Posted in ব্লগ মুক্তচিন্তা সমসাময়িক

বিদ্বেষ-আমরা ও বাস্তবতা ।

যখন সবকিছু আগ্রাসনে জরাজীর্ণ তখন মুক্তির জন্য আঘাত দিতে হয় । আপনার স্তব্ধতা- মৌনতার মাঝে নাড়া দেবার আয়োজন লাগে ।তবে শক্ত হাতে আঘাত হানতে সততা আর বুদ্ধি নিষ্ঠ উদ্যোগ প্রয়োজন । সমাজের যে কোন পরিবর্তনে এর আবশ্যকতা মেনে না নেওয়ার কারণ নাই । মোটামুটি দুই দশক অন্তর অন্তর পরিবর্তন ঘটে…

বিস্তারিত পড়ুন... বিদ্বেষ-আমরা ও বাস্তবতা ।
Posted in ধর্ম-অধর্ম ব্লগ মুক্তচিন্তা

এক্স মুসলিমরা কেন ধর্মকে আঘাত করে ?

প্রশ্নটা ধর্মীয় চেতনাকারি সকলের কাছে একটি স্বাভাবিক প্রশ্ন । এ ধরনের প্রশ্ন করার পিছনে যথেষ্ট যুক্তি আছে । আমাদের দেশে অধিকাংশ ধার্মিকরা কার্যত বিশ্বাসের ধারায় অন্ধভাবে ধর্মীয় রীতিনীতি পালন করে ।কোরান হাদিসে কি বিধান রাখা হয়েছে তা সম্বন্ধে ওয়াকিবহল নয় মোটেও । সামাজিক রীতিটা এমনই হয়েছে । দৃশ্যত কাউকে দোষী…

বিস্তারিত পড়ুন... এক্স মুসলিমরা কেন ধর্মকে আঘাত করে ?
Posted in অন্যান্য ধর্ম-অধর্ম ব্লগ মানবতাবাদ মুক্তচিন্তা

বাইবেলে দাস প্রথা সমর্থন করে কি?

সব সময় ইসলামের অমানবিক বিষয়গুলো আমি তুলে ধরি । এমনটি করার কারন আছে । আমি মূলত ইসলাম ধর্মের পরিবার থেকে বড় হয়ে উঠেছি । এছাড়া ইসলাম ধর্ম বিষয়ক পড়াশুনা আমি স্কুলে পড়ার সময় থেকে করছি । আমি নিজে মনে করি আমার অবিশ্বাসী হিসেবে ইসলাম নিয়ে কথা বলার কারন ঐ একটাই…

বিস্তারিত পড়ুন... বাইবেলে দাস প্রথা সমর্থন করে কি?
Posted in ইতিহাস ধর্ম-অধর্ম ব্লগ

ধার্মীক রোগীরা সাবধান।

প্রাচীন কাল মানুষের ধারনা ছিল দেবতার অভিশাপের কারণেই মানুষ অসুখ বিসুখে আক্রান্ত হতো। আর এই উন্মাদ চিন্তা ভাবনার কারনে সেকালের মানুষ অসুস্হ হলে ছুটে যেতো উপাসানালয়ে । সেখানে পুজা করে ক্ষুব্ধ দেবতাদের তুষ্ট করে আরোগ্য লাভের চেষ্টা করতো । কিন্তু এতে মানুষ আরোগ্য লাভ না করে চিকিৎসার অভাবে মৃত্যু বরণ…

বিস্তারিত পড়ুন... ধার্মীক রোগীরা সাবধান।
Posted in ইতিহাস ধর্ম-অধর্ম ব্লগ মুক্তচিন্তা রাজনীতি সমালোচনা

উদ্বাস্তু

১৯৪৬ সালে ১৬ই অগাস্টে কলকাতার ‘প্রত্যক্ষ সংগ্রাম’ সর্ব প্রথমে,পূর্ববাংলার শিক্ষিত ও সম্ভ্রান্ত হিন্দুদের পূর্ববাংলা ত্যাগের কথা ভাবতে শুরু করিয়েছিলো । পাঠক অবাক হবেন জেনে যে, জিন্না ডিসেম্বর মাসে লণ্ডনে এক ব্রিটিশ মন্ত্রীকে বলে, ‘কলকাতায় দাঙ্গা বাধিয়েছিল হিন্দুরাই’, আর এতে করে পূর্ববাংলার সংখ্যাগরিষ্ঠ মুসলিমদের মধ্যে সংখ্যালঘু হিন্দুরা যেমন অবাক হয়েছিল, তেমনই…

বিস্তারিত পড়ুন... উদ্বাস্তু
Posted in ধর্ম-অধর্ম ব্লগ মুক্তচিন্তা রাজনীতি সমালোচনা

ডিজিটাল সিকিউরিটি এক্ট এবং মুক্ত চিন্তা।

ডিজিটাল সিকিউরিটি এক্ট, মুক্ত চিন্তা ও মত প্রকাশের স্বাধীনতায় বড় বাধা। এ আইনটিকে একটি কৌশলী আইন বলাযায়। যে আইনের মাধ্যমে কৌশলে মুক্তচিন্তা ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতাকে হত্যা করা হয়েছে। ধর্মীয় অনুভূতি রক্ষার নামে ডিজিটাল সিকিউরিটি এক্টে অনুচ্ছেদ ২৮ সংযোজন করা হয়েছে। এ (২৮) অনুচ্ছেদে পরিষ্কার করে বলা হয়নি কি অনলাইনে প্রকাশ…

বিস্তারিত পড়ুন... ডিজিটাল সিকিউরিটি এক্ট এবং মুক্ত চিন্তা।
Posted in ধর্ম-অধর্ম ব্লগ মুক্তচিন্তা সমসাময়িক সমালোচনা

ভারতীয় উপমহাদেশে কেন এই বর্বর ধর্মীয় হিংসা?

হিন্দু মারলে মুসলিম খুশি।  মুসলিম মারলে হিন্দু খুশি। এটা ভারতীয় উপমহাদেশের প্রাচীন সংস্কৃতি। এ আধুনিক সময়ে আমরা ধর্মের নামে মানুষ মারার বর্বর সংস্কৃতিতে রয়ে গেলাম। যখন  দু-চারজন মুক্তমনা এ ধর্মীয় বর্বরতার বিপক্ষে কথা বলে। তখন হিন্দু-মুসলিম এক হয়ে মুক্ত বুদ্ধি চর্চার উপর আক্রমণ করতে। পৃথিবীতে সবচেবেশি ধর্মীয় হিংসা বিদ্যমান ভারতীয়…

বিস্তারিত পড়ুন... ভারতীয় উপমহাদেশে কেন এই বর্বর ধর্মীয় হিংসা?
Posted in ব্লগ সমাজ ও সভ্যতা সমালোচনা

বাঙালির শরীরতত্ব

বাঙালির মত “শরীর সচেতন” পৃথিবীতে আর কোন জাতি থাকলেও থাকতে পারে কিন্তু আমার জানা নেই। সাধারণত কুশলাদি হচ্ছে, হাই হ্যালো কিন্তু বাঙালিদের কুশলাদি আরো গভীর! ‘কেমন আছো’ বলার পরিবর্তে তারা বলবে: শুকনা পাতলা গড়নের মানুষ দেখলেই  ‘আরে তুমি/আপনি তো আরো শুকিয়ে গেছেন বা তুমি এত শুকনা কেনো, খাও না?’ আর স্থূলকায়…

বিস্তারিত পড়ুন... বাঙালির শরীরতত্ব
Posted in ধর্ম-অধর্ম ব্লগ মুক্তচিন্তা সমালোচনা

শয়তানের দেশ সৌদিআরব ও মুনিনের পাথর নিক্ষেপ।

সৌদি-আরবে মুমিনরা শয়তানকে পাথর মেরে ক্লান্ত। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দেখলাম, একজন বয়স্ক ব্যাক্তি অনেক উত্তেজিত হয়ে পাথর মারছে শয়তানকে। আশেপাশের লোকজন ভয়ে সরে যাচ্ছে। তার উত্তেজনায় আতংকিত হয়ে। পাথর মারবে মারুক, এটা তার ধর্মীয় অধিকার। অদৃশ শয়তানকে পাথর না মেরে, দৃশমান একজীবন্ত শয়তানকে মারলে মানবজাতি ও মানবতার অনেক উপকার হতো।…

বিস্তারিত পড়ুন... শয়তানের দেশ সৌদিআরব ও মুনিনের পাথর নিক্ষেপ।
Posted in ব্লগ মানবতাবাদ সমাজ ও সভ্যতা

সন্তান জন্মদানে মায়ের ভূমিকা অনেক অনেক বেশী; তাই মাতৃতান্ত্রিক সমাজ ব্যবস্থাই অধিক যুক্তিযুক্ত। পুরুষের মত নারীদের মাধ্যমেও বংশরক্ষা হতে থাকে।

প্রকৃতিতে নারীর ভূমিকা প্রধান। পুরো জীব জগত দাড়িয়ে আছে নারীর উপর ভর করে।যদি প্রকৃতিতে নারী না থাকতো তবে কোন পুরুষের অস্তিত্ব থাকতো না। পুরুষই প্রকৃতিতে বাহুল্য হতেপারে। কিন্তু নারী কখনই বাহুল্য ছিল না কখনও হবেও না। বরং নারী পুরুষকে বিলুপ্ত করার ক্ষমতারাখে।  বংশ টিকে থাকে নারীর জন্য। প্রকৃতির সব জীবই টিকে আছে নারীর অবদানের কারণে। তাই জীবজগতে  নারীর ভূমিকাই প্রধান। অনেক প্রজাতি আছে যার পুরুষের দরকার হয় না। কার অবদান বেশী সেটা সবারই জানা। তবুও পুরুষ তার বাহুবলে নারীকে বশীভূত করে রেখেছে।নারীর দুর্বলতা কাজে লাগিয়ে সে শ্রেষ্ট সেজেছে। কিন্তু পুরুষ কখনই শ্রেষ্ট ছিল না। এবং সে শ্রেষ্টনয়। মানুষ টিকে থাকে সন্তান জন্ম প্রক্রিয়ার মাধ্যমে। আর এই প্রক্রিয়ায় পুরুষের ভূমিকা কতটুকু?পুরুষের দ্বায়িত্ব শুধু মজাতেই স্বীমাবদ্ধ। কিন্তু নারীর দায়িত্ব মজাতে স্বীমাবদ্ধ নয়। পুরুষ এক ফোটাশুক্র দিয়েই খালাস। আর নারী শুধু এক বিন্দু ডিম্ব দিয়ে খালাস পায় না। সে সেই ডিম্বতে পুরুষেরশুক্রকে স্বযত্নে আগলে রাখে। তাদেরকে মিলে নতুন স্বত্বা তৈরী হতে দেয়। এবং সেই নতুন স্বত্বাকেতার বুকের রক্ত দিয়ে এবং নাড়ির পুষ্টি দিয়ে বাঁচিয়ে রাখে। দিনের পর দিন, রাতের পর রাত তাকেদান করে জীবন বটিকা। নিজের মধ্যে ধরে রাখে। আগলে রাখে সব বিপদ থেকে। তিলে তিলেনিজেকে নিঃশেষ করে গড়ে তুলে এক নতুন জীবনকে। দশ মাস কষ্টে থেকে দান করে এক নতুনপ্রাণ। তারপর অসহ্য যন্ত্রনা সহ্য করে প্রকৃতিকে দেয় একজন পুরুষ অথবা নারী। তাই সমগ্রজীবজগতে নারীর অবদানকে সব থেকে শ্রেষ্টত্ব দিতে হয়। এতে পুরুষের ভূমিকা সূর্যের আলোতেজোনাকির আলোর সমান। নারীর অবদান অসীম। নারীকে দমিয়ে পুরুষ সমাজের অধিপতি হয়েছে। আর বঞ্চিত করেছে নারীকে। বংশ নির্ধারণ করেছেস্বল্প ভুমিকার পুরুষকে কেন্দ্র করে। আর অসীম ভূমিকার নারীকে করেছে বংশের মর্যাদা থেকেবঞ্চিত। অথচ পুরুষ তান্ত্রিক বংশের রীতিটি চরম প্রকারের ভূল প্রক্রিয়া। সন্তানের জন্ম হয় পুরুষের অর্ধের ডিএনএ এবং নারীর অর্ধেক ডিএনএ দিয়ে। পুরুষের শুক্রানুরশুধুমাত্র ডিএনএ-টুকুই নারীর ডিম্বানুতে প্রবেশ করে। আর নারীর ডিম্বানুতে তার ডিএনএ-তোথাকেই উপরন্তু নারীর ডিম্বানুটিই নিষিক্ত হয়ে ভ্রণে পরিণত হয়। অর্থাৎ যদিও পুরুষ শুধুমাত্র ডিএনএদেয় কিন্তু নারী ডিএনএএর সাথে সাথে তার ডিম্বকোষটিও দেয়। উপরন্তু দশ মাস তার রক্ত, পুষ্টিদিয়ে ভ্রুণটিকে মানুষের আকৃতি দান করে। অর্থাৎ সন্তান জন্ম দানে পুরুষের থেকে একশোগুনবেশী অবদান হলো নারীর। এবং পুরুষের শুধু ডিএনএটিই সন্তানে থাকে। অপরদিকে সন্তানেরডিএনএএর অর্ধেক অংশের সাথে সাথে শরীরটিও নারীর দান। তাই সন্তানের উপর পুরুষের চেয়েনারীর অধিকার অনেক অনেক বেশী। আর তাই বংশ ধারা নারীকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠা হাজার গুনযুক্তিযুক্ত। অর্থাৎ সমাজ ব্যবস্থা পিতৃতান্ত্রিক নয় বরং মাতৃতান্ত্রিক হওয়া উচিত। যেহেতু বংশরক্ষার্থে পুরুষ এবং নারীর ভূমিকা সমান সমান (যেহুতু সন্তানের ডিএনএ’তে দুজনেরইসমান অংশ থাকে) তাই সন্তান শুধু পুরুষের বংশ নয় বরং নারীরও বংশ। অর্থাৎ বংশ আসলেপুরুষের হয় না বরং নারী পুরুষ দুজনেরই হয়। অথচ আমাদের সমাজ ব্যবস্থাটি ভূল প্রক্রিয়ার মধ্যদিয়ে গড়ে উঠেছে। এবং পুরুষকে বংশের ধারক বাহক করে দেখিয়েছে। যা আসলে একটি ভূলপ্রক্রিয়া। যদি বংশের ধারা দেখাতেই হয় তবে নারী পুরুষ দুজনেরই দেখাতে হবে। অর্থাৎ সন্তান শুধুবাবার বংশ হবে না মার বংশও হবে। সহজ কথায় সন্তান বাবা এবং মায়ের বংশ ধারণ করে। কিন্তুসমাজ ব্যবস্থায় যেভাবে সন্তানকে বাবার বংশ বলে দাবী করা হয়, সেটি সত্য নয়। বরং সন্তান আসলেবাবা মা দুজনেরই বংশ। তাই বংশ রক্ষার্থে শুধু ছেলের ঘরে সন্তান জন্মালেই যে বংশ রক্ষা হবে সেটিসঠিক নয় বরং মেয়ের ঘরের সন্তানও বংশের অংশিদার। অর্থাৎ একজন মানুষের বংশ হলো তারছেলের ঘরের ছেলেমেয়ে এবং তার মেয়ের ঘরের ছেলেমেয়ের সমষ্টি। যদি বংশের ধারা কোন এক বিশেষ প্রজাতির মানুষের উপর বর্তায় তবে তার দাবীদার একমাত্র মা বানারী। কারণ পুরুষের অর্ধেক ডিএনএ নিয়ে এবং মায়ের অর্ধেক ডিএনএ নিয়ে সন্তান জন্ম নেয়ঠিকই কিন্তু মা তার শরীরের ডিম্বদেহটিও দান করে। শুধু তাই নয় সে তার দেহ থেকে রক্ত এবং পুষ্টিদিয়ে সন্তানকে তিলে তিলে গড়ে তুলে। অর্থাৎ বাবার চেয়ে সন্তানের দেহের উপর মার অধিকারশতগুন বেশী। আর তাই বংশ রক্ষা পদ্ধতিতে যদি কারো মাপকাঠি নির্ধারিত হয় তবে সেটি নারী।পুরুষ নয়। যদিও পুরুষ তার বাহুবলে এই পদ্ধতিটি প্রতিষ্ঠিত করেছে। কারণ পুরুষ উপার্জন করেনারীকে খাইয়েছে। নারী পুরুষের উপর নির্ভরশীল থেকে সন্তান জন্ম দেয় তাই বংশের ধারাটিপুরুষকে ভিত্তি করে দাড়িয়েছে। আর এই রীতিটি পুরুষই করেছে। পুরুষের ভূমিকা যদিও নারীকেভরণ পোষনের মাধ্যমে কিন্তু বাস্তবে সন্তান জন্মদানে পুরুষের এসব ভূমিকা কাজে লাগেনি। বরংনারী বেঁচে থাকতে যা গ্রহন করেছে তার মধ্য থেকে সে তার সন্তানটিকে দান করে সন্তানের জন্মদিয়েছে। পুরুষ তার ভিতর থেকে কিছু দেয়নি। পুরুষ শুধু নারীটিকেই দিয়েছে। আর নারী তারঅংশটি থেকেই সন্তানকে দান করেছে। তাই কোন ভাবেই সন্তান জন্মানোর ক্ষেত্রে পুরুষের সরাসরিকোনই ভূমিকা নেই। অথচ নারীর