ছিলাম। তখনই চন্দ্রিমার দিকে চোখ পড়লো আমার। চন্দ্রিমার দিকে চেয়ে রইলাম অনেকক্ষণ! একি চন্দ্রিমা নাকি অন্য কোন নারী। ‘এক্সিউজ মি’ বলতেই…

বিস্তারিত পড়ুন...

গোপন মধুচন্দ্রিমা!

Posted in গল্প ব্যক্তিগত কথাকাব্য শোকগাঁথা

কিশোরি চন্দ্রিমার বাড়ি ছিল আমাদের বাড়ির দক্ষিণে একদম বিলের কিনারে। ওর বাবা ছিল পেশায় ধোপা। বাজারে লন্ড্রি চালাতো ওর বাবা আর ভাই। দরিদ্র পরিমল ধোপীর মেয়ে হলেও চন্দ্রিমা ছিল চাঁদের মত মারাত্মক সুন্দরী। আমাদের স্কুলে যে সকল মেয়েরা পড়তো সম্ভবত তাদের সবার মধ্যে চন্দ্রিমা ছিল সবচেয়ে রূপসী। ওর গায়ের রঙ…

বিস্তারিত পড়ুন...

গরিবের প্রতিশোধ স্টাইল (পর্ব-৩) শেষ পর্ব

Posted in গল্প ব্যক্তিগত কথাকাব্য শোকগাঁথা

  ছোট পশুর নদীর তীরে দুটো কুমির বালির গর্তের ওপর বসে আছে অনেকক্ষণ। ভালভাবে নিরীক্ষণ করে বুঝলাম ওরা ডিম পারছে বালির গর্তে। একটা জালের ফাঁদে পাকড়াও করলাম। বাকিটা তেড়ে আসলো আামার দিকে। দৌড়ে একটা বাঁকা বৃক্ষে উঠলাম। তা দেখে আবার ডিমের স্থলে গেল মুক্ত কুমীরটি। এবার গাছ থেকে বল্লম খাড়া…

বিস্তারিত পড়ুন...