লতা এবং ভালবাসার বৃক্ষ (পর্ব : ৩)

Posted in গল্প ব্যক্তিগত কথাকাব্য শোকগাঁথা

লতার বাবার সাথে আবার আলাপ করি ফোনে বেশ কবার। সব শুনে সে জানায় – যে ধান ক্ষেত দিয়ে লতা বাংলাদেশে ঢুকেছিল, সেখানে লতা এলে উনিও ঐ জমিতে এগিয়ে যাবেন মেয়েকে আনতে। গুলি খেলে বাবা-মেয়ে দুজনেই খাবেন। আমার পাসপোর্টে ভারতীয় ভিসা লাগানোই ছিল। তাই লতাকে বুড়িমারী তথা চ্যাংড়াবান্দা বর্ডারে পৌঁছাতে লালমনিরহাট…

বিস্তারিত পড়ুন...

লতা এবং ভালবাসার বৃক্ষ (পর্ব : ২)

Posted in গল্প ব্যক্তিগত কথাকাব্য শোকগাঁথা

মা থাকলে এক ফোটাও চিন্তা করতাম না আমি। মা সব ব্যাপারে তড়িৎ ফয়সালা দিতো আমায়। কিন্তু এখন মা নেই, তাই হেড টিচার বোনকে ডেকে আনি নিজ বাড়িতে। তাকে খুলে বলি সব বৃত্তান্ত। সেও টেনশনে পড়ে ঘটনা শুনে। আপাতত বোনের ঘরে রাখতে বলি লতাকে। আর লতাকে বলে দেই, সে যেন কাউকে…

বিস্তারিত পড়ুন...

লতা এবং ভালবাসার বৃক্ষ (পর্ব : ১)

Posted in গল্প ব্যক্তিগত কথাকাব্য শোকগাঁথা

ঢাকা থেকে রাঙাবালিগামী লঞ্চের প্রথম শ্রেণির যাত্রী আমি। আমি রাঙাবালি যাবোনা, যাবো আমার দ্বীপগাঁয়ে। যা খুব ভোরে স্টপেজ দেয় আমাদের নদীর ঘাটে। এ লঞ্চটি বেশ ভাল। তা ছাড়া লঞ্চের স্টাফরা প্রায় সবাই পরিচিত আমার। সারেং সলেমান আমার গাঁয়েরই ছেলে। তাই এটাতে যেতে প্রেফার করি আমি। আজ কি কারণে যেন দেরী…

বিস্তারিত পড়ুন...

ধান ও রূপসী কাব্য (শেষ পর্ব)

Posted in গল্প ব্যক্তিগত কথাকাব্য শোকগাঁথা

প্রায় একমাসে বাড়ির সবার সাথে পরিচয়ঘটে আমার। আমিনদ্দির ৪ বিবির সবাইকে এখন চিনি আমি। তাদেরকে খালাম্মা বলে ডাকি। এ বাড়ির মহিলারা তেমন পর্দা করেনা। ভিনপুরুষ কৃষাণ শ্রমিকদের সামনে আসতে সঙ্কোচ করেনা তারা। মহিলারাও কাজ করে পুরুষদের মতই। ভেতরে রান্না ছাড়াও তারা বাইরে করে ধানের কাজ, গরুকে ফ্যান পানি দেয়া, হাঁসমুরগির…

বিস্তারিত পড়ুন...

ধান ও রূপসী কাব্য (১ম পর্ব)

Posted in গল্প ব্যক্তিগত কথাকাব্য শোকগাঁথা

ভূমিহীন দরিদ্র কিষাণ আমি। অন্যের জমির ধান কেটে জীবন নির্বাহ করলেও সে বছর এলাকার জমি প্রায় বিরাণ রয়ে গেল। তাই ভুখা আরো প্রকট আকার ধারণ করলো আমাদের চরের দরিদ্র এলাকায়। দারিদ্র্যতার চাপ সহ্য করতে না পেরে কুড়ি বছর বয়সেই ঘরের বাইরে বের হলাম আমি। ঘরে মা বাবা ভাই বোন সবার…

বিস্তারিত পড়ুন...

জলজ্যোৎস্নার স্বয়ম্বরা (৪র্থ তথা শেষ পর্ব)

Posted in গল্প ব্যক্তিগত কথাকাব্য শোকগাঁথা

হাসপাতালে মাসখানেকের চিকিৎসায় অনেকটা সেড়ে উঠি আমরা ৩-জনেই। আসলে জলজ্যোৎস্নার চেয়ে আমরা পুড়েছিলাম বেশি। ছুঁড়ে মারা পেট্রোল যতটা না জলজ্যোৎস্নার শরীরে পড়েছিল, তারচেয়ে বেশি পড়েছিল যারা তার আশেপাশে ছিল তাদের শরীরে। তারপর আগুন লাগার পরপরই আমাদের মাঝের কেউ জলজ্যোৎস্নার শরীর থেকে জ্বলন্ত শাড়ী দ্রুত খুলে ফেলে এবং জল ঢালে মূলত…

বিস্তারিত পড়ুন...

জলজ্যোৎস্নার স্বয়ম্বরা (৩য় পর্ব)

Posted in গল্প ব্যক্তিগত কথাকাব্য শোকগাঁথা

এবং সত্যি প্রতিক্ষিত দিন এলো একক্ষণে। এক স্নিগ্ধ ভরা চাঁদ জ্যোৎস্নারাতে অনুষ্ঠানের দিন ধার্য হলো। উন্মুক্ত চরে চাঁদ ও জেনারেটরের আলোয় প্যান্ডেল সাজানো হলো রাজকীয় দীপোৎসবে। সকলের জন্য অনুষ্ঠান উন্মুক্ত থাকাতে আশপাশ এবং দূরবর্তী এলাকা থেকে অনেকেই নৌকা, নানাবিধ জলযান ও পায়ে হেঁটে উপস্থিত হতে লাগলো। আমার আত্মীয় ও পরিচিত…

বিস্তারিত পড়ুন...

জলজ্যোৎস্নার স্বয়ম্বরা (২য় পর্ব)

Posted in গল্প ব্যক্তিগত কথাকাব্য শোকগাঁথা

পরিচিত কিষাণদের নিজ ক্ষেতের ধানকাটা দেখে মগন জলদাসের বাড়িতে ঢুকলাম। সপ্তপদি কথার পর বাবার সামনেই কন্যা জলজ্যোৎস্নাকে বললাম – বিয়ে করতে চাইছোনা, তো নিজের পছন্দের কেউ আছে নাকি? – না দাদাভাই নেই! সত্যি বলছি! – তো পরিচিত না হলে নতুন কাউকে বিয়ে করবে কিভাবে? স্বয়ংবরা করবে নাকি? – সেটা আবার…

বিস্তারিত পড়ুন...

জলজ্যোৎস্নার স্বয়ম্বরা (১ম পর্ব)

Posted in গল্প ব্যক্তিগত কথাকাব্য

জলজ্যোৎস্নাকে অনার্স প্রথম বর্ষে ভর্তি করাতে বরিশাল আসতে হয়েছে আমাকে। অর্থশাস্ত্রে ভর্তির সুযোগ পেয়েছে সে বরিশাল বিএম কলেজে। জলজ্যোৎস্না হচ্ছে আমার গাঁয়ের মেয়ে! যদিও নদী ভাঙনের কারণে গ্রামটি ভাগ হয়ে অপর একটি চরে বসতি গড়েছে তার দরিদ্র পিতা। জলজ্যোৎস্না হচ্ছে মগন জলদাসের কন্যা। ওর মা জ্যোৎস্নারানী দাস কাজ করতো আমার…

বিস্তারিত পড়ুন...

অলৌকিক ভাষা জ্ঞান এবং তারপর

Posted in গল্প ব্যক্তিগত কথাকাব্য শোকগাঁথা

নদীর তীরে প্রাকসন্ধ্যায় বসে সূর্য ডোবা দেখছিলাম। এমন সময় কে যেন বললো – দাদা আমারে উঠতে একটু সাহায্য করবেন? ডানে বামে পেছনে তাকিয়ে সামনে কোন মানুষ দেখলাম না। দূরে পাল তুলে নৌকোগুলো এদিক ওদিক যাচ্ছে। কে বললো কথাটা! ক্ষণিক পরে আবার একই শব্দ – আরে দাদা আমি! আপনার সামনেই! নদীর…

বিস্তারিত পড়ুন...