ভূমিকা তার দেহগত। সন্তান হলো নারীর শরীরের অংশ। পুরুষেরশরীরের তুচ্ছ একটা অংশই শুধু ব্যবহৃত হয় যা তার দেহ থেকে বের হয়ে যায়। অথচ  নারী তারশরীরের অংশ থেকেই সন্তানকে তিলে তিলে গড়ে তুলে। অর্থাৎ সন্তান আসলে নারীর শরীরেরইঅংশ। তাই সন্তানের উপর মায়ের অধিকারই বেশী এবং সেটা অনেক অনেকগুন বেশী। আর তাইবংশরক্ষা নারীকে কেন্দ্র করেই হওয়া উচিত। যদিও বংশ রক্ষা আসলে নারী পুরুষের দুজনেরকারণেই হয় এবং সন্তানের উপর নারী পুরুষের সমান অধিকার থাকে (যেহেতু সন্তানের ডিএনএতেনারী পুরুষের সমান অংশ থাকে) কিন্তু তারপরও যদি সন্তানের বংশের কৃতিত্ব একজনকে দেওয়া হয়তবে তা মা বা নারীকে দিতে হয়। বাবা বা পুরুষকে নয়। আর তাই পুরুষতান্ত্রিক সমাজ ব্যবস্থা বা পুরুষকে কেন্দ্র করে বংশধারার রীতিটি পুরোটাই ভূলপ্রক্রিয়া। অথচ পুরুষের দ্বারা শাসিত সমাজে নারীকে বঞ্চিত করা হয়েছে শুধু সামাজিক মর্যাদাথেকেই নয় বরং তার অসীম অবদানকেও অস্বীকার করা হয়েছে। সমাজ ব্যবস্থা টিকে আছে সম্পূর্ণইনারীর উপর নির্ভর করে। পুরুষ শুধু একটি উপাদান মাত্র। নারীই প্রকৃতির কাছে ধর্তাকর্তাজীবজগতের টিকে থাকার ক্ষেত্রে। যদি নারী না থাকতো তবে পুরুষের জন্ম হতো না। আর পুরুষেরপক্ষে সম্ভবও হতো না নারীর সাথে মিলিত হয়ে বংশ রক্ষা করতে। বিবর্তন আমাদের জানাচ্ছেপ্রকৃতিতে পুরুষ নয় বরং নারীই প্রধান। জীব সৃষ্টির প্রথম দিকে কোন পুরুষ ছিল না ছিল শুধু মাঅর্থাৎ নারী। নারীর মধ্য থেকেই পুরুষ প্রজাতির জন্ম। কালক্রমে নারীর পাশাপাশি পুরুষের ভূমিকাগুরুত্বপূর্ণ হয়েছে। এজন্যই জীবজগতের টিকে থাকতে পুরুষের ভূমিকা সামান্যই (কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ)থাকে। অথচ এই পুরুষ প্রজাতির মানুষটিই পরে তার বাহু বলে সমস্ত জীবজগতকে দখলে নিয়েছে।আর বঞ্চিত করেছে নারীকে। কালক্রমে নারী বঞ্চিত হতে হতে পুরুষের দাসে পরিণত হয়েছে। অথচপুরুষ ভূলে গেছে তার টিকে থাকাটা সম্পূর্ণই নারীর উপর নির্ভরশীল। বরং সে নারীকে সেটাজানতেও দেয়নি। সে নিজেও ধরে নিয়েছে তার অস্তিত্ব টিকে আছে তার নিজেরই অবদানে। অথচতাদের ধারণাটি পুরোই মিথ্যা। বরং নারীই পুরুষের অস্তিত্বের জন্য প্রধান কারণ। এবং পুরুষের জন্মহয়েছে নারীর দেহ থেকেই। যা কিছু পুরুষের তার ৮০%ই নারীর কাছ থেকে পাওয়া(তুলনামূলকভাবে)। ফলে বংশের দাবীদার পুরুষ কখনই ছিল না, এখনও নেই এবং ভবিষ্যতেও হতেপারবে না। আমাদের ভূলে গেলে চলবে না যে, বংশ রক্ষা হয় পুরুষের ডিএনএর অর্ধেক এবং নারীর অর্ধেকডিএনএ থেকে। এবং সাথে সাথে নারী তার শরীরের অংশ দিয়ে সন্তানকে গড়ে তুলে। বংশ নির্ধারণহয় নারী পুরুষের দুজনেরই সমান বংশ নির্ধারনকারী ডিএনএ থেকে। তাই বংশ শুধু পুরুষের হয় নাবরং বংশ হয় নারী পুরুষের দুজনেরই। তাই পুরুষই বংশের ধারক বাহক এই ভ্রান্ত ধারণাটির কোনইভিত্তি নেই। বরং ছেলে এবং মেয়ে দুজনই বংশের ধারক এবং বাহক। পুত্রের বংশধর এবং কন্যারবংশধর মিলেই কোন মানুষের বংশ নির্ধারিত হয়। একজন মানুষের বংশ তার পুত্র এটা যেমন ঠিকতেমনি তার বংশ তার কন্যাও। আর তাই পুত্রের সন্তানের সাথে সাথে কন্যার সন্তানও বংশের অংশ।এবং দুটোই সমান ভাবে। আর তাই আমাদের সমাজে যে ধারণাটি প্রচলিত যে,”পুত্র সন্তানই বংশের ধারক বাহক; কন্যা সন্তানবংশের ধারক বাহক নয়” এই ধারণাটি সম্পূর্ণই ভিত্তিহীন। বরং বংশ রক্ষার্থে পুত্র এবং কন্যা দুজনইসমান ভূমিকা রাখে। পুত্রের বংশধরও যেমন একজনের বংশের অংশিধার ঠিক একইভাবে কন্যারবংশধরও ওই মানুষটির বংশধর। দুজনই সমান ভাবে মানুষের বংশের অংশিধার হয়। এটাই প্রকৃতিররীতি। তাই পুরুষের বানানো পুরুষের বংশপদ্ধতির কোনই ভিত্তি নেই। এটি পুরোটই মিথ্যের উপরদাড়িয়ে আছে। তাই পুরুষই বংশের কেন্দ্র এমনটি ভাবার কোনই ভিত্তি নেই। বরং এগুলো হলোমানুষের অজ্ঞতা। বিশেষ দ্রষ্টব্যঃ অনেক মানুষই আছে যারা মনে করে তাদের পুত্র সন্তানই কেবল তাদের বংশ রক্ষাকরে। কন্যা সন্তান তাদের বংশ রক্ষা করে না। তারা ভাবে তাদের কন্যাগণ শুধুমাত্র অন্য কোনপুরুষের বংশ রক্ষার্থে ভূমিকা রাখে। এজন্য অনেক পুরুষই আছে যে পুত্র সন্তান না হবার জন্যআফসোস করে বেড়ায়। তারা ভাবে পুত্র সন্তান না থাকলে তার বংশ রক্ষা হবে না। এজন্যই যাদেরশুধু কন্যা সন্তান রয়েছে তারা ভাবে তাদের বংশ রক্ষা হলো না। অনেকেই পুত্র সন্তানের জন্য একেরপর এক সন্তান নিতে থাকে। ফলে অনেক ক্ষেত্রেই তারা সন্তানকে ভালো করে লালন পালন করতেপারে না। অথচ তারা জানেই না যে তাদের বংশ রক্ষা তাদের পুত্রদের সাথে সাথে কন্যারাও করে।এবং যাদের শুধুমাত্র কন্যা তাদের বংশ রক্ষা কন্যাদের মাধ্যমেই হয়। এটাই প্রকৃতির নিয়ম। বিজ্ঞানআমাদের চোখে আঙ্গুল দিয়ে দেখিয়ে দিচ্ছে বংশ রক্ষা ছেলে মেয়ে দুজনের মাধ্যমেই ঘটে।আমাদের আধুনিক বিজ্ঞান আমাদের জানিয়ে দিচ্ছে বংশের ধারণ বাহক যেমন পুরুষ ঠিক একইভাবে নারীও বংশের ধারক এবং বাহক। বরং নারীদের মাধ্যমে যদি বংশ নির্ধারণ হতো তবে সেটাইহতো যুক্তিযুক্ত। অপর দিকে পুরুষের দ্বারা বংশ নির্ধারণের প্রক্রিয়াটি ভ্রান্তিযুক্ত এবং ভিত্তিহীনঅযৌক্তিক। টিটপ হালদার 

বিস্তারিত পড়ুন... সন্তান জন্মদানে মায়ের ভূমিকা অনেক অনেক বেশী; তাই মাতৃতান্ত্রিক সমাজ ব্যবস্থাই অধিক যুক্তিযুক্ত। পুরুষের মত নারীদের মাধ্যমেও বংশরক্ষা হতে থাকে